শিরক: “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এর ব্যাপারে আরো পড়ে দেখলাম, আল্লাহ বলেছেন,
“তাদের অধিকাংশ আল্লাহর উপর ঈমান আনায়ন করে, তবে (ইবাদতে) শিরক করা অবস্থায়। – সূরা ইউসুফ: ১০৬
আবার আল্লাহ বলেছেন, ”আমি তোমার কাছে এবং যারা তোমার পূর্বে ছিলো তাদের কাছে এই ওহী পাঠিয়েছি যে, যদি কোন শিরক করো, তবে অবশ্যই তোমার আমল নস্ট হয়ে যাবে আর অবশ্যই তুমি খতিগ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবে।” – সূরা যুমার:৬৫
বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশী ভক্তি-শ্রদ্ধার সাথে যাঁর নাম স্মরণ করা হয় – তিনি হচ্ছেন মুহাম্মদ (সাঃ)। প্রায় দেড়-দুই বিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন নিদেনপক্ষে কয়েকবার তাঁর নাম অত্যন্ত ভক্তি-শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে থাকে। অন্যদিকে বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশী ঘৃণা ও অশ্রদ্ধার সাথে যাঁর নাম উচ্চারণ করা হয় – তিনিও হচ্ছেন মুহাম্মদ (সাঃ)। এমনকি বর্তমান বিশ্বে ‘প্রফেট’ বা ‘নাবী’ শব্দটি উচ্চারণের সাথে সাথে মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে প্রায় সবার সামনে যাঁর নাম ভেসে ওঠে – তিনিও হচ্ছেন মুহাম্মদ (সাঃ)। মানব জাতির ইতিহাসে এমন ব্যতিক্রমমূলক ব্যক্তিত্ব আর দ্বিতীয়টি নেই। ইসলামের প্রত্যেকটি বিষয়ই যেন একেকটি মিরাকলের মতো। আল-কোরআন নামক মহা-গ্রন্থটি হচ্ছে তাঁর মুখনিঃসৃত বাণী – তাঁর দাবি এবং প্রায় দেড় বিলিয়ন মানুষের বিশ্বাস অনুযায়ী আল্লাহ তথা এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার বাণী – যে বাণীকে নূর তথা আলোর তৈরী অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাধ্যম (জীব্রাঈল ফেরেশতা)-এর সাহায্যে তাঁর কাছে পাঠানো হয়েছে।
“Great minds have always encountered violent opposition from mediocre minds.” – Albert Einstein
পরম করুনাময়, অতিশয় দয়াবান আল্লার নামে আরম্ভ করছি। আল-কোরান এক মহা-গ্রন্থ। বিশ্ব মানবের পথ প্রদর্শক, গাইড লাইন, যা অতি পবিত্র উচ্চ মর্যাদাশীল কিতাবে, পূত পবিত্র্র লীপিকারের হাতে লওহে মাহফুজে সংরক্ষিত রয়েছে। কোরান আল্লার বাণী, মোত্তাকি গনের পথনির্দেশক। আকাশ ও পৃথিবীতে এমন কোন রহস্য নেই যা এই সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা নেই। (২৭/৭৫) কোরান বিশ্ব জগতের জন্য উপদেশ গ্রন্থ, কোরান সৎ পথের দিশারী ও অবিশ্বাসীগনের জন্য ভয়াবহ বার্তা। কোরান হাবলুল্লাহিল মতিন অর্থাৎ আল্লার দেওয়া মজবুত রশি – যার এক প্রান্ত আল্লার কাছে অন্য প্রান্ত মানুষের কাছে।
[পর্ব-১] বিগত চৌদ্দশ’ বছরের ইতিহাসে বড় বড় অমুসলিম বিজ্ঞানী, দার্শনিক, ও কবি-সাহিত্যিক যেমন গ্যালিলিও, নিউটন, আইনস্টাইন, বার্ট্রান্ড রাসেল, লুই পাস্তুর, মার্কোনি, নীলস বোর, ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক, থমাস এডিসন, লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি, কার্ল মার্ক্স, চার্লস ডারউইন, জগদিশ চন্দ্র বসু, উইলিয়াম সেক্সপীয়ার, বার্নার্ড শ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ও