ভূমিকা
এই লেখাটি আরব জগতের একজন প্রথিতযশা পপ-সঙ্গীতকার আমাল হিজাযীর একটি গান নিয়ে। না, বরং গানটিকে উপলক্ষ করে প্রেম ও ধর্ম নিয়ে লেখাই উদ্দেশ্য -নবী প্রেম নিয়ে। প্রেম ও ভালবাসা এক মানবিক সত্য -যা যুক্তির না হয়ে অনুভূতির প্রাধান্যে ধারিত। তবে ঘটনা যা'ই হোক, একটি আরবি গান নিয়ে বাংলাভাষী পাঠকের সাথে আলোচনা সহজ কথা নয় –এতে খাজনা থেকে বাজনা বড় হয়ে যায়। এটাই জটিলতা।
আমাল হিজাযী একজন লেবাননী সঙ্গীত-শিল্পী, এখন বয়স চল্লিশের কোটায়। গত কয়েক মাস আগে তিনি সঙ্গীত জগত ছেড়ে অন্তরালে চলে যান এবং হিজাব পরতে শুরু করেন। এতে তার অসংখ্য ভক্তসহ আরবের পপ-জগত থমকে যায়। তারপর, গত সপ্তাহ-দুএক আগে তার এই গানটি প্রচারিত হয়: রাক্কাত আইনাইয়া শাওকান -তীব্র বাসনা ডোরে আঁখিদ্বয় বিগলিত। এই গানের কথা, নবী প্রেম, ধর্ম-বোধ, এগুলো ছুঁয়ে যেতেই আমার এই লেখার কসরত।
তবে এ কথা আগেই বলে রাখি যে এখানে আমাল হিজাযীর অতীত জীবন, বা ভবিষ্যতে তিনি কোন পথ নেবেন -এমন কিছুই বিবেচ্য নয়, শুধু বর্তমানে তিনি যেখানে, সেখান থেকে আসা গানটি নিয়ে। আমি একথাও সংযোগ করব যে আমি কোন দলের লোক নই, কারও মুখপাত্র নই, নিজের ইচ্ছে হয় লিখি: শুদ্ধ-অশুদ্ধ সব কথা, সব অবস্থান আমার নিজের।
পরিচিতি ও তার সঙ্গীত ত্যাগের ঘোষণা
আমাল হিজাযী ১৯৭৭ সালে লেবাননের কাফর-ফিলা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। সঙ্গীত জগতে তিনি ১৯৯০ দশকের শেষের দিকে আসেন এবং এই শতকের প্রথম দশক থেকেই তার পরিচিতি প্রকাশ পায়। ২০০১ থেকে ধীরে ধীরে তার কয়েকটি এলবাম বের হতে থাকে এবং সাথে সাথে তার খ্যাতি। এই সময়ের ভিতরে দুই একবার গানের মঞ্চ থেকে সরে থাকলেও ফিরেও এসেছেন। কিন্তু গত সেপ্টেম্বরে বিষয়টা একেবারে ভিন্ন হয়ে যায়। তিনি তার ফেসবুকে এক ধরণের ‘ঘোষণা’ দিয়েই সঙ্গীত জগত থেকে সরে যান, তাতে কারণ ও উদ্দেশ্য প্রকাশ পায়। তিনি লেখেন:
واخيرا يا رب استجبت لدعواتي يا ارحم الراحمين …منذ سنوات وانا داخلي يتألم بين الفن الذي كنت اعشقه ولم اكن امتهنه كمهنة بل كان هواية وبين الدين على الرغم من انني كنت قريبة داخليا من الله عز وجل ولكن بيني وبين نفسي كنت اعيش هذا الصراع وكنت اطلب من الله دائما الهداية الكاملة … ولكني اتكلم عن ذاتي انني الآن اشعر انني في عالم آخر وسعيدة كل السعادة به … أمل حجازي
অবশেষে, হে প্রভু, আপনি আমার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন, হে আরহামার রাহীমীন। …কয়েক বছর থেকে যে শিল্পটিকে আমি ভালবাসি সেটি ও ধর্ম নিয়ে আমার অন্তর দ্বিধান্বিত ব্যথায় ভুগছিল। আমি এই শিল্পকে পেশা হিসেবে বিবেচনা করিনি, বরং শখ হিসেবে; অন্তরের দিক থেকে যদিও আমি আল্লাহর নিকটেই ছিলাম, তথাপি আমি ও আমার নফসের মধ্যে এক টানাপোড়নে ছিলাম এবং আল্লাহর কাছে সর্বদা পরিপূর্ণ হেদায়াতের জন্য প্রার্থনা করতাম। … এখন আমার ব্যাপারে বলতে পারি, আমি এক ভিন্ন জগতে, এবং আমি অনেক শান্তিতে আছি (উৎস:আমল হিজাযী, ফেসবুক, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭)।
