ইহুদি এই রাব্বি হলেন সমেট ইনস্টিটিউট এর পরিচালক, এই ধর্মীয় ইনস্টিটিউটে সব সময় ইসরাইলের সৈন্যরা ও ইহুদি সম্প্রসারণবাদীরা অংশগ্রহণ করেন। এই রাব্বি রোজেনের একটি লেখা অনেকগুলো ইসরাইলি পত্রিকা প্রকাশ করে যেখানে সে খুবই দৃঢ়তার সাথে ইহুদি ধর্মীয় পুস্তক তৌরাহের বরাত দিয়ে ফিলিস্তিনিদের নারী, পুরুষ, শিশু ও তাদের পশু-পাখিদের হত্যা করতে ধর্মীয় ডিক্রি জারী করেন। ধর্মীয় ডিক্রি জারী করার ক্ষমতাসম্পন্ন এই রাব্বি লিখেন যে ফিলিস্তিনিরা হলো আমেলেকাইটদের মতো যারা ইহুদীদের মিশর হতে জেরুজালেমে আসার পথে আক্রমণ করেছিলো হযরত মুসা (আঃ) এর সময়। তার মতে স্বয়ং গড আমেলেকাইটদের হত্যা করতে তৌরাহ-এ আদেশ জারী করেছেন, এটা ইহুদিদের ধর্মীয় আইন হিসেবে পরিচিত।
আমেলেকাইটদের নিশ্চিহ্ন করে দাও, ওদের শুরু হতে শেষ পর্যন্ত খতম করে দাও, তাদেরকে তাদের জায়গা হতে বের করে দাও। অনবরত হত্যা করতে থাক তাদের একজনের পর আরেকজন, কোন সহানুভূতি দেখিও না। কোন শিশু, গাছপালা কিছুই ছাড়বে না। ওদের পশুপাখি সব হত্যা করো, উট হতে গাধা পর্যন্ত।
রাব্বি রোজেনের মতে, আমেলেকাইট কোন নির্দিষ্ট ধর্ম বা বর্ণ নয়। যে কেউই ইহুদীদের বিরোধীতা করবে সে-ই আমেলেকাইট।
রাব্বি রোজেন আরও লিখেন যে, আমেলেকাইট এই পৃথিবীতে ততদিন থাকবে যতদিন একজন ইহুদি জীবিত থাকবে। তার মতে, প্রত্যেক যুগে আমেলেকাইট বিভিন্ন জাতি হতে উঠে আসবে। আর ফিলিস্তিনিরা হলো বর্তমান কালের আমেলেকাইট। তাই ইহুদিদের অবশ্যই এই ধর্মীয় আদেশ পালন করতে হবে।
এখানে আরেক রাব্বি তার বইতে অ-ইহুদীদের হত্যা করতে ধর্মীয় আদেশ জারী করেন।
আজ ইসরাইল যা করছে তা কি ঐ ধর্মীয় আদেশের প্রতিফলন নয়? কিন্তু এখন আপনি মুক্তমনা নামের কিছু মুসলিম বিদ্বেষী শুয়োরকে দেখবেন না এই ইসরাইলীদের ধর্মীয় আদেশের বিরুদ্ধে বলতে।

Shahriar
জুলাই ১৫, ২০১৪ at ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Agreed with you.
মজলুম
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৪:১০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Thank you.
এম_আহমদ
জুলাই ১৫, ২০১৪ at ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই কাজটি তারা করেই যাচ্ছে এবং গোটা ইউরোপ, আমেরিকা জুড়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসরাইলকে সমর্থন দেয়া হচ্ছে। এই যে রাষ্ট্র ব্যবস্থার আদর্শ, পলিসি, মূল্যবোধ তা যে বিশ্ব মানবতার কাম্য হতে পারে না –তা কেবল তারাই বুঝতে পারেন যারা এখনও ‘মানুষ’ রয়েছেন। এই জায়োনবাদী রাজনৈতিক ব্যবস্থা, এর শিক্ষা, নৈতিকতা আজ সারা বিশ্বকে সর্পের মত ধীরে ধীরে গ্রাস করে যাচ্ছে। আজ ইসরাইলী জুলুমকে এই রাষ্ট্র ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানাদি এবং তাদের নেতৃবৃন্দ ভাষিক স্কীলের মাধ্যমে যেভাবে সমর্থন দিচ্ছে তা দেখতে বিবেক বিমূঢ় হয়ে পড়ে। ভাষা ও যুক্তি মানুষের নিফাককে যে কতটুকু হীনভাবে ধারণ করতে পারে –তা এক কাব্যিক বিস্ময়। আর সবচেয়ে বড় বিস্ময় হল এখনও অনেক মুসলমান এদের ‘বুক ও মুখ’ চিনতে পারেননি।
মহিউদ্দিন
জুলাই ১৫, ২০১৪ at ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কারন এ সব দেশের রাজনীতি ও মিডিয়া তাদের (যায়নিষ্টদের) পকেটে। তাই এখন আমাদের মত সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে, সকল ধর্মের ও মতের মানুষ যারা মানবতায় বিশ্বাস করেন সবাইকে নিয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলন করতে হবে যার প্রথম স্টেপ হল বিশ্বজুড়ে ইসরায়িলি পণ্য পরিহার করার ডাক দেয়া।
এ ভিডিওটা শেয়ার করেন
sotto
জুলাই ১৫, ২০১৪ at ১২:০৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মানবতায় যারা বিশ্বাস করেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি-
এমনও অনেকে আছেন যারা কথায় কথায় মানবতার গান গান, কিন্তু মুসলিম নিধন করাকে মনে মনে অমানবিক মনে করেন না এবং তাদের সংখ্যাও নেহায়েত কম না। কাজেই এসব নাকি কান্নায় খুব একটা কাজ হবে বলে মনে হয় না। তবে কথায় বলে- "নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল।" এই আর কি!
আপাতত আপনার পণ্য বর্জনের প্রস্তাবের সাথে আমি একমত। ব্যক্তিগতভাবে আমি ও আমার পরিবার অনেক আগে থেকেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। তবে সমাধানের জন্য আরও শক্ত পদক্ষেপ নেয়া চাই।
ধন্যবাদ-
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৪:২৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইসরাইলের পন্য এতটাই বিস্তৃত যে আপনি পারবেন না সবকিছু এড়িয়ে যেতে। যেমন, ফেসবুক, গুগল, জাভা, ওরাকল, ডেল কম্পিউটার সবই ইহুদিদের। সবচেয়ে বড় কথা কম্পিউটারে যে ইন্টেলের প্রসেসর ব্যবহার হয় তা হয়ত ইসরাইলে তৈরী নয়তো ইসরাইলে ডিজাইন করা হয়েছে।
মজলুম
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এটাই মূলকথা, কিন্তু ওরা নৈতিকভাবে ওরা চরমভাবে ধরা খায়। ধন্যবাদ
sotto
জুলাই ১৫, ২০১৪ at ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইসরাইরলরা চিরকালই নিষ্ঠুর আচরণ করেছে, করছে এবং করবে। এটা তাদের মজ্জাগত। কিন্তু আমরা কি করছি!? আরব বিশ্ব তথা মুসলিম বিশ্ব আজ দ্বিধাবিভক্ত। দলে ও উপদলে বিভক্ত। এই কমজোরির কারণেই ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের যেমন ভুগতে হচ্ছে, তেমনি নির্ঘাত আমাদেরকেও ভুগতে হবে। ঐক্যবদ্ধ না হতে পারলে চরম মূল্য দিতে হবে। আর এই অনৈক্যের মূল কারণ হলো আমরা প্রতি পদে পদে আল-কোরআনের শিক্ষা ভুলে যত পথ তত মতের অনুসরণ করাকেই ধর্ম জ্ঞান করছি। শুধু আহা উহু কোরে ও ইসরাইলিদের গালমন্দ কোরে কোন কাজ হবেনা। যতদিন মুসলিমরা তাদের এই দুর্বলতাকে অনুভব করে ঐক্যবদ্ধ হতে না পারবে- ততদিন তাদের মুক্তি নেই।
মজলুম
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কি করবে সেটাতো দূরের কথা কি হচ্ছে ফিলিস্তিনে সেটা বলার জন্যও কেউ নেই। পশ্চিমা নিউজ চ্যানেল গুলোর কথা বাদ দেন, আলজাজিরা ইংরেজীতে মুসলিমদের পক্ষে ইংরেজীতে কথা বলার মতো লোক পাওয়া যায় না। যদিও কিছু পাওয়া যায় তখন দেখা যায় তার জ্ঞান সীমিত। আন্তর্জাতিক পত্রিকাগুলোতে একটা আর্টিক্যাল লিখার মতো লোকেরও অভাব মুসলিম বিশ্বে। এই আর কি মুসলিমদের অবস্হা!
