মৌলবাদী নাস্তিক বা ধর্ম-বিদ্বেষী (মূলত ইসলাম) মুক্তমনাদের ‘বিজ্ঞান’ ও ‘যুক্তিবাদ’ নিয়ে বেশ মাতামাতি পরিলক্ষিত হয়। তাদের এত বিজ্ঞান-প্রীতির কারণে সাধারণ মানুষের মনে ধারণা জন্মাতে পারে যে বেশীরভাগ বিজ্ঞানীরা হয়তবা তাদের ঘরানার নাস্তিক। সমাজে এ ধারণা বদ্ধমূল হোক – যা মৌলবাদী নাস্তিকদের কাম্য। এই দাবীর ভিত্তি হচ্ছে চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব। তাদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে যারা বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করে তারা সবাই নাস্তিক – কখনো তারা আস্তিক হতে পারে না। প্রসঙ্গত, ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব বর্তমান বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের অন্যতম বিষয়। তাই ধর্ম-বিদ্বেষী (মূলত ইসলাম) মুক্তমনাদের মতে যারা এ তত্ত্ব নিয়ে কাজ করবে বা বিশ্বাস করবে তারা সবাই এমনি এমনি নাস্তিক হয়ে যাবে! তাদের সংকীর্ণ ভাবধারার নমুনা:
শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমান-এর নাম উচ্চারন করতেই আমাদের দেশে অনেকে রাজনীতির সম্পৃক্ততা খোঁজতে থাকেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি তাঁদেরকে প্রচলিত রাজনীতির বাইরে রাখতে পছন্দ করি। তাছাড়া দেশে থাকতে আমি কখনো কোন দলের প্রার্থীকে ভোট দেয়নি। জেনে-বুঝেই ভোটদানে বিরত থেকেছি। উনাদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের অন্যতম কারন আমার বাবা। ছোটবেলায় একুশে ফেব্রুয়ারী, স্বাধীনতা বা বিজয় দিবসে আমরা সব ভাইবোন খুব সকাল বেলা উঠতাম। ফজরের নামাজ শেষে আমার বাবা এইসব দিবসের তাতপর্য ও ইতিহাসের বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করতেন। আমার আবার জানার কিছুটা বাতিক ছিল। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে অনেক প্রশ্ন করতাম। উনারা কিভাবে যুদ্ধ করেছেন তার বিবরনে এত বেশী শিহরিত ও অনুপ্রাণিত হতাম যে মনে মনে ভাবতাম আমার জন্ম কেন আগে হলো না! যুদ্ধের সময়কার বর্ননা শুনে বেশ কষ্ট হতো। ৭-ই মার্চের ভাষন বার বার শুনতে ইচ্ছে করত-বিশেষ করে শেখ মুজিবুর রহমানের আবেগের বহিঃপ্রকাশ। আলোচনা শেষে আমরা ছোট দু-ভাই বাবার হাত ধরে স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াচ দেখতে যেতাম। দুপুরে বাসায় হতো খাবারের বিশেষ আয়োজন।
“কোরবানির উদ্দেশ্যে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর প্রিয় ছেলে হজরত ইসমাইল (আ.)-কে নয়, তাঁর আরেক ছেলে হজরত ইসহাক (আ.)-কে শুইয়েছিলেন দাবি করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করা হয়েছে। এতে আরো দাবি করা হয়, এ নিয়ে বই-পুস্তকে যা পড়ানো হয়, তা মিথ্যা।
….গতকাল এই রিটের ওপর শুনানি গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বিচারপতিসহ রিটকারী ও সরকারপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সবাই অজু করে নেন। আদালতের নির্দেশেই সবাই অজু করেন। গতকাল সকালে রিট আবেদনটি দেখে আদালত বলেন, এ রিট আবেদনের শুনানির জন্য সবাইকে অজু করে আসতে হবে। আদালত রিটকারী, সরকারের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রাজিক আল জলিলকে অজু করে আসতে বলেন এবং বিচারপতিরাও অজু করে আসার পর দুপুরে শুনানি হবে বলে জানিয়ে দেন। পরে দুপুরে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রিটকারী নিজেই শুনানি করেন।”
ইউরোপকে মুক্তবুদ্ধি বা চেতনার আলোকিত কেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করে ইউরোপিয়ানরা বেশ গর্ববোধ করেন। ক্রমে ক্রমে সেই তকমা খসে পড়ছে এবং আসল রূপ উন্মোচিত হচ্ছে। মুসলিম মেয়েদের ড্রেস কোড (হিজাব/বোরকা) নাকি তাদের ইউরোপিয়ান ভ্যালুকে বাধা-গ্রস্থ করছে! এজন্য নারী স্বাধীনতার দিশারী হিসেবে নিজেদেরকে পরিচয় দিতে আত্নতৃপ্তিতে ভোগা ইউরোপিয়ান দেশসমূহে বোরকা/হিজাব নিধন প্রক্রিয়া চলছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ব্যবহার করছে গণতন্ত্র নামক অস্ত্র। বোরকা নিধন অভিযানে নের্তৃত্ব দিচ্ছে ফ্রান্স, যা কিনা মুক্তচেতনার কেন্দ্র-বিন্দু হিসেবে পরিগণিত করা হয়। ফ্রান্সের নীতিকে অনুসরণ করে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বোরকা পরাকে আইনগতভাবে ক্রিমিনালাইজড করা হয়। বেলজিয়াম ও ইতালী বোরকা পরিধানের অপরাধে দুজনকে জরিমানা করেছে। নেদারল্যান্ড ও স্পেনও বোরকা ব্যান প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে। ইউরোপের আরো অন্যান্য দেশও একই নীতি অনুসরণ করতে যাচ্ছে।
ইদানিং রাস্তা-ঘাটে, হাট-বাজারে, স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয়ে বোরকা বা হিজাব পরিহিতাদের সংখ্যা চোখে পড়ার মত। ১০-১৫ বছর আগে এ ধরণের ট্রেন্ড লক্ষ্য করা যায়নি (সূত্র)। তারও আগে (৭০ ও ৮০’র দশকে) শহর এলাকায় বোরকা বা হিজাব পরিধানকারী মহিলার সংখ্যা ছিল হাতে গোনার মত। সমাজের এই সামগ্রিক পট-পরিবর্তন প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবিদের জন্য হয়ে উঠেছে বড্ড মাথা ব্যথার কারণ। বিভিন্ন ভাবধারার বুদ্ধিজীবিরা যে যার দৃষ্টিকোণ থেকে এ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। সেক্যুলার ঘরানার বুদ্ধিজীবি/পলিটিশিয়ানরা অভ্যাসবশত এজন্য দায়ী করে জোট সরকারের নীতিকে। অন্যদিকে তথাকথিত অতিপ্রগতিশীল ও ধর্ম-বিদ্বেষী (মূলতঃ ইসলাম) মুক্তমনারা এ অবস্থাকে আফগানিস্থান বা পাকিস্থানের সাথে তুলনা করতে বিশেষ আকর্ষণবোধ করেন। ইন্টার্নেটে বাংলাদেশে ‘ইসলামিষ্ট’দের এই উত্থান নিয়ে রীতিমত হয় লংকাকান্ড ও অপপ্রচারণা। এ পরিস্থিতির ভয়াবহতা সম্পর্কে পশ্চিমা বিশ্বের টনক নড়ার জন্য বিস্ময়কর পরিসংখ্যান হাজির করা হয়। এতে বলা হয় বাংলাদেশে বোরকা পড়ার হার নাকি ৫০০ গুণ বেড়ে গেছে!
Singapore, a city-state located at the tip of the Malay Peninsula, is 78 times smaller than Bangladesh, but its economy (US$257 billion) is larger than ours (US$226 billion). This tiny island is not fortunate to have any natural resources. It has to import everything from food to clothing including drinking water. Around 36% of over 4.8 million population is foreigner; 50% of the service sector is occupied by foreigners. When Singapore became independent in 1965, its per capita GDP was US$511. Currently, that figure has risen to US$53,192, making Singapore wealthier per person than the United States, whereas US$1400 for a Bangladeshi.
ডাঃ জাকির নায়েককে ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষণা!
মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠা ছিল ফরাসী বিপ্লবের অন্যতম উদ্দেশ্য। ইউরোপকে মুক্তবুদ্ধি বা চেতনার আলোকিত কেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করে ইউরোপিয়ানরা বেশ গর্ব করেন। ক্রমে ক্রমে সেই তকমা খসে পড়ছে এবং আসল রূপ উন্মোচিত হচ্ছে। সেক্যুলারিজমের উপর ভিত্তি করে ইউরোপে ফ্রান্স সর্বপ্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেয়েদের হিজাব নিষিদ্ধ করে। তারপর থেকে অনেক দেশ ফ্রান্সের এই নীতিকে অনুসরণ করে। বোরকার পর হালাল বার্গারের ইসুতে ফ্রান্সে তোলপাড় হয়। ফ্রান্সের নীতিকে অনুসরণ করে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বোরকা পরাকে আইনগতভাবে ক্রিমিনালাইজড করা হয়। বেলজিয়াম ও ইতালী বোরকা পরিধানের অপরাধে দুজনকে জরিমানা করেছে (এখানে এবং এখানে)। সাম্প্রতিক সুইজারল্যান্ডে গণভোটের মাধ্যমে মসজিদের মিনার তৈরীকে গনতান্ত্রিকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। হল্যান্ডে Geert Wilders-এর নেতৃত্বে কোরান ব্যান করার পক্ষপাতি রাজনৈতিক দল সম্প্রতি ইলেকশনে আশাতীত সাফল্য পেয়েছে। তার রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০০৪ সালে এবং দলের মূল ভিত্তি হচ্ছে ইসলাম-বৈরীতা। গত সংসদীয় ভোটে পেয়েছিল ৯টি আসন। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ তে। সর্বোচ্চ আসন লাভকারী দল পেয়েছে ৩১টি আসন।
Evolutionist, Theodosius Dobzhansky famously told that “nothing in biology makes sense, except in the light of evolution”. I think, those words should be re-phrased in terms of today’s world as “nothing in the world makes sense without evolutionary perspective”. It has been linked with everything- economics, banking, space science, law enforcement, social science and so on. Interestingly, evolution fundamentalists don’t believe in Big Bang theory since it can’t make sense in the light of evolution. As an alternative, evolutionary physicists believe in cosmological natural selection which is parallel to the Darwinian evolution theory.
Source: New York Times : The fossil skeleton known as Ardi, hailed in some quarters as the scientific “breakthrough” of 2009, has now drawn critics who dispute claims that the species lived in dense woodlands rather than grassy plains, which have been long considered the favored habitat of early prehumans and perhaps account for their transition to upright walking.
কর্মব্যস্ত পৃথিবী থেকে আলাদা হয়ে ইন্টারনেট-বিহীন কোন এক দ্বীপে অবস্থান করছিলাম। সেসময় “কৃত্রিম প্রাণ” তৈরীর খবর বিবিসি’র শিরোনামে দেখলাম। বিস্তারিত জানার আর কোন সুযোগ ছিল না। মনের মধ্যে খচমচ করতে লাগল। এত বড় ঘটনা ঘটে গেল অথচ আগে থেকে তার কোন আচঁ করতে পারলাম না! চোখ বন্ধ করতেই চক্ষুপটে ভেসে উঠল মুক্তমনা-বিবর্তনবাদীদের উল্লাস-নৃত্য। বাসায় পৌছে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতেই চোখে পড়ল বাংলাদেশে বিজ্ঞানের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান “মুক্তমনা”র বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে ডঃ অভিজিৎ রায় বলেন:
অবশেষে মানুষের ঈশ্বর হয়ে ওঠা: তৈরী হল প্রথম কৃত্রিম প্রাণ
খুব তরতাজা খবর। কয়েক ঘণ্টা আগেই বেরিয়েছে। কিন্তু দারুন উদ্দীপক এবং আমাদের জন্য খুবই প্রেরণাদায়ক খবর এটি। অবশেষে বিজ্ঞানী ক্রেগ ভেন্টরের প্রায় পনের বছরের ক্লান্তিহীন গবেষণা সফলতার মুখ দেখেছে। তিনি তৈরী করেছেন প্রথম “কৃত্রিম প্রাণ”।
জনাব জামিলুল বাসার নিজের রচিত “কোরান বনাম শরিয়া” নামক বই এর অংশ বিশেষ বিভিন্ন সময়ে সদালাপের ওয়েব সাইটে সিরিজ আকারে প্রকাশ করেছেন। কয়েক মাস আগে জনাব ফারুক সাহেব সেই বই এর লিঙ্ক সদালাপের নতুন সাইটে পুনরায় প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি “নুরুল ইসলাম” নামে জনৈক লেখক সেই বই এর নাম গোপন করে সেখানে থেকে কপি-পেস্ট করে সিরিজ আকারে পোস্ট দেয়া শুরু করেছেন। একাডেমিক পরিভাষায় এটি প্লেজিয়ারিজম বা “অনুকরণ” এর মধ্যে পড়ে:
Plagiarism, as defined in the 1995 Random House Compact Unabridged Dictionary, is the “use or close imitation of the language and thoughts of another author and the representation of them as one’s own original work”
মুসলিম ইতিহাস এবং মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান সম্পর্কে আমরা তেমন কিছুই জানি না। বর্তমানে যা জানতে পারছি তা ইন্টারনেটের কল্যাণে। বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ। স্কুলের পাঠ্য-পুস্তকে অনেক সভ্যতার ইতিহাস পড়ানো হয়। কষ্টকর হলেও সত্য যে মুসলিম সভ্যতার ইতিহাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবজ্ঞা করা হয়। এটা মূলত অনেক মুসলিম অধ্যুষিত দেশে করা হয়, যেগুলো ইউরোপিয়ান দেশের কলোনী ছিল। যদিও দেশগুলো স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু স্কুলের পাঠ্য-পুস্তক গুলোতে সে রকম প্রভাব পড়েনি। তার কারণ হতে পারে পাঠ্য-পুস্তক প্রণেতারা ইসলাম বা মুসলিমদেরকে নেগেটিভ সেন্সে দেখে। অথবা বিলেতী চিন্তা-চেতনা (সেক্যুলার) দ্বারা মস্তক ধোলাই হওয়ার কারণে ধর্ম মূলত ইসলামকে এলার্জিক মনে করে। হয়তবা এটা যুগের ফ্যাশন!
লাশ ঘর পেরিয়ে আমার কর্মক্ষেত্র। বেশীর ভাগ সময়-ই মনে থাকে না লাশ ঘর অতিক্রম করছি। অনুভূতির স্নায়ুগুলো কেমন জানি ভোঁতা হয়ে গেছে। নিত্তনৈমিত্যিক দৃশ্য- লাশের গাড়ি আসা-যাওয়া করছে, লাশের শোকাহত আত্মীয়-স্বজনরা প্রিয়জনের লাশের অপেক্ষায়রত। তাদের কেউ আবার সিগারেট ফুঁকছে। লাশ কর্মীরা যে যার কাজে ব্যস্ত, তাদের দু-একজন কাজের ফাঁকে হালকা খোশ গল্প করছে। যে মানুষটা লাশ হয়ে শীতল ঘরে স্থান পেয়েছে সেও হয়তো আমাদের মত ব্যস্ত ছিল। এখন তার নেই কোন ব্যস্ততা। অফিস যাওয়ার নেই কোন তাড়াহুড়া।
জামিলুল বাসার সাহেব একজন ইসলামের স্বঘোষিত “সংস্কারক”। উনার মুখ (কী-বোর্ড) নিঃসৃত কিছু বাণী যা সদালাপ ওয়েবসাইটে এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে সেগুলোর মধ্যে কিছু আপনাদের সামনে তুলে ধরছি:
১। উনি ইসলামের প্রচলিত সালাতে বিশ্বাস করেন না। নিজেও সালাত পালন করেন না এবং যারা সালাত পালন করে উনার মতে তারা হচ্ছে হাগল (পাগল)। তার মানে সংস্কারক সাহেব কি মনে করেন আমাদের নবী ও সাহাবারাও পাগল ছিলেন? কেননা মুসলিমরা নবীর অনুসরন করে সালাত আদায় করে থাকে।
