এই বইটি সম্পর্কে ড. সাইয়েদ শের আল শাহ {পি.এইচ.ডি, মদীনা ইউনিভার্সিটি, সাবেক মুদাররিস, মসজিদে নব্বী} বলেন,
“কিতাবটি নামাজের মাসাইল বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ও সমৃদ্ধ কিতাব। উপস্থাপনা সহজ, ভাষা গতিশীল, বিন্যাস হৃদয়গ্রাহী আর তথ্যসূত্র নির্ভরযোগ্য। দলীল-প্রমাণভিত্তিক আলোচনায় আগ্রহীদের জন্য তৃপ্তি ও প্রশান্তির মাধ্যম হতে পারে এমন একটি কিতাবের প্রয়োজন অনেক দিন ধরেই প্রকটভাবে অনুভূত হচ্ছিল।”
ডাউনলোড লিঙ্ক-
http://www.mediafire.com/download/7aklt9lxs4mdzsn/Nobijir_Namaj-Sheikh_Illyas_Foysol+Link2.pdf

কিংশুক
জুলাই ২১, ২০১৩ at ৯:৫৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জাজাকাল্লাহ খায়রান। ঈমান আনার পর প্রধান ফরজ সহি শুদ্ধ ভাবে নিয়ম মতো সালাত আদায়। বইটি ডাউনলোড করলাম। অত্যন্ত ভালো একটি কাজের জন্য আবারও শুকরিয়া জানাচ্ছি।
আহমেদ শরীফ
জুলাই ২২, ২০১৩ at ১:০৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাল উদ্যোগ।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
জুলাই ২৩, ২০১৩ at ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বইটা ডাউনলোড করলাম। বলা ভাল -- শুরুতেই ভাল লাগেনি -- বিশেষ করে ভূমিকায় লেখক অন্যের বিষয়ে আক্রমনাত্বক কথা বলেছেন -- যুগ যুগ ধরে এই ভাবে মুসলমানরা নিজেদের ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠী -- মাযহাব ইত্যাদিতে ভাগ করে রেখেছে -- পরষ্পরকে ভুল প্রমান করার চেষ্টা করেই আমাদের আলেম সমাজ তাদের মূল্যবাদ সময় নষ্ট করেছেন -- যা ইসলামের মুল বানী প্রচারকে বাঁধাগ্রস্থ করেছে। লেখক মুলত ডিয়েন্সিভ ভংগিতে বইটা লেখার চেষ্টা করেছে। বই এর ভিতরেও নানান জায়গায় ভিন্ন মতের উপর নানান ভাবে আক্রমন করা হয়েছে।
বিশেষ করে একটা অংশের কথা বলি -- জামাতে সুরা ফাতিহা শেষ হওয়ার পর "আমিন" উচ্চস্বরে বলার বিষয়ে উনি আপত্তি জানিয়ে নানান যুক্তি দিয়ে তা খন্ডন করার চেষ্টা করেছেন। যেখানে সুষ্পষ্ট হাদিস পাওয়া যায় যে জামাতে "আমিন" শব্দের কারনে মসজিদে গুমগুম শব্দ হতো এবং সবাই উচ্চস্বরেই আমিন পড়তেন। এখনও মসজিদুল হারামে উচ্চস্বরের আমিন পড়া হয় -- সেখানে লেখক এতো ডিফেন্সিভ হলেন কেন -- বুঝতে অপারগ।
সর্বোপরি ভি্ন্নমতের বিষয়ে আলোচনা সমালোচনা অংশ বাদ দিলে একটা চমৎকার গাইড হতে পারতো এই বইটি।
শেয়ার করার জন্যে ধন্যবাদ।
আবদুস সবুর
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৫ at ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য, বাকী কি কি আক্রমনাত্মক (অসত্য) কথা বলেছেন বললে ভাল হত। আর হাদীস শাস্ত্র নিয়ে পড়াশুনা করেন তারা জানেন যে বিষয়গুলো একদম স্বাভাবিক . . .
shahriar
জুলাই ২৪, ২০১৩ at ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
This is one of the best book for learning namaz.
রাসূলুল্লাহ (সা:) এর নামায (১-২ খণ্ড) by
আল্লামা মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন আলবানী
মোঃ তাজুল ইসলাম
জুলাই ২৪, ২০১৩ at ২:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
নবী(স)-র নামাজ। লেখক একজন মোহাম্মাদ ইলিয়াস ফয়সাল আরেকজন মোহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আলবানী। বই দুইটি ভিন্ন প্লাটফর্মে লিখা। একটি উত্তর মেরু অপরটি দক্ষিন মেরুর। নবী(স)-র নামাজের বরাত দিয়ে আরও অনেক লেখকের বই বাজারে আছে। নেটে আছে আরও অনেক। আমরা সাধারন মুসলিম আছি বিভ্রান্তির ভিতরে। কোনটা অনুসরন করব, বুঝে আসছে না। কোনটা সঠিক কেমন করে বুঝা যাবে? সবাই নিজেদের গুণগান করতেছে আর সঠিক বলতেছে।
সদালাপ ভাইদের প্রতি অনুরোধ আপনারা এই গুরুত্বপূর্ণ সমাধানে মনোযোগ দিন। আমাদের সকল মুসলমানদের উপকার হয়।
শিব্বির আহমদ
সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৫ at ৯:৪৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
রাফায়ে ইয়াদাইন সংক্রান্ত দ্বীতিয় দলিলে স্পষ্ট ভাবে মুসলিম শরীফের একটি হাদীস জাল করা হয়েছে- নবীজীর নামাজ সংক্রান্ত বইয়ে যে অংশ টা লিখা হয়েছে তা আমি তুলে ধরছি- "হযরত জাবির ইবনে সামুরা রা. বলেন একদিন রাসুল সা. আমাদের কাছে তাশরীফ আনলেন এবং বললেন 'কি ব্যাপার, আমি তোমাদের হাত ওঠাতে কেন দেখি যেন তা বেয়াড়া ঘোড়ার উর্দ্ধে উত্থিত লেজ! তোমরা নামাযে স্থির থাকবে।' সহীহ মুসলিম ১/১৮১" এখানে কোন প্রকাশনীর তা বলা হয়নি। তাই নাম্বার দিয়ে খুজার সুযোগ নাই তবে বিষয় দিয়ে খুজে যা পাওয়া গেল তা আমি হুবহু তুলে ধরছি, উল্লেখ্য রাফায়ে ইয়াদাইন সংক্রান্ত মুসলিমে সহীহ বর্ণনায় ৬-৭টি হাদীস রয়েছে।
এখানে উপরোক্ত বিষয়ের সঠিক হাদীসটি তুলে ধরছি, হেদায়েতের ফয়সালা আসমানে হয, তাই আমি মনে করি সঠিক টা তুলে ধরলে কারো হেদায়েতের সুযোগ তৈরী হতে পারে। যেমন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশনীর ৮৫২ নং হাদীসে " আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) জাবির ইবনু সামুরা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমরা যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -- এর সংগে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতাম, তখন সালাত (নামায/নামাজ) শেষে ডান-বাম দিকে হাত ইশারা করে ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ’ ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ’- বলতাম। তাতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন , তোমরা চঞ্চল ঘোড়ার লেজ নাড়ার মত হাত ইশারা করছ কেন? (সালাত (নামায/নামাজ)-এর বৈঠকে) উরুর ওপর হাত রেখে ডানে-বামে অবস্হিত তোমাদের ভাইকে (মুখ ফিরিয়ে) ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতূল্লাহ’ বলাই তোমাদের জন্য যথেষ্ট। "
হে আল্লাহ এসব হাদীস জাল কারী আলেমদের থেকে আমাদেরকে রক্ষা কর।আমিন!
আবদুস সবুর
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৫ at ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য, তবে আপনার পড়াশুনার মাত্রা আর একটু বাড়ানো উচিত বলে মনে করছি। শায়খদের অন্ধ তাক্বলীদ না করে শায়খরা যা বলছেন তা আদৌ সত্য কি না তা একটু কিতাব উল্টিয়ে দেখা জরুরী মনে করুন . . .
অজ্ঞতার কারনে মুসলিম শরীফের সলাতের মাঝে ও সালামের মধ্যে হাত না উঠানোর হাদীস নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, “আপনারা জেনে নাকি না ইচ্ছাকৃত মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। স্পষ্টভাবে >সলাতের মাঝে< উল্লেখ থাকার পরও কেন আপনারা বার বার এই হাদীসটি সলাতের শেষের জন্য প্রযোজ্য বলে প্রচার করছেন ??? এটা শুধুই অজ্ঞতা, নাকি বিদ্ধেষমূলক ??? ” সহীহ হাদীসের অনুসরন করতে শিখুন। সহীহ হাদীসের কথা বলে কেন মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। আল্লাহকে ভয় করুন।
যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই তার পিছনে পড়ো না। নিশ্চয়ই কান, চোখ ও হৃদয় প্রত্যেকটি সম্পর্কে কৈফিয়ত তলব করা হবে। (সূরা ইসরাইল : ৩৬)
আবদুস সবুর
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৫ at ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুসলিম শরীফের হাদীসের স্ক্রিনশট
https://scontent-sin1-1.xx.fbcdn.net/hphotos-frc3/v/t1.0-9/s720x720/1009892_640568739306564_834675223_n.jpg?oh=c4a2a61680d2a6d02ed8d8aa9dd8d553&oe=569D0723
মোহাম্মদ কবির
অক্টোবর ২২, ২০১৫ at ৮:৪৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আবদুস সবুর ভাই, আপনার দেওয়া স্ক্রীন স্যুট দেখলাম এবং ৮৫২, ৮৫৩ নং হাদিসে স্পষ্ট করে যে শিব্বির আহমেদ ভাইয়ের লিকা ১০০% কারেক্ট। ৮৫০ নং হাদিসের ভাষা কিছুটা অস্পষ্ট হলেও পরের হাদিস দুইটা প্রমাণ করে উক্তিটি সালামের সময় হাত নাড়া প্রসঙ্গে বলা হয়েছে। দয়া করে সাধারণ মুসলমানকে বিভ্রান্ত করবেননা। নিজেদের মতামতকে টিকিয়ে রাখতে যারা সহীহ মুসলিম শরীফের মতো গ্রন্থের হাদিসকে বিকৃত করছেন আল্লাহই তাদের জন্য যথেষ্ট।
Shahriar
অক্টোবর ২৪, ২০১৫ at ১২:০২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Jajak-allah.. Mohammad kabir bhai.
Farhan khan salafi
অক্টোবর ২৯, ২০১৬ at ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পুরা বইটাই জালিয়াতি
Farhan khan salafi
অক্টোবর ২৯, ২০১৬ at ১২:২১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইমাম বুখারী রহ বলেন যে মানুষ জ্ঞানের সামান্য ছোয়া পেয়েছে সেও এ হাদীস দ্বারা রফেউল ইয়াদাইন বর্জনের দলিল নেবে না। এটা একেবারে পরিষ্কার ও প্রসিদ্ধ বিষয়। এটা হচ্ছে সালামের ব্যাপারে। এতে কোন মতভেদ নেই -যুয রাফউল ইয়াদাইন ১৫ পেজ
হাফেজ ইবনে হাজার রহ তালখিছের মধ্যে বলেন ,এ হাদিস থেকে রুকুর সময় রফেউল ইয়াদাইন নিষিদ্ধ কখনো প্রমানিত নাই । কেননা এ হাদীস সংক্ষিপ্ত , যে টা পরবর্তি হাদীসে এ হাদিসের তাফসির হিসাবে এসেছে। আর সালামের সময় হাত দিয়ে ইশারা করা ঠিক নয়। -আল তালখিস আল কাবির খন্ড ১, পেজ ২২১
হাফেজ ইবনে হাজার রহ ঐ পেজ এ বলেন এ হাদিস থেকে রফেউল ইয়াদাইন না করার দলিল নেয়া সঠিক হবে না। হ্যা প্রথম হাদিস অবশ্যই সংক্ষিপ্ত রুপ।
ইবনে হিব্বান রহ বলেন এ হাদিস থেকে রুকু ওয়ালা রফেউল ইয়াদাইন না করা সঠিক নয় যেটা সহীহ হাদিস থেক প্রমানিত। হ্যা অবশ্যই ওটা সালামের সময় হাত দিয়ে ইশারা করা নেষেধ করা হয়েছে -তালখিস ১, ২২১, পেজ , সহিহ ইবনে হিব্বান ৩/১৭৮, হা ১৮৭৭
ইমাম নববি রহ বলেন যে ব্যাক্তি এই হাদিস থেকে রুকুতে আওয়ার আগে এবং রুকুর থেকে উঠার পর পরে রফেউল ইয়াদাইন না করার দলিল হিসাবে গ্রহন করল, সে একটা বড় ধরনের অবাধ্যতা করল। কেননা রুকুর পুর্বে এবং পরে রফুল ইয়াদাইন করা সহীহ এবং ভুল প্রমানিত করা যাবে না। -- শরহে মুহাযযাব ৩ খন্ড পেজ ৪০৩ —-- এই পর্যন্তই দিলাম মাত্র
Faisal Ahmed
নভেম্বর ২৬, ২০১৬ at ৪:৫১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহীহ মুসলিম শরিফের ৮৫২-৮৫৫ নং হাদীস পর্যন্ত বিস্তারিত দেয়া আছে
৮৫২। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) … জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আগমন করে বললেন, তোমরা চঞ্চল ঘোড়ার লেজের মত হাত উঠাচ্ছ কেন? সালাত (নামায/নামাজ)-এর মধ্যে স্থির থাকবে। একবার তিনি আমাদেরকে দলে দলে বিভক্ত দেখে বললেন, তোমরা পৃথক পৃথক রয়েছ কেন? আরেকবার আমাদের সামনে এসে বললেন, তোমরা এমনভাবে কাতার বাধবে, যেমনিভবে ফেরেশতাগণ তাদের রবের সামনে কাতারবন্দী হয়ে থাকেন। আমরা বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ ! ফেরেশতাগণ তাঁদের রবের সামনে কীভাবে কাতারবন্দী হন? তিনি বললেন, ফেরেশতাগণ সামনের কাতারগুলী আগে পূর্ণ করেন এবং গায়ে গায়ে লেগে দাঁড়ান।
৮৫৩। আবূ সাঈদ আল-আশাজ্জ (রহঃ) ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) … আ’মাশ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৮৫৪। আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) … জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমরা যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সংগে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতাম, তখন সালাত (নামায/নামাজ) শেষে ডান-বাম দিকে হাত ইশারা করে ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ’ ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ’ বলতাম। তাতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা চঞ্চল ঘোড়ার লেজ নাড়ার মত হাত ইশারা করছ কেন? (সালাত (নামায/নামাজ)-এর বৈঠকে) উরুর ওপর হাত রেখে ডানে-বামে অবস্থিত তোমাদের ভাইকে (মুখ ফিরিয়ে) ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতূল্লাহ’ বলাই তোমাদের জন্য যথেষ্ট।
৮৫৫। আল-কাসিম ইবন যাকারিয়া (রহঃ) … জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের শেষে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলার সময় হাত দিয়েও ইশারা করতাম। এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের কি হল যে, তোমরা এমনভাবে হাত দ্বারা ইশারা করছ, যেন তা চঞ্চল ঘোড়ার লেজ? তোমরা সালাতশেষে যখন সালাম করবে, তখন ভাইয়ের দিকে মুখ করবে, হাতদ্বারা ইশারা করবে না।
মাহবুব চৌধুরী
নভেম্বর ৩০, ২০১৬ at ৯:০৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অন্তর দিয়ে যে দলিল সত্য মনে হয় তাঁর উপর আমল করা উচিৎ কারন অন্তরের সাক্ষী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে । এগুলো নিয়ে বিতর্ক করে আজ পর্যন্ত কোন সমাধান হয়নি । যারা বেশি সওয়াব পেতে চান তারা বাড়তি কাজগুলো করতে পারেন । যারা দায়িত্ব পালন করতে চান তারা শর্টকাট করতে পারেন । অন্যদেরকে শর্টকাটে উৎসাহিত করতে চেষ্টা না করাই ভাল । খামোখা গুনাহর ভাগি কেন হবেন ।