Shodalap

An inclusive e-journal for Bangladeshis for home and abroad
Subscribe

Posts by ফারুক:

    এক পুরুষ = ২ মহিলা?

    March 19th, 2010

    কয়েকদিন আগে একটা পোস্ট লিখেছিলাম শুধুমাত্র কোরান অনুসরন করলে মুশ্কিল কোথায় জানার জন্য। সেখানেও উঠে এসেছে এক পুরুষের সাক্ষ্যর সমান দুই মহিলার সাক্ষ্য। হাদীসের কথা বলতে পারিনা, তবে কোরানের আয়াত কে যে ভুলভাবে উপস্থাপন করে এক পুরুষ = ২ মহিলা, এই প্রচার চালানো হচ্ছে তাতে কোন ভুল নেই।

    মহিলাদের স্মৃতিশক্তি নিশ্চয় পুরুষের থেকে দুর্বল নয় যে, দুইজন নারীর সাক্ষ্য একজন পুরুষের সাক্ষ্যের সমান হবে!! এই অর্থে কোরান বিদ্বেষী বা স্কেপ্টিকদের সমালোচনা যৌক্তিক। এই সমালোচনার জবাব দেয়ার আগে, চলুন দেখা যাক কোরানে আসলেই কি বলা হয়েছে-

    1 Comment "

    নাসেখ ও মানসুখ – আরো কিছু আয়াত

    March 15th, 2010

    আয়াত [২:১১৫] এ বলা হয়েছে যে-

    ‘পূর্ব পশ্চিম সর্বত্রই আল্লাহ্‌ বিদ্যমান; এবং যে দিকেই তোমরা মুখ ফিরাও না কেন সে দিকেই আল্লাহ্‌র উপস্থিতি বিদ্যমান। আল্লাহ্‌ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ।’

    এবং আয়াত [২:১৪৪] তে বলা হয়েছে- …. তোমাকে এমন কিবলার দিকে ফিরাইয়া দিতেছি যা তোমাকে সন্তুষ্ট করবে। অতএব তুমি মসজিদুল হারামের দিকে মুখ ফিরাও। তোমরা যেখানেই থাক না কেন উহার দিকে মুখ ফিরাও ….।

    দাবী করা হয় যে, ২:১৪৪ আয়াত নাযিল হওয়ার পরে ২:১১৫ আয়াত মানসূখ বা রহিত হয়ে গেছে এবং কিছু নাস্তিকেরো দাবী আয়াতদুটি সাংঘর্ষিক। এই দাবীর পিছনে যুক্তি হলো, ২:১১৫ অনুযায়ী আল্লাহ যে কোন দিকে ফিরে নামাজ পড়ার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং এই আয়াত রহিত হয়ে যায় যখন আল্লাহ ২:১৪৪ আয়াত নাযিলের মাধ্যমে কিবলা মসজিদুল হারামের দিকে ফিরে নামাজ পড়তে বলেন।

    3 Comments "

    নাসেখ এবং মানসূখ আয়াতসমূহ

    March 13th, 2010

    মুনিম বলেছেন, “আপনি নাসেখ মানসূখকে অস্বীকার করতে পারবেন না। কারণ আপনি যদি মদ হারাম হওয়ার তিন আয়াত ও বিধবাদের স্বামীর ঘরে অবস্থানের দুই আয়াত পাশাপাশি রেখে বিবেচনা করে দেখেন তবে বিষয়টি পানির মত পরিষ্কার হয়ে ভেসে উঠবে, পূর্ববর্তি আয়াত পরবর্তি আয়াত দ্বারা রদ করা হয়েছে।”

    তাই কি? দেখি কি লেখা আছে আয়াতগুলোতে। মদের ৩ আয়াত- মদ সম্পর্কে প্রথমে বলা হলো-

    ২১৯।সুরা বাকারা। তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বল, ‘এগুলির মধ্যে রয়েছে মহাপাপ এবং মানুষের জন্য কিছু লাভ। কিন্তু লাভ অপেক্ষা পাপ অনেক বেশী।’

    ২য় ধাপে বলা হলো-

    No Comments "

    নাসেখ ও মানসূখ – প্রচারনা

    March 10th, 2010

    নাসেখ মানসূখ চালু হয় ৪০০ হিঃ বা ১০০০সনের শেষের দিকে তখনকার কিছু আলেম ওলামা কতৃক , যাদের অন্যতম আহমেদ বিন ইশাক আল দিনারি(মৃঃ ৩১৮ হিঃ), মোহাম্মদ বিন বাহার আল-আসবাহানি (মৃঃ ৩২২হিঃ) , হেবাতাল্লাহ বিন সালামাহ (মৃঃ ৪১০হিঃ) এবং মুহাম্মাদ মূসা আল-হাজমি (মৃঃ ৫৪৮ হিঃ)। তাদের দাবী , কোরানের কিছু আয়াত বাতিল বা প্রতিস্থাপিত হয়েছে কোরানের অন্য আয়াত দ্বারা। যে আয়াত অন্য আয়াতকে বাতিল করেছে , তাকে বলা হয় ‘নাসেখ’ এবং বাতিলকৃত আয়াত – ‘মানসূখ’।

    আসলেই কোরানের কোন আয়াত মানসূখ বা বাতিল হয়নি এবং কোরানের দুটি আয়াতের মধ্যে কোন বিরোধ নেই। অমুসলিমরা ও কোরানস্কেপ্টিকরা এই আয়াতগুলি ব্যবহার করে দুটি আয়াতের ভিতরে বিরোধ দেখিয়ে এটা প্রমান করতে যে , কোরান পারফেক্ট নয় ।

    6 Comments "

    স্ত্রী প্রহার!

    March 8th, 2010

    গতকাল একটি পোস্ট দিয়েছিলাম কোরানানুযায়ী জীবনযাপন করলে মুশ্কিল্টা কি তা জানার জন্য। কোরান স্কেপ্টিকরা কয়েকটি মুশ্কিলের কথা জানিয়েছেন, যার অন্যতম স্ত্রী প্রহার। আজ স্ত্রী প্রহার নিয়ে আলোকপাত করব। বাকিগুলো নিয়ে ভবিষ্যতে লেখার ইচ্ছা থাকল।

    25 Comments "

    রজম

    March 1st, 2010

    ব্যভিচারের শাস্তির শরীয়া আইনের বিধান আসলে বানরদের জন্য, যেটা বাইবেল থেকে নেয়া

    শরীয়া আইনের নির্দেশ হলো – ব্যভিচারি ও ব্যভিচারিনীকে পাথর ছুড়ে মেরে ফেলতে হবে। যদি তারা অবিবাহিত হয় , তবে প্রত্যেকের শাস্তি ১০০ বেত্রাঘাত।

    এই আইন দিয়ে ইসলামি উলেমারা ইসলামকে জনসমক্ষে হেয় করেছেন। কারন আগেই বলেছি , কোরানের কোথাও পাথর ছুড়ে মৃত্যুদন্ডের বিধান নেই। তবে আমাদের উলেমারা মুসলমানদেরকে বিশ্বাস করানোর জন্য একটি গল্প ফেদেছেন , আর তাহলো পাথর ছুড়ে মৃত্যুদন্ডের কোরানের আয়াতটি যে পর্চামের ওপরে লেখা ছিল , মুহাম্মদের মৃত্যুর পরে ছাগল পর্চামটি উমরের বালিশের তলা থেকে বের করে খেয়ে ফেলেছিল।(সহি ইবনে মাজাহ ৩য় খণ্ড হাদিস নং ১৯৪৪)

