Shodalap

An inclusive e-journal for Bangladeshis for home and abroad
Subscribe

Archive for the ‘Uncategorized’

নাস্তিকতাবাদের একটি বড় সমস্যা

August 29, 2010 By: Fuad Category: Uncategorized

অনেক নাস্তিক ফিলসফার বলে থাকেন,

১. ঈশ্বর আছেন এর সপক্ষে কোন প্রমান নেই।
২. ঈশ্বর নেই এর সপক্ষেও কোন প্রমান নেই।

উভয় কথাই তারা মেনে নেন। এখন ধরুন, আপনি একটি বলের বাক্স আনলেন। বক্সটি এরকম যে এর ভিতরে কি আছে দেখা যায় না। এখন, দুই জন মানুষ পাওয়া গেল। একজন বললঃ বক্সের ভিতরে বল আছে, আমি বিশ্বাস করি। আরেকজন বলল, না এখানে বল নেই, আমি বিশ্বাস করি। ভাল করে চিন্তা করে দেখুন, বল না থাকলে এর পক্ষে প্রমান থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বল থাকার ক্ষেত্রে আন্দাজ করে বলা যায়, বল থাকলেও থাকতে পারে যেহেতু বল নেই এমন কোন প্রমান নেই। তার মানে না-থাকার চেয়ে থাকার পক্ষের যুক্তিই জোরালো। (ব্যাপারটি বুঝাতে পারলাম কি না কি জানি)

বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত আমাদের এই পৃথিবী- উদ্দেশ্যহীন নয়তো! – ২

August 28, 2010 By: Shams Category: Uncategorized

চারদিকে বিরাজমান আপাতদৃষ্টিতে দেখা অসীম এই বিশ্বব্রহ্মান্ডে প্রাণের সম্ভবনা আসলেই কতটুকু! যতটুকু জানা গেছে তাতে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত প্রায় পুরোটাই ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত। পাশ্চাত্য সভ্যতার মধ্যে প্রাচীন গ্রীকরাই প্রথম পৃথিবীর বাইরে অগণিত গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের ধারণা দেন। এর অনেক পরে ষোলশতকে, পূর্বে ধারণাকৃত পৃথিবী-কেন্দ্রিক বিশ্বের বিপরীতে সূর্য-কেন্দ্রিক সিস্টেম ভিনগ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের ব্যাপারে নতুন গবেষণার দ্বার খুলে দেয়। পরবর্তীতে রাশিয়ার স্পুটনিক ১৯৫৭-১৯৫৮ সালের দিকে মহাশুন্যে অভিযান চালিয়ে যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা করে। মহাবিশ্ব সম্পর্কে কার্যকরভাবে আমাদের ধারণায় ব্যাপক পরিবর্তন আসতে শুরু করে তখন থেকেই।

বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত আমাদের এই পৃথিবী- উদ্দেশ্যহীন নয়তো! – ১

August 20, 2010 By: Shams Category: Uncategorized

আমরা পথিক ধুলির পথের, ভ্রমি শুধু একটি দিন,
লাভের অন্ক হিসাব করে পাই শুধু দুখ, মুখ মলিন।
খুঁজতে গিয়ে এই জীবনের রহস্যেরই কূল বৃথাই
অপূর্ণ সাধ আশা লয়ে হবই মৃত্যুর অন্কলীন।
(ওমর খৈয়াম)

জীবনের উদ্দেশ্য কি-কেবল খাঁচার ভিতর অচিন পাখির যাওয়া আসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ? আমরা প্রতিনিয়ত এই দোলাচালে আছি, তা সে বিশ্বাসী বা অবিশ্বাসী, যে-ই হউক না কেন। একজন ঈশ্বরে বিশ্বাসীর কাছে উদ্দেশ্যহীন জীবন অসম্ভব। অথচ অবিশ্বাসীর কাছে উদ্দেশ্যহীনতাই জীবন।

Stalin and the Ukranian Massacre by Eric Margolis

August 16, 2010 By: Panjeri Category: Uncategorized

Five years ago, I wrote a column about the unknown Holocaust in Ukraine. I was shocked to receive a flood of mail from young Americans and Canadians of Ukrainian descent telling me that until they read my article, they knew nothing of the 1932–33 genocide in which Stalin’s regime murdered 7 million Ukrainians and sent 2 million to concentration camps. How, I wondered, could such historical amnesia afflict so many young North-American Ukrainians? For Jews and Armenians, the genocides their people suffered are vivid, living memories that influence their daily lives. Yet today, on the 70th anniversary of the destruction of a quarter of Ukraine’s population, this titanic crime has almost vanished into history’s black hole.

কমুনিস্ট নাস্তিক বনাম নন-কমুনিস্ট নাস্তিক: কারা প্রকৃত নাস্তিক?

August 05, 2010 By: এস.এম. রায়হান Category: Uncategorized

এ-কথা আজ সর্বজনবিদিত যে কমুনিস্ট মানেই বস্তুবাদী নাস্তিক। কমুনিস্ট অথচ স্রষ্টা ও ধর্মে বিশ্বাসী – এমন কেউ আছে কিনা জানা নেই। আর থাকলেও তাকে নিয়ে নাস্তিক মহলে হাসি-ঠাট্রা হবে বলেই বিশ্বাস। যাহোক, নাস্তিক দাবিদারদের মধ্যে কারো কারো লেখা থেকে জানা যায় কমুনিস্টরা নাকি প্রকৃত বিজ্ঞানমনষ্ক নয়। তারা নাকি এক ধরণের ছদ্মবিজ্ঞানে বিশ্বাসী। এমনকি মুসলিম নামধারী বাঙ্গালী কমুনিস্টদের নিয়ে মাঝে মধ্যে সমালোচনা আর হাসি-ঠাট্রাও হয়। অন্যদিকে আবার রিচার্ড ডকিন্সের দাবি অনুযায়ী স্ট্যালিন, পল পট, ও মাও এর মতন কমুনিস্টরা নাকি প্রকৃত নাস্তিক ছিলেন না! তারাও নাকি এক ধরণের ‘ধার্মিক’ ছিলেন! বিবিসি হার্ডটক-এ ইন্টারভিউ এর সময় রিচার্ড ডকিন্স যখন সকল প্রকার ইভিলের জন্য ধর্মকে সাধারণভাবে এবং ইসলামকে বিশেষভাবে দায়ী করছিলেন তখন ইন্টারভিউয়ার তাকে থেমে দিয়ে বিংশ শতাব্দীতে সংঘটিত যুদ্ধ আর গণহত্যা এবং সেই সাথে স্ট্যালিন, পল পট, ও মাও এর নাম উল্লেখ করলে রিচার্ড ডকিন্স এই কথা বলেন।

নাস্তিকেরা ক্ষমতায় এলে কী করতে পারে?

August 01, 2010 By: Panjeri Category: Uncategorized

পৃথিবীর অনেকগুলো দেশকে দীর্ঘ সময় শাসন করেছিলেন এইসব শাসকেরা। কী দিয়েছেন তারা পৃথিবীকে? মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ মারা পড়েছে এদের হাতে, মানবাধিকার হয়েছে লংঘিত। এদেশগুলোর অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছিল। দেশগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল বহির্বিশ্ব থেকে। ঠান্ডা স্নায়ু যুদ্ধে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল পৃথিবী। একটি কাজ তারা ভালমতেই সেরেছেন, তা হল দেশগুলো থেকে ধর্মকে বিতাড়িত করা। মংগোলিয়ায় লামাবাদ বা লামাইজমকে একেবারেই মুছে দেয়া হয়েছিল। বুদ্ধের সেক্যুলার ধর্মও তাদের মনঃপুত হয়নি। স্তালিনের সাগরেদ মংগোলিয়া একনায়কের হাতে মারা পড়েছিল ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষ। খোদ স্তালিনের হাতে কত লক্ষ মানুষ মারা পড়েছে বা সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত হয়েছিল, পৃথিবী প্রথম জানতে পারে সদ্য প্রয়াত লেখক আলেক্সান্ডার সোলজনৎস্কির লেখা থেকে। চীনের বিরুদ্ধে এখনো মানবাধিকার লংঘন কিংবা বাকস্বাধীনতা হরণের অভিযোগ করা হয়।

ইন্টারনেটের খারাপী থেকে বাঁচার উপায়

July 31, 2010 By: notime Category: Uncategorized

ইন্টারনেটের খারাপী থেকে বাঁচার উপায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “জুতা আবিস্কার” কবিতাতে, আমার মনে হয় তার সমাধানের সূত্র খুঁজে পাওয়া যাবে। কবিতাটি বহুল প্রচারিত ও বহুল পরিচিত হওয়া সত্ত্বেও হয়ত কারো কারো জানা নেই এই আশঙ্কায় কবিতাটি সারাংশ তূলে ধরলাম:-