স্টিফেন হকিং-দের মধ্যে কেউই মুহাম্মদ (সাঃ) বা কোরআনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও ঘৃণা-বিদ্বেষমূলক কোন বই-পুস্তক বা প্রবন্ধ লিখা তো দূরে থাক সেরকম কোন উক্তিও হয়তো নেই। এমনকি আমগো ইসলাম-প্রেমী আদিল মাহমুদের নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাঘা-বাঘা অধ্যাপক ও নবেল লরিয়েটদের মধ্যেও উল্লেখ করার মতো তেমন কিছু শোনা যায় না। তাঁরা যে অন্যান্য ধর্মের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার বা ঘৃণা-বিদ্বেষমূলক অপপ্রচার চালিয়েছেন – তাও কিন্তু না।
সমস্ত প্রশংসা ঐ আল্লাহর যে তিনি আমাকে তাঁর দ্বীন শিক্ষা দিয়েছেন এবং আমাকে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর উম্মত বানিয়েছেন। আমিতো এক সাধারণ মানুষ ছিলাম, হয়তো অন্য অনেকের মতো এই দুনিয়ায় লিপ্ত থেকে আল্লাহ ও তাঁর দ্বীনকে না জেনেই মারা যেতে পারতাম। আল্লাহ তা থেকে আমাকে রক্ষা করেছেন। আলহামদু লিল্লাহ। বিশ্বব্যাপী দাওয়াতের যে মেহনত চলছে, তার মাধ্যমে আল্লাহ আমাকে হেদায়েতের রাস্তা চিনিয়েছেন। আল্লাহ ঐ ভাইদেরকে কবুল করুন। অন্য কেউ স্বীকার করবে কিনা জানিনা, দাওয়াতের মেহনতের সাথে লেগে থাকা ভাইদের আন্তরিকতা, পরিশ্রম ও ইখলাস বা শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য কাজ করার গুণটা যে কতটা গভীর, তা আল্লাহই জানেন। তারা টাকা-পয়সার অহঙ্কার ভুলে এক মুসলিম ভাই অন্য মুসলিম ভাইদের ইকরাম করছেন। এক্ষেত্রে কোন বংশ, আভিযাত্য বা অন্য কোন দুনিয়াবী স্ট্যাটাস বাধাঁ সৃস্টি করতে পারেনি। আল্লাহ তাদেরকে কবুল করুন। আমীন।
আমরা হয়তো খেয়াল করি না বা ভেবে দেখার অবকাশ নিই না যে, জন্মলগ্ন থেকে আমাদের জীবনে এক ধরণের countdown শুরু হয়ে যায়। যার আয়ু ৬০ বছর, তার জীবন “রাফ” হিসাবে ১৮৯,২১,৬০,০০০ সেকেন্ডের সমষ্টি। সুতরাং ব্যাপারটা এরকম যে, অদৃশ্য কোন ডিজিটাল ঘড়িতে বুঝিবা তার জীবনের countdown শুরু হয়েছিল ১৮৯,২১,৬০,০০০ থেকে – এখন হয়তো ৯,২১,৬০,০০০-তে পৌঁছেছে – তার অজান্তে কমতে কমতে ‘০’-তে পৌঁছালেই সবশেষ! NASA-র মহাকাশযানের launchpad থেকে মহাকাশযানগুলোর যেমন উৎক্ষেপন হয়, তেমনি আমাদের দেহের launchpad থেকে প্রাণগুলো যাত্রা করবে অসীমের পানে – one way journey! এভাবে ভাবলে, কোন মুসলিম তার জীবনের সাধারণ দিনরাতগুলোও হেলা ফেলায় কাটাতে পারে না! আর রামাদান মাস হচ্ছে বিশেষ একটা সময় – অন্য সময় কেউ যদি তার জীবনের সময়রূপ নিয়ামত হেলা-ফেলায় নষ্ট করেও থাকে, তবে তা compensate-করার একটা চমৎকার সুযোগ আসে এসময়ে। অথচ, এই ব্লগের কত মুসলিম ভাই-বোনেরা কত তুচ্ছ ও অর্থহীন বাক-বিতন্ডায় এই পবিত্র রামাদান মাসের অমূল্য সময়গুলো কাটিয়ে দিচ্ছেন।
