কুরবানীর অর্থনৈতিক প্রভাব
অজ্ঞতার কারণে কেউ কেউ বলতে চান কুরবাণীর ফলে দেশে ব্যাপক পশু নিধন হয় যা দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে। কথাটি আদৌ সঠিক নয়। বরং এ কুরবানীর ফলে একটি পশু নিধনে শত শত পশু জন্ম নেয়। কেননা কুরবানীর জন্য সারা বছর পশু পালনকারী ও পশু ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী অসংখ্য গরু, মহিষ, ছাগল, উট লালন-পালন করা হয় এবং কুরবানীর সময় এগুলো বিক্রির ফলে দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাধিত হয়, দারিদ্র্য বিমোচন হয়, মানুষের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পায়। মানুষের কর্মসংস্থান বাড়ে। অনুরূপভাবে কুরবানীর পশুর চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য নিজেদের প্রয়োজন পূরণ করার পরও বিদেশে রপ্তানি করে দেশে ব্যাপক হারে বৈদেশিক অর্থ অর্জন করা যায়।

ফ্রী! ফ্রী! ফ্রী!! – ইশ শুনতেই কীযে ভালো লাগে। আর যদি ফ্রীতে কিছু পাওয়া যায় তাহলেতো আনন্দের কোন সীমাই নেই। ফ্রী জিনিসে কেন এত মজা পাওয়া যায়? আপনার কী মনে হয়? আপনার যাই মনে হোক, দেখা যাক আচরণবাদী অর্থনীতিবিদরা (Behavioral Economics) এই বিষয়ে কী বলেন। সাধারণ অর্থনীতিতে শুন্য দামও এক ধরণের দাম। সাধারণ অর্থনীতি ধরেই নেয় মানুষ স্বভাবতই বুদ্ধিমান এবং প্রতিটি পদক্ষেপ সে জেনে বুঝে নেয়। কিন্তু আচরণবাদী অর্থনীতি সাধারণ অর্থনীতির এই অনুমিতিকে গ্রাহ্য করেনা, তারা বলেন মানুষের কাজে সিদ্ধান্ত নেবার মত পর্যাপ্ত তথ্য সবসময় থাকেনা এছাড়া আমরা আমাদের অন্তর্নিহিত দুর্বলতার কারণে প্রায়শই ভুল সিদ্ধান্ত নেই। আসুন দেখা যাক ফ্রী-র উত্তেজনা আমাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে কীভাবে প্ররোচিত করে।