নাস্তিকের সুখানুভূতি

July 09, 2010 By: ফারুক Category: Uncategorized

[এ লেখাটি মুক্তমনা ব্লগের জন্য লিখেছিলাম। ওখানেই পাঠিয়েছিলাম প্রকাশের জন্য গতকাল। ওখানে প্রকাশ না করায়, এখানে সাবমিট করলাম।]

নাস্তিক হওয়ার মজাই আলাদা। নিজেকে কেমন জ্ঞানী, ধর্মের কুসংস্কারমুক্ত, বিজ্ঞানমনস্ক, যুক্তিবাদী, মুক্তমনা উন্নত প্রজাতির মানুষ ভাবতে গর্ব হওয়ারি কথা। মুক্তমনার ধর্মবিরোধী আর্টিকেলগুলো পড়লে, লেখকদের ও মন্তব্যকারীদের এই উন্নাসিক ভাবটা চোখ এড়ায়না। সম্প্রতি এক লেখক তো খোলা চ্যালেন্জ দিয়েই বসেছেন, “যুগে যুগে ধর্ম সব সময়েই মানুষের ব্রেইন থেকে সৃষ্ট বা তৈরি” এর সাথে ঐশ্বরিক কোন সম্পর্ক নেই।” আশা করা যায় এরুপ অকাট্য চ্যালেন্জের পরে পৃথিবীতে অচিরেই ধর্মের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হবে। আশা করতে দোষ কি?

নাম নিয়ে বিড়ম্বনা শেষ হোক!

July 03, 2010 By: antibhondo Category: Uncategorized

পূর্বকথা: এন্টাইভন্ড নামটাই এমন যে বোঝাই যায়, কোনো ভন্ডলোকের এই নাম সহ্য হবার কথা নয়। এ-নাম নিয়ে সমস্যা কেবল তারই হওয়ার কথা, এই নাম সামনে আসলে আতঙ্কিত হওয়ার কথা তারই, যার নিজের সম্বন্ধে এই সন্দেহ আছে যে সে নিজে মনে হয় ভন্ড, অথবা নিশ্চিতভাবেই জানে যে সে নিজে আসলে ভন্ড, এবং ভয়ে আছে যে বুঝি প্রকাশিত হয়েই পড়লো। বাশার সাহেব এই নাম নিয়ে বহুদিন খুব অস্থির সময় কাটিয়েছেন, এবং বহুবার বিচ্ছিরি ভাষায় নামটি বদল করতে বলেছেন। মনে হয়েছে এই নামটির কারণে তার শরীরে বুঝি কেউ বিছুটি ঢেরে দিয়েছে। পাঠক সমাজ, আপনারা জনেন, ইতোপূর্বে, এই ব্লগে বাশার সাহেব কয়েকবার এ্যাটেম্পট নিয়েছেন কোরানের আয়াত বিকৃত করে উপস্থাপনের। বেশ কয়েকজনের চেষ্টায় সেই কু-প্রচেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে এবং বাশার সাহেবের প্রকৃত রূপ সকলের সামনে প্রকাশিত হয়েছে।

পারভেজ আলম সাহেবের ক্ষোভ প্রকাশের নমুনা

June 19, 2010 By: Fuad Category: Uncategorized

পারভেজ আলম wrote: “ব্লগে ক্ষোভ প্রকাশ করার চেয়ে ফেইসবুকে নিজের বন্ধু বান্ধবদের সামনে প্রকাশ করছি, এইটা আপনের জন্যই ভালো হইছে।”

ব্যাক্তিগতভাবে নিজেকে প্যাগান দাবীকারি (নাম দেখলে বুঝা যায় উনি মুসলিম ফ্যামিলির) ব্যাক্তি ফেসবুকে আমার নামে কেমন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেখুন:

এই প্রোফাইলের অর্থ কি? কেউ কি আমারে বুঝাইবেন। নিচের এই পোস্টটায় মন্তব্য করতে পারলাম না। বালডায় আমারে ব্লক কইরা রাখছে। http://www.somewhereinblog.net/blog/Fuad1dinohin/29176883