এবারে সেই "ভিন্ন জগত"টি কী –সবাই বুঝতে পেল: তিনি আর গানের জগতে নেই, তিনি এখন হিজাব পরেন, এবং পূর্বের বেশ-ভূষা ছেড়ে দিয়েছেন, একদলের দৃষ্টিতে 'স্মার্ট কাপড়' ছেড়ে মধ্যযুগী ভূষায় আবৃত হয়েছেন। কিন্তু গত মাসের ২৯ তারিখে (২৯ নভেম্বর ২০১৭), অনলাইন সাইট “ওয়াতান” থেকে বলা হয় যে ইতিপূর্বে সঙ্গীত জগত ছেড়ে যাওয়া হিজাযী নবীর (সা) জন্ম দিবস উপলক্ষে একটি ধর্মীয় গান গাইবেন। তারপর গানটি পরিবেশিত হল, তবে ইন্টারনেটে। আবার বিপুল চঞ্চলতা, ময়দান সরগরম। কিন্তু গানটি এবারে হিজাব পরিহিতার, নবী প্রেমের গান বা নাশীদ: তীব্র বাসনা ডোরে আঁখিদ্বয় বিগলিত। কিন্তু কথা হল তাকে নিয়ে হৈচৈ করার কী আছে? তবে বিষয়টা এভাবে দেখা যায়: মুসলিম বিশ্ব আজ আধিপত্যবাদী শক্তির যাঁতাকলে নিষ্পেষিত, মুসলমানদের সরকারগুলোও নিজেদের সরকার নয় -বিদেশি নিয়ন্ত্রিত। তাই প্রখ্যাত, সুখ্যাত কেউ গণ-আবেগের পাশে দাঁড়ালে তাদের ঝড়-বাদলের আকাশে একটু চমক পড়ে -এতটুকুই।
গান: রাক্কাত আইনাইয়া শাওকান
রাক্কাত আইনাইয়া শাওকান গানটির কথা ও সুর সঙ্গীতকার মাহির যাইন এর। গানটির কথা (lyric) আমি এই অনুচ্ছেদে স্থাপন করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু দেখলাম এতে দীর্ঘ স্পেস চলে যায় এবং এতে ব্লগের স্ট্রাকচার অসুন্দর হয়ে পড়ে। তাই কী করব বুঝতে না পেরে পরিশিষ্ট হিসেবে নিচে স্থান দিয়েছি। হয়ত এভাবেই ভাল। ওখানে প্রথমে ৩টি পরিশিষ্ট করি। পরিশিষ্ট ১: আরবি টেক্সট; পরিশিষ্ট ২: আরবির বাংলা লিপান্তর, এবং পরিশিষ্ট ৩: ভাষান্তর। তারপর মনে হল এত কষ্ট যখন করলাম, তখন ইংরেজি লিপান্তর ও ভাষান্তর করে দিলে আরও ভাল হবে। ইউরোপ, আমেরিকায় কারও সন্তান-সন্তিনী দেখতে চাইলে তারা এই লিঙ্কটি ব্যবহার করতে পারবেন। তাই এর সাথে আরও দুটো পরিশিষ্ট সংযোগ করলাম: একটিতে লিপ্যন্তর আর অন্যটিতে ভাষান্তর।
অনুবাদ থেকে বুঝা যাবে যে ছোট্ট এই কয়টি পঙক্তিতে গানের পার্সনা (persona) তার প্রেমাষ্পদকে আবেগের চোখে দেখছেন, তাঁর কাছে গিয়েই মনের প্রশস্তি ও তৃপ্তি খুঁজছেন, তাঁর নিকটবর্তী হয়ে দরুদ ও সালাম পাঠ করছেন। শুরুর দ্বিতীয় লাইনে ‘তাইবাহ’ (طيبةُ) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে মহান গুণের অধিকারী, কোমল হৃদয়ের অধিকারী, সর্বোত্তম। আবার, ‘তাইবাহ’ হচ্ছে নবীর শহর মদিনার আরেক নাম। রূপকতায় শব্দটিকে পক্ষান্তরিত অর্থের