২। সংস্কারক বাসার মুহাম্মদ (সাঃ)-কে সর্বশেষ নবী হিসাবে বিশ্বাস করেন না! ‘সর্বশেষ নবী’ বলতে কোরানে কোন ইঙ্গিত বা বাণী নেই বলে তিনি সব সময় বাহাস করে থাকেন! ৩৩:৪০ নং আয়াতের মিথ্যা ও ভুল অনুবাদ করা হয়েছে, যেটা উনার পক্ষেই একমাত্র বুঝা সম্ভব! প্রসঙ্গত, তিনি একজন বাংলা-ভাষী মানুষ।
জনপ্রিয় লেখক ডঃ জাফর ইকবাল কি আল্লাহতে বিশ্বাস করেন? মুক্তমনাদের কাছে এটি একটি মিলিয়ন ডলারের মতো দামী প্রশ্ন। কেননা মুক্তমনারা উনাকে সমগোত্রীয় ভেবে আত্নতৃপ্তি অনুভব করেন এবং তাঁর ব্যক্তিগত ইমেজকে পুঁজি করে তারা বাংলাদেশে নাস্তিকতার বীজকে বৃক্ষে রূপ দিতে প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছেন। সে লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য প্রনয়ন করছেন সুদূরপ্রসারী দিক-নির্দেশনা। কিন্তু জাফর ইকবাল সাহেব রচিত বই এর কিছু উক্তি তাদের চিরায়ত বিশ্বাসকে টলে দিয়েছে! যার ফলে তারা সন্দিহান যে আসলেই কি তিনি তাদের ভাবধারার নাস্তিক, যাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ধর্মকে (মূলত ইসলাম) ধরণীর ধরা থেকে বিলীন করে দেওয়া। তাদের ওয়েবসাইটের প্রবন্ধ ও মন্তব্য পড়লে নিশ্চিত হতে পারেন যে ডঃ জাফর ইকবাল ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী নন। কেননা মুক্তমনাদের ভাবধারা অনুযায়ী বিবর্তনবাদে বিশ্বাসীরা কখনো আল্লাহ বা গডে বিশ্বাস করতে পারে না। সম্প্রতি “ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন, জাফর ইকবাল স্যার ও আমার কিছু ব্যক্তিগত ভাবনা” নামক লেখাতে এসব নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়।
সম্প্রতি মুক্তমনা ওয়েবসাইটে “মডারেট মুসলিম তত্ত্ব” পোস্টে ইসলাম ধর্মকে টার্গেট করে রেসিজমের বিষবাষ্প ছড়ানো হচ্ছে। বেশীরভাগ মুক্তমনাগণ বেশ মজা করে তা উপভোগ করছিলেন এবং অনেকে তাতে সায় দিচ্ছিলেন। মুসলিমদেরকে কীভাবে সত্যিকারের মডারেট (নন-মুসলিম) বানানো যায় তা নিয়ে বেশ জ্ঞানগর্ভ আলোচনা হচ্ছিল। যেমন একটি মন্তব্য ছিল এ-রকমঃ
“মুসলমানদেরকে মডারেট বানানো সম্ভব যদি প্রমান করা যায় মোহাম্মদ কোন নবী ছিলো না, কোরান কোন আল্লাহর বানী না। ……… বর্তমানে ইসলাম যেহেতু সভ্যতার জন্য একটা হুমকি হিসাবে আবির্ভুত হয়েছে, তাই সর্বপ্রথম ইসলামের ব্যাপারে সোচ্চার হওয়া বিশেষ জরুরী। ……….. তাহলে সমাধান কি ? সমাধান একটাই মুসলমানদের রোল মডেল মোহাম্মদ ও তার কোরানকে অসার বা মিথ্যা প্রমান করতে হবে। ………। তাই বেশী দেরী হয়ে যাওয়ার আগেই তা করাটা।”
“সদালাপ” ওয়েব সাইটের নামের কারণে সদালাপ অন্যান্য ব্লগ সাইটের থেকে আলাদা। দীর্ঘদিনের সদালাপের পাঠক হিসবে দেখেছি সদালাপ মত প্রকাশে বাধা দেয় না। তবে সেটা করতে হবে শালীনতা বজায় রেখে। এটাই সদালাপের অন্যতম বৈশিষ্ট্য বা স্বকীয়তা। তবে কেন জানি মনে হচ্ছে সদালাপ তার স্বকীয়তা থেকে খানিকটা কক্ষচ্যুত। সন্মানীয় ইসলামিক ব্যাক্তিত্বকে কটু ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে। আজে-বাজে স্ল্যাং (যেমন, আব্বাজান, বাবাজী, জারজ) ব্যবহার করা হচ্ছে। কোন মানুষ-ই ভুলের ঊর্ধে নয়। সমাজের কুসংস্কার দূর করতে হবে বিবেককে আলোকিত করে। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, গায়ের জোড়ে সমাজে কখনো প্রকৃত সংস্কার সাধিত হয়নি। বরং আরো অপসংস্কারের জন্ম দিয়েছে। সদালাপ সম্পাদককে সদালাপের স্বকীয়তা বজায় রাখতে যথাযথ অনুরোধ করা যাচ্ছে। ভদ্র এবং মার্জিত পাঠকরা-ই হচ্ছে সদালাপের প্রাণ।