Saptarshi
জুলাই ১৫, ২০১৪ at ১:১২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
The link refers to a book banned in Israel. If the book is banned then how can the nation follow its dectates?
2. Your articlae doesnt mention about the rocket attacks on Israel. Israel is not a weak force. Can we expect them not to react if they are attacked by rockets?
3. As long as I read about news from various sources -- many contries in EU apart from UK and US also warned/requested Israel to stop causing death to innocents. But you know they are strong country its not wise for any country to force them
মজলুম
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
I didn't think any Jews troll would come in Shodalap. Anyway, Jews trolls are such a pathetic and blatant liar, which I don't see in any other race or religious people in my whole life. The Jews rabbi Yitzhak Shapira written that book and his book isn't banned also he has no regret by writing such a book, go to this article and read it.
2:) In my article I wrote, All of the Palestinians must be killed; men, women, infants, and even their beasts." This was the religious opinion issued by Rabbi Yisrael Rosen, director of the Tsomet Institute, a long-established religious institute attended by students and soldiers in the Israeli settlements of the West Bank.
You are talking about rocket attack which is home made with fertilizer against an enemy who use F-16 warplane, apache helicopter, cruise missile, hellfire missile and so on. I will give you multiple example where it is Israel who break every time the ceasefire. Israel is the only country in the face of the earth, which has a long history of occupation till this day, making Gaza as a the biggest concentration camp. Watch the documentary rel="nofollow">Occupation 101, where Nelson Mandela said, it is useless and futile to continue talking about peace and non-violence against a government whose only reply is savage attacks on an unarmed and defenseless people.
3:) You are such a lunatic even I hesitate to give the reply because people like you know the art of lying. Go and read the book The Israel Lobby and U.S. Foreign Policy and The Ethnic Cleansing of Palestine.
এস. এম. রায়হান
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৫:২৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সে একজন ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী।
Saptarshi
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৫:২৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Who told you that I am pro-Hindu person? I am an Indian atheist and dont support killing of innocents by Israel.
Today also many MPs in India whom I supported for various issues has condemned and protested against Israel in parliament of India.
মঙ্গলবার লোকসভায় জিরো আওয়ারে গাজায় ইসরাইলি হামলায় বিষয়টি প্রথম উত্থাপন করেন পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) নেত্রী মেহবুবা মুফতি। তিনি সংসদে মুলতুবি প্রস্তাবের জন্য নোটিশ দেন। মেহবুবা মুফতি বলেন, “ব্রিকস সম্মেলন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এখন ব্রাজিলে। সেখানেই ভারতের উদ্যোগে গাজায় একতরফা হামলার প্রতিবাদে প্রস্তাব নেয়া হোক। সরকার সংসদেও নিন্দা-প্রস্তাব গ্রহণ করুক।”
এসময় সিপিএমের মোহাম্মদ সেলিম বলেন, “এতদিন পশ্চিমা দেশগুলো ফিলিস্তিনকে যে চোখে দেখে এসেছে, ভারত সরকারও এখন সেভাবেই দেখছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। তবে দক্ষিণপন্থী একটা সাম্প্রদায়িক দল তো এমন আচরণই করবে।”
বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলের কারণে দুপুর ১২টা পর্যম্ত অধিবেশন স্থগিত করে দেন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। আধাঘণ্টা পরে ফের অধিবেশন শুরু হলে গাজায় ইসরাইলি হামলার বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন কংগ্রেস, তৃণমূল, সি পি এম, এন সি পি, ইণ্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ এবং অল ইডিয়া মজলিস-এ ইত্তেহাদ-উল মুসলিমিনের সংসদ সদস্যরা। কংগ্রেসের শশী তারুর গাজায় পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের অবস্থানকে ‘মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি’ আখ্যা দেন। মুসলিম লিগ নেতা ই. আহমেদ বলেন, “ইসরাইল যা করছে তা মানবাধিকারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন।”
<a href='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/ck.php?n=a6d64be1&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/avw.php?zoneid=2&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=a6d64be1' border='0' alt=''/></a>
সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু নিন্দা প্রস্তাবের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। একইসঙ্গে সরকারের পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এর মধ্যে এমন কোনো পদক্ষেপ করা ঠিক নয় যার বিরূপ ফল হয়।”
পরে বেঙ্কাইয়া বলেন, “আমরা অবশ্যই সব দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চাই। কিন্তু দু’টি দেশের মধ্যে সংঘাতের ব্যাপারে ভারত একটি তৃতীয় দেশ হিসেবে কী ভাবে কোনো প্রস্তাব আনতে পারে? দেশের ঘরোয়া রাজনীতির স্বার্থ পূরণে এমনটা করা যায় না।”
মন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। ওয়েলে নেমে শ্লোগান দিতে শুরু করেন বিরোধী সাংসদরা। শেষমেশ সরকারের অবস্থানের প্রতিবাদে সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বে ওয়াক আউট করেন কংগ্রেস সদস্যরা। তারপর পি ডি পি, সি পি এম ও তৃণমূল এমপিরাও ওয়াক আউট করেন।
তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় ও সিপিএম সংসদ সদস্য মোহম্মদ সেলিম বলেন, “গাজায় নিরীহ মানুষ এমনকি শিশুদের অমানবিকভাবে হত্যা করা হচ্ছে। কিন্তু, আশ্চর্যজনকভাবে চুপ করে আছে ভারত সরকার। ভাবতে লজ্জা হচ্ছে এটা মহাত্মা গান্ধীর দেশ।“
এদিকে, সংসদের বাইরেও গাজায় হামলার প্রতিবাদ হচ্ছে। কাশ্মীরি ব্যবসায়ীরা ইসরাইলি পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন। গাজায় ইসরাইলি হামলা বন্ধের দাবিতে পশ্চিমবঙ্গে বিক্ষোভ করার ঘোষণা দিয়েছে বামফ্রন্ট।
মহিউদ্দিন
জুলাই ১৫, ২০১৪ at ৪:১৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
So you suck your thumb do not resists their injustice and crimes commiting by occupying Palestine land building illegal settlements and merciless indiscriminate bombing!
Folks of 21st century talk about secularism and hates Muslim when they talk about Islamic state yet they let there be a country to be established solely on religious ethnic ground, a 3000 years old story and allow to expand its hegemony and aggression by giving billions of dollars aid from uncle SAM. This is our modern civilization we have built with secular ideology!!
Saptarshi
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Communist Party of India (M) condemns the attack of Israel always (though i dont support CPIM always) and there are maany people including myself who are protesting at many places. The issue is that how to stop Israel?
Option1 -- Force them — which Hamas is doing and result is known by world
Option 2 -- World raising voice -- which still effective -- since the country is Israel. we are seeing ceasefire.
In case of many countries where raising voice doesnt effect at all and no ceasefire is declared — there force comes and you know the result too
কিংশুক
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইহুদিবাদি জায়োনিস্টদের হাতে পৃথিবীর আসল ক্ষমতা। পৃথিবীর সব বড় বড় কোম্পানী ইহুদিদের। ইউএসএ ইউরোপের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা তাদের আছে, ইউএসএ ইউরোপের অর্থনৈতিক উপদেষ্টাও ইহুদিরা। রাজনীতি, সংস্কৃতির নিয়ন্ত্রনও তাদের হাতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ইহুদিদের এরকম ভয়াবহ ক্ষমতা উপলব্দি করে হিটলার ইহুদি বিরোধী অভিযান চালিয়েছে। ইহুদিবাদীদের বহু সাধনার ফসল ইসরাইল। ইউরোপিয়ানরা তাদের দেশে ইহুদি প্রভাব কমানোর জন্য জায়োনিষ্টদের ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। ইউরোপের, আরবের ইহুদিরা দলে দলে ইসরাইলে বসতি স্থাপন করে। ঔপনেবিশেক ইউরোপ, আমেরিকা ইসরাইল রাষ্ট্রের সর্বতো নিরাপত্তা প্রদানের বিনিমেয় মধ্যপ্রাচ্যের প্রাকৃতিক সম্পদ ভাগবাটোয়ারা করে খাবার সুবিধার্থে নিজেদের প্রতিনিধি হিসাবে সন্ত্রাসী ইসরাইলকে স্থানীয় মাস্তান হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ধুর্ত ও শক্তিশালী ঔপনেবিশেক ইউরোপ, আমেরিকা মিলে মহাধুর্ত মহাশক্তিশালী ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যে ছড়ি ঘুরানোর জন্যই পুর্নবাসন করেছে। ইসরাইলের হাতে কয়েশত পারমানবিক বোমা রয়েছে। সামরিক, প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে ইসরাইল আমেরিকার চাইতেও এগিয়ে। ইসরাইলের ছক মতো আরবে নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়। ইসরাইল পৃথিবীর সেরা সন্ত্রাসী দেশ।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৪:২৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ইসরায়েলের মুল ভিত্তি হলো জায়ানিজম -- যারা জুডাইজমকে ব্যবহার করে একটা নেটওয়ার্ক তৈরী করেছে। যতটা ইসরায়েল শক্তিশালী তার চেয়ে তার ভীত বেশী। ইসরায়েলের জনসংখ্যা দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। এর মুল কারন হলো তাদের ভয়।
যাই হোক -- পৃথিবীতে কোন শক্তিই চিরস্থায়ী না। এক সময় ইসরায়েল নামে কোন রাষ্ট্র থাকবে না। যার শেষের শুরু দেখা যাচ্ছে।
আল্লাহ আমাদের ধৈর্য্য ধরার শক্তি দিন।
এস. এম. রায়হান
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গুরুজনেরা বলে গেছেন: অতি বাড়ো বেড় না ঝড়ে পড়ে যাবে…।
জায়নবাদীদের চরম বাড়াবাড়ি দেখে মনে হচ্ছে তাদের আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে আসছে।
মাহফুজ
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বর্তমানে মুসলিম এবং বিশেষ কোরে ফিলিস্তিনের মুসলিম ও তাদের সহযোগী এবং সমব্যথী ছাড়া অন্য সবার সাথেই ইসরাইলের ভাল সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং মুসলিম ও তাদের সমমনাদের একাট্টা হয়ে সক্রিয় ও শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা ছাড়া এর কোন সুরাহা হবে না।
মহিউদ্দিন
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৪:০৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের বাস্তবতা লক্ষ্য করলে বলা যায় এটাও অদূর ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনা নাই। জায়নিষ্টরা ভাল করে জানে মুসলিম বিশ্বের কি অবস্থা, তাদের দেশের শাসকদের চরিত্র তাদের জীবন দর্শন যা ইসরাইলি যায়নিষ্টদের জন্য কোন হুমকি নয় বরং তাদের অত্যাচারের সহায়ক শক্তি। ফিলিস্তিনের মুসলিমদের আল্লাহ ছাড়া কোন সহায়ক নাই। তবে সাধারণ মুসলিমদের কাছে যে অস্ত্র কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না তা হল আল্লাহর দরবারে আমাদের দোয়া করার ক্ষমতা কিন্তু আমরা কি তা করছি? আসলেই ফিলিস্তিনের মুসলিমদের আল্লাহ ছাড়া কোন সহায়ক নাই।
Saptarshi
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৪:১৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
চিন্তা করছেন কেন? হামাস তো আছেই
Saptarshi
জুলাই ১৬, ২০১৪ at ৫:৩৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
গাজায় ইজরায়েলের লাগাতার আক্রমণের নিন্দা করে সংসদে প্রস্তাব নেওয়ার দাবিতে প্রায় সব বিরোধী দল উত্তাল হলেও, কেন্দ্র আজ সে সম্ভাবনা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে। কেন্দ্রের স্পষ্ট বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া রাজনীতির স্বার্থ ভারতের বিদেশনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নায়ডুর কথায়, “বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে এমন কোনও পদক্ষেপ করা ঠিক নয় যার বিরূপ ফল হয়।”
