নাম নির্বাচন পদ্ধতি
[Editor's note: This article lacks reference and makes a number of conjectures. Shodalap does not encourage unsubstantiated claims in the name of Islam.]
[Editor's note: This article lacks reference and makes a number of conjectures. Shodalap does not encourage unsubstantiated claims in the name of Islam.]
১. শয়তান সম্পর্কে মানুষকে আল্লাহর সতর্কবাণী। মহান আল্লাহ মানুষকে তাঁর সৃষ্টির মধ্যে অতি উচ্চ মর্যাদা দান করেছেন, সম্মানিত করেছেন তাকে অনেক গুণ বৈশিষ্ট্য দিয়ে। তিনি বলেছেন:
“আর আদম সন্তানদের আমি দান করেছি সম্মান ও মর্যাদার আসন। তাদের পরিবহনের ব্যবস্থা করে দিয়েছি স্থলভাগ এবং জলভাগে। তাদের জীবন যাপনের উপকরণ হিসেবে সরবরাহ করেছি যাবতীয় উত্তম সামগ্রী। আর আমার অনেক সৃষ্টির উপরই তাদের প্রদান করেছি শ্রেষ্ঠত্ব।” (সূরা ১৭ ইসরা: আয়াত ৭০)
পবিত্র হাদিস শরীফে উল্লেখ আছে “জেনে রেখ, মানুষের দেহের মধ্যে এক খন্ড মাংশ পিন্ড আছে, যখন তাহা সংশোধিত হয়, তখন সমগ্র দেহ সংশোধিত হয়ে যায়। আর যখন তা দুষিত হয় তখন সমগ্র দেহটাইত দুষিত হয়ে যায়। মনে রেখ ওটাই ক্বলব”।
না, পাঠক মন্ডলি বক্তব্যটি কোন সংবাদ সংস্হার বা আমার বানানো না। ঘটনাটি স্বয়ং প্রধান মন্ত্রী সিলভিও বের্লোসকনীর। কিছুদিন পুর্বে নিজের দলের কর্মীদের মধ্যে এক আলোচনা অনুষ্টানে তিনি এ বক্তব্য দেন। তার মতে ইটালির বেশীর ভাগ বিচারক তার বিরুদ্ধে আইনকে কাজে লাগাচ্ছে এবং সংসদে আইন পাশ করলে তারা অনেক আইন পছন্দ করে না। ইটালির বর্তমান প্রধান মম্ন্ত্রী হলেন বিশ্বের ২০ জন ধনী ব্যক্তিদের একজন। তার বিরুদ্ধে করফাকি, বিচারককে ঘুস দিয়ে রায় নিজের পক্ষে নেয়া সহ বিভিন্ন মামলা চলছিল। ইতিমধ্যে তার পক্ষে মিথ্যা সাক্ষী দেয়ার জন্য বৃটিশ এক উকিলকে জেল দেয়া হয়েছে। হাইকোর্টে আপিল করেছিলেন এই রায়ের বিরুদ্ধে। হাইকোর্ট তার আপিল বাতিল করে দিয়েছে। বর্তমানে শেষ আপিল চলছে।
সুইজারল্যান্ডের সংসদ সদস্য জনাব Daniel Streich ইসলাম গ্রহন করেছেন। তিনি সুইজারল্যন্ডের মসজিদের মিনারের বিরোধীতা করেছিলেন। তার নেতৃত্বেই গড়ে উঠেছিল সুইজারল্যান্ডে মসজিদের মিনার বিরোধী আন্দোলন এবং ফলশ্রুতিতে সংসদে পাশ হয়েছিল মসজিদের মিনার বিরোধী আইন। বর্তমানে মুসলিম হবার পর তিনি তার অতীতের এই আন্দোলনকে পাপ বলে মনে করছেন এবং সুইজারল্যান্ডে আরেকটি নুতন মসজিদ নির্মাণ করে তিনি তার এই পাপ থেকে মুক্তি পেতে চান। ইসলামের বিরোধীতার উদ্দেশ্যে পড়া-শুনা করতে গিয়েই তিনি ইসলামের আলোকে আলোকিত হয়েছেন বলে অনেকে মনে করছেন। বিষয়টি সুইজারল্যান্ড সহ সাড়া ইউরোপে বিড়াট আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। আরো জানতে চাইলে এখানে দেখুন। Click This Link