তথ্যসুত্র বিয়ে ছাড়া দাম্পত্য সম্পর্ক তৈরি করার ক্ষেত্রে আগ্রহ বাড়ছে নগরীতে। এভাবে যারা জুটি গড়ছেন- তাদের মধ্যে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, চাকরিজীবী যেমন আছে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, ছাত্রছাত্রী, সাংস্কৃতিক জগতের অনেকেই রয়েছেন। রয়েছেন শিল্পী, সাহিত্যিকও। বিয়ে না করেও তারা বাড়ি বা ফ্ল্যাট ভাড়া নিচ্ছেন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে। লিভ টুগেদারের রকমফের রয়েছে। কেবল অবিবাহিত নারী-পুরম্নষ লিভ টুগেদার করছে- এমন নয়, বিবাহিত পুরুষ স্ত্রী, সন্তান থাকার পরও এবং বিবাহিত নারী স্বামী থাকার পরও সম্পর্কের ভিন্ন মাত্রায় লিপ্ত হচ্ছেন। কারণ হিসেবে একাধিক নারী-পুরুষ জৈবিক ও মানসিক শান্তির কথা বলেছেন। স্টুডেন্টদের মধ্যেও লিভ টুগেদার করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভিন্ন ধর্মের নারী-পুরুষের মধ্যে ধর্মান্তরিত না হয়ে বিয়ে করতে সমাজে বাধা থাকায় তারা লিভ টুগেদার করছে। ফেস বুক ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের ক্ষেত্রেই তা বেশি হচ্ছে। পরে প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ার পর হত্যা ও আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটছে।
ফ্রান্সে ফাস্টফুড এর “কুইক” (Quick) ব্রান্ড ম্যাকডোনাল্ড এর মতই জনপ্রিয়। সারা দেশে এর ৩৬২-টি আউটলেট (ব্রাঞ্চ) আছে। সম্প্রতি মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় আটটি আউটলেট হালাল ফাস্টফুড বিক্রি শুরু করেছে। এতে বিজনেস আগের তুলনায় বেড়েছে। মেনু আগের মতই, শুধুমাত্র পর্কের (শুকর) হ্যামবার্গার এর পরিবর্তে টার্কিবার্গার রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এতেই কাজ সেরেছে (বিস্তারিত দেখুন) । ডান-বাম সব ধরণের পলিটিক্যাল পার্টি এবং মিডিয়া সেক্যুলারিজম গেল বলে সোচ্চার হয়েছে। এতে “Freedom of choice” এর ভিত্তি নাকি দূর্বল হয়ে গেছে। মন্ত্রী সভার মিটিং-এ কুইক এর নীতিকে নিন্দা করা হয়। কুইক এর পক্ষ থেকে বলা হয় যে, এ পর্যন্ত ঐ সব এলাকার কাস্টমার কোন অভিযোগ করেনি। এরই মাঝে Roubaix শহরের পলিটিক্যাল পার্টির নেতারা আইনগতভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে।
জনাব ফারুক তার গাজ্জালী (১০৫৮-১১১১ খৃঃ)-একের ভিতর দুই। (২) লেখায় উল্লেখ করেন, “তোমরা ঘুনাক্ষরেও কোরান বোঝার চেষ্টা করবে না, তাহলে পথভ্রষ্ট হবে। কোরান বুঝতে হলে ১৫ ‘উলুম’ বা জ্ঞান জানা প্রয়োজন। – মাওলানা জাকারিয়া কান্ধালি, ফাজায়েল আমল”
এটা পড়ে যে কেউ নেগাটিভ ধারণা পাবে যে, জনাব জাকারিয়া সাহেব কোরান পড়তে নিরুত্সাহিত করেছেন। বাস্তবে তিনি তা বলেননি। সত্য জানার জন্য বংলা ফাজায়েল আমল এর scan copy পড়ুন। তাবলীগ জামাতের প্রতি উপহাস এবং ঘৃণা ছড়ানোর জন্য জনাব ফারুক জেনে বুঝে (intentionally) এটা করেছেন। এর মাধ্যমে জনাব জাকারিয়া সাহেবকে হেয় প্রতিপন্ন করার মিথ্যা চেষ্টা করেছেন। ইমাম গাজ্জালী সমস্ত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত সন্মানীয়। জনাব ফারুক উনার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ভাবে ঘৃণা ছড়াচ্ছেন। উনি এখনও মূল রেফারেন্স দেখাতে পারেননি। In a recent post, he mentioned: