«

»

Jun ১৩

ফ্রীথিন্ক ইজ ইল্যুশন, মুক্তমনা একটা ধান্ধাবাজি আর মানুষ মাত্রই তালগাছবাদী!

গত দুই কয়েক দশকে নিউরো-সায়েন্সের এত উন্নতি হয়েছে যে, এখন নিউরো সায়েন্টিস্টরা বলছেন ফ্রি থিংক বা মুক্তমনা বলে কিছু নেই বরং তা ইল্যুশন বা মতিভ্রম। আমাদের মস্তিস্কের ৯৫% এর বেশী হলো সাব-কনসাস মাইন্ড বা অবচেতন মন। বাকী ৫% হলো সচেতন মন। অবচেতন মন বা সাব-কনসাস মাইন্ডটা কী: আপনার আমার মাঝে থাকা অবচেতন মন হলো খুবই শক্তিশালী টুল। অবচেতন মন প্রতি সেকেন্ডে ১০ কোয়াড্রিলিয়ন অপারেশন পরিচালনা করতে পারে আপনার অজান্তেই। এই মুহুর্তে কার কমান্ডে আপনার শরীরের ৬০ হাজার মাইল ব্লাড ভেসেলে রক্ত সরবরাহ করে যাচ্ছে সঠিক চাপে? হার্টবিটের মাধ্যেমে আপনাকে যে জীবন্ত রাখছে, আপনি তাকে কখনোই নির্দেশ দেননি? কে নিয়ন্ত্রন করছে আপনার শরীরের সঠীক তাপমাত্রা? আপনার শরীর একটু গরম হলে তার কমান্ডেই শরীর ঘাম বের করে দিয়ে আপনার শরীরকে ঠান্ডা রাখে। আবার আপনার শরীর একটু ঠান্ডা হলে সে শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে যায়। আপনার ৬০ ট্রিলিয়ন কোষে প্রতি মুহুর্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে তাদের জীবন্ত রাখে এই সাব-কনসাস মাইন্ড। আপনি ঘুমালেও সে ঘুমায় না। ২৪/৭ সে জাগ্রত থেকে আপনাকে প্রতি মূহুর্তে জীবন্ত রাখে।  

এবার আসুন মূল ব্যাপারে, এই অবচেতন মনে যত ধরনের তথ্য আছে সবকিছুকেই সে সঠিক বলে ধরে নেয়। আপনি বর্তমানে যে ধর্ম/অধর্ম মানেন, যে দল বা পার্টিকে সমর্থন করেন, যে পীরকে মানেন, যে বুদ্ধিজীবীকে মানেন তার বা তাকেই সঠিক বলে মনে হয় আপনার কাছে। আপনি নিরাকার খোদা মানেন না মূর্তিকে খোদা মানেন নিজের হাতে বানিয়ে, বা একটা পাথর খন্ডকে খোদা মানেন বা সাপ, অগ্নি, গরু, ঘোড়া, গাধা যাকেই খোদা বলে মানেন, বা আপনি কোন খোদাই মানেন না, আপনার কাছে সেটাই সঠিক বলে মনে হয়। কারন আপনার সাব-কনসাস মাইন্ড যা আপনার মস্তিস্কের ৯৫% বা তারও বেশী তা সত্য বা মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করতে পারেনা। সে জানে না কোনটা সঠীক আর কোনটা বেঠিক, সে পার্থক্য করতে পারেনা ভালো আর মন্দের মাঝে। ভালো মন্দ, সত্য মিথ্যা, সঠিক বেঠিক এর কিছুই আপনার সাব-কনসাস মাইন্ড বিচার করতে বা পার্থক্য করতে পারে না।

এই সাব-কনসাস মাইন্ড পার্থক্য করতে পারেনা আপনি যে দৃশ্য চোখে দেখেন বা যে দৃশ্য মনের মাঝে কল্পনা করেন। চোখ বন্ধ করে একবার ভাবুন আপনি গভীর রাতে এক ভয়ংকর জংগল দিয়ে হেটে যাচ্ছেন, দেখছেন কিছু অদ্ভুদ ভয়ংকর প্রাণীকে, ওরা ধীরে ধীরে হেটে আপনার খুব কাছেই চলে এসেছে। কি হলো? আপনার পুরো শরীর ঝাঁকুনি দিয়ে উঠবে, আপনার হার্টবিট বেড়ে যাবে। কারন ঐ যে, আপনার পুরো শরীরের নার্ভাস সিস্টেম (স্নায়ু)-কে এবং হার্টকে নিয়ন্ত্রণ করছে সাব-কনসাস মাইন্ড। আপনি কি সেই ভয়ংকর দৃশ্য দেখেছেন না কল্পনা করেছেন তা আপনার সাব কনসাস মাইন্ড পার্থক্য করতে পারেনা, সে সত্য বলেই ধরে নেয় যা আপনি কল্পনা করেছেন, তাই আপনার নার্ভাস সিস্টেম (স্নায়ু) ঝাঁকুনি দিয়ে আপনাকে সতর্ক করে দেয়। অলিম্পিকে দৌড়বিদরা এই জিনিসটা কাজে লাগিয়ে কল্পনা করে ট্রেনিং নেয়। আমেরিকাতে দৌড়বিদেরা এন্থনি রবিনসকে অনেক টাকা দিয়ে এই মানসিক ট্রেনিং নেয়।

এবার দেখুন প্লাসেবু এফেক্ট এবং নোসেবু এফেক্ট: শুধু একটা সুগার টেবলেট যার মধ্যে কোন ঔষধ নেই, তা বিশ্বাস করে খেয়ে যে এটা খেলে আমার অসুখ সেরে যাবে। হ্যাঁ তার অসুখ সেরে গেছে। আবার আরেক গ্রুপকে যাদের অসুখের ঔষধ দিয়েও শুধু বিশ্বাস করে যে এই ঔষধ খেলে কিছুই হবেনা, পরে দেখা গেলো ঔষুধ খেয়েও তাদের কিছু হয়নি। এগুলোর উপর অনেক ধরনের এক্সপেরিমেন্ট হয়েছে। এজন্যে অনেক কুসংস্কার কাজ করে, পানি পড়া, তেল পড়া, মন্দিরের প্রাসাদ, গীর্জার চকলেট সবই চলে সাব-কনসাস মাইন্ডের উপরে। এজন্য বলা হয় যে বিশ্বাসে মেলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর। এ ব্যাপারে ইসলাম কী বলে তা নিচে প্রথম  কমেন্টে দিয়ে দিলাম। আপনি যদি দুধ খাওয়ার সময় বলেন এই দুধ খেলে আমার বদ হজম হবে, পরে দেখা যাবে আসলেই আপনার বদ হজম হয়েছে। দ্যা পাওয়ার অফ ইউর সাব-কনসাস মাইন্ড বইতে ডঃ জোসেফ মরফি বিস্তারিত ভাবে লিখেছেন এ ব্যাপারে যে শুধু বিশ্বাস করে অনেক প্যারালাইসিস রুগী জাপানের শিন্ট ধর্মের মাঝারে গিয়ে সুস্থ হয়ে গিয়েছে। আরেকটা অসাধারন বই আছে লিওনার্ড ম্লোডনোয়ের সাবলিমিনালঃ দ্যা নিউ আনকনসাস। সে আবার স্টেফেন হকিংয়ের সাথে যৌথভাবে লেখা দ্যা গ্রান্ড ডিজাইনের লেখক।

হিপনোটিস্টরা বা সম্মোহনবিদ্যার লোকেরা কিভাবে কাজ করে? ম্যাক্সওয়েল মালটেজ তার বই সাইকো-সাইবারনেটিকসে লিখেছেন, রেসলিং খেলোয়াড়দের সম্মোহনকারী বলতো তুমি এই দুই কেজীর পাথর উঠাতে পারবেনা। পরে দেখা গেলো সে আসলেই দুই কেজীর পাথর উঠাতে পারছে না। কারন এটা নয় যে সে পারছেনা বরং সে বিশ্বাস করেছে সে পারবেনা তাই তার মাংসপেশী কাজ করছে না।

এবার আসি সচেতন মনেঃ  সচেতন মন হলো ৫% এরও কম। সে ভালো মন্দের মাঝে পার্থক্য করতে পারে, সত্য মিথ্যার বিচার করতে পারে, কিন্তু ঐ যে ৯৫% সাব-কনসাস মাইন্ডকে ওভারপাওয়ার করতে পারেনা। এই ৫% মাইন্ড হলো মুক্তমন, সম্পূর্ন ফ্রী-থিংকিং মাইন্ড। তবে ৯৫% সাব-কনসাস মাইন্ডের কাছে সে পুরাই অসহায়। ডঃ ডেভিড ওয়াইনারের মতে মানুষ সচেতন মনে একটা সুঁইও টেবিল হতে উঠাতে পারে না।

এজন্যে এই পৃথিবীর সবাই পরিচালিত হয় সাব-কনসাস মাইন্ড দ্বারা। তার কাছে যে তথ্যই আছে তাকে সে সত্য এবং সঠিক বলেই ধরে নেয়, তাই সবাই তালগাছবাদী। আপনি একজন লোককে বিতর্কে কয়েকবার হারিয়ে দিলেও সে কি পরিবর্তন হয়? না, কারন আমরা সবাই তালগাছবাদী।

এবার আসুন মুক্তমনাদের ধান্ধাবাজি নিয়ে: মুক্তমনাদের দেখবেন খুব সুন্দর সুন্দর স্লোগান দিতে। এই যেমন, অসাম্প্রদায়িকতা, সাম্য, প্রগতীশীলতা, বিজ্ঞান মনস্কতা ব্লা ব্লা ব্লা……….। পশ্চিমবঙ্গের যুক্তিবাদি, মুক্তমনা, অসাম্প্রদায়িক, সাম্যবাদিরা হলো মার্ক্সবাদীরা। ওখানকার যুক্তিবাদি সমিতির নেতা বাংলার নাস্তিকদের গুরু প্রবীর ঘোষ ও একজন মার্ক্সবাদী। তার বই অলৌকিