Author Archive
August 28, 2010
By: Shams
Category: Uncategorized
চারদিকে বিরাজমান আপাতদৃষ্টিতে দেখা অসীম এই বিশ্বব্রহ্মান্ডে প্রাণের সম্ভবনা আসলেই কতটুকু! যতটুকু জানা গেছে তাতে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত প্রায় পুরোটাই ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত। পাশ্চাত্য সভ্যতার মধ্যে প্রাচীন গ্রীকরাই প্রথম পৃথিবীর বাইরে অগণিত গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের ধারণা দেন। এর অনেক পরে ষোলশতকে, পূর্বে ধারণাকৃত পৃথিবী-কেন্দ্রিক বিশ্বের বিপরীতে সূর্য-কেন্দ্রিক সিস্টেম ভিনগ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের ব্যাপারে নতুন গবেষণার দ্বার খুলে দেয়। পরবর্তীতে রাশিয়ার স্পুটনিক ১৯৫৭-১৯৫৮ সালের দিকে মহাশুন্যে অভিযান চালিয়ে যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা করে। মহাবিশ্ব সম্পর্কে কার্যকরভাবে আমাদের ধারণায় ব্যাপক পরিবর্তন আসতে শুরু করে তখন থেকেই।
This is a preview of
বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত আমাদের এই পৃথিবী- উদ্দেশ্যহীন নয়তো! – ২
.
Read the full post (386 words, 1 image, estimated 1:33 mins reading time)
Comments (8)
August 20, 2010
By: Shams
Category: Uncategorized
আমরা পথিক ধুলির পথের, ভ্রমি শুধু একটি দিন,
লাভের অন্ক হিসাব করে পাই শুধু দুখ, মুখ মলিন।
খুঁজতে গিয়ে এই জীবনের রহস্যেরই কূল বৃথাই
অপূর্ণ সাধ আশা লয়ে হবই মৃত্যুর অন্কলীন।
(ওমর খৈয়াম)
জীবনের উদ্দেশ্য কি-কেবল খাঁচার ভিতর অচিন পাখির যাওয়া আসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ? আমরা প্রতিনিয়ত এই দোলাচালে আছি, তা সে বিশ্বাসী বা অবিশ্বাসী, যে-ই হউক না কেন। একজন ঈশ্বরে বিশ্বাসীর কাছে উদ্দেশ্যহীন জীবন অসম্ভব। অথচ অবিশ্বাসীর কাছে উদ্দেশ্যহীনতাই জীবন।
This is a preview of
বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত আমাদের এই পৃথিবী- উদ্দেশ্যহীন নয়তো! – ১
.
Read the full post (386 words, 1 image, estimated 1:33 mins reading time)
Comments (13)
July 31, 2010
By: Shams
Category: বিবর্তনবাদ
কিছুদিন আগে এক ডারউইনবাদীর সাথে বিতর্ক হচ্ছিল এই আর্টিকলের মন্তব্যে। তার মতে ডারউইনবাদ/বিবর্তনবাদ বিদ্যমান প্রাণ নিয়েই কেবল মাথা ঘামায়, কিন্তু কীভাবে প্রাণ সৃষ্টি হল তা বিবেচ্য নয়। তার কাছে জানতে চাচ্ছিলাম এই এককোষীটি কীভাবে এসেছে, উষ্ণ পুকুর থেকে নাকি আরেকটি বিবর্তনের মধ্য দিয়ে! কারণ এই এককোষীকে যতটা সরল বলা হয় আসলে কিন্তু তা ততটা সরল নয় – বরং জটিল। অবশ্য আসমান থেকে আসার কথা বলছে কেউ কেউ! সেই ডারউইনবাদীর মতে ‘এককোষীটির’ বেলায় ডারউইনবাদ প্রযোজ্য নয়, কারণ এটা প্রাণী নয়!!! নব্য ডারউইনবাদীরা এরকম সবকই আজকাল দিয়ে থাকে। অথচ ডারউইনের তত্ত্ব মূলত অনেকগুলি তত্ত্বের সমষ্টি যেখানে ‘কমন ডিসেন্ট’ হিসাবে এই ‘এককোষী’টিও আসে যা এই ডারউইনবাদ ব্যাখ্যা করতে পারে না। এই ডারউইনবাদীরা প্রাণের সৃষ্টি থেকে নিজেদের দূরত্ব বজায় রাখতে যারপর নাই চেষ্টা করে। তার জন্য নিজেদের আসল গুরুকেই (ডারউইন) যেন একধরণের বিদ্রূপ করে। সেই গুরু প্রাণ সৃষ্টির অনেক চেষ্টা করেন এবং উপায় বাতলিয়ে দেন। তার শিষ্যরা সেই ‘উষ্ণ পুকুরে’ আর বিশ্বাস করতে পারে না। কারণ ঐরকম একটা প্রতিকূল পরিবেশে যে প্রাণ সৃষ্টি হতে পারে না তা যেনো অনেকটাই মেনে নিয়েছে। এই প্রাণের জন্য দরকার কম্পিউটার ও আধুনিক পরীক্ষাগার যা সেই উষ্ণ পুকুরকে উপস্হাপন করে না। ক্রেগ ভেন্টরের ‘কৃত্রিম প্রাণ(!)’ আবিষ্কারের খবরে তাদের বানর নাচন চোখে পড়ার মত। মনে হল হালে কিছুটা পানি তাহলে পাওয়া গেল! ঈশ্বরের ব্যাপারে এলার্জি থাকা সত্ত্বেও এই বিজ্ঞানীকে ঈশ্বরের আসনে বসাতে কার্পণ্য করল না, ঈশ্বরহীনদের ঈশ্বর! মজার ব্যাপার হল, ক্রেগ ভেন্টর নিজেকে কোথাও ঈশ্বর হিসাবে দাবী করেনি!
Comments (9)
May 30, 2010
By: Shams
Category: Uncategorized

সত্য সুন্দর, তবে সব সত্য কি সরল? ‘অক্কামের ক্ষুর’ও ‘সরল’ এর কথাই বলে (Principle of Parsimony বা মিতব্যায়িতার নীতি) তবে তা সুন্দর বা সত্য কি না তা নিয়ে মাথা ঘামায় না। অনেকগুলো সম্ভবনার মধ্যে সরলটাকেই সে গ্রহণ করার কথা বলে, অন্যান্য সম্ভবনাগুলোকে বর্জন করে। তবে মনে রাখা উচিত, যাকে ‘সরল’ বলা হচ্ছে তা কতটুকু সরল, কারণ বিষয়টি আপেক্ষিক। বিজ্ঞান গবেষণায় এটি একটি খুব সাহায্যকারী ‘টুল’। গবেষণায় ‘হাইপোথিসিস’ এর প্রয়োজন পড়ে আর এর মধ্য থেকে সবচেয়ে সরলটিকেই বেছে নেয়া হয়। অবশ্য একধরণের বিপরীত্য চোখে পড়ে। কিছু লোককে বলতে শোনা যায় বিজ্ঞান সবসময় সত্যের অনুসন্ধান করে। হয়ত তারা ঠিক বলে না, অন্তত ‘অক্কামের ক্ষুর’ এর প্রয়োগ তা বলে না।
Comments (3)
April 30, 2010
By: Shams
Category: বিবর্তনবাদ
ডারউইনের প্রস্তাবিত বিবর্তনবাদ নিজেই বিবর্তিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ল্যামার্কের মত ডারউইনও মনে করতেন অর্জিত গুণাবলী এক জেনারেশন থেকে আরেক জেনারেশনে বাহিত হতে পারে, কিন্তু এই তত্ত্বটি আজ আর গ্রহণযোগ্য নয়। ডারউইনবাদের সাথে যুক্ত হয়েছে মেন্ডেলের জিনতত্ত্ব, যা যুক্তভাবে ‘নিও-ডারউইনিজম’ নামে পরিচিত। ‘নিও-ডারউইনিজম’-ও পরিবর্তিত হচ্ছে: ১) নিরপেক্ষ মিউটেশন অহরহ ঘটে বলে মেনে নেয়া হয়েছে, ২) অনেক বিবর্তনবাদী জীববিজ্ঞানী একক বা পপুলেশন এর চেয়ে জিনতত্ত্বকেই প্রাকৃতিক নির্বাচনের প্রধান উপাদান মনে করেন। আবার অনেকের মতে পর্যায়ক্রমিক বিবর্তনের (পাঙ্কচুয়েটেড ইকুইলিব্রিয়া) চেয়ে ধাপে ধাপে বিবর্তন অনেক যুক্তিযুক্ত, এ নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে জিনতত্ত্বের কার্যপরিধি মাইক্রোলেভেলে সীমাবদ্ধ যা ম্যাক্রোলেভেলের জটিল কাঠামোকে ব্যাখ্যা করার জন্য যথেষ্ট না, যদিও কেউ কেউ একে সেভাবেই উপস্হাপন করতে চান এবং একে ব্যবহার করে উপসংহার টানেন ডারউইনবাদের যথার্থতা নিয়ে। এক্ষেত্রে লেনস্কির পরীক্ষাকে তারা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে মানুষের সামনে হাজির করেন।
Comments (9)
April 16, 2010
By: Shams
Category: বিবর্তনবাদ
এবার দৃষ্টি দেয়া যাক ডারউইনবাদের গুরুর ‘ট্টি অব লাইফ’ এর দিকে। ডারউইন এর ট্রি অব লাইফ ভুল ও মিসলিডিং এটা বিজ্ঞানমহলে আজ আর দ্বিধা নেই। তাদের মতে বিবর্তনবাদকে যেভাবে দেখা হয় তার চেয়ে অনেক জটিল। ফ্রান্সের পিয়েরি এবং ম্যারিকুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানী ড: এরিক ব্যাপটিস্ট এর মতে:
“For a long time the holy grail was to build a tree of life. We have no evidence at all that the tree of life is a reality.”
এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানের দার্শনিক ড: জন ডুপ্রের মতে:
“If there is a tree of life it’s a small irregular structure growing out of the web of life.”
Comments (11)
April 15, 2010
By: Shams
Category: Uncategorized
["অন্যান্য একেশ্বরবাদী ধর্মগুলির সাধারণ পরিচিতি" লেখায় অনিচ্ছাকৃতভাবে যোরোস্ট্রিয়ান ধর্মটি বাদ পড়ে যায়। অথচ দেখা যায় আব্রাহামিক ধর্মের সাথে এর সামঞ্জস্য বেশ চমকপ্রদ। নীচে এ ধর্মটির প্রতি কিছুটা আলোকপাত করা হয়েছে।]
যোরোস্ট্রিয়ান ধর্ম আনুমানিক ৩৫০০ বছর আগে প্রফেট যোরাস্ট্রার (যোরোস্ট্রিয়ানদের মতে) দ্বারা প্রতিষ্ঠা পায় বলে ধারণা করা হয়। যোরোস্ট্রিয়ানদের অধিকাংশ গাথাই গ্রীকসহ বিভিন্ন দখলদারদের দ্বারা ধ্বংস হয়ে যায়। প্রাচীন গাথাগুলো আভেস্তান ভাষা দ্বারা লেখা যা ঋগ্বেদ এর সংস্কৃতের সাথে সম্পর্কিত। যোরোস্ট্রিয়ানদের ভাষা আভেস্তান এর সাথে ল্যাটিন এরও মিল আছে। অনেকে আভেস্তান, সংস্কৃত ও ল্যাটিনকে সিস্টার ল্যাংগুয়েজ বলে থাকেন। এছাড়া আরো কিছু ইউরোপীয়ান ভাষার সাথে এর মিল লক্ষণীয়। উদাহরণস্বরুপ, বারাদার (পার্সি) = ভ্রাতা (সংস্কৃত) = ব্রাদার (ইংরেজী)। এছাড়া আভেস্তানের ‘পাইরিডাইজ’ ও ‘ইংরেজী’র ‘প্যারাডাইজ’ একই অর্থ বুঝায়।
This is a preview of
যোরোস্ট্রিয়ান ধর্ম- একটি নাতিদীর্ঘ বিশ্লেষণ
.