In this photo: আরিফুর রহমানরায়েহাত শুভ (Photos), নাস্তিকের ধর্মকথা (Photos), সন্যাসী নাস্তিক সন্যাসী (Photos), চিন্তিত তাপস পাল (Photos), কামরুস সালাম সংসদআসিফ মহিউদ্দীন (Photos), একজন নির্ধার্মিক (Photos), মাওলানা দুরের পাখি(Photos), আল্লামা শয়তান

সালাম, বিনয় এবং মুনাফেকী

June 16, 2010 By: antibhondo Category: Uncategorized

ধরেন আমি আপনাকে যখনই দেখা হয় তখনই সালাম দেই। সালাম মানে হলো আসসালামু আলাইকুম – আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। তো, যতবার দেখা হোক, আমি আপনার শান্তি চাইতেই পারি। এমনকী ধরেন, একইদিনে দশবারোবার দেখা হলো, আসতে যেতে, তা-ও। শান্তি চাওয়া…এত আবার কী সমস্যা? বরং যে না চায়, তাকে আরো ধরে…সে কি শান্তি চায় না? কিন্তু, ধরেন, আপনি কারো সঙ্গে কথা বলছেন, তো কথা বলার সময়ে একই কনভারসেশনে যতবার আপনার সাথের লোকটা মুখ খুলছে, ততবার আপনাকে সালাম দিয়ে শুরু করছে। আমারে ইমানে বলেন, আপনার কতক্ষণ ভালো লাগবে? মনে করেন সেইটাও সহ্য করলেন। এখন, নতুন সমস্যা শুরু হলো, আপনার সাথে কথা বলা লোকটা প্রতিবার আপনাকে সালাম দিয়ে শুরু করে আপনাকে কাফের বানালো। হয় আপনি কাফের, নয়তো অকৃতজ্ঞ! এগুলোর কিছুই না হলে আপনি অন্তত ভন্ড! মজার ব্যাপার, ধরেন, যতবার আপনাকে সে ভন্ড বলে মানুষের সামনে প্রকাশ/প্রমাণ করতে চাচ্ছে, ততবার সে শুরু করছে আপনাকে সালাম দিয়ে (শান্তি বর্ষণ হোক!)।

নাস্তিকদের আত্মঘাতী যুক্তি

June 09, 2010 By: এস.এম. রায়হান Category: Uncategorized, বিবর্তনবাদ

যুক্তিবিদ্যার মৌলিক নিয়ম অনুযায়ী কোন কিছুর বিরুদ্ধে এমন কোন যুক্তি দেয়া যাবে না, যে যুক্তি দিয়ে নিজের বিশ্বাসকেই ভুল প্রমাণ করা যায়। কিন্তু নাস্তিকরা দেখা যায় প্রায়ই যুক্তিবিদ্যার এই মৌলিক নিয়মকে লঙ্ঘন করে আস্তিকদের বিশ্বাসকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। তাদের আত্মঘাতী যুক্তিগুলোর মধ্যে “সৃষ্টিকর্তার পিতা বা কারিগর” যুক্তিটি অন্যতম। উদাহরণস্বরূপ, আস্তিকরা যেহেতু ঘড়ির কারিগরের যুক্তি দিয়ে এই মহাবিশ্বের একজন মহান কারিগর থাকার কথা বলেন সেহেতু নাস্তিকরা তার পাল্টা যুক্তি দেন এভাবে:

(ক) ঘড়ি বানায় ঘড়ির কারিগর। ঘড়ির কারিগরের পিতা আছে। (খ) মহাবিশ্ব বানিয়েছে মহাবিশ্বের কারিগর। মহাবিশ্বের কারিগরেও পিতা থাকতে হবে। (গ) অতএব ঘড়ির যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয় এবং সে-কারণে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা বলেও কিছু থাকতে পারে না!