বুদ্ধিজীবী শব্দটির অর্থ নির্ণয় করা বেশ কঠিন। শব্দটির ব্যবহার শুরু হয়েছে উনিশ শতকের শেষের দিকে। প্রাসঙ্গিক উদ্দেশ্যের কারণেই এখানে প্রত্যেক সংস্কৃতিবান বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিকে বুদ্ধিজীবী হিসাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রস্তাব রাখা হচ্ছে না বরং এটিকে আরবীতে আল-মুফাকিরুন এর মধ্যে দৃঢ়ভাবে সীমাবদ্ধ করে রাখার পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে বর্তমান আলোচনা। যার অর্থ হলো বিশ্লেষণাত্বক মন ও মনন এর অধিকারী যিনি তার বাগ্মিতা বা ভাষণ অথবা লেখা প্রকাশনার মাধ্যেম কোন মতামত বিনিময়ের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম এবং এভাবে যোগাযোগ তার দক্ষতা প্রমাণ করে, শুধু ঘরে বসে চিন্তা ও সমালোচনায় নিজেকে আবদ্ধ করে রাখে না। কিন্তু আসলেই কি নাস্তিক দাবিদার এ ধরণের ব্যক্তির কোন উদাহরণ আমাদের সামনে আছে? এ কথাতো সবারই জানা যে, ইউরোপ এমনকি কামাল তুর্কীর এলিট সম্প্রদায়ও এই দৃষ্টিভঙ্গি লালন করেন যে, স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস বা আন্তরিকতা এবং বুদ্ধিমান হওযার মধ্যে একটি পারষ্পরিক বিরোধ আছে। সহজভাবে বলতে গেলে তারা মনে করেন যিনি ধর্মে বা স্রষ্টায় বিশ্বাস রাখেন তার মাথায় কোন বুদ্ধি নেই। আবার বুদ্ধিমান ব্যক্তিমাত্রই আল্লাহকে বা ধর্মকে অবিশ্বাস করেন না।
শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমান-এর নাম উচ্চারন করতেই আমাদের দেশে অনেকে রাজনীতির সম্পৃক্ততা খোঁজতে থাকেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি তাঁদেরকে প্রচলিত রাজনীতির বাইরে রাখতে পছন্দ করি। তাছাড়া দেশে থাকতে আমি কখনো কোন দলের প্রার্থীকে ভোট দেয়নি। জেনে-বুঝেই ভোটদানে বিরত থেকেছি। উনাদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের অন্যতম কারন আমার বাবা। ছোটবেলায় একুশে ফেব্রুয়ারী, স্বাধীনতা বা বিজয় দিবসে আমরা সব ভাইবোন খুব সকাল বেলা উঠতাম। ফজরের নামাজ শেষে আমার বাবা এইসব দিবসের তাতপর্য ও ইতিহাসের বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করতেন। আমার আবার জানার কিছুটা বাতিক ছিল। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে অনেক প্রশ্ন করতাম। উনারা কিভাবে যুদ্ধ করেছেন তার বিবরনে এত বেশী শিহরিত ও অনুপ্রাণিত হতাম যে মনে মনে ভাবতাম আমার জন্ম কেন আগে হলো না! যুদ্ধের সময়কার বর্ননা শুনে বেশ কষ্ট হতো। ৭-ই মার্চের ভাষন বার বার শুনতে ইচ্ছে করত-বিশেষ করে শেখ মুজিবুর রহমানের আবেগের বহিঃপ্রকাশ। আলোচনা শেষে আমরা ছোট দু-ভাই বাবার হাত ধরে স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াচ দেখতে যেতাম। দুপুরে বাসায় হতো খাবারের বিশেষ আয়োজন।
নাম এবং লেখা দেখে স্বাভাবিকভাবেই ‘মুসলিম’ বা ‘এক্স-মুসলিম’ ভেবে যে কেউ বিভ্রান্ত হবেন। অথচ এরা হচ্ছে বিশেষ এক প্রজাতি। এই বিশেষ প্রজাতির ধর্মগুরু ‘রফিক’-কে দিয়েই শুরু করা যাক – যে কি-না এই ‘অভিনব’ কৌশলের উদ্ভাবক এবং ‘রুদ্র মোহাম্মদ’ ছদ্মনামে নন্দিনী হোসেনকে অসভ্য ও কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করে যার যাত্রা শুরু।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
السلام عليكم ورحمة الله و بركاته
আজ তারাবী পড়ে আসলাম ঢাকার অভিজাত এলাকার একটা মসজিদে। আমি বেশ দূর থেকে ওখানে যাই – একটু ভালো ক্বিরাত শোনার জন্য – তিন জনে পড়েন, আর ধীর গতিতে পড়েন। কিছুটা আরবী বুঝি বলেও, ভালো তেলাওয়াত শুনতে খুব ভালো লাগে। মসজিদের যেখানটায় আমি ছিলাম (নীচের তলার প্রথম সারিতে), তার আশে পাশে ছিলেন বাংলাদেশের অভ্যুদয় থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক অতীতের অনেক জেনারেলরা – ৪তারা, ৩ তারা, ২ তারা ও ১ তারা জেনারেলরা – যাদের পদভারে একসময় মাটি কেঁপেছে – যাদের চিৎকার করা খালি গলার কমান্ডে পুরা প্যারেড স্তব্ধ হয়ে গেছে। আর লাল ফিতা ছাড়াও যারা চাকুরী করেছেন – তেমন বহু ক্যাপ্টেন বা মেজর যে ঐ জামাতে ছিলেন, তা বলাই বাহুল্য। আজ তারা দেড় ঘন্টারও বেশী সময় ধরে দাঁড়িয়ে থেকে ‘ঈশা ও বিতর সহ তারাবী পড়ছেন কেন?? একদম সহজ উত্তর হচ্ছে: তারা সকলেই বিশ্বাসী।
সমুদ্রে জীবনের আরেকটি বিষয়ে আলোকপাত করা হয়নি – সেটা হচ্ছে সমুদ্রে থাকা অবস্থায় নাবিকদের, বা সোজা বাংলায় জাহাজীদের জীবনে কোন দুঘর্টনা ঘটলে বা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে কী পরিস্থিতির উদ্ভব হয় বা কীভাবে সেগুলো মোকাবেলা করা হয়? প্রথমে on board [বা জাহাজে অবস্থানকারী] চিকিৎসকের কথা আলোচনা করা যাক! সাধারণত প্যাসেঞ্জার লাইনার বা Europe/America-য় Inter-Island/International Ferries ছাড়া, মালবাহী জাহাজগুলোতে ডিগ্রীধারী পেশাদার ডাক্তার থাকেন না! তবে জাহাজের যে কোন সার্টিফিকেটধারী অফিসারকেই একটা “ফার্স্ট এইড” প্রশিক্ষণ কোর্স করতে হয় – এবং পরীক্ষা দিয়ে এই বিষয়ে সার্টিফিকেট হাসিল করতে হয়, যা কি না mandatory। জাহাজে একজন designated মেডিক্যাল অফিসার থাকেন – যিনি হচ্ছেন জাহাজের 2nd mate বা 2nd Officer. জাহাজের Medical Locker বা ডিসপেন্সারী ও (সাধারণত) ১ বেডের হাসপাতালটি তার তত্ত্বাবধানে থাকে।
বাইবেল অনুসারে ইসহাক (আঃ)-কে কুরবানী দেয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু ইসলামে পরিষ্কারভাবে ইসমাইল (আঃ)-কে কুরবানী দেয়ার কথা বলা হয়। মেরিনার ভাইয়ের এই পোস্টটিতে তাফসিরসহ কোরানের বিভিন্ন আয়াত ও হাদীস একসাথে করে ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, বাইবেল আসমানী কিতাবের অন্তর্ভুক্ত, অর্থাৎ, গ্রন্থটির মূল/আদি-রূপটি আল্লাহ প্রদত্ত। তবে বাইবেলের অনেক বাণী/ভার্স কালেক্রমে সুবিধাবাদী লোকজন বদলে দিয়েছেন বলে কোরান/হাদীসে উল্লেখ আছে। আর এই কারণেই আল্লাহ সুবহানা-তায়ালা কোরানকে প্রামাণ্য/কর্তৃত্ব-বাহী গ্রন্থ ঘোষণা করে আগের কিতাবগুলোর কর্তৃত্ব লুপ্ত করেছেন। এই লেখাতে আমি দেখাতে চাই যে, বাইবেল অনুসারে যেভাবে হযরত ইসহাক (আঃ)-কে কুরবানী দেয়ার কথা বলা হয়, সেটি সহ অন্যান্য আনুসঙ্গিক ঘটনাবলী স্ববিরোধী ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
[ভূমিকাঃ এ বছরের একুশের বই-মেলায় ‘আমেরিকার গল্পঃ রঙ দিয়ে যায় চেনা’ নামে আমার একটা বই বের হয়েছে। আমার লেখা প্রথম প্রকাশিত বই। এই গল্পটা বইয়ের ১৪ টা গল্পের মধ্যে একটা। আগ্রহী পাঠকরা এই ওয়েবসাইট থেকে বইটা কিনতে পারেন। সবাইকে ধন্যবাদ]
কৈশোর ও যৌবনে বই পড়ার ভীষন বাতিক ছিল আমার। প্রায় সব ধরনের বই কম-বেশী পড়লেও আমাকে সবচেয়ে বেশী আকর্ষন করতো ওয়েষ্টার্ন সিরিজগুলো। এ্যাপাচী যোদ্ধা, কাউবয়, গরুর র্যাঞ্চ, মরুভূমির লাগামছাড়া যাযাবর জীবন,…… সবকিছুই আমাকে আকর্ষন করতো খুব। তখন কি কখনও কল্পনা করেছি পশ্চিমের সেই মরু অঞ্চলে একদিন আবাস হবে আমার?
