কোনো কিছু করার ইচ্ছাকে ইসলামে “নিয়ত” বলা হয় । নিয়ত ভালো খারাপ দুটোই হতে পারে । যখন কেহ শুধুমাত্র “আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার” উদ্দেশ্যে কোনো ইবাদত করে সেটাকে “ইখলাস” বলা হয় । আর কেহ লোক দেখানো বা অন্য কোনো উদ্দশ্যে “ইবাদত” করলে সেটাকে “রিয়া” বলা হয় । আজকের আলোচনার বিষয় “ইখলাস” ও “রিয়া” ।
নামাজ, রোজা , হজ্ব , যাকাত , ইসলাম বিষয়ক কিতাব লেখা , ব্লগে ইসলামিক আর্টিকেল লেখা তদুপরি যেকোনো ইবাদত আল্লাহপাকের সন্তুষ্টি বা উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে করলে সেটা আল্লাহপাক গ্রহন করবেন না । এর জন্য পূর্বেকার সলফে সালেহীনগন কোনো আমল করার পূর্বে ভালোভাবে চিন্তা করতেন তাদের “নিয়ত” বিশুদ্ধ আছে কিনা বা ইখলাস আছে কিনা । একজন আবেদ ব্যক্তি ইন্তেকাল করলে হাসান বসরী (রহ:) তার জানাজায় যেতে অস্বীকার করেন । কারন হিসেবে বলেন যেহেতু এখানে ইখলাস খুজে পাচ্ছি না তাই যেতে চাচ্ছি না । অনেক মুহাদ্দিস ছিলেন যারা হাদিস শরীফ পড়ানোর আগে চিন্তা করে নিতেন ভালো নিয়ত বা ইখলাস আছে কিনা । যদি সমাধান না খুজে পেতেন তাহলে সেদিন হাদিস পড়াতেন না । চিন্তা করে দেখুন আগেকার সলফে সালেহীনগন কত সতর্কভাবে নিজেদের আমল পর্যবেক্ষন করতেন । এটাই তাকওয়া।
ইখলাস না থাকলে তার পরিণতি কি হবে সেটা আল্লাহপাক কোরআন শরীফে বলেন:
وَقَدِمْنَا إِلَى مَا عَمِلُوا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَاء مَّنثُورًا
আমি ছাড়া অন্যের সন্তুষ্টির জন্য তারা যেসব আমল করবে , আমি তাদের কৃতকর্মের প্রতি মনোনিবেশ করব, অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণা করে দেব।(সুরাহ ফুরকান:২৩)
লোক দেখানো ইবাদতের নমুনা
বর্তমান অবস্হা বিবেচনা করুন ! আমরা মসজিদে নামাজ খুব ধীর-স্হিরভাবে আদায় করে থাকি অথচ বাসায় গাফিলতির সাথে পড়ি, অথচ এটাও বিশ্বাস করি আল্লাহতাআলা সবকিছু দেখেন । ইসলামি কিতাব লেখার সময় সবার কাছে বলি “ইসলামের দাওয়াতের জন্য” বা মুসলমানের আমল ঠিক করার জন্য কিতাব লিখে থাকি , কিন্তু আমার চেয়ে অন্যের লেখা কিতাব বেশী বিক্রি হোক , জনপ্রিয় হোক সেটা অপছন্দ করি । অথচ শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করে থাকলে, নিজে হোক বা অন্যে হোক যেকারো মাধ্যমে ইসলামের ভালো হলে তাতেই খুশী হওয়া উচিত ।
আবার অনেক সময় ইবাদত লোক দেখানোর জন্য যে আমরা করি সেটাও বুঝতেও পারি না । যেমন: কাউকে হয়ত নসীহত করতে থাকি নামাজ পড়ার জন্য । কিন্তু দেখা যায় সে আমার কথা না শুনে অন্যে কারো উপদেশ শুনে নামাজ পড়া আরম্ভ করলে আমরা মনে মনে আফসোস অথবা হতাশ হই । বাসায় একাকী কোরআন তেলাওয়াত করলে গাফিলতীর সাথে পড়ি , অথচ ইমামতি করার সময় খুবই গুরুত্ব , স্পষ্ট উচ্চারনসহ পড়ার চেষ্টা করি , যাতে মুসল্লীদের মাঝে আমি ভালো কোরআন তেলাওয়াত করি এই বোধটা জাগ্রত হয় ।