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আল্লাহ্ তা’আলা বলেন: যে ব্যক্তি আমার অলীর সাথে শত্রুতা করে, আমি তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। আমার বান্দার প্রতি যা ফরয করেছি তা দ্বারাই সে আমার অধিক নৈকট্য লাভ করে। আমার বান্দা নফল কাজের মাধ্যমেও আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকে। অবশেষে আমি তাকে ভালবেসে ফেলি। যখন আমি তাকে ভালবাসি, তখন আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে, তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে, তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে এবং তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলাফেরা করে। সে আমার কাছে কিছু চাইলে, আমি তাকে তা দেই। সে যদি আমার নিকট আশ্রয় কামনা করে, তাহলে আমি তাকে আশ্রয় দেই। আমি যা করার ইচ্ছা করি, সে ব্যাপারে কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগি না কেবল মুমিনের আত্মার ব্যাপার ছাড়া। সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে আর আমি তার মন্দকে অপছন্দ করি। [বুখারী: ৬৫০২]
হযরত আলী (রাঃ)-এর বাণী-
১। ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব। যারা এই দুই গুনে গুনান্বিত হবে তারাই প্রকৃত বীর পুরুষ।
২। অক্ষমের সর্বশেষ অস্ত্র পরনিন্দা।
৩। চক্ষু এমন একটা পান্হশালা,যা একবার ছুটে গেলে আত্নার পবিত্রতা অক্ষুন্ন থাকে না।
৪। কারো প্রতি ভালবাসায় অন্ধ হওয়া এবং মতবিরোধ হলেই যা-তা সমালোচনা করা নিজের হাতে ঈমান ধ্বংস করার আলামত।
৫। অন্যের প্রতি কুধারনা করাও অন্যায়।
৬। প্রয়োজনের সময় মুখ না খোলা এবং অপ্রয়োজনে কথা বলা ,সমান দোষের কাজ।
৭। অল্পেতুষ্টি এমন একটি সম্পদ যা কখনো ফুরায় না।
৮। হাসিখুশি ব্যবহার সৎকর্মের সুচনা বিশেষ।
মোমিনগন! তোমাদের ধন সম্পদ ও সন্তান সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্বরণ থেকে গাফেল না করে। যারা এ কারণে গাফেল হয় তারাইতো ক্ষতিগ্রস্হ। (সুরা-মুনাফিকুন-৯)
১। দুটি ক্ষুধার্ত বাঘকে ছাগলের পালের মধ্যে ছেড়ে দিলে ততটুকু ক্ষতিসাধন করতে পারে না, যতটুকু মানুষের মাল সম্পদ এবং সম্মান লাভের আকাঙ্খা করা তার দ্বীনের পক্ষে ক্ষতিকর। (তিরমিজি, দারেমি, আহমদ, মুসলিম, আবু দাউদ, মিশকাত)
২। দুনিয়ার মহব্বত হল সমস্ত গুনাহের মাথা। (আহহমদ, বাইহাকী, হাকেম, মিশকাত)
৩। যে ব্যাক্তি তার দুনিয়াকে মহব্বত করল সে তার আখেরাতের ক্ষতি করল। (আহমদ, বাইহাকী, হাকেম, মিশকাত শরীফ)
৪। ধ্বংস হউক দীনারের গোলাম, দিরহামের গোলাম, উত্তম পোশাকের গোলাম। (বুখারী, মিশকাত শরীফ)
৫। এই উম্মতের সর্বপ্রথম মঙ্গল হল- এয়াকীন (দৃঢ় বিশ্বাস), এবং জুহদ (দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি)। আর সর্বপ্রথম অনিষ্ট হল-কৃপনতা ও দীর্ঘ আশা। (বাইহাকী, মিশকাত)
৬। দীর্ঘ আশা (দুরাকাঙ্ক্ষা) আখেরাতকে ভুলিয়ে দেয়। (বাইহাকী, মিশকাত)
৭। স্বল্প সম্পদ আত্নার শান্তি, দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি ও আখেরাতে হিসাব সহজ হওয়ার কারন হবে।প্রয়োজনের অতিরিক্ত ধন সম্পদ নানা দু্শ্চিন্তা, উদ্বেগ, উৎকন্ঠা ও আখেরাতে কঠিন হিসাবের কারন হবে। – হযরত আবুবকর(রাঃ)
হযরত আলী (রাঃ)-এর অমূল্যবাণী-
১। প্রকৃত দ্বীনদারী পার্থিব স্বার্থ ত্যাগের মাধ্যমেই সম্ভব।
২। কারোসাথে বাক্যলাপ না হওয়া পর্যন্ত তাকে তুচ্ছজ্ঞান করোনা।
৩। কেউ স্বীকৃতি না দিলেও তুমি তোমার সদাচরন অব্যাহত রাখবে।
৪। বন্ধুত্ব করার মত কোন যোগ্যলোক পাওয়া না গেলেও অযোগ্যদের সাথে বন্ধুত্ব করতে যেও না।
৫। অল্প বিদ্যায় আলম বিনষ্ট হয়। শুদ্ধ জ্ঞানই আমলের পুর্ব শর্ত।
৬। সততার মাধ্যমে একজন নিরিহ প্রকৃতীর লোকও যে মর্যাদার অধিকারী হয়, বুদ্ধিমানেরা রকমারী কলাকৌশল প্রয়োগ করেও তার নিকটে পৌছতে পারে না।
৭। ধন সম্পদের অহংকার থেকে আল্লাহর পানাহ চাও। এটা এমন একরোগ, যা মানুষকে ধ্বংসের শেষ পর্যায়ে পৌছিয়ে দেয়।
৮। সেই ব্যক্তির পক্ষেই সর্বাধিক সৎকর্ম করা সম্ভব,যে ক্রোধ নিয়ন্ত্রনে সক্ষম।
ইটালিয়ান টিভিতে মেয়েদের বুরকা পরিধান নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। এক পক্ষে ছিলেন ইটালিয়ান নও মুসলিম আফগান কায়দায় বোরকা পরিহিতা এক মহিলা। অন্য পক্ষে ছিলেন মরক্কোর তাসলিমা নাসরিন টাইপের আধুনিক মোসলমান নামধারী এক মহিলা। ইটালির পার্লামেন্টে বোরকাকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। উপস্হাপক বোরকা পরিহিতা নও মুসলিম ইটালিয়ান মহিলাকে জিজ্ঞেস করছিলেন আইনটি সংসদে পাস হলে কী করবেন। প্রচন্ড ইমানের শক্তি নিয়ে মহিলা জবাব দিলেন জন্মগত ইটালিয়ান হয়েও এদেশ ত্যাগ করবো। একথা শুনে মরক্কোর বংশোদ্ভোত সদ্য ইটালিয়ান নাগরিক আধুনিক মহিলা নিচু স্বরে মন্তব্য করলেন “প্রেগো” অর্থাৎ “welcome”!!!
