মস্করা নয়, চাঁদ সত্যি ছোট হয়ে যাচ্ছে৷ মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা’র বিজ্ঞানীরা মাপজোক করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছেন৷ চাঁদের আয়তনের এই পরিবর্তন আচমকা ঘটছে না – বহুকাল ধরেই নাকি ঘটে চলেছে৷ তবে সম্প্রতি যেন এই পরিবর্তনের গতি কিছুটা বেড়ে গেছে৷ আসলে জন্মের পর থেকে চাঁদের তাপমাত্রা কমে চলেছে৷ শীতে চাঁদ কুঁকড়ে যাচ্ছে৷ প্রথমে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, যে চাঁদের ভূ-তাত্ত্বিক কার্যকলাপ বহুকাল আগেই বন্ধ হয়ে গেছে৷ কোটি কোটি বছর আগে যা হয়েছিল, তার পর নতুন করে আর কিছু ঘটছে না৷ কিন্তু বাস্তবে চাঁদ আজও সক্রিয় রয়েছে৷
সম্প্রতি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মহাকাশে এক বিশাল নক্ষত্রের সন্ধান পেয়েছেন, যেটি সূর্যের চেয়ে এক কোটি গুণ উজ্জ্বল, ভরও ২৬৫ গুণ বেশি৷ মহাকাশ বিজ্ঞানের এতদিনের হিসাবকে বেশ খানিকটা পাল্টে দিল এই নক্ষত্র৷ ব্রিটেনের শেফিল্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক পল ক্রাউথারের নেতৃত্বে ইউরোপীয়ান সাদার্ন অবজারভেটরি সংস্থার একদল বিজ্ঞানী সন্ধান পান এই অতিকায় নক্ষত্রের৷ এর আগেও চিলির আটাকামা মরুভূমিতে স্থাপিত অতি বিশাল টেলিস্কোপ দিয়ে মহাকাশের বেশ কিছু অচেনা বস্তুর সন্ধান পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা৷ এবারের অতিকায় নক্ষত্রের অস্তিত্ব সম্পর্কেও জানতে পারলেন তাঁরা এই মহাকাশ অনুসন্ধান কেন্দ্রটি থেকে৷ অধ্যাপক পল ক্রাউথার-এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী সূর্যের চেয়ে এই নক্ষত্র ৭ গুণ গরম, এর আলোকরশ্মি সূর্যরশ্মির চেয়ে ১ কোটি গুণ উজ্জ্বল এবং ওজনও সূর্যের চেয়ে ২৬৫ গুণ বেশি৷
ইউরোপকে মুক্তবুদ্ধি বা চেতনার আলোকিত কেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করে ইউরোপিয়ানরা বেশ গর্ববোধ করেন। ক্রমে ক্রমে সেই তকমা খসে পড়ছে এবং আসল রূপ উন্মোচিত হচ্ছে। মুসলিম মেয়েদের ড্রেস কোড (হিজাব/বোরকা) নাকি তাদের ইউরোপিয়ান ভ্যালুকে বাধা-গ্রস্থ করছে! এজন্য নারী স্বাধীনতার দিশারী হিসেবে নিজেদেরকে পরিচয় দিতে আত্নতৃপ্তিতে ভোগা ইউরোপিয়ান দেশসমূহে বোরকা/হিজাব নিধন প্রক্রিয়া চলছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ব্যবহার করছে গণতন্ত্র নামক অস্ত্র। বোরকা নিধন অভিযানে নের্তৃত্ব দিচ্ছে ফ্রান্স, যা কিনা মুক্তচেতনার কেন্দ্র-বিন্দু হিসেবে পরিগণিত করা হয়। ফ্রান্সের নীতিকে অনুসরণ করে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বোরকা পরাকে আইনগতভাবে ক্রিমিনালাইজড করা হয়। বেলজিয়াম ও ইতালী বোরকা পরিধানের অপরাধে দুজনকে জরিমানা করেছে। নেদারল্যান্ড ও স্পেনও বোরকা ব্যান প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে। ইউরোপের আরো অন্যান্য দেশও একই নীতি অনুসরণ করতে যাচ্ছে।
ইদানিং রাস্তা-ঘাটে, হাট-বাজারে, স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয়ে বোরকা বা হিজাব পরিহিতাদের সংখ্যা চোখে পড়ার মত। ১০-১৫ বছর আগে এ ধরণের ট্রেন্ড লক্ষ্য করা যায়নি (সূত্র)। তারও আগে (৭০ ও ৮০’র দশকে) শহর এলাকায় বোরকা বা হিজাব পরিধানকারী মহিলার সংখ্যা ছিল হাতে গোনার মত। সমাজের এই সামগ্রিক পট-পরিবর্তন প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবিদের জন্য হয়ে উঠেছে বড্ড মাথা ব্যথার কারণ। বিভিন্ন ভাবধারার বুদ্ধিজীবিরা যে যার দৃষ্টিকোণ থেকে এ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। সেক্যুলার ঘরানার বুদ্ধিজীবি/পলিটিশিয়ানরা অভ্যাসবশত এজন্য দায়ী করে জোট সরকারের নীতিকে। অন্যদিকে তথাকথিত অতিপ্রগতিশীল ও ধর্ম-বিদ্বেষী (মূলতঃ ইসলাম) মুক্তমনারা এ অবস্থাকে আফগানিস্থান বা পাকিস্থানের সাথে তুলনা করতে বিশেষ আকর্ষণবোধ করেন। ইন্টার্নেটে বাংলাদেশে ‘ইসলামিষ্ট’দের এই উত্থান নিয়ে রীতিমত হয় লংকাকান্ড ও অপপ্রচারণা। এ পরিস্থিতির ভয়াবহতা সম্পর্কে পশ্চিমা বিশ্বের টনক নড়ার জন্য বিস্ময়কর পরিসংখ্যান হাজির করা হয়। এতে বলা হয় বাংলাদেশে বোরকা পড়ার হার নাকি ৫০০ গুণ বেড়ে গেছে!
যেখানে পশ্চিমা বিশ্বের সবকিছুকে ‘ধ্রুব আদর্শ’ ধরে নিয়ে নাস্তিকতা, বিজ্ঞানমনষ্কতা, ও যুক্তিবাদের আড়ালে ইসলাম, মুসলিম, ও মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর বিরুদ্ধে নিয়মিত ঘৃণা-বিদ্বেষ ও মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে – সেখানে প্রতি বছর পশ্চিমা বিশ্বেরই হাজার হাজার শিক্ষিত নারী-পুরুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। একে লিভিং মিরাকল ছাড়া আর কী-ই বা বলা যায়! আরো মজার কাহিনী হচ্ছে এশিয়া-আফ্রিকার হতদরিদ্র দেশের অ্যারাবিক নামধারী কিছু নারী-পুরুষ যেখানে নিজেদেরকে ‘নাস্তিক’ বা ‘এক্স-মুসলিম’ দাবি করে ইসলামকে নারী বিদ্বেষী বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে – ইসলাম ও মুসলিমদেরকে বিভিন্নভাবে হেয় ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে – সেখানে আমেরিকা-ইউরোপের মাটিতেই ইসলাম গ্রহণের হার সবচেয়ে বেশী এবং তাদের মধ্যে আবার নারীদের সংখ্যাই বেশী। তারা যে শুধু ইসলাম গ্রহণ করেই ক্ষান্ত হচ্ছেন তা কিন্তু নয়। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার ইসলামকে রীতিমতো ডিফেন্ডও করছেন। তারা এতটাই ডিভোটেড, এতটাই প্রাউড, আর এতটাই কনফিডেন্ট যে, তাদের কথা শুনলে জন্মসূত্রে মুসলিমরা লজ্জা পাবে। ইসলাম যেন তাদের কাছে সোনার হরিণের চেয়েও মহা-মূল্যবান কিছু একটা। বিশ্বাস না হলে তাদের মুখ থেকেই সরাসরি শুনুন।
Singapore, a city-state located at the tip of the Malay Peninsula, is 78 times smaller than Bangladesh, but its economy (US$257 billion) is larger than ours (US$226 billion). This tiny island is not fortunate to have any natural resources. It has to import everything from food to clothing including drinking water. Around 36% of over 4.8 million population is foreigner; 50% of the service sector is occupied by foreigners. When Singapore became independent in 1965, its per capita GDP was US$511. Currently, that figure has risen to US$53,192, making Singapore wealthier per person than the United States, whereas US$1400 for a Bangladeshi.
ডাঃ জাকির নায়েককে ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষণা!
মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠা ছিল ফরাসী বিপ্লবের অন্যতম উদ্দেশ্য। ইউরোপকে মুক্তবুদ্ধি বা চেতনার আলোকিত কেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করে ইউরোপিয়ানরা বেশ গর্ব করেন। ক্রমে ক্রমে সেই তকমা খসে পড়ছে এবং আসল রূপ উন্মোচিত হচ্ছে। সেক্যুলারিজমের উপর ভিত্তি করে ইউরোপে ফ্রান্স সর্বপ্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেয়েদের হিজাব নিষিদ্ধ করে। তারপর থেকে অনেক দেশ ফ্রান্সের এই নীতিকে অনুসরণ করে। বোরকার পর হালাল বার্গারের ইসুতে ফ্রান্সে তোলপাড় হয়। ফ্রান্সের নীতিকে অনুসরণ করে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বোরকা পরাকে আইনগতভাবে ক্রিমিনালাইজড করা হয়। বেলজিয়াম ও ইতালী বোরকা পরিধানের অপরাধে দুজনকে জরিমানা করেছে (এখানে এবং এখানে)। সাম্প্রতিক সুইজারল্যান্ডে গণভোটের মাধ্যমে মসজিদের মিনার তৈরীকে গনতান্ত্রিকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। হল্যান্ডে Geert Wilders-এর নেতৃত্বে কোরান ব্যান করার পক্ষপাতি রাজনৈতিক দল সম্প্রতি ইলেকশনে আশাতীত সাফল্য পেয়েছে। তার রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০০৪ সালে এবং দলের মূল ভিত্তি হচ্ছে ইসলাম-বৈরীতা। গত সংসদীয় ভোটে পেয়েছিল ৯টি আসন। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ তে। সর্বোচ্চ আসন লাভকারী দল পেয়েছে ৩১টি আসন।
আপনারা হয়ত বহু ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা শুনে থাকবেন। ক্যামিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, অটোমবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি। কিন্তু শুনে নিশ্চই অবাক হয়েছিলেন যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বলেও একটি ব্যাপার আছে। প্রতিপক্ষকে গনতান্ত্রীক দেশে সহজে ঘায়েল করার জন্যই এই বিশেষ ইঞ্জিনিয়ারিং। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, শেষ হওয়ার কথা ও নয়। পৃথিবীতে খুবই পুরোনো এবং হাওয়ায় লুকিয়ে থাকা এক বিশেষ ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং আছে। জ্ঞানী ব্যাক্তিরা খুব সহজেই এই ইঞ্জিনিয়ারিং ধরতে পারলেও, সাধারন ব্যক্তিদের জন্য এই কাজটি খুব কঠিন। আবার অনেকে বুদ্ধিমান হওয়া সত্ত্বেও দাবার গুটির মত এই ইংজিনিয়ারিং এর চালে পরে, একেই শক্তিশালী করেন তা বুঝেই উঠতে পারেন না। কখন কখন কেউ কেউ পারেন, কিন্তু তখন বুঝতে পারেন, বহু দেরী হয়ে গেছে। এর নির্মম পরিহাস অনেক কেই ভোগতে হয়, অনেক সময় এই ব্যাপক ইঙ্গিনিয়ারিং তার সয়ং ইঞ্জিনিয়ার কেও ছাড়ে না। আমি এতক্ষন যে বিশেষ প্রকার ইঞ্জিনিয়ারিং এর কথা বলছিলাম, তা আর কিছুই নয়, তা হল মিথ্যার ইঞ্জিনিয়ারিং।
কারো কারো মতে আরব এবং ইসরাইল উভয়েই নাকি আসভ্য। আমি তাদের মত দেখে অবাক হয়ে গেলাম। এই সব জ্ঞানী মানুষের কি বিবেক বলে কিছু নেই। যাদের কাছ হতে সভ্যতা শিখা, আজ তাদেরকেই অসভ্য বলে গালি। কী অবাক কান্ড। ইসরাইল বা ইহুদীরা এই বিশ্ব সভ্যতায় কি কম অবদান রেখেছে? (হযরত) মুসাঃ (আঃ) থেকে (হযরত) ইসা (আঃ) {যারা কথায় কথায় প্রমাণ চান তাদের বলি, রোমান সেকুলার লিখাতে নিদেনপক্ষে উনি যে বাস্তবে ছিলেন তার স্বপক্ষে প্রমাণ আছে, নীচে প্রমাণ উল্লেখ করব} পর্যন্ত এদের অবদান। তাতেও যে তাদের মধ্যে জ্ঞানী মানুষ কমে গেছে তা কিন্তু নয়। জ্ঞান-বিজ্ঞানে আজ পর্যন্ত তাদের অবদান, আপনার খুব ভাল করেই চোখে ধরা পড়বে। আর আপনারা যারা আরবদের অসভ্য বলে গালি দিতেছেন, তাদের বলি ইরাকেই ব্যাবিলনের সভ্যতা ছিল, ফনিশিয়ন সভ্যতা লেবানন ফিলিস্থিন সিরিয়াতে ছিল যারা বর্ণমালার উন্নতি ঘটিয়ে আজকের এই আধুনিক সভ্যতা সৃষ্টিতে বিশেষ অবদান রেখেছে, মিশরের মিশরীয় সভ্যতার কথা সবার জানা। তাই, এদের অপবাদ দেওয়া নিজেদের হীনমন্যতার প্রকাশ। হয়ত তারা আগের মত নেই। কিন্তু যাহা অস্বীকার করার উপায় নেই, তা কী করে করা যায়।
Look at the inside of you, what you have
Honor yourself, find out what you can
Find the way, do your best
You may can do like the east or west,
There are many things inside you,
If you try, you can find it,
If you don’t try, you may loss it,
So, No worries, be happy
If you respect your-self,
You will get respect from others.
There are many things to do
May be, you don’t know
Just find out, what you need to do,
I believe you can, I believe you will get it,
Insha-allah, but careful what you looking for,
Please, evaluate your goal,
What do you really want?
Do you know? I don’t think so.
৯-১১ নাটকের পর থেকে মুসলিমদেরকে উদ্দেশ্য করে “বৃক্ষের পরিচয় ফলে” প্রবাদ বাক্যটি হর-হামেশাই শোনা যায়। ৯-১১ নাটকের আগে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে এরকম কোন প্রবাদ বাক্য কেউ শুনেছেন বলে মনে হয় না। আর “ইসলাম” নামক বৃক্ষের “ফল” হিসেবে দেখানো হচ্ছে বিন লাদেন, তথাকথিত আল-কায়েদা সন্ত্রাসী, আত্মঘাতী হামলাকারী, নারী নির্যাতনকারী, খুনী, ধর্ষক, চোর-বাটপার, জেএমবি জঙ্গি, ও বাংলাভাই ধরণের লোকজনকে। বিষয়টা নিয়ে সামান্য আলোকপাত করা যাক। প্রথমে প্রকৃতি থেকে একটি উদাহরণ হিসেবে অ্যাপেল গাছের কথাই ধরা যাক। একটি অ্যাপেল গাছে হাজার হাজার অ্যাপেল ধরে। কিন্তু খারাপ আবহাওয়া, পোকা-মাকড়, দুষ্ট পোলাপান, ইত্যাদি বহিরাগত কারণে পোক্ত হওয়ার আগেই কিছু অ্যাপেল গাছ থেকে ঝড়ে পড়ে অথবা পচে নষ্ট হয়ে যায়। এই বহিরাগত উৎপাত এড়ানোর জন্য গাছের মালিক বিভিন্ন সতর্কতার আশ্রয় নেয়। যেমন পোকা-মাকড় থেকে রক্ষার জন্য কীটনাশক ব্যবহার করা হয়; দুষ্ট পোলাপানের হাত থেকে রক্ষার জন্য বেড়ার ব্যবস্থা করা হয়; ইত্যাদি। দিন শেষে প্রায় ৭০-৯০ ভাগ ভাল অ্যাপেল সংগ্রহ করা হয়। গাছের মালিক তাতেই খুশী।
প্রত্যেক ধর্মে বিশ্বাসীরাই যেহেতু এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করে সেহেতু এটি একটি কমন বিশ্বাস। অধিকন্তু, এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের স্বপক্ষে ইতোমধ্যে তিনটি স্বতন্ত্র প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে। ফলে “সৃষ্টিকর্তা আছেন” ধরে নিয়ে যৌক্তিক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে এই লেখাটিকে বিবেচনা করতে হবে। একটি গ্রন্থ এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার বাণী বা রেভিলেশন কি-না- সেটা বিবেচনায় নেয়ার আগে নিদেনপক্ষে দুটি শর্ত পূরণ করতেই হবে:
শর্ত-১: গ্রন্থটিকে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার বাণী বলে দাবি করতে হবে। অর্থাৎ গ্রন্থটি যে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার বাণী- সেটা গ্রন্থের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে লিখা থাকতে হবে। দাবি করাটা কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে গ্রন্থকে সৃষ্টিকর্তার বাণী বলে দাবিই করা হয়নি সেই গ্রন্থকে আবার সৃষ্টিকর্তার বাণী হিসেবে বিশ্বাস করাটাই তো বোকামি। আগে তো দাবি করতে হবে- তারপরই না কেবল দাবিটা সত্য নাকি মিথ্যা এবং সেই সাথে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন আসবে।
চিলিতে হয়ে গেল এক ভয়াবহ ভূমিকম্প, রিক্টার স্কেলে যার মাত্রা প্রায় ৮.৮ এটি রেকর্ড করা সব থেকে শক্তশালী ভূমিকম্প গুলির একটি। এ জন্য জাপান এবং রাশিয়া সুনামির সতর্ক করে দিয়ে ছিল। কিন্তু কাহিনী যাইহোক, তার একটি বড় পরিবর্তন বোধ হয় হয়ে গেছে। এই ভূমিকম্প পৃথিবীর ঘূর্ণন নাকি পরিবর্তন করে দিয়েছে। এতে নাকি দিনের সময় কমে যাবে। অবাক হবার কথা হলেও ঘটনা একজন নাসার বিজ্ঞানী বলেছেন। তার আগে ৯.১ মাত্রার সূমাত্রার নিকট যে ভূমিকম্প হয়েছিল, যার দ্বারা ভয়াবহ সুনামি সৃষ্টি হয়েছিল ঐ ভূমিকম্পের খারাপ প্রভাব পরিবেশের উপর পড়েছিল এবং পৃথিবীকে তার অক্ষ থেকে প্রায় ২.৭৬ ইঞ্চি সরিয়ে দিয়েছিল, যাতে করে পৃথিবীর দিন প্রায় ৬.৮ মাইক্রসেকেন্ড কমে এসেছিল।
A girl went to her friends house and she ended up staying longer than planned, and had to walk home alone. She wasn’t afraid because it was a small COMMUNITY and she lived only a few blocks away. As she walked along under the bike trail Amina asked ALLAH to keep her safe from harm and danger. When she reached the alley, which was a short cut to her house, she decided to take it. However, halfway down the alley she noticed a man standing at the end as though he were waiting for her. She became uneasy and began to recite a dua, asking for ALLAH’S protection.
মানুষ, চেতনা ও সভ্যতা। মানবসভ্যতা চেতনায় মন্ডিত। এই তিনটি বিষয় যেন একই বৃন্তে তিনটি ফুলের মত বিরাজ করছে মানুষের জীবনকে ঘিরে। কোন এককালে মানুষের বিকশিত ‘চেতনা’ ও ‘সভ্যতা’ ছিলনা। তখন ছিল মানুষের জীবন পশুর মতন। মানুষকে এই পশুবৃত্ত থেকে মুক্ত করেছে তার ব্যক্তিত্ব গঠনে ‘চেতনা’ জীবনাচরণে তারই সৃষ্টি সংস্কৃতি ও সভ্যতা, কষ্টমুক্তির আন্দোলন।
ফ্রান্সে ফাস্টফুড এর “কুইক” (Quick) ব্রান্ড ম্যাকডোনাল্ড এর মতই জনপ্রিয়। সারা দেশে এর ৩৬২-টি আউটলেট (ব্রাঞ্চ) আছে। সম্প্রতি মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় আটটি আউটলেট হালাল ফাস্টফুড বিক্রি শুরু করেছে। এতে বিজনেস আগের তুলনায় বেড়েছে। মেনু আগের মতই, শুধুমাত্র পর্কের (শুকর) হ্যামবার্গার এর পরিবর্তে টার্কিবার্গার রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এতেই কাজ সেরেছে (বিস্তারিত দেখুন) । ডান-বাম সব ধরণের পলিটিক্যাল পার্টি এবং মিডিয়া সেক্যুলারিজম গেল বলে সোচ্চার হয়েছে। এতে “Freedom of choice” এর ভিত্তি নাকি দূর্বল হয়ে গেছে। মন্ত্রী সভার মিটিং-এ কুইক এর নীতিকে নিন্দা করা হয়। কুইক এর পক্ষ থেকে বলা হয় যে, এ পর্যন্ত ঐ সব এলাকার কাস্টমার কোন অভিযোগ করেনি। এরই মাঝে Roubaix শহরের পলিটিক্যাল পার্টির নেতারা আইনগতভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে।
Edited by
Dr. W. Hazmy C.H.
Dr. Zainurashid Z.
Dr. Hussaini R.
Published by:
Islamic Medical Association of Malaysia
It is with a feeling of gratitude to Almighty Allah that we welcome the publication of this modest work of compilation on the biography of Muslim scholars and scientists. This book is an attempt to instill the feeling of ‘izzah’ (greatness) of the achievement of our past scholars and scientist, neither to be left alone as mere past history nor to be boasted off, but more importantly, to act as a catalyst to motivate us and the future generation to lead the revival of scholastic attitude and scientific advancement in this modern age.
যদিও ইতিহাস থেকে এ ঘটনা, এ সত্য প্রায় বিলুপ্ত করে দেয়া হয়েছে প্রথম হতেই। এখন যেই ঘটনা বলব, বেশিরভাগ মানুষের কাছেই নতুন মনে হবে। মানুষকে সত্য জানতে দেয়া হয়নি। এসকল কিছু এক এক করে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। যেহেতু ইতিহাস মুলক লেখা তাই একটু বড় হবে। বিশেষ করে মোল্লাদের হাজার রেফারেন্স দেয়া লাগে। এর কারনে সুন্দর গল্পের মত করে লিখতে পারিনি। আবার আমি লেখকও নই তাই হয়ত সেইরুপ শ্রুতিমধুর হয়নি। কষ্ট করে পরতে হতে পারে, তার জন্য বিজ্ঞ পাঠকের নিকট ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।