Read the full post (881 words, estimated 3:31 mins reading time)
Comments (2)
March 26, 2010
By: Shams
Category: ইসলাম-Islam
[কিছু ব্যক্তিগত কাজে কয়েকদিন বিরতির পর সদালাপে এসে মনে হল দু-এক জনের বদৌলতে ব্লগটা বেশ জমে উঠেছে! কিছুদিন ধরে চলা বাদানুবাদের উপর মন্তব্য করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু খুব দীর্ঘ হয়ে যাওয়ায় লেখা আকারে দেয়াটাকেই সংগত মনে করলাম, যদিও এটা আলাদা লেখা হিসাবে দেবার ইচ্ছে ছিল না।]
সদালাপ ছাড়া অন্য ব্লগে কচিৎ ঘুরা হয়। ফলে কোরান-অনলিদের ব্যাপারে সদালাপেই প্রথম জানতে পারি। কোরান-অনলিদের ব্যাপারে শোনার পর অনেকের মত আমিও স্বল্পজ্ঞান নিয়ে কিছুটা হোচট খেয়েছিলাম। মনে হয়েছিল কোরানটা কেবল কিছুদিন হল নাজিল হয়েছে! পরে দেখা গেল আসলে তা না, এটা ১৪০০ বছর আগেই হয়েছে। ভাবলাম কিছু লোক সংস্কারক হিসাবে গাছের আগাছা হয়তো দূর করতে চাইছে। পরে মোহভংগ ঘটল যখন দেখলাম আগাছা না, পুরো গাছটাই কেটে ফেলতে চাইছে।
Comments (9)
March 15, 2010
By: Shams
Category: বিবর্তনবাদ
ডারউইনবাদীরা বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে বিজ্ঞানের যে অপব্যাখ্যা করে কেবল তাই না, তারা এর প্রতিষ্ঠাতার সাথেও বিদ্রূপ করে! ডারউইনবাদকে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটো গ্রুপ হল ‘যুক্তিবাদ ও মুক্তমনের ঝান্ডাধারী ভোগবাদী নাস্তিক’ এবং ‘কম্যুনিস্টরা’ (যদিও তারাও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নাস্তিকতার সমর্থক)। ভু-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে বেশ অসুবিধাজনক অবস্হায় থাকায় কম্যুনিস্টদের আজকাল সবচেয়ে নিকট প্রতিবেশী ভোগবাদী নাস্তিকদের শরণাপন্ন হতে দেখা যায়। ব্যাপক আকাল পড়ছে! অপরদিকে ভোগবাদী নাস্তিকরা তাদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রভাবশালী গুরুদের কারণে নাট্যমঞ্চে অভিনয় করে চলছে অবিরত, ৯/১১ এর পর তাদের যেন পোয়াবারো!
Comments (9)
March 12, 2010
By: Shams
Category: বিবর্তনবাদ
ইউজেনিক্স এর সবচেয়ে সফল ও ঘৃণিত প্রয়োগ করেন হিটলার। হিটলার যা করতেন তা তার বিশ্বাস থেকে। আর যে বিশ্বাসটা তাকে সবচেয়ে বেশী প্রভাবিত করেছিল তা হল ডারউইনবাদ তত্ত্বের ভিত্তির উপর দাড়ানো ইউজেনিক্স। তার পাশবিক কাজের নীতিগত সমর্থন লুকিয়ে ছিল এই ইউজেনিক্সের মধ্যে। আর এই সমর্থন তার মধ্যে বাসা বেঁধেছিল ক্ষমতায় আরোহণের অনেক আগে। যদিও আরও অনেক উপাদান এর সাথে জড়িত তথাপি ডারউইনবাদের সাথে সম্পর্কিত ইউজেনিক্স এর অবদানকে কেউ অস্বীকার করে না। সে ডারউইনের মতবাদকে গ্রহণ করেছিল এবং বিশ্বাস করত বেঁচে থাকার সংগ্রামটাই শুধুমাত্র নীতিবোধের আওতাভুক্ত, তা যেভাবেই হোক। জার্মান বিবর্তনবাদী বায়োলজিস্ট আরনেস্ট হেকেলকে হিটলারের ‘কিলিংমেশিন’ নাজিদের আধ্যাত্নিক নেতা মনে করা হয়। তার উক্তি “রাজনীতি মানে প্রায়োগিক জীববিজ্ঞান” নাজিদের মধ্যে বহুল প্রচলিত ছিল। হেকেল এর অনুপ্রেরণা ছিল ডারউইনের ‘অরিজিন অব স্পেশীজ’। (এই অতিউৎসাহী বিবর্তনবাদী অনেক জালিয়াতির জন্যও বিখ্যাত।) লেখক রিচার্ড উইকার্ট তার ‘ডারউইন থেকে হিটলার’ গ্রন্হে একে বর্ণনা করেছেন এভাবে:
Comments (5)
March 11, 2010
By: Shams
Category: বিবর্তনবাদ
পূর্ববর্তী লেখার ধারাবাহিকতায় ইউজেনিক্স (Eugenics) এর উপর সংক্ষেপে একটু আলোকপাত করব। ডারউইনবাদের প্রতিষ্ঠাতা চার্লস ডারউইনের কাজিন ফ্রান্সিস গাল্টন যে বর্ণবাদী মতাদর্শের গোড়াপত্তন করেন, যার দ্বারা ডারউইন নিজে প্রভাবিত ছিলেন এবং তার পরিবার এ আন্দোলনে বিশেষ অবদান রাখেন তার ইতিহাস অমানবিকতা ও অবিচারে ভরা। ইউজেনিক্স মূলত একটি বৈজ্ঞানিক আন্দোলন, সহজভাবে বললে এর লক্ষ্য যোগ্যতার বেঁচে থাকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা ও অযোগ্যকে বিনাশ করা। মানবিকতার বিচারে খুব করুণ শোনায়। অবশ্য মানবতাবাদী ডারউইনবাদীদের কথা আলাদা, তাদের মানবতার সংজ্ঞা মনে হয় আলাদা! আমেরিকার ইউজেনিক্স সোসাইটি (AES) এ ব্যাপারে কৌশলী ও অগ্রদূত। আমেরিকার ইউজেনিক্স এর অন্যতম প্রবাদপ্রতীম মার্গারেট সাংগার এর মতে:
Comments (9)
March 09, 2010
By: Shams
Category: বিবর্তনবাদ
ডারউইনবাদ বিজ্ঞানের অন্যতম আলোচিত একটি শাখা। এই মতবাদটা লাইমলাইটে আসার একটি কারণ এর ডগমাটিক বৈশিষ্ট যাতে তার কিছু অতি-উৎসাহী অনুসারীর বিশেষ অবদান আছে। ‘বাদ’ বা ‘ইজম’ জিনিষটা বিজ্ঞানের আর কোনো শাখায় দেখা যায় না ডারউইনে ছাড়া। তাছাড়া দর্শনের সাথে এর নিবিড় যোগসুত্রও আরেকটা কারণ। বিজ্ঞানের সাথে দর্শনের এক ধরণের যোগসুত্র থাকে, এটা স্বাভাবিক, বর্তমান যুগে প্রতিদিনকার নতুন নতুন আবিষ্কারের জন্য এটা কতটুকু খাটে এটা নিয়ে তর্ক হতে পারে তবে গত শতাব্দী পর্যন্ত প্রাচীন আবিষ্কারগুলোর দিকে তাকালে এব্যাপারে একটা ধারণা পাওয়া যায়। ডারউইনবাদ এর ক্ষেত্রে এটা বিশেষভাবে প্রযোজ্য। ডারউইন আক্ষরিক অর্থে দার্শনিক না হলেও তার জীবিতাবস্হায়ই তাকে দার্শনিক নামে অভিহিত করা হত [5]। তার মতবাদের দার্শনিক অংশটাকে এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করা হয় মূলত বিতর্ক এড়ানোর জন্য, যা এই তত্ত্বের উপর কালিমা হয়ে আছে। তার নিজের বায়োগ্রাফীতেও এর উল্লেখ পাওয়া যায়:
Comments (2)
February 26, 2010
By: Shams
Category: Uncategorized
পৃথিবীতে কত ধর্ম আছে তা হিসাব করে বলাটা কখনো হয়ত সম্ভব না। কতগুলো আছে ওইসব ধর্মের লোকজন ধর্ম বলে দাবী করে- আদতে এগুলো ধর্ম কিনা তা বলাটা মনে হয় খুব মুশকিল। ইসলামের বাইরে সাধারণত মুসলিমরা অন্যান্য ধর্ম সম্বন্ধে কম মাথা ঘামায়। তবে অন্য ধর্ম সম্বন্ধে একটু ধারণা রাখলে নিজের অবস্হানটা আরো ভালভাবে বুঝতে সহায়তা করতে পারে। ইন্টারনেটে একটু সার্চ করলেই এসব ধর্মের সাথে পরিচিত হওয়া যায়, কিন্ত তথ্য থাকে প্রচুর ফলে খেই হারিয়ে ফেলতে হয়, আমার কাছে সে রকমই মনে হয়। যেমন কেউ যদি হিন্দু ধর্ম পড়া শুরু করে তাহলে আগা-মাথা খুজে পাওয়া আরো বেশী কষ্টকর, এতে আছে অসংখ্য গড! (প্রচলিত ধারণা ৩৩ কোটি) আর নির্দিষ্ট কোন মতবাদ না থাকা, যদিও আজকাল কেউ কেউ সাধারণ কিছু মতবাদকে সামনে ঠেলে দিয়ে গা বাঁচানোর একটা চেষ্টা করে থাকে।
This is a preview of
অন্যান্য একেশ্বরবাদী ধর্মগুলির সাধারণ পরিচিতি
.
Read the full post (1414 words, estimated 5:39 mins reading time)
Comments (5)
January 27, 2010
By: Shams
Category: Uncategorized
শুধু মা দ্বারা সন্তান উৎপাদন, ব্যাপারটা কয়েক দশক আগেও যতটা অসম্ভব শোনাত ইদানীংকালে অতটা শোনায় না। গবেষণার অগ্রগতির সাথে সাথে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব মনে হয়। সম্ভাবনা হল এমন কিছু যা হয়ত অহরহ ঘটে না, কিন্তু ঘটতে পারে, একেবারে উড়িয়ে দেবার বিষয় না। তবে এটা কোথাও অহরহ ঘটছে আবার কোথাও ঘটার সম্ভাবনা আছে তা নির্ভর করে অবস্হার উপরে। আসল কথায় আসা যাক। ভার্জিন বার্থকে Parthenogenesis বলা হয়, যা কোনো পুরুষ সংগীর সাহায্য ছাড়াই ঘটে থাকে। এটি কিছু সরীসৃপ যেমন: Python, Hammerhead Sharks, Blacktip Sharks, Turkeys, Komodo Dragon ইত্যাদি প্রাণীর মধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশী। প্রায় ৭০ প্রজাতির মধ্যে এ Parthenogenesis সাধারণতঃ naturally ঘটে থাকে। যেমন Komodo এর কথাই ধরা যাক। ফ্লোরা নামের একটা Komodo ইংলান্ডের চেস্টার চিড়িয়াখানায় এবং সুংগাই নামের একটা Komodo লন্ডন চিড়িয়াখানায় কোনো পুরুষ এর সাহায্য ছাড়াই naturally ডিম দিয়েছে।
Comments (5)
January 02, 2010
By: Shams
Category: Uncategorized
Artists রা তাদের কাজকে একটা জ্যামিতিক প্রপোরশান এর মধ্যে রাখতে চায় [1]। হয়তো ভাবছেন, কী সেই প্রপোরশান? হ্যাঁ, আমি Golden Ratio এর কথা বলছি। এই Golden Ratio তাদের কাছে Divine Ratio নামে পরিচিত। নিজের অজান্তে বা জেনেই তারা এটা ব্যবহার করে আসছেন। যদি Golden Ratio অনুসরণ করা হয় তবে তা বানাবে খুব দৃষ্টিনন্দন আর্ট। Leonardo Da Vinci এর Monalisa, Dutch painter Mondrian এর Abstract Art এবং Salvador Dali এর Last Supper এখানে উল্লেখ করার মতো। অবশ্য অনেক বিজ্ঞজনেরা এইসবকে কাকতালিয় বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। যাকে নিয়ে এতো কথা সেই Golden Ratio টা আসলে কী? এটা আসলে আর কিছুই নয়, একটা গাণিতিক প্রপোরশান, ১:১.৬২ [2]