রিয়াকারের উপমা
জনৈক আলেম বলেন , যে মানুষকে দেখানোর জন্য ইবাদত করবে তার উপমা হোলো সেই ব্যক্তির ন্যায় যে পাথরকনা দ্বারা পরিপূর্ন ব্যাগ নিয়ে বাজারে গেলো । তখন লোকেরা তার থলি দেখে বললো দেখো তার থলিটিতে কত টাকা !! এতে সে খুশী হোলো । অথচ এই পাথর-ভর্তি থলি দিয়ে সে কিছুই করতে পারবে না শুধুমাত্রে মানুষের প্রশংসা অর্জন ব্যতীত । রিয়াকারের উপমা হোলো ঠিক এই ব্যক্তির ন্যায় , যে পরকালে আল্লাহতালার নিকট কিছুই পাবে না । যেমন এই হাদিসে উল্লেখ আছে:
হযরত মুহম্মদ ইবনে লবীদ (রা:) থেকে বর্নিত । রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) বলেন “আমি তোমাদের ব্যাপারে ছোট শিরক থেকে খুব ভয় করছি । সাহাবীরা বললেন – ইয়া রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) ছোট শিরক কি ? রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) বললেন , তা হোলো “রিয়া” বা “লোক দেখানো ইবাদত” । যেদিন আল্লাহ তাআলা বান্দাদের আমলের পুরস্কার প্রদান করবেন , সেদিন রিয়াকারদের বলবেন, যাও, দুনিয়াতে যাদেরকে দেখানোর জন্য আমল করতে, তাদের নিটক যাও । দেখো তাদের নিকট কোনো পুরস্কার পাও কিনা ।
[মুসনাদে আহমদ]
কিভাবে “ইখলাস” অর্জন করবেন
কোনো একটি আমল করার পূর্বে ভালোভাবে জেনে নিতে হবে সেই “আমল” সংক্রান্ত যাবতীয় “ইলম” । অর্থ্যাৎ সেই আমলের “ফরজ” , “ওয়াজিব” , “সুন্নত” নিয়ম জেনে তারপর আমল শুরু করতে হবে । তারপর আমি আমল করছি এই চিন্তা একেবারে ভুলে যেতে হবে এবং তখন শুধুমাত্রে দেখতে হবে সেই আমলে ইখলাস আছে কিনা। একটি বিষয় খুব ভালোভাবে বুঝতে হবে “আমল করার চেয়ে সেই আমল সংরক্ষন করা আরো বেশী কঠিন” । আমাদের যত নামাজ রোজাই থাকুক সেটা যদি লোক দেখানোর জন্য হয় তাহলে সেটা আল্লাহতাআলার নিকট গ্রহন হওয়া তো দুরের কথা তার কারনে জাহান্নামের শাস্তি পেতে হবে । এমন যদি হোতো যে আমলটা গ্রহন করা হবে না এবং শাস্তিও দেয়া হবে না তাহলে কম আতংকরে ব্যাপার হোতো । কিন্তু বিষয়টা এখানেই সীমাবদ্ধ নয় । গ্রহন করা হবে না সেই সাথে কঠোর শাস্তি দেয়া হবে । আল্লাহ তাআলা আমাদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন । আমীন ।
আবার অনেক সময় এমন হয় কোনো একটি আমল শুরু করার সময় হয়ত এখলাস ছিল , আল্লাহর উদ্দেশ্যে বা ইসলামের উদ্দেশ্য আমরা শুরু করেছিলাম । কিন্তু আমল করতে করতে ধীরে ধীরে আমরা ভুলেই গেছি কি কারনে শুরু করেছিলাম । এবং পরবর্তীতে শয়তানের ধোকায় পড়ে অন্য কোনো পার্থিব দুনিয়ার উদ্দেশ্য সেটা Continue করছি । যেমন ধরুন কেউ হয়ত ফরজ হিসেবে নামাজ পড়া শুরু করেছে এবং দাড়ি রেখে দিয়েছে । এখন কোনো একসময় তার নামাজে গাফিলতি আসল কিন্তু নামাজ পড়া ছাড়ল না, পড়তে থাকল শুধু এই কারণে যে “যেহেতু আমি ইসলামি লেবাস পড়েছি এই অবস্হায় নামাজ না পড়লে লোকে সমালোচনা করবে, কেমন দেখা যায়” । এই যে আমি লোক দেখানোর জন্য নামাজটা পড়লাম এটাই “রিয়া” । এইক্ষেত্রে অবশ্যই আমাকে ধীর-স্হীরভাবে চিন্তা করে মনের নিয়তকে “ইখলাসে” পরিণত করতে হবে ।
আবার মনে করুন আমি একটি ইসলামিক লেখা প্রকাশ করলাম । এখন কেউ এর বিরোধী হয়ে কোনো কিছু লিখল । তারপর এর উত্তর আমি দিলাম আরো একটি লেখা বা আর্টিকেলের মাধ্যমে । আস্তে আস্তে আমি ভুলেই গেলাম কি উদ্দেশ্যে প্রথম লিখেছিলাম । এই বিপদগুলো খবু মারাত্নক এবং এটার থেকে সাবধান হতে হবে । তবে আরো একটি বিষয় স্নরণীয় , যেটা ফকীহ আবু লাইস সমরকন্দি “তাম্বিহুল গাফেলীন” কিতাবে বলেছেন , কারো নিয়তে যদি “রিয়া” থাকে তাহলে রিয়ার কারণে ইবাদত পরিত্যাগ করা যাবে না । বরং মনের থেকে “রিয়া” দুর করার জন্য চেষ্টা করতে হবে । ইমাম গাজ্জালী (রহ:) বলেছেন “রিয়ার ভয়ে ইবাদত পরিত্যাগ করাও রিয়া” ।
আরো একটি জরুরী বিষয় হোলো , আমল ঠিক করার চেয়ে “ইখলাস” ঠিক করা বেশী কঠিন । কেননা আমল দেখা যায় এবং ঠিক না ভুল হচ্ছে সেটা নিজে না বুঝলেও অন্যেরা বুঝতে পারে । অন্যেরা বুঝতে পারলেও সে অনুযায়ী সংশোধন করা যায় । কিন্তু ইখলাস দেখা যায় না এবং অন্যেও আপনাকে এ বিষয়ে দিক নির্দেশনা দিতে পারবে না । তাই এটা একান্তই সবার নিজস্ব ব্যাপার এবং নিজেরই এই বিষয়টি সংশোধন করার জন্য এগিয়ে আসতে হবে ।
অনবদ্য ইখলাসের দৃষ্টান্ত
একজন বিখ্যাত বুজুর্গ ব্যক্তি সবসময় নফল রোজা রাখতেন, কিন্তু কোনো সময় কেউ টের পেতেন না যে তিনি নফল রোজা রেখেছেন । কেননা উনি কারো কাছে সেটা প্রকাশ করতেন না এবং যখন ঘরে থাকতেন তখন সবাই মনে করত উনি হয়ত বাহিরে খাবার খাবেন । আবার যখন বাহিরে থাকতেন তখন সবাই মনে করতে উনি হয়ত ঘরে গিয়ে খাবার খাবেন । এভাবে ৩০ বছর অতিবাহিত হবার পর হঠাৎ সবাই জানতে পারলেন উনি আসলে বিগত ৩০ বছর যাবৎ নফল রোজা রেখে এসেছিলেন । সুবহানাল্লাহ । এমন ছিল আমাদের পূর্বেকার সলফে-সালেহীনদের ইখলাস । [ফাওয়ায়েদুল ফাওয়ায়েদ । লেখক :নিজামুদ্দিন আউলিয়া (রহ:) ]
অথচ আমাদের অবস্হা দেখুন । আমাদের কোনো ভালো কাজ যদি প্রকাশ না পায় আমরা ছটফট করি , কখন সেটা সবার মাঝে প্রকাশ পাবে , সবাই আমাকে বাহবা দিবে । কোনো ঘটনা উল্লেখ করার সময় বলি “সেদিন ফজরের” নামাজ পড়তে যেয়ে এই ঘটনা দেখলাম । উদ্দেশ্য আমি মসজিদে ফজর নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম এটা বলা । “গতবার হজ্বে” এত কষ্ট হয়নি । উদ্দেশ্য এটা বলা যে এবার এবং গতবার দুইবারই আমি হজ্বে গিয়েছি । সিজদার সময় বেশিক্ষণ থাকা যাতে কপালের দাগ আরো বেশী বেশী স্পস্ট হয়, মানুষ বেশী বেশী আমাকে পরহেজগার ভাবুক । ইসলামের পক্ষে কোনো একটি যুক্তি আমি না বলে অন্য কারো মুখ থেকে প্রথম উচ্চারিত হলে মনটা আফসোসে ভরে ওঠে । অথচ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বলা হলে, কে বলল সেটা বড় কথা নয়, যেকোনো মুসলিম ভাই থেকে সত্য প্রকাশিত হলে তাতেই সন্তুষ্ট হওয়া উচিত ।
আল্লাহপাক কোরআন শরীফে বলেন :
ا لَهُ جَهَنَّمَ يَصْلاهَا مَذْمُومًا مَّدْحُورًا
وَمَنْ أَرَادَ الآخِرَةَ وَسَعَى لَهَا سَعْيَهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَأُولَئِكَ كَانَ سَعْيُهُم مَّشْكُورًا
যে কেউ ইহকাল কামনা করে, আমি সেসব লোককে যা ইচ্ছা সত্ত্বর দিয়ে দেই। অতঃপর তাদের জন্যে জাহান্নাম নির্ধারণ করি। ওরা তাতে নিন্দিত-বিতাড়িত অবস্থায় প্রবেশ করবে। আর যারা পরকাল কামনা করে এবং মুমিন অবস্থায় তার জন্য যথাযথ চেষ্টা-সাধনা করে, এমন লোকদের চেষ্টা স্বীকৃত (পুরস্কৃত ) হয়ে থাকে। (সুরা বনী ঈসরাইল , ১৮-১৯)
আল্লাহপাক আমাদের প্রতিটি ইবাদত ইখলাসের সাথে করার তৌফিক দান করুন এবং মুমিন হবার তৌফিক দান করুন । আমিন ।
তথ্যসূত্র:
১। মুসনাদে আহমদ
২। ফাওয়ায়েদুল ফাওয়ায়েদ – নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ:)
৩। তাম্বিহুল গাফেলীন – ফকীহ আবু লাইস সমরকন্দী (রহ:)
৪। আল মুরসিদুল আমীন – ইমাম গাজ্জালী (রহ:)

আহমেদ শরীফ
অক্টোবর ৩, ২০১১ at ৩:৩৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এটি এমন একটি বিষয় ইসলামে যার আবেদন, প্রয়োজনীয়তা চিরকালীন। ‘ঈমানই ইখলাস’। আল্লাহপাক শুধুমাত্র সেই আমলই কবুল করে থাকেন যা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়। কাজেই যে কোন আমলের মাঝে উদ্দেশ্য ‘আল্লাহর সন্তুষ্টি’ হওয়া আমল কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত।
পরিতাপের বিষয় আমাদের মাঝে এই আসল জিনিসটি নিয়েই সচেতনতার অভাব। সেজন্যে ইখলাস অর্জনকে অভ্যাসের মাধ্যমেই সাধনা করে করে আয়ত্ত করতে হবে।
হাফিজ
অক্টোবর ৩, ২০১১ at ৩:৫৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@আহমেদ শরীফ:
সহমত
সরোয়ার
অক্টোবর ৩, ২০১১ at ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইখলাস নেই বলেই তো মসজিদের ফ্যানের গায়ে অথবা মাইকে দাতার নাম খোদাই করে লেখা থাকে!
অক্টোবর ৩, ২০১১ at ৪:১৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সরোয়ার:
সহমত
সাদাত
অক্টোবর ৩, ২০১১ at ৫:০৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
রিয়া এবং রিয়ার ভয় শয়তানের দুইটা বড় অস্ত্র।
আমলদার লোকের নিয়্যতের মধ্যে রিয়া নিয়ে এসে শয়তান সবকিছু বরবাদ করে দেয়।
আর বেআমল লোককে রিয়ার ভয় দেখিয়ে সে আমল থেকে দূরে রাখে।
কাজেই, রিয়া হতে পরহেয করতে হবে।
কিন্তু রিয়ার ভয়ে আমল ছাড়া যাবে না।
হাফিজ
অক্টোবর ৩, ২০১১ at ৫:১৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@সাদাত:
সহমত
শাহবাজ নজরুল
অক্টোবর ৩, ২০১১ at ৬:০৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দেশে-বিদেশে,
সালাম। ভাল বিষয়ে লিখেছেন। আমাদের কাজকর্মের কতুটুকু ইখলাস নিয়ে করি কেজানে? আর রিয়া থেকে মুক্ত হয়েও কাজ কতটুকু করি তাও জানিনা/বুঝিনা। আল্লাহ আমাদের দূর্বল চিত্তে শক্তি দিন, যাতে ইখলাসের সাথে কাজ করতে পারি।
একটা সাজেশন। ইসলামী বিষয়গুলোকে আরেকটু গতিশীল ভাষায় কী লেখা যায়? যেমন আমল, ইলম ইত্যাদির বাংলা প্রতিশব্দ কী ব্যবহার করা যায়?
--শাহবাজ
হাফিজ
অক্টোবর ৩, ২০১১ at ৮:১০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@শাহবাজ নজরুল:
অবশ্যই যাবে, পরিবেশ পরিস্হতির ওপর বিবেচনা করে আমল এর পরিবর্তে প্রাকটিস, ইলম এর পরিবর্তে “নলেজ” এসকল শব্দ ব্যবহার করা যায়।
শামস
অক্টোবর ৩, ২০১১ at ১:৪১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@দেশে-বিদেশে:
🙂
বুড়ো শালিক
অক্টোবর ৩, ২০১১ at ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
অসাধারণ একটা লেখা! বিশেষ করে বর্তমান সময়ের ক্ষয়িষ্ণু সমাজে যারা একটু দীনের পথে থাকার চেষ্টা করেন, তাদের মাঝে লোক দেখানো ভাব বা অহংকার এসে পড়া অস্বাভাবিক কিছু না, যদি না তারা সে ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্ক থাকেন। আপনার এ লেখা তাদের জন্য পাথেয় হবে বলে আমার বিশ্বাস।
এ প্রসঙ্গে আল কুরআনের ৩০ পারার ১০৭ নম্বর সূরা আল-মাঊনে আল্লাহ পাক বলছেন,
কিবর বা অহংকার বিষয়ে বিখ্যাত ইসলাম বিষয়ক বক্তা rel="nofollow">নুমান আলী খানের ভিডিও লেকচার দেখতে পারেন।
হাফিজ
অক্টোবর ৫, ২০১১ at ৫:৫১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@বুড়ো শালিক:
Link doesn’t work.
আগন্তুক
অক্টোবর ৪, ২০১১ at ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আল্লাহ আমাদেরকে সকল কাজ ইখলাসের সাথে করার তৌফিক দান করুন এবং আমাদেরকে রিয়া থেকে বাঁচিয়ে রাখুন। আমিন