“কোরবানির উদ্দেশ্যে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর প্রিয় ছেলে হজরত ইসমাইল (আ.)-কে নয়, তাঁর আরেক ছেলে হজরত ইসহাক (আ.)-কে শুইয়েছিলেন দাবি করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করা হয়েছে। এতে আরো দাবি করা হয়, এ নিয়ে বই-পুস্তকে যা পড়ানো হয়, তা মিথ্যা।
….গতকাল এই রিটের ওপর শুনানি গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বিচারপতিসহ রিটকারী ও সরকারপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সবাই অজু করে নেন। আদালতের নির্দেশেই সবাই অজু করেন। গতকাল সকালে রিট আবেদনটি দেখে আদালত বলেন, এ রিট আবেদনের শুনানির জন্য সবাইকে অজু করে আসতে হবে। আদালত রিটকারী, সরকারের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রাজিক আল জলিলকে অজু করে আসতে বলেন এবং বিচারপতিরাও অজু করে আসার পর দুপুরে শুনানি হবে বলে জানিয়ে দেন। পরে দুপুরে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রিটকারী নিজেই শুনানি করেন।”
আগের কথামত, “সামু”র সকল মুসলিম ভাই-বোনদের অবগতির জন্য, ইসলামর উপর প্রশ্নোত্তরের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ডাটা-বেস, Islam Q&A থেকে আমি একটা দলিল অনুবাদ করেছি। পরে অন্য ব্লগের ভাই-বোনদের সাথেও সেটা শেয়ার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাই নীচে তুলে দিলাম:
কোন্ ছেলেকে কুরবানী দেয়ার কথা বলা হয়েছিল?
প্রশ্ন:আমি জানি যে, মুসলিম বিশ্বাসমতে নবী ইব্রাহীম(আ.) তার ছেলে নবী ইসমাঈলকে(আ.) কুরবানী করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু একজন অমুসলিম, যার সঙ্গে আমার কথাবার্তা হয়েছে, তিনি উল্লেখ করলেন যে, ব্যাপারাটা কুরআনে বলা নেই। ব্যাপারটা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে মনে হল যে, কোন ছেলেকে কুরবানী করার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল সে ব্যাপারে কুরআনে কিছু বলা নেই(অন্তত আমার কাছে যে ইংরেজী অনুবাদটা আছে, সেটার ৩৭ নম্বর সূরায় আমার তেমনই মনে হলো)। দয়া করে নবী ইব্রাহীম(আ.) এবং তিনি যে কুরবানী করতে চেয়েছিলেন, সে ব্যাপারে মুসলিমদের অবস্থানটা দলীল-প্রমাণ সহকারে ব্যাখ্যা করুন। জাযাকাল্লাহু খাইর।
এই সিরিজের আগের লেখাটায়, বিভিন্ন ধরনের জাহাজের কিছু বর্ণনা দেয়া হয়েছে, যাতে (অ-জাহাজী) সাধারণ পাঠকরা যদি সিরিজটা পড়তে থাকেন, তবে মোটামুটিভাবে যেন বোঝেন যে, কি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে। আগের লেখায় জাহাজের শ্রেণীবিভাগটা ছিল মালামালের ধরনের উপর ভিত্তি করে। এবার ট্রেডিং/সার্ভিস বা ব্যবসার ধরনের উপর নির্ভর করে জাহাজের আরেকটি