‘ব্যাখ্যা’ আর ‘প্রমাণ’ এর মধ্যে পার্থক্য

June 04, 2010 By: এস.এম. রায়হান Category: Uncategorized, বিবর্তনবাদ

অনেক উচ্চ শিক্ষিত লোকজন ‘ব্যাখ্যা’ আর ‘প্রমাণ’ এর মধ্যে পার্থক্য বুঝেন না। কেউ কেউ দেখা যায় বুঝে বা না বুঝে প্রায়শই কোন কিছুর ব্যাখ্যাকে ‘প্রমাণ’ হিসেবে চালিয়ে দেন। অনেকে আবার ‘প্রমাণ’ বলতে ঠিক কী বুঝায় সেটাও বুঝেন না। যেমন তাদেরকে প্রায়ই দাবি করতে শোনা যায় যে, এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার পক্ষে কোনই প্রমাণ নাই! এই কথা বলে নিজেদেরকে ‘যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞান-মনষ্ক’ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাদেরকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় কী ধরণের প্রমাণ পেলে তারা স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করবেন এবং কেন – সেক্ষেত্রে পিছুটান দেয়া হয়! যাহোক, ব্যাখ্যা আর প্রমাণ যে এক জিনিস নয় সেটি দু-একটি উদাহরণের সাহায্যে বুঝানো যাক।

‘অক্কামের ক্ষুর’- ক্ষুরটা চলে কীভাবে?

May 30, 2010 By: Shams Category: Uncategorized

উইলিয়াম অব অক্কাম

সত্য সুন্দর, তবে সব সত্য কি সরল? ‘অক্কামের ক্ষুর’ও ‘সরল’ এর কথাই বলে (Principle of Parsimony বা মিতব্যায়িতার নীতি) তবে তা সুন্দর বা সত্য কি না তা নিয়ে মাথা ঘামায় না। অনেকগুলো সম্ভবনার মধ্যে সরলটাকেই সে গ্রহণ করার কথা বলে, অন্যান্য সম্ভবনাগুলোকে বর্জন করে। তবে মনে রাখা উচিত, যাকে ‘সরল’ বলা হচ্ছে তা কতটুকু সরল, কারণ বিষয়টি আপেক্ষিক। বিজ্ঞান গবেষণায় এটি একটি খুব সাহায্যকারী ‘টুল’। গবেষণায় ‘হাইপোথিসিস’ এর প্রয়োজন পড়ে আর এর মধ্য থেকে সবচেয়ে সরলটিকেই বেছে নেয়া হয়। অবশ্য একধরণের বিপরীত্য চোখে পড়ে। কিছু লোককে বলতে শোনা যায় বিজ্ঞান সবসময় সত্যের অনুসন্ধান করে। হয়ত তারা ঠিক বলে না, অন্তত ‘অক্কামের ক্ষুর’ এর প্রয়োগ তা বলে না।

এ কোন্‌ প্রহসন

May 30, 2010 By: তুষার Category: Uncategorized

বাংলাদেশ ৯৫% মুসলিম অধুষ্যিত একটি দেশ। এ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান মনে-প্রাণে আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিশ্বাস করে। সেই মুসলমানরাই ভোটের মাধ্যমে এমন এক সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে যারা কিনা তাদের নির্বাচনী ইশতিহারে কুরাআন-সুন্নাহ্‌ বিরোধী কোন আইন করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু তাদের সেই প্রতিশ্রুতির কতোটুকু তারা পূরণ করতে পেরেছে তা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ তারা ফেইসবুকের মত তথাকথিত সামাজিক নেটওর্য়াকিং সাইটে যখন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্‌সাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ব্যঙ্গচিত্র (কার্টুন) প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিল তখন তারা ফেইসবুক নিষিদ্ধ করা তো দূরের কথা বিন্দু মাত্র প্রতিবাদ পর্যন্ত জানালো না।

অতিরিক্ত ধর্মীয় গোঁড়ামি চরমপন্থার দিকে নিয়ে যেতে পারে

May 08, 2010 By: Abdur Rahman Abid Category: Uncategorized

(Excessive Religious Zeal and Conservatism May Lead to Extremism)

