Shodalap

An inclusive e-journal for Bangladeshis for home and abroad
Subscribe

Posts by Panjeri:

    পোপ গভীরভাবে চিন্তিত

    March 16th, 2010

    জার্মানির বিভিন্ন ক্যাথলিক প্রতিষ্ঠানে শিশুদের যৌন নিপীড়নের ঘটনা একের পর এক প্রকাশ পাওয়ায় পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট গভীরভাবে চিন্তিত৷ জার্মান বিশপ সম্মেলনের সভাপতি রবার্ট সলিচ ভ্যাটিকানে গিয়ে পোপের কাছে সে কথাই শুনেছেন৷ আর্চবিশপ রবার্ট সলিচ রোমে গিয়েছিলেন পোপকে তাঁর স্বদেশের ক্যাথলিক গির্জায় একটির পর একটি যৌন কেলেঙ্কারির কথা জানাতে৷ এ’সবের অধিকাংশই কয়েক দশক আগের হলেও, ঘটনাগুলি শিশুদের উপর তাদের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক শিক্ষকদের যৌন নিপীড়নের ঘটনা৷ পোপ তাঁর, অর্থাৎ সলিচের বিবরণ শুনেছেন: ‘‘গভীর আগ্রহ, সমবেদনা ও যুগপৎ বিমূঢ়তা নিয়ে,” জানান সলিচ, এবং উভয়ে বিষয়টি নিয়ে খোলাখুলি কথাবার্তা বলেছেন৷ যৌন নিপীড়নের ঘটনাগুলির তদন্তের ব্যাপারে জার্মান বিশপ সম্মেলন যে সব পদক্ষেপ নিয়েছে, পোপ তা পরিপূর্ণভাবে সমর্থন করেছেন বলে সলিচ জানান৷

    1 Comment "

    তসলিমা ভারতে নিরাপত্তা পায় আর ফিদা হোসেন নাগরিকত্ব হারায়!

    March 13th, 2010

    ভারতের কিংবদন্তী চিত্রশিল্পী মকবুল ফিদা হোসেন কাতারের নাগরিকত্ব গ্রহণের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। জনাব হোসেন আজ দোহায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসে তার পাসপোর্ট হস্তান্তর করেন বলে জি নিউজ জানিয়েছে। ৯৫ বছর বয়সী ফিদা হোসেনকে অনেকে ‘ভারতের পিকাসো’ বলে অভিহিত করে থাকেন। পুরাকাহিনী অবলম্বনে হিন্দু দেবদেবীদের ছবি আঁকার দায়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা ফিদা হোসেনকে হত্যা করার হুমকি দেয়ার পর ২০০৬ সাল থেকে তিনি স্বেচ্ছা নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। ১৯৯০ এর দশক থেকেই ফিদা হোসেনের বিরুদ্ধে শিবসেনা ও আরএসএস-এর সংগ্রাম শুরু হয় এবং তখন থেকে ভারতের বিভিন্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে প্রায় ৯০০ অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে ফিদা হোসেন নিরাপত্তার অভাবে এসব মামলা মোকাবিলার উদ্দেশ্যে ভারতে যেতে পারেননি। ২০০৬ সালে শিবসেনা ফিদা হোসেনকে হত্যার জন্য ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে। সম্প্রতি কাতার সরকার তাকে নাগরিকত্ব দেয়ার প্রস্তাব করার পর তিনি তা গ্রহণ করেন। ফিদা হোসেনের ছেলে ওয়াইজ হোসেন বলেছেন, তার পিতা এখন আর ভারতের নাগরিক নন। দোহায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ভারতের আইনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিষিদ্ধ থাকার কারণে ফিদা হোসেন তার ভারতীয় পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। তথ্যসূত্র

    32 Comments "

    আইরিশ খ্রীস্টান ধর্মযাজকদের দ্বারা শিশু নির্যাতন

    March 10th, 2010

    ক্যাথলিক খ্রীস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট আয়ারল্যান্ডের গীর্জাগুলোতে ব্যাপক সংখ্যায় শিশু নির্যাতনের ব্যাপারে ব্যাখ্যা চাওয়ার জন্য আইরিশ ধর্মগুরুদের তলব করেছেন। সম্প্রতি আয়ারল্যান্ড সরকার খবর দিয়েছিলো দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডাবলিন গীর্জাসহ আরো কয়েকটি গীর্জার বেশ কিছু ধর্মযাজক শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়েছেন। সরকারের এক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিলো, একজন ধর্মগুরু অসংখ্য শিশুর ওপর যৌন উৎপীড়ন চালিয়েছেন এবং অপর একজন প্রায় ৩০ বছর ধরে শিশুদের যৌন দাসী হিসেবে ব্যবহার করেছেন। উভয় ধর্মযাজক তাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ স্বীকার করেছেন। খ্রীস্টান ধর্মগুরুদের পক্ষ থেকে যৌন কেলেঙ্কারির এসব ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর আয়ারল্যান্ডে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে এবং গীর্জার ওপর জনগণের আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে। আজ আরো পরের দিকে আয়ারল্যান্ডের ধর্মযাজকরা পোপ ষোড়ষ বেনেডিক্টের সাথে সাক্ষাত করবেন বলে কথা রয়েছে। এর আগে ডাবলিনের আর্চবিশপ অভিযুক্ত ধর্মগুরুদের ব্যাপারে প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, তাদের বিচার করতে হবে। তথ্যসূত্র

    No Comments "

    ভারতের হিন্দু সন্ন্যাসী ও ধর্মগুরুদের নানা কেলেংকারী

    March 8th, 2010

    সাম্প্রতিক সময়টা ভারতের হিন্দু সন্ন্যাসী ও ধর্মগুরুদের অনেকের জন্যই খুব দুঃসময়ে পরিণত হয়েছে। দুজন হিন্দু আধ্যাত্মিক গুরুর যৌন কেলেংকারী ও একটি আশ্রমে ভীড়ের চাপে পিষ্ট হয়ে ৬৩ জনের মৃত্যুর ঘটনা গেলো সপ্তাহকে বহু ইশ্বরবাদী এ ধর্মের বহু সাধু-সন্ন্যাসীর জন্য একটা তিক্ত সপ্তায় পরিণত করেছে। ভারতের কৃষক ও গৃহবধু থেকে রাজনীতিবিদ এবং পপ গায়কদের অনেকেই এসব সন্ন্যাসী ও ধর্মগুরুর ভক্ত। গত বৃহষ্পতিবার একজন জনপ্রিয় হিন্দু ধর্মগুরুর পরিচালিত উত্তর প্রদেশের একটি আশ্রমে ভীড়ের চাপে পিষ্ট হয়ে ৬৩ জন প্রাণ হারায়। এদের সবাই ছিল নারী ও শিশু। এর আগের দিন ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের কর্ণাটক প্রদেশে হিন্দুদের একটি ধর্মীয় আস্তানা ক্ষুব্ধ জনতার হামলার শিকার হয়। ঐ আস্তানার ত্রিশোর্ধ বয়সের একজন হিন্দু গুরু বা সাধক দুজন মহিলার সাথে ব্যাভিচারে লিপ্ত হয়েছেন এমন দৃশ্য একটি টেলিভিশন থেকে প্রচারিত হবার পর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী সেখানে হামলা চালায়।

    No Comments "

    Racist incidents, protests spread at UC campuses

    March 6th, 2010

    LOS ANGELES – A firestorm over racially and ethnically charged incidents at several University of California campuses spread Tuesday as UC San Diego announced a KKK-style hood was found on campus and students in Los Angeles and Irvine demonstrated against intolerance.

    “What kind of campus promotes an environment that allows people to think it’s acceptable to target people for their ethnicity, gender or sexuality?” said Corey Matthews, one of about 200 mostly minority UCLA students who held a lunchtime rally. “It’s something about the tone of the environment that allows this.”

    No Comments "

    Don’t define Muslims by their worst

    March 4th, 2010

    A sampling from the Web: “Why are these Muslim invaders allowed to carry on freely in this country . . . protected by outreach, Obama, and PC mental illness?” “Simply put, most Muslims in non-Islamic countries have an evil axe to grind and a scurrilous hidden agenda.” “Muslims should be deported from this country! They offer nothing to Americans!”

    This outburst from message boards and bloggers is traceable to Maj. Nidal Malik Hasan, the Army psychiatrist and American Muslim accused of killing 13 people and wounding 29 in a rampage last week at Fort Hood, Texas. At this writing, we know next to nothing of why he did it.

    No Comments "

    জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলিমদের অবদান

    March 2nd, 2010

    জ্ঞান অর্জন না করে নিজেকে জানা যায় না, সৃষ্টিতত্ত্ব বোঝা যায় না, আল্লাহকে চেনা যায় না, ক্ষমতাধর হওয়া এবং নেতৃত্বও দেয়া যায় না। ইকরা’ অর্থাৎ ‘পড়’। ‘পড় তোমার রবের নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।’ এ পড়ার মূল কথা জ্ঞান-বিজ্ঞান ও দর্শনের সব শাখায় বিচরণ এবং মাতৃভাষায় জ্ঞানার্জন।

    খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দী থেকে দ্বাদশ শতাব্দী নাগাদ জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায় মুসলিমরা ছিল সর্বেসর্বা। আল-কুরআনের পাশাপাশি তারা জ্ঞান-বিজ্ঞান বিষয়ক সকল প্রকার বই পড়েছেন, গবেষণা করেছেন। তারা মহান আল্লাহর সৃষ্ট প্রকৃতির নিদর্শনাবলীর ওপর গবেষণার মাধ্যমে সত্য উপলব্ধি করেছেন। আত্মশুদ্ধি ঘটিয়েছেন। কুরআন ও অন্য যাবতীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের বই পড়েছেন। হিকমত অর্থাৎ বুদ্ধি ও প্রজ্ঞার শিক্ষা গ্রহণ করেছেন।

    2 Comments "

    কুরবানীর অর্থনৈতিক প্রভাব

    February 26th, 2010

    অজ্ঞতার কারণে কেউ কেউ বলতে চান কুরবাণীর ফলে দেশে ব্যাপক পশু নিধন হয় যা দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে। কথাটি আদৌ সঠিক নয়। বরং এ কুরবানীর ফলে একটি পশু নিধনে শত শত পশু জন্ম নেয়। কেননা কুরবানীর জন্য সারা বছর পশু পালনকারী ও পশু ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী অসংখ্য গরু, মহিষ, ছাগল, উট লালন-পালন করা হয় এবং কুরবানীর সময় এগুলো বিক্রির ফলে দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাধিত হয়, দারিদ্র্য বিমোচন হয়, মানুষের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পায়। মানুষের কর্মসংস্থান বাড়ে। অনুরূপভাবে কুরবানীর পশুর চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য নিজেদের প্রয়োজন পূরণ করার পরও বিদেশে রপ্তানি করে দেশে ব্যাপক হারে বৈদেশিক অর্থ অর্জন করা যায়।

    1 Comment "

    এতিমের অধিকার প্রদানে ইসলাম

    February 24th, 2010

    ইসলামী জীবন বিধানে মুসলিমগণ পরস্পর ভাই ভাই। কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে- মুমিনগণ একে অন্যের ভাই। (সূরা-দুজুরাত: ১০)

    রাসূল (সা.) বলেছেন- প্রত্যেক মুসলিম পরস্পর ভাই ভাই। তিনি আরো বলেছেন- সমগ্র সৃষ্টি আল্লাহর পরিজন। আল্লাহর কাছে প্রিয় সৃষ্টি হলো যে তার সৃষ্টির প্রতি সদয় আচরণ করে।

    ইসলাম সকল মানুষের সাথে সদাচারের শিক্ষা দেয়। বিশেষ করে সমাজের এতিম, দুস্থ, অসহায় ও মাযলূম মানুষকে সহায়তা দানের প্রতি ইসলাম অধিক গুরুত্ব আরোপ করে।

    মহান আল্লাহতা’য়ালা আল কুরআনের বিভিন্ন স্থানে সমাজের সকল মানুষকে এতিমের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

    1 Comment "

    হাইতিতে ১০ মিশনারির বিচার কাজ শুরু

    February 22nd, 2010

    ভূমিকম্প বিধ্বস্ত হাইতি থেকে ৩৩-টি শিশুকে পাচারের চেষ্টার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের একটি খ্রিষ্টীয় সাহায্য সংস্থার ১০ মিশনারির বিচার কাজ শুরু হয়েছে রাজধানী পোর্ট অফ প্রিন্সের একটি আদালতে৷

    এই বিচারের শুনানিতে ১০ জনকে যখন নিয়ে আসা হচ্ছিলো, তাদের অনেকেই তখন জ্যাকেট দিয়ে নিজেদের মুখ ঢেকে রাখছিলেন৷ উত্তেজিত জনতার কেউ কেউ মিশনারিদের বহনকারী গাড়ির উপর নিক্ষেপ করেছে পাথর৷

    ঐ দশ মিশনারির আইনজীবী এডউইন কক শিশু পাচার এবং অপরাধকর্মের জন্য গত বৃহস্পতিবার পাঁচ পুরুষ এবং পাঁচ নারী মিশনারির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে হাইতির সরকার অভিযোগ দায়ের করেছে বলে বার্তা সংস্থাগুলোকে জানিয়েছেন৷ তবে আদালতে উপস্থিত সাংবাদিকরা জনান, শুনানি চলাকালে ঐ ১০ ব্যক্তিকে প্রথমে প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিলো৷ কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা জানার পর ওই ১০ মার্কিনি হতবাক হয়ে যান এবং অনেকটা দু:খে মাথা নিচু করে ফেলেন৷

    No Comments "