    8 Comments "

    কয়েকটি প্রচলিত হাদীস ও বাইবেল

    February 27th, 2010

    অনেক হাদীসের বানীগুলোর উৎস বাইবেল, কোরান নয়। এগুলো সম্ভব হয়েছে ইসলামের ১ম ২০০-৩০০ বছর দ্রুত ইসলামি রাজ্যের বিস্তারলাভের ফলে তৎকালীন খলিফা ও ইসলামি পন্ডিতগন ব্যপকভাবে খৃষ্টানদের সংস্পর্শে এসে বাইবেল কতৃক প্রভাবিত হয়ে ভূয়া হাদীস ও সুন্নাহর প্রচলন করার মধ্য দিয়ে। আমরা কোরানের আয়াত থেকে জানি আমাদের রসূল পূর্ববর্তী কেতাবসমূহ পড়েননি, তিনি শুধু কোরানকেই অনুসরন করতে আল্লাহ কতৃক আদীষ্ট ছিলেন। আজকের অনেক হাদীস ও সুন্নাহ পর্যালোচনা করলে দেখতে পাই, এগুলো কোরানে খুজে পাবেন না, কিন্তু বাইবেলে অনেক ক্ষেত্রেই হুবহু খুজে পাবেন।

    সুরা আল-ইমরান ৩:১০০ হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি আহলে কিতাবদের কোন ফেরকার কথা মান, তাহলে ঈমান আনার পর তারা তোমাদিগকে কাফেরে পরিণত করে দেবে।

    9 Comments "

    একটি সাধারন প্রশ্ন

    February 23rd, 2010

    এক ফোরামে দেখলাম একজন এই প্রশ্নটি করেছেন।

    একটি সহজ প্রশ্ন সকলের সামনে রাখতে চাই নিচের এই কোটেশন দিয়ে:

    “আল্লাহ : ‘আমি কোরানের সংরক্ষক’।”
    “বুখারি : ‘নবীর মৃত্যুর পর পরি একটি ছাগল কোরানের এক বা একাধিক আয়াত খেয়ে ফেলে’।”

    এবং বেশিরভাগ মুসলমানেরি দাবী কোরান ও বুখারির হাদিস দুটিই সঠিক , তাহলে তাদের চোখে এই সহজতম কন্ট্রাডিক্শনটা ধরা পড়ে না কেনো?

    মুনিম নামের এক ব্লগার আরো পরিস্কারভাবে প্রশ্নটির ব্যাখ্যা দিয়েছেন-
    যাই হোক ঐ হাদিসটি বুখারীর নয়। ইবনে মাজাহ ৩য় খণ্ড হাদিস নং ১৯৪৪
    এখানে প্রশ্ন হলো আল্লাহ যেখানে কুরান হেফাজতের ওয়াদা করেছেন সেই জায়গায় রজমের আয়াত কুরানে নাই কেন?
    এত বড় একটি শাস্তির কথা অবশ্যই কুরানে থাকতে হবে।

    10 Comments "

    গাজ্জালী (১০৫৮-১১১১ খৃঃ) -একের ভিতর দুই। (২)

    February 22nd, 2010

    “তোমরা ঘুনাক্ষরেও কোরান বোঝার চেষ্টা করবে না , তাহলে পথভ্রষ্ট হবে। কোরান বুঝতে হলে ১৫ ‘উলুম’ বা জ্ঞান জানা প্রয়োজন।” – মাওলানা জাকারিয়া কান্ধালি , ফাজায়েল আমল।

    কি সেই ‘উলুম’ যা না জানলে কোরান বোঝা যাবে না। আসুন গাজ্জালীর “এহইয়াউল উলুমদ্দিন”-ভলুম২ থেকে কিছু জ্ঞান আহরন করি।

    ” খাওয়া শেষ হলে কাপ প্লেট চেটে , পানি দিয়ে ধুয়ে , সেই পানি খেলে , একটি দাস মুক্ত করার সওয়াব পাওয়া যায়। যে কাপড় বিছিয়ে খাবার খাওয়া হয় , তার উপরে পড়ে থাকা খাবার খেলে জীবন সুন্দর হয় , সন্তানেরা সুস্থ থাকে এবং বেহেস্তের হুরীদের জন্য বিবাহের উপহার হয়।” কি সুন্দর উপহার!!

    20 Comments "

    Copy from source for Gazzali

    February 22nd, 2010

    Darse nizami

    same

    Omar

    4 Comments "