Comment (1)
January 01, 2010
By: Shams
Category: Uncategorized
ইন্টারনেটে যারা লেখালেখি করেন তাদের প্রচুর ওয়েবসাইটে ঘুরাঘুরি করতে হয়। এখানে অসংখ্য তথ্য, কোথা থেকে কোথা যাই অবস্হা। কিন্তু কাজটাকে আপনি সহজ করতে পারেন ‘zotero‘ এর সাহায্য নিয়ে। নেটে অনেকেই হয়ত এর সাথে পরিচিত। তবে যারা জানেন না তারা এ ব্যাপারে একটু ভাবতে পারেন। গবেষণার জন্য এটা খুব দারুণ সাহায্যকারি একটা টুল। নেটের অসংখ্য তথ্য থেকে আপনার প্রয়োজনমতো সাজাতে পারবেন। আপনার গবেষণাকে যেমন সহজ করবে তেমনি করবে তথ্যবহুল। বলে নেয়া ভাল ‘zotero’ হলো Mozilla Firefox এর extension. George Mason University এর Center for History and New Media এর কিছু নিবেদিতপ্রাণ লোক এর অবদান অনেক বেশী। Web browser টা কিনতে পয়সা লাগবে না কিন্তু আপনাকে আগে Mozilla Firefox ডাউনলোড করে নিতে হবে।
Comments (3)
November 25, 2009
By: Shams
Category: Uncategorized
Newton’s Dark Secrets: by NOVA [Review]
Newton-a miracle of science. His contribution to science as well as modern civilization is outstanding and its impact is huge. He brought about completely new ideas out of existing misconception. The white color as it was thought to be pure was proved to be the combination of colors. He provide the explanation with experimental data. He was much ahead of his age but an arrogant, hungry for fame and critical to his critics.
Comments (8)
November 18, 2009
By: Shams
Category: বিবর্তনবাদ
Darwin was quite aware about the diversion of his theory from true science:
…it is almost incredible to me, for I am quite conscious that my speculations run quite beyond the bounds of true science… [1]
It’s logical to think that science at his time was not that level compared to this modern world. He may think advance of his age. But he made prediction of possible fossil discovery could give ground to his theory.
Comments (2)
November 05, 2009
By: Shams
Category: বিবর্তনবাদ
It is the science that by nature challenges the establishments and gives bunch of ideas. However, science itself gets the privileges against criticism due to its experimental facts, mathematical explanations and after all its verification in a number of ways. But science is in jeopardy for its very few elements that does not fit with its natural characteristics. Darwinism is a branch of science (pseudo science) that is criticized most, even after 150 years of its origin. This amount of time is supposed to be its time for clarification, giving evidence, and verify the theory. Rather it became an establishment (with its ‘ism’). It is against the ‘other views’ and ‘ideas’ rather than its own dogma.
Comments (5)