ঘনত্বেও দেখা যেতে পারে। এক অতি অল্প পরিসরে গানটি হচ্ছে পার্সনার মনোলগ। পঙক্তিগুলো হেরা-গুহার দৃশ্যে ধারিত যেখানে তার প্রমাষ্পদ ঐশী তাজাল্লিতে আলোকিত, আর সেখানে অঝোর কাঁন্নায় তাঁর স্রষ্টার কাছে আত্মার জিজ্ঞাসা পেশ করছেন। এই স্থানেই ওহীর সূচনা হয় এবং এটাই হয় স্রষ্টা-সৃষ্টির প্রেম বন্ধন-ধারা। এখানে যে শাওক, লুতফ, ও ইশক সন্নিবেশিত হয় তা’ই হয় ধর্ম পথের অফুরান পাথেয়। এখানে অনুভূত সব ভাব, অর্থ, প্রেম ও আবেগ গানের অনুরণন, ব্যঞ্জনায় ঢেলে দেয়া হয়। আমরা পার্সনার অনুভূতিতেই গানটি অনুভব করি।
এই ক’টি কথার পর, আমরা গানটি শুনতে যাব। তবে আমার মনে হয় পাঠকগণ প্রথমে পরিশিষ্টগুলো দেখে আসলে ভাল হয়। তারপর গানে ক্লিক করে পরিশিষ্ট সামনে রাখলে গানের সাথে শব্দ, অর্থ ও সুরের অনুরণন ও ব্যঞ্জনা ঘন-নিবিষ্ট হতে পারে।
এবারে চলুন গানটি শুনে নেই, তারপর আরও কিছু কথা থাকবে -গানটিতে কণ্ঠ মিলিয়েছেন হিসাম আস-সা'বি।
এই যে প্রেম-ভালবাসা যা আবেগকে কেন্দ্র করে অনুভূতিশীল হয় তা যুক্তির বিষয় নয়। কিন্তু এটিও মানবিক। এটি জীবনের এক বিরাট অংশকে প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত করে এবং আমাদের আচরণে প্রবল ভূমিকা রাখে।
আমি যখন গানটি শুনতে শুরু করি তখন হঠাৎ শিহরণ অনুভব করি। যখন ‘মুহাম্মাদ’ শব্দটি উচ্চারিত হয়, তখন আমি অশ্রুসিক্ত। আবেগ বিহবলিত করে ফেলেছিল। এই স্থানটি কেবল অনুভূতির: অর্থ একেবারেই পার্শ্বিক।
আমাদের জীবনে প্রেমের স্থান অতি উঁচুতে। এটা ছাড়া ঘর-সংসার হয় না, সংগঠন হয় না, উচ্চতর শিল্প-সাহিত্য হয় না, দেশ ও জাতি গড়ে উঠে না -আর বলাই বাহুল্য যে প্রেম ছাড়া ধর্ম হয়ই না: বিজ্ঞান আসে পদার্থকে কেন্দ্র করে, আর যুক্তি ভাষাকে। ধর্মশুন্য যুক্তি আর বিজ্ঞান এই মানবতাকে মরুভূমি করে তুলতে পারে। এসব বিষয় অনেক পাঠ ও সাধনার। সব ধর্মেই প্রেমের স্থান রয়েছে। আমাদের ধর্মে আল্লাহ-রাসূলের প্রেম অতি উঁচুতে। এজন্য ইসলাম বিদ্বেষী উগ্রনাস্তিকগণ মুসলিমদের এই ভালবাসার স্থানটিকে বিষিয়ে তুলতে লক্ষ-কোটি টাকা ব্যয়ে দিনরাত আন্দোলন করছে।
এক প্রেমময়ী নাম, এক বিস্ময়
কে রেখেছে সখি শহদ শিরীন হেন মধুনাম -মোহাম্মদ
হেজাজের নয় -ও শুধু আমার চির-জনমের প্রেমাষ্পদ ।
-নজরুল, মরু-ভাষ্কর
এই মানবের বিশাল সমুদ্রে 'মুহাম্মদ' নামটি অনন্য। এই নামের পিছনের সত্তা এক সুবিমল চরিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র। সকল জাতি-প্রজাতির মধ্যে যেমন অনন্য বৈশিষ্ট্যের কিছু সন্ধান পাওয়া যায়, তেমনি মুহাম্মদ এই বিশ্ব মানবের এক বিরল ব্যক্তিত্ব, অনুপম নির্যাস। যারা মানব চরিত্রের রূপ, বৈচিত্র ও সীমা বুঝেন, যারা সমাজ ও ব্যক্তিত্বের সম্পর্ক বুঝেন, যারা সমাজ পরিবর্তনের দুরূহ চ্যালেঞ্জ বুঝেন, যারা নেতৃত্ব, আইন ও সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা প্রণয়নের বিষয় ও জটিলতা বুঝেন, কেবল তারাই এই ব্যক্তিত্বের গুণ, সৌন্দর্য, শক্তি, মহিমা ও মাহাত্ম্য বুঝতে সক্ষম। আর এজন্যই এই বিশ্বের অসংখ্য জ্ঞানী ও গুণীদের লেখায়, ও কথায়, তাঁর ব্যক্তিত্বের প্রসংশা প্রকাশ পেয়েছে।