বিরোধীদলের প্রচন্ড বিরোধ ও বিক্ষোবের পরেও ইটালির ডান পন্থী সরকারী দল কয়েক মাস পুর্বে নিজেদের নেতা ও ইটালির বর্তমান প্রধান মন্ত্রীকে বিচারের হাত থেকে বাচাবার জন্য সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগে পাস করেছিলো একটি আইন। ইটালির বর্তমান আইন মন্ত্রীর নাম অনুসারে এই আইনের নাম করা হয়েছিলো “লডো আলফানো” অর্থাৎ আলফানোর গিট্টু। এই আইনের মাধ্যমে দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধান মন্ত্রী, সংসদের স্পিকার ও সিনেট এর প্রেসিডেন্ট তাদের পদ বহাল থাকা পর্যন্ত তারা বিচারের আওতার বাহিরে চলে গিয়েছিলেন। অর্থাৎ তারা যতদিন তাদের পদে বহাল থাকবেন ততদিন তাদের বিরেদ্ধে চলমান সকল মামলা স্হগিত থাকবে। যদিও একমাত্র প্রধান মন্ত্রী ছাড়া অন্য কাহারো বিরুদ্ধে কোন প্রকার মামলা ছিলো না। ইটালির বর্তমান বর্তমান প্রধান মন্ত্রী হলেন বিশ্বের ২০ জন ধনী ব্যক্তিদের একজন। তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকি, বিচারককে ঘুস দিয়ে রায় নিজের পক্ষে নেয়া সহ বিভিন্ন মামলা চলছিল।
হাইতিতে বিড়াট ভুমিকম্পের পর ইটালিয়ান টেলিভিশনে সকালের খবর দেখছিলাম। দেখাচ্ছিল হাইতির ভুমিকম্পের দুঃখজনক ও হ্রদয়বিদারক খবর। কিছুক্ষণ পর টেলিভিশনের চ্যনেল পরিবর্তন করার পর দেখতে পেলাম ইটালিয়ান এক মহিলা সংবাদিক ইটালিয়ান জনগণকে আহ্বান করছেন রোম শহরের এক ঐশর্য্যময় হসপিটাল বন্ধের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য। অর্থের অভাবে হসপিটালটি নাকি ভবিষ্যতে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এরকম একটি হ্রদয়বিদারক ভুমিকম্পের ঘটনার পর পরই সকাল বেলায় জনগনকে ভুমিকম্পের হতাহতদের জন্য সাহায্যের আবেদন না জানিয়ে কিভাবে এক মহিলা হয়ে নিজ দেশের হসপিটাল বাঁচাবার আহ্বান জানাতে পারে তা ভাবতেও অবাক হচ্ছিলাম। শুধু ভাবছিলাম একি দেশাত্ববোধ না-কি স্বার্থপরতার জলজ্যন্ত উদাহরণ।
হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশ্তী (রঃ) বর্তমান ইরানের সিস্তান রাজ্যের সন্জ্ঞর গ্রামে ৫৩৩ হিজরী ও ১১৩৮ ইংরেজি সালে জন্ম গ্রহন করেন। উনার পিতার নাম গিয়াসুদ্দিন ও মাতার নাম সৈয়দা উম্মুল ওয়ারা। পরে স্বপরিবারে খোরাসান শহরে (বর্তমান আফগানিস্তান) হিজরত করেন। মাত্র ১৫ বৎসর বয়সে বাবা-মা উভয়কেই হারান। একদিন নিজ জমিতে কাজ করে পরিশ্রান্ত অবস্তায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এমন সময় সেখানে এসে উপস্হিত হলেন এক অচেনা আগন্তুক। কিশোর খাজা মইনুদ্দিন তাকে বাগানের কিছু আঙ্গুর এনে আপ্যায়ন করলেন। আগন্তুক ছিলেন আল্লাহর এক অলিআল্লাহ, হজরত ইব্রাহিম কান্দুযী(রঃ)। খুশী হলেন কিশোরের আপ্যায়নে। হাত তুলে দোয়া করলেন অনেকক্ষণ। তারপর ঝুলি থেকে বের করলেন এক টুকরো শুকনো রুটি। রুটির একাংশ কিছুক্ষণ চিবুলেন তারপর অন্য অংশটুকু মইনুদ্দিনকে খেতে দিলেন। আদেশ পালন করলেন মইনুদ্দিন একটু পরেই উচ্ছিষ্ট রুটির প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হতে শুরু করলো। বিস্মিত হলেন। অন্তরের আচ্ছাদন যেন উবে যাচ্ছে একে একে। অদ্ভুত এক জ্যোতির্ময় অনুভব এসে ধীরে ধীরে আলোকিত করছে হৃদয়ের সর্বত্র। দরবেশ চলে গেলেন। অন্তরে জ্বালিয়ে দিয়ে গেলেন আল্লাহ প্রেমের অনন্ত অনল। এই হলো অলিআল্লাহদের তাওয়াজ্জোহ এর ফল। মইনুদ্দিন বাগান ও ভিটে বাড়ি সহ সবকিছু বিক্রি করে দিয়ে বেরিয়ে পড়লেন আল্লাহর পথে।
-দীন-ই-ইলাহির পতন- পুর্ব প্রকাশের পর- সম্রাট জাহাঙ্গীর ছিলেন পিতা আকবরের প্রতিষ্ঠিত দীন-ই-ইলাহীর একনিষ্ঠ মুরিদ। পিতার নাম উচ্চারনের পুর্বে তিনি “আমার মোর্শেদ” শব্দ উচ্চারন করতেন। তিনি বলতেন, “আমার মোর্শেদ বুজর্গ ছিলেন বগুবিধ প্রশংসনীয় গুনের অধিকারী। তাহার গুনাবলীর সামান্যতম অংশও যদি কোন বিরাটকায় পুস্তক রচনা করা যায় তবুও তাহার গুনাবলীর সামান্যতম অংশও বর্ননা করা সম্ভব হবে না। অজস্র ধন সম্পদ, হস্তী-অশ্ব, সৈন্যসামন্ত ও বিশাল পরাক্রমের অধিকারী হওয়া সত্তেও তিনি আল্লাহর দরবারে বড়ই দীনতা ও হীনতা প্রকাশ করতেন। আমার ওয়ালেদ ধর্মে জ্ঞানী ও পন্ডিতগনের সাহচর্য বড়ই পছন্দ করতেন। বিশেষ করে হিন্দু ধর্মের পন্ডিতগনের সাহচর্য ছিল তাহার অত্যধিক পছ্ন্দনীয়। তিনি সূর্য ও বিভিন্ন দেবতার পূজা করতেন। এইসব করায় কি দীনে মোহাম্মদীর সহিত সত্রুতা ছিল বলে প্রমানিত হয়?”
পবিত্র হাদিস শরীফে উল্লেখ আছে “জেনে রেখ, মানুষের দেহের মধ্যে এক খন্ড মাংশ পিন্ড আছে, যখন তাহা সংশোধিত হয়, তখন সমগ্র দেহ সংশোধিত হয়ে যায়। আর যখন তা দুষিত হয় তখন সমগ্র দেহটাইত দুষিত হয়ে যায়। মনে রেখ ওটাই ক্বলব”। অন্য এক হাদিসে পাওয়া যায় মানুষ যখন কোন পাপ কাজ করে তখন তার ক্বলবের মধ্যে কালি পড়ে যায়। আমরা রাসুল পাক (সাঃ) এর জীবন পর্যালোচনা করলে দেখতে পাই বাল্য কালে উনার দুবার বুক খুলে সীনা পরিস্কার করা হয়েছে।
সম্রাট আকবর ও তার দীন-ই-ইলাহীর পতন কাহিনী
ইমামে রাব্বানী হযরত মোজাদ্দেদ আলফেছানি শায়েখ আহমদ ফারুক সেরহিন্দ (রাঃ) ছিলেন দ্বিতীয় সহস্রাব্দের মোজাদ্দেদ বা সংস্কারক।তিনি
১৪ই শাওয়াল ৯৭১ হিজরিতে জন্ম গ্রহন করেন।তিনি আকবর ও জাহাঙ্গীর দুই অত্যাচারী ইসলাম বিরোধী সম্রাটের মধ্যবর্তী সময়ে মোজাদ্দেদ হিসাবে আত্নপ্রকাশ করেন।সম্রাট আকবর ছিলেন ইসলাম ধর্মের ঘোড় বিরোধী।তার শাসনামলে মোসলমানদের দুরবস্হার কোন সীমা ছিল না। সম্রাট আকবর ইসলাম ধর্মের পরিবর্তে নতুন এক ধর্মের প্রবর্তন করেন।ইহা ছিল স্পষ্টতই এক কুফরী ধর্ম অথচ এই নতুন ধর্মের নাম দেওয়া হলো ”দ্বীন-ই-ইলাহী”।