এস.এম. আমার খুব ঘনিষ্ট বন্ধু। টেলিফোনে প্রায় কথা হয়। এস.এম.ই ফোন করে। আমার অনেকগুলো দোষের মধ্যে একটা হলো কাউকে ফোন না করা। একবিংশ শতাব্দীতে আমেরিকার মত উন্নত একটা দেশে বাস করেও আমি সেল্‌ফোন ব্যবহার করিনা। টুকটাক দরকারি ফোন-টোন যা করা লাগে, তা বাসার ল্যান্ড ফোন থেকেই সেরে ফেলা যায়। “ও তো এখন বাসায় নেই, কোনো মেসেজ দিতে হবে?” কিম্বা “ড্যাড্‌ বাসায় নেই, মসজিদে গেছেন; আসলে কিছু বলতে হবে?”- এ জাতীয় রিজোনিং বা এক্সকিউজগুলো কেবল ল্যান্ড ফোনের সুবাদেই আমাকে অসংখ্য খেজুরে আলাপের হাত থেকে বাঁচিয়ে দেয়। সেল্‌ফোন সাথে থাকলে এসব এক্সকিউজের সুযোগ থাকতোনা নিশ্চয়। অবশ্য আমার ফোন না করার ঘাটতি আমার স্ত্রী অনেকাংশে পুষিয়ে দেন। তার সেল্‌ফোন ছাড়াও বাসার ল্যান্ড ফোনে ন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল কি সব আন্‌লিমিটেড সিস্টেম আছে যার মাধ্যমে আমেরিকা, কানাডাসহ বাংলাদেশে এবং সাথে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়াতেও নাকি ঘন্টার পর ঘন্টা ফোন করা যায়। মজার ব্যাপার হলো, টেলিফোনে প্রায় নিয়মিতই আমার পরিবারের সদস্যদেরসহ আমার ঘনিষ্ট বন্ধুদের স্ত্রীদের সাথে কথা বলেন আমার স্ত্রী, যা আমাকে ‘অসামাজিক’ খেতাব পাওয়া থেকে ক্রমাগত রক্ষা করে চলেছে।

যোরোস্ট্রিয়ান ধর্ম- একটি নাতিদীর্ঘ বিশ্লেষণ

April 15, 2010 By: Shams Category: Uncategorized

["অন্যান্য একেশ্বরবাদী ধর্মগুলির সাধারণ পরিচিতি" লেখায় অনিচ্ছাকৃতভাবে যোরোস্ট্রিয়ান ধর্মটি বাদ পড়ে যায়। অথচ দেখা যায় আব্রাহামিক ধর্মের সাথে এর সামঞ্জস্য বেশ চমকপ্রদ। নীচে এ ধর্মটির প্রতি কিছুটা আলোকপাত করা হয়েছে।]

যোরোস্ট্রিয়ান ধর্ম আনুমানিক ৩৫০০ বছর আগে প্রফেট যোরাস্ট্রার (যোরোস্ট্রিয়ানদের মতে) দ্বারা প্রতিষ্ঠা পায় বলে ধারণা করা হয়। যোরোস্ট্রিয়ানদের অধিকাংশ গাথাই গ্রীকসহ বিভিন্ন দখলদারদের দ্বারা ধ্বংস হয়ে যায়। প্রাচীন গাথাগুলো আভেস্তান ভাষা দ্বারা লেখা যা ঋগ্বেদ এর সংস্কৃতের সাথে সম্পর্কিত। যোরোস্ট্রিয়ানদের ভাষা আভেস্তান এর সাথে ল্যাটিন এরও মিল আছে। অনেকে আভেস্তান, সংস্কৃত ও ল্যাটিনকে সিস্টার ল্যাংগুয়েজ বলে থাকেন। এছাড়া আরো কিছু ইউরোপীয়ান ভাষার সাথে এর মিল লক্ষণীয়। উদাহরণস্বরুপ, বারাদার (পার্সি) = ভ্রাতা (সংস্কৃত) = ব্রাদার (ইংরেজী)। এছাড়া আভেস্তানের ‘পাইরিডাইজ’ ও ‘ইংরেজী’র ‘প্যারাডাইজ’ একই অর্থ বুঝায়।

বিনোদন মানুষকে কি ভুলিয়ে রাখে?

April 05, 2010 By: mariner Category: Uncategorized

বিনোদন মানুষের জীবনের অমূল্য সময় চুরি করে নিয়ে যায় মানুষের অজান্তেই। মানুষ যেন স্বেচ্ছায় নিজেকে ক্ষয় করার বা নিঃশেষ করার ব্রত নিয়ে বিনোদনের জালে ধরা দেয়। আসুন আমরা ভেবে দেখি বিনোদন আমাদের কী কী ভুলিয়ে রাখে:

১। মানুষের ক্ষুদ্রতা ও অসহায়ত্ব: বিনোদনের মাধ্যমে মানুষকে তার ক্ষুদ্রতা ও অসহায়ত্ব ভুলিয়ে রাখা হয়।