চলুন আজকের এই লেখাটি আরেকজন মহান সঙ্গিতকার যার সঙ্গীতজ্ঞ স্থান হয়ত অনেক আমাল ও মাহিরের ঊর্ধ্বে হয়ে থাকবে তার একটি গান দিয়ে সমাপ্ত করি।
মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে -কাজি নজরুল ইসলাম।
-পরিশিষ্ট-
পরিশিষ্ট ১: আরবি গানرقت عيناى شوقا رقت عيناى شوقا السلام عليك يا رسول الله السلام عليك يا حبيبي يا نبي الله السلام عليك يا حبيبي يا نبي الله قلــــب بالحـــق تعــلق السلام عليك يا رسول الله السلام عليك يا حبيبي يا نبي الله السلام عليك يا حبيبي يا نبي الله |
পরিশিষ্ট ২: লিপান্তররাক্কাত আইনাইয়া শাওকান
রাক্কাত আইনাইয়া শাওকান ওয়ালি তাইবাতা যারাফাতা ইশকান ফাআতাইতু ইলা হাবীবী ফাহদা’ ইয়া কালবু ওয়া রিফকান সাল্লি আলা মুহাম্মাদ।
আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ আসসালামু আলাইকা ইয়া হাবীবি, ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ আসসালামু আলাইকা ইয়া হাবীবি, ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ ইয়া রাসূলাল্লাহ
কালবুন বিল হাক্কি তা‘আল্লাক ওয়া বি-গারি হিরাআ’ তা’আল্লাক ইয়াবকী ইয়াসআলু খালিকাহু ফাআতাহুল ওয়াহইয়ু, ফাআশরাক ইকরা’, ইকরা,’ ইয়া মুহাম্মাদ।
আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ আসসালামু আলাইকা ইয়া হাবীবি, ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ আসসালামু আলাইকা ইয়া হাবীবি, ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ ইয়া রাসূলাল্লাহ ___________ নোট: তৃতীয় পঙক্তির তিনটি ক্রিয়াবাচক শব্দ তাদের বাচনিকরূপে উপরে লিপান্তর করা, যেগুলোর লেখ্যরূপ হবে যথাক্রমে: তা‘আল্লাকা, তা’আল্লাকা ও আশরাকা। শব্দের মধ্যকার আলিফ হরফকে (’) এবং আইন হরফকে (‘) চিহ্নিত করা হয়েছে। |
পরিশিষ্ট ৩: ভাষান্তরতীব্র বাসনা ডোরে আঁখিদ্বয় মোর বিগলিত তাইবার [১] তরে ঝরিয়েছে প্রেম –অবিরত তাই এসে মোর প্রিয়ের দ্বারে –উপনীত
শান্ত-শিথিল হও, হে মোর চিত্ত, আদব-শিষ্টাচারে, আর দরুদ, সালাম জানাও বিনয়-কোমলতায় (প্রাণভরে) মুহাম্মাদের তরে:
শান্তি বর্ষিত হোক আপনার 'পর -হে রাসূলাল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক আপনার 'পর –হে মোর প্রেমাষ্পদ, হে নাবীয়াল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক আপনার 'পর-হে রাসূলাল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক আপনার 'পর –হে মোর প্রেমাষ্পদ, হে নাবীয়াল্লাহ হে রাসূলাল্লাহ।
সত্যের সাথে অনুরক্ত এক চিত্ত হেরার চূড়ায় হয়ে আলোকিত শুধায় স্রষ্টারে তাঁর –আর কাঁদে অঝোরে (অবিরত) অতঃপর এসেছে ওহী, (খোদায়ী সনদ), অতঃপর হল উজ্জ্বল উদ্ভাসিত: ‘পড়ো, পড়ো, হে মুহাম্মদ।’
শান্তি বর্ষিত হোক আপনার 'পর -হে রাসূলাল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক আপনার 'পর –হে মোর প্রেমাষ্পদ, হে নাবীয়াল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক আপনার 'পর-হে রাসূলাল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক আপনার 'পর –হে মোর প্রেমাষ্পদ, হে নাবীয়াল্লাহ হে রাসূলাল্লাহ। ____________ [১] ‘তাইবাহ’ (طيبةُ) এর অর্থ মহান গুণের অধিকারী, কোমল হৃদয়ের অধিকারী, মহান ইত্যাদি। |
APPENDIX 4: English TransliterationRaqqat ‘aināya shawqan Wa li-Ṭībata dharafatā ‘ishqan Fa-’ataitu ilā ḥabībī Fa-hda’ yā qalbu wa rifqan Ṣalli ‘alā Muḥammad
As-salāmu ‘alaika yā rasūlallāh As-salāmu ‘alaika yā ḥabībī yā nabiyyallāh As-salāmu ‘alaika yā rasūlallāh As-salāmu ‘alaika yā ḥabībī yā nabiyyallāh Yā rasūlallāh
Qalbun bil-ḥaqqi ta‘allaq Wa bil-Ghirā’ ta’allaq Yabkī yasa’lu khālikahu Fa ’atahu-l waḥyu fa ’ashraq ’Iqra’, ’iqra’ yā Muḥammad
As-salāmu ‘alaika yā rasūlallāh As-salāmu ‘alaika yā ḥabībī yā nabiyyallāh As-salāmu ‘alaika yā rasūlallāh As-salāmu ‘alaika yā ḥabībī yā nabiyyallāh Yā rasūlallāh _______________ Notes on transliteration of some alphabets: ا-أ= ’, ح=ḥ, ذ =dh, ص= ṣ,ش=sh, ط= ṭ, ع= ‘, غ=gh, ق=q Example of longer vowels: با = bā, بي =bī, بو = bū |
|
APPENDIX 5: English Translation My eyes’ve weakened in passion -longing Shedding love for Taibah [1] ceaselessly -crying Thus, I’ve come to my beloved
So be sober, my heart, in such dignity as treasured And read unto Muhammad prayers (most) revered: May the peace and blessing be upon you, o Messenger of God May the peace and blessing be upon you, O my beloved O Prophet of God May the peace and blessing be upon you, o Messenger of God May the peace and blessing be upon you, O my beloved O Prophet of God, Oh Messenger of God
A heart to the truth attached And in the cave of Hira sparked, Illuminated, and to the Creator it cried, Then came the Revelation, and it radiated, Blessed (with faith): ‘Read! Read! O Muhammad.’
May the peace and blessing be upon you, o Messenger of God May the peace and blessing be upon you, O my beloved O Prophet of God May the peace and blessing be upon you, o Messenger of God May the peace and blessing be upon you, O my beloved O Prophet of God, Oh Messenger of God ______________ [1] Ṭaibah: Having lofty heart, good conduct, kind. Ṭaibah is another name of Madīnah. (The word ṭībah in the measure of fi‘lah (فِعلة) has similar significance; the Zamzam-well is also called Ṭibah.) |

মহিউদ্দিন
ডিসেম্বর ১৩, ২০১৭ at ৮:০১ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বিশ্বের কুটি কুটি মানুষের প্রাণ প্রিয় ব্যক্তি, ভক্তি ও শ্রদ্ধার শিরোমণি সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম ও ওফাতের মাস রবিউল আউয়াল মাসে এরকম একটি লিখা অসাধারণ হয়েছে ! সত্যিই নবী প্রেমের আবেগে আমার মত ত্রুটিযুক্ত, আযোগ্য তাঁর এক ভক্তের প্রাণেও শিহরণ দিতে পেরেছে!
নবীর শানে একটি ক্বাসিদা / নাত শেয়ার করলাম
এম_আহমদ
ডিসেম্বর ১৪, ২০১৭ at ৫:১৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই সালাম। প্রথমে পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। কোনো লেখা পাঠকের কাছে ভালো লাগার মত হলে শ্রমটা সার্থক অনুভূত হয়, অন্তত কিছুটা হলেও।
মানুষের কিছু কথা কিছু সুর অমর হয়। ১৩ শো শতাব্দীর পারস্য কবি শেখ সাদির 'তালাআল বাদরু আলাইনা' নাশিদটি ৮ শো বছর পরও আজও মানুষের কণ্ঠে কণ্ঠে। আমার মনে হয় 'রাক্কাত আইনাইয়া' নাশিদটিও সেভাবে অমর হতে পারে -তার সুরের কারণে।
এম_আহমদ
ডিসেম্বর ১৪, ২০১৭ at ৫:৩৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই লেখার এক স্থানে নবীর জন্ম দিবসের কথা উল্লেখ হয়েছে। তাই ভেবেছিলাম এ নিয়ে দুটি কথা বলব, কিন্তু শেষে ভুলে গিয়েছি। যেসব অর্থ ও সংস্কৃতিতে আজকাল মুসলিম বিশ্বে নবীর জন্ম দিবস পালিত হয়ে থাকে এই গানটি সেসব “উদযাপনী” অর্থের হিসেবে আমি দেখি নি। রবিউল আওয়াল মাসে আমরা নবীর জীবন নিয়ে কথা-বার্তা বলি, লেখালেখি করি, কিন্তু এর অর্থ আধুনিক অর্থের ‘জন্মদিবস পালন’ নয়। এটাও সত্য যে জন্ম দিবস পালন নিয়ে মুসলিম বিশ্বে ‘অনেক’ ধরণের প্রথা সৃষ্টি হয়েছে। কোনোটি নির্দোষ, কোনোটি নির্দোষ নয়, কিন্তু পালনকারীদের কাছে কোনোটিই দোষের নয়। আমার ব্যাপার হচ্ছে এই যে আমি নবীর জন্ম দিবস পালনেও নেই, এবং এ ব্যাপারে কারো সাথে কোন ঝগড়া-বিবাদেও নেই। তবে যারা এখন ‘কেক কাটছে’, তাদের কাণ্ড-কারখানা খুবই দুঃখজনক, না বরং লজ্জাষ্কর লাগে: এটা আমার নিজের কাছে, তাই এতেও ঝগড়ার কিছু নেই। আমার তো মনে হয় এক সময় কেক ও কেকের টুকরো বড় অঙ্কের টাকায় বিক্রি হবে –তাবাররুক হিসেবে। (তবে ভাবছি আমি কথাটি এখানে উল্লেখ করে কারো মাথায় বুদ্ধিটা জাগ্রত করে দিলাম কীনা। )
Nivrito chari
জানুয়ারি ৬, ২০১৮ at ৯:৪৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মাশা আল্লাহ্!! 👌👌