পরে বেঙ্কাইয়া বলেন, “আমরা অবশ্যই সব দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চাই। কিন্তু দু’টি দেশের মধ্যে সংঘাতের ব্যাপারে ভারত একটি তৃতীয় দেশ হিসেবে কী ভাবে কোনও প্রস্তাব আনতে পারে? দেশের ঘরোয়া রাজনীতির স্বার্থ পূরণে এমনটা করা যায় না।” বেঙ্কাইয়ার এই মন্তব্যে বিরোধীরা অভিযোগ করেন, তিনি কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলির মুসলিম-তোষণের নীতিকে কটাক্ষ করছেন।
আজ গোটা দিনই দফায় দফায় লোকসভা উত্তাল হয় গাজার ঘটনা নিয়ে। সরকারের অবস্থানের প্রতিবাদে কক্ষ ত্যাগ করেন কংগ্রেস, সিপিএম, পিডিপি এবং তৃণমূলের সাংসদরা। জিরো আওয়ারে বিষয়টি প্রথম তোলেন পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি। তিনি সংসদে মুলতুবি প্রস্তাবের জন্য নোটিস দেন। তাঁর বক্তব্য, ব্রিকস সম্মেলন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এখন ব্রাজিলে। সেখানেই ভারতের উদ্যোগে প্রস্তাব নেওয়া হোক গাজায় একতরফা হামলার প্রতিবাদে। সরকার সংসদেও নিন্দা-প্রস্তাব গ্রহণ করুক। একই দাবিতে মুখর হয় অন্যান্য বিরোধী দলও। সিপিএমের মহম্মদ সেলিম বলেন, “এত দিন পশ্চিমী দেশগুলি প্যালেস্তাইনকে যে চোখে দেখে এসেছে, ভারত সরকারও এখন সে ভাবেই দেখছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। তবে দক্ষিণপন্থী একটা সাম্প্রদায়িক দল তো এমন আচরণই করবে।”
বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলে আধ ঘণ্টা মুলতুবি রাখতে হয় লোকসভা। পরে ফের অধিবেশন শুরু হলে কংগ্রেসের শশী তারুর, কেন্দ্রের অবস্থানকে ‘মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি’ আখ্যা দেন। মুসলিম লিগ নেতা তথা প্রাক্তন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ই আহমেদের কথায়, “ইজরায়েল যা করছে তা মানবাধিকারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন।”
কূটনীতিকরা জানাচ্ছেন, প্রতিরক্ষা, কৃষি, জল-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইজরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমশ ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে ভারত। মোদী ক্ষমতায় আসার পর আরও গভীর করার চেষ্টা চলছে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আনার যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে, ইজরায়েল থেকে বড় বিনিয়োগ আশা করছে সাউথ ব্লক। এমন পরিস্থিতিতে এনডিএ সরকার এমন কিছু করতে নারাজ যাতে ইজরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কে কোনও বিরূপ আঁচ পড়ে।
এখানকার ইজরায়েলি দূতাবাসের মাধ্যমে সে দেশের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রাখছে নয়াদিল্লি। এই সংঘর্ষের মধ্যে যে সব ভারতীয় আটকে রয়েছেন, তাঁদের উদ্ধার এবং নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও কথা হয়েছে। ইজরায়েলি দূতাবাস জানাচ্ছে, হাতে গোনা যে ক’জন ভারতীয় সংঘর্ষের এলাকায় রয়েছেন, তাঁদের সব রকম নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। ইচ্ছা করলেই তাঁরা গাজা ছাড়তে পারেন। ইজরায়েলের ডিমোনা অঞ্চলে প্রায় ১ লক্ষ ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইজরায়েলি থাকেন। এ ছাড়া প্রায় সাড়ে সাত হাজার ভারতীয় রয়েছেন সে দেশে। প্রত্যেকেরই দেখভাল করা হচ্ছে।
গাজায় হামলার প্রতিবাদ হচ্ছে সংসদের বাইরেও। কাশ্মীরি ব্যবসায়ীরা ইজরায়েলি পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন। সব স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১৭ দিন বন্ধ রাখা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে। গাজায় ইজরায়েলি হানা বন্ধের দাবিতে পশ্চিমবঙ্গে পথে নামছে রাজ্য বামফ্রন্ট। পরশু তারা কলকাতায় মিছিল করবে। ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু আজ বলেন, “গাজায় মৃত্যুমিছিল বন্ধ করতে ভারত সরকারের সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া ও আন্তর্জাতিক স্তরে চাপ সৃষ্টি করা উচিত।”
Source -- Anandabazar