শ্রেণীবিভাগের কথা বলবো। সেটা হচ্ছে liner ও tramping। যে জাহাজগুলো নির্দিষ্ট সময় পর পর একই পোর্টগুলোতে ঘুরে ঘুরে আসে – সেই জাহাজগুলোকে liner vessel বলে। (প্যাসেঞ্জার লাইনার এবং ইনটারন্যাশনাল ফেরী ছাড়া) সাধারণত বড় কন্টেইনার জাহাজগুলো, কার ক্যারিয়ার ও Ro Ro Vessels ইত্যাদি লাইনার সার্ভিসে নিয়োজিত থাকে – আগে “জেনারেল কার্গো” জাহাজ দিয়েও কোথাও কোথাও liner সার্ভিস চালু থাকলেও, এখন তা নেই বললেই চলে! কোথাও কোথাও রেফ্রিজারেটেড শিপগুলোও লাইনার সার্ভিসে নিয়োজিত থাকতে পারে। যে জাহাজগুলো tramping করে, সে গুলোর কোন নির্দিস্ট রুট নেই (tramp কথাটার মানে ভবঘুরে বা যাযাবর – সেই হিসেবে নামটা যথার্থ)। বাল্ক ক্যারিয়ার, জেনারেল কার্গো বা লগ ক্যারিয়ার – এগুলো সাধারণত tramping করে থাকে।
[পর্ব-১, পর্ব-২, পর্ব-৩, পর্ব-৪, পর্ব-৫, পর্ব-৬] আগের পর্বগুলোতে আমরা কোরান, হাদীস, তাফসির ও বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে প্রাক-বদর ও বদর যুদ্ধের কারণ সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আজকে চিরায়ত সীরাত ও ইতিহাস-বই গুলোতে যেভাবে বদরপ্রান্তে মুসলিম ও কোরাইশ-দল উপস্থিত হন বলে বলা হয়, তা নিয়ে আলোচনা করবো ও বর্ণিত ঘটনাক্রম যে ভৌগলিক, বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক প্রেক্ষাপট থেকে একেবারে অসম্ভব, তা প্রমাণের চেষ্টা করবো। শেষে উপসংহার দেবো পুরো সিরিজটার।
আগের পর্বগুলোতে আমরা প্রাক-বদর আবহ/প্রসঙ্গ থেকে শুরু করে বদরের যুদ্ধের মূল কারণগুলো কোরান, হাদীস ও সাধারণ ইতিহাস থেকে জানার চেষ্টা করেছি। আজকে আরো ২-টি হাদীস নিয়ে আমরা আলোচনা করবো যেখানে বদর যুদ্ধের কারণ সম্পর্কে তথ্য আছে। প্রথম হাদীসটা কাব-বিন-মালিকের(রাঃ) ছেলে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করছেন; তাতে তাঁর পিতার কাছ থেকে শোনা তাবুক যুদ্ধে কাব-বিন-মালিক(রাঃ) কেনো যেতে পারেননি, তার কারণ ও পরিণতিতে কী হয়েছিলো, তার বিশদ বিবরণ আছে। নীচে বাংলা অনুবাদের অভাবে ইংরেজীতে অনলাইন বোখারী থেকে হাদিসের শুরুটা দিলাম।
যেখানে পশ্চিমা বিশ্বের সবকিছুকে ‘ধ্রুব আদর্শ’ ধরে নিয়ে মেকি ‘নারীবাদী’ সেজে ইসলাম ও মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নারী-বিদ্বেষী বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে – সেখানে প্রতি বছর পশ্চিমা বিশ্বেরই হাজার হাজার শিক্ষিত নারী ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। একে লিভিং মিরাকল ছাড়া আর কী-ই বা বলা যায়! ইসলাম যেন তাদের কাছে সোনার হরিণের চেয়েও মহা-মূল্যবান কিছু একটা। বিশ্বাস না হলে তাদের মুখ থেকেই সরাসরি শোনা যেতে পারে।