
Name: আব্দুর রহমান আবিদ
Posts by আব্দুর রহমান আবিদ:
দুই রাণী
March 14th, 2010[সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ “দলীয় অন্ধ সমর্থন রাজনৈতিক সুস্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর”। উপদেশটি দল-মত নির্বিশেষে সকল সুনাগরিকের জন্যে যদিও সমানভাবে প্রযোজ্য, তথাপি নিজের জান-মালের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে বিএনপি বা আওয়ামীলীগ নেতৃত্বের প্রতি অন্ধ, এমন পাঠকদেরকে ছড়াটি না পড়ার জন্যে সবিনয় অনুরোধ করা যাচ্ছে।]
একদেশে দুই রাণী, নেই কোনো রাজা।
প্রজাকূল রাতদিন হচ্ছে যে ভাজা-
বালি ভাজা মুড়ি আর ভাজা চিড়ে, খই
তেলে ভাজা মাছ যেমন- পুটি আর কৈ।
ভাজা ভাজা হচ্ছে যে প্রতিটি মানুষ
রাণীদ্বয় ঘিরে থাকে যত অমানুষ।
ঘটি-বাটি, বোতল আর কলসে কলস
তৈল মর্দনিছে হাঁপুস-হুঁপুস;
যত তৈল, যত বোল, তত দেবো ভাগ;
সত্যি কথায় হন- রাণীদ্বয় রাগ।
দিনরাতের তৈলে তারা তৈলাক্ত,
মোসাহেবদের ভীড় ঠেলে কাছে যাওয়া শক্ত।
।।……একুশ তুমি।।
February 25th, 2010“একুশ তুমি……” সবাই রচেন, আছেন যত কবি;
আমি ভাবলাম ব্যতিক্রমটা চেষ্টা করে দেখি।
“একুশ তুমি……” শুরুতে নয়, রাখবো তাকে শেষে;
শতেক কথার কাব্যমালা গাঁথবো একখানা কষে।
শিশির ভেজা সবুজ ঘাসে আলতো হাঁটি আমি;
মনটা আমার ছেঁয়ে থাকো শুধুই একুশ তুমি।
ঈষান কোনে মেঘের ভেলা, সুর্য হাসে রাঙী-
প্রাণে আমার দোলাটি দাও, সেওতো একুশ তুমি।
মুখের ভাষায় এত যে স্বাদ, বুঝিনি আগেতো আমি;
প্রতিটি কথায় মধু মাখাও যেন একুশ তুমি।
এলো-মেলো যে যাই বলুক, কানেতে যখন শুনি-
শব্দগুলো মধুর লাগে জেনো একুশ তুমি।
আবারও রঙ (হাউস কালার?)
February 21st, 2010ক্যাডেট কলেজ ব্লগে লগ-ইন’এর প্রথম দিনে আমার লেখা প্রথম ব্লগটা ছিল এবারের বই-মেলায় প্রকাশিত আমার প্রথম বই “আমেরিকার গল্পঃ রঙ দিয়ে যায় চেনা” সম্পর্কে পরিচিতমূলক একটা লেখা। লেখাটার ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে এফসিসি’র প্রাক্তন ক্যাডেট, সানাউল্লাহ ভাই জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমার বইয়ের প্রচ্ছদে শোভা পাওয়া চারটা রঙ কোনো কারনে ফৌজদারহাটের চারটা ‘হাউস কালার’এর কাছাকাছি নয়ত?
বিশেষ নাগরিক সুবিধা ও এন.আর.বি. এ্যাপ্লিক্যান্ট্স্
February 11th, 2010[ব্যাকগ্রাউন্ডঃ রেমিটেন্স প্রেরণকারী প্রবাসী বাংলাদেশীদের যারা ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরে ন্যুনতম ৫,০০০ মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বৈধভাবে বাংলাদেশে প্রেরণ করেছিলেন, ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে বিশেষ নাগরিক সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে আগ্রহী প্রবাসীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র আহবান করা হয় ২০০৮-এর জুন মাসে। দুই ভাগে ভাগ করা হয় এন.আর.বি. (নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশী) এ্যাপ্লিক্যান্টদের-
i) ‘ক’ শ্রেণী- ১০০,০০১ বা তদুর্ধ্ব মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী
ii) ‘খ’ শ্রেণী- ৫,০০০~১০০,০০০ মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী
বিডিআর বিদ্রোহ ও রাজনীতির কচড়া
February 5th, 2010[মুখবন্ধঃ ছড়াটা লেখা শুরু করেছিলাম বিডিআর বিদ্রোহের মর্মান্তিক ঘটনার কিছুদিন পরপরই, যদিও সেসময় পুরোটা শেষ করা হয়নি। যে কোনো কারনেই হোক, সেসময় ই-ফোরামগুলোতে প্রকাশের জন্যে ছড়াটা কেন জানি পাঠানো হয়নি। সম্প্রতি কম্পিউটারে আমার পুরোনো লেখার ফোল্ডারগুলো ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে হঠাৎ করেই ছড়াটা খুঁজে পেয়ে মনে হলো ই-ফোরামগুলোয় প্রকাশের জন্যে ছড়াটা পাঠানো উচিত, যদিও ঘটনাটা ইতিমধ্যেই অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। আরেকটা কথা, আমার এ ছড়াটা কোনো রাজনৈতিক মোটিভেশন থেকে রচিত নয়। ব্যক্তিগত পছন্দ ও রাজনৈতিক মতাদর্শের কারনে আমি যদিও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন নীরব বা মৌন সমর্থক, কিন্তু আমার ব্যাক্তিগত বিচারে পিলখানায় বিডিআর কর্তৃক শতাধিক সামরিক অফিসারকে হত্যা করা ও খুনীদের অবাধে পালিয়ে যাওয়া প্রকারান্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের চরম অদূরদর্শিতা, নির্বুদ্ধিতা ও সীমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় বহন করে। জানিনা বিএনপি সেসময় সরকারে থাকলে এর চেয়ে ভাল কিছু করতে পারতো কিনা। বিএনপি’র যে কোনো গোঁড়া সমর্থক হয়ত সাথেসাথেই জোর গলায় বলে উঠবেন- “অবশ্যই পারতো”। যদিও সঠিক করে কিছু বলা সত্যিই কঠিন যেহেতু বিএনপি সরকার পরীক্ষাটার সম্মুখীন হয়নি, তারপরও বুকে দিয়ে নিজেকে নিজে জিজ্ঞেস করলে দেখবেন- ‘বিবেক মনে হয়না ততটা ভরসা পায়’।]
আমেরিকার গল্পঃ রঙ দিয়ে যায় চেনা
February 1st, 2010
“আমার ঘোল্ সবচেয়ে ভাল”- বাজারের তাবৎ ঘোল্ বিক্রেতার প্রত্যেকের দাবী যদিও সন্দেহাতীতভাবে তাই, কিন্তু বাস্তবে সবার ঘোলই কি আর খেতে অত সুস্বাদু? তবে পাড়ার ভোজনরসিক গোপাল কিম্বা আচারী পন্ডিত মশাই যদি বাজারের কারো ঘোল্ চেখে তা ভাল বলেন, তাহলে ঐ ঘোল্ যে খানিকটা ভাল হওয়ার কথা, তা বোধহয় আশা করা যায়- হোকনা ঐ ঘোল্ বিক্রেতা বাজারে নতুন নাকি পুরাতন।
‘অঙ্কুর প্রকাশনী’র ইফতেখার সাহেবের সাথে গতবার এক-আধটু ইমেইল চালাচালি হয়েছিল। সেই ভরসায় এবার ফোন করলাম। উনি অফিসে ছিলেন না। ওনার এক সহযোগী ফোন ধরলেন। সুদূর আমেরিকা থেকে ফোন করেছি জেনেও গলার স্বরের ঝাঁঝ তিনি সামান্যও কমালেননাঃ
: কি নাম বললেন?
আমার এ কারাবাস
January 6th, 2010||আমার এ কারাবাস||
কারাগারে বাস আমার, সাথী তিন দস্যু;
রাত-দিন অত্যাচারে জীবন ক্ষয়িষ্ণু।
বড়জন লম্বাটে, চোখে আঁটা চশমা;
শোনেনা তো কোনো কথা, বেজায় সমস্যা।
ভাল কথা বললেও, তেড়ে আসে সজোরে;
ভয়ে থাকি কখন আমি পড়বো যে নজরে।
খেলাধূলা তার প্রিয়, হলে তাতে কমতি,
শাষিয়ে আমায় যায় প্রয়োজনের বাড়তি।
আমতা আমতা করে সবে আমি সাঁই দিই,
মুক্তির আশা নিয়ে কষ্টটা মেনে নিই।
মেজ জন মানী খুব, ধরাকে তার সরা জ্ঞান;
রাগলে সে খবর আছে, ভয়ে আমি অজ্ঞান।
হেরফের কিছু হলে, বাঁধাবে যে কান্ড!
ভেঙ্গে-চুরে তচ্নচ্, রাগ যে প্রচন্ড।
সাধ্যি কি কারও আছে, সামনেতে দাঁড়াবে?
নাকি, চড়-কিলের বন্যায় পিঠটাকে বাঁচাবে!
আমতা আমতা করে সবে আমি সাঁই দিই,
মুক্তির আশা নিয়ে কষ্টটা মেনে নিই।
অসহিষ্ণুতার শেকড়
December 15th, 2009
ধর্মীয় বিভাজন ও অসহিষ্ণুতার শিক্ষা- কতদূর প্রোথিত এর শেকড়?
ডাক্তার সেগাল (Segal) আমার খালাতো বোন হ্যাপীর প্রথম ভাড়াটে। হ্যাপীরা তখন থাকতো নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে। নিউ ইয়র্কে বাড়ির দাম আকাশ ছোঁয়া বলেই হোক কিম্বা আমি তখন নিউ জার্সি থাকি বলেই হোক, হ্যাপীরা সাউথ জার্সির ভুর্হিস্ (Voorhees) শহরে হুট করে সুইমিং পুলসহ সুবিশাল এক বাড়ি কিনে ফেললো। থাকার জন্যে না, বরং বাড়িটা ওরা কিনলো ইনভেষ্টমেন্ট হিসেবে। কেননা হ্যাপীর স্বামী আজাহার ভাই ইউ.এস. আর্মিতে চাকরি করেন এবং যদ্দিন তিনি আর্মিতে আছেন, তাকে ঘুরে ঘুরে আর্মি পোষ্টগুলোতেই থাকতে হবে। ব্রুকলিন থেকে সাউথ জার্সির দূরত্ব না হলেও একশ’ মাইলের উপরে। হ্যাপীদের পক্ষে তো আর অতদূর থেকে এসে বাড়ির দেখাশোনা করা সম্ভব নয়। একটা প্রপাটি ম্যানেজমেন্ট কোম্পানীকে এককালীন একটা পেমেন্ট-এর বিনিময়ে ভাড়াটে খুঁজে দেয়ার দায়ীত্ব দিলো ওরা এবং বাড়ির দেখাশোনার দায়ীত্ব দিলো আমাকে। ডাক্তার সেগাল কোলোরাডো থেকে সাউথ জার্সির কুপার হসপিটালে চাকরি নিয়ে মুভ করে এলেন এবং হ্যাপীর বাড়ি ভাড়া নিলেন।
Pat Robertson Said It Again, But What’s With Bob McDonnell?
December 3rd, 2009After the shooting rampage at the Fort Hood Army post in Texas by Major Nidal Malik Hasan, a Palestine-origin Muslim American serving the U.S. military who was critical of U.S. military activity in Iraq and Afghanistan, Pat Robertson, a renowned Christian evangelical leader, said on his TV show on November 9, “Islam is a violent, I was going to say religion, but it’s not a religion. It’s a political system.” He then further added, “It’s a violent political system bent on the overthrow of the governments of the world and world domination. That is the ultimate aim.”