বিনোদনে ডুবে থাকলে মানুষ নিজেকে নিয়ে এবং মহাবিশ্বের সাথে নিজের সম্বন্ধ ও সমন্বয় নিয়ে ভাববার মত কোন অবসর পায় না (মাননীয় পাঠক! আপনি যদি ঢাকা শহরের বাসিন্দা হয়ে থাকেন, তাহলে একবার ভেবে দেখুন তো শেষ কবে আপনি রাতের তারাভরা আকাশের দিকে ২ মিনিট চেয়েছিলেন? আরেকটু মনে করে দেখতে চেষ্টা করুন – খুব সম্ভবত রাতের তারাভরা আকাশের দৃশ্যটা আপনি শেষ টেলিভিশনের পর্দায় ’মিথ্যা মিথ্যা’ দেখেছিলেন, কোন সিনেমার দৃশ্য হিসেবে!)।

সদালাপ সম্পাদকের সমীপে

April 03, 2010 By: Sorowar Category: Uncategorized

“সদালাপ” ওয়েব সাইটের নামের কারণে সদালাপ অন্যান্য ব্লগ সাইটের থেকে আলাদা। দীর্ঘদিনের সদালাপের পাঠক হিসবে দেখেছি সদালাপ মত প্রকাশে বাধা দেয় না। তবে সেটা করতে হবে শালীনতা বজায় রেখে। এটাই সদালাপের অন্যতম বৈশিষ্ট্য বা স্বকীয়তা। তবে কেন জানি মনে হচ্ছে সদালাপ তার স্বকীয়তা থেকে খানিকটা কক্ষচ্যুত। সন্মানীয় ইসলামিক ব্যাক্তিত্বকে কটু ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে। আজে-বাজে স্ল্যাং (যেমন, আব্বাজান, বাবাজী, জারজ) ব্যবহার করা হচ্ছে। কোন মানুষ-ই ভুলের ঊর্ধে নয়। সমাজের কুসংস্কার দূর করতে হবে বিবেককে আলোকিত করে। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, গায়ের জোড়ে সমাজে কখনো প্রকৃত সংস্কার সাধিত হয়নি। বরং আরো অপসংস্কারের জন্ম দিয়েছে। সদালাপ সম্পাদককে সদালাপের স্বকীয়তা বজায় রাখতে যথাযথ অনুরোধ করা যাচ্ছে। ভদ্র এবং মার্জিত পাঠকরা-ই হচ্ছে সদালাপের প্রাণ।

নাস্তিকতা একটি অমানবিক বিশ্বাস

March 08, 2010 By: এস.এম. রায়হান Category: Uncategorized

এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার অনস্তিত্ব যেহেতু কোনকালেই কেউ প্রমাণ করতে সক্ষম হবে না, এবং বেশীরভাগ মানুষ যেহেতু স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাসী, এবং তাদের বিশ্বাসের স্বপক্ষে যেহেতু শক্তিশালী যুক্তিও আছে সেহেতু স্রষ্টাকে একটি “প্রতিষ্ঠিত সত্য” হিসেবে ধরে নেয়া যায়। তাছাড়া যৌক্তিক ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই মহাবিশ্বের যে একজন স্বজ্ঞাত ও বুদ্ধিমান স্রষ্টা থাকতেই হবে তাতে মনে হয় সংশয়-সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। বুদ্ধিমান স্রষ্টার উপর নাস্তিকদের আবার বেশ ক্ষোভ! ঘর পোড়া গরুর মত ‘বুদ্ধিমান’ শব্দটা শুনলেই তারা আঁতকে ওঠেন! তার কারণ হচ্ছে বুদ্ধিমান স্রষ্টা যেমন ন্যায়-অন্যায়ের হিসাব-নিকাস রাখতে সক্ষম তেমনি আবার অপরাধীদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থাও থাকতে পারে। অন্যদিকে বোবা-কালা-অন্ধ-অচেতন প্রকৃতি যেহেতু ন্যায়-অন্যায়ের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম সেহেতু এই ধরণের প্রকৃতি গডে বিশ্বাসের মজাই আলাদা! চুরি-চামারি-হত্যা-ধর্ষণ সহ যে কোন ধরণের অপরাধ করে সহজেই পার পাওয়া যাবে! বুদ্ধিমান স্রষ্টাকে ভয় পাওয়ার গুরু রহস্য এবার নিশ্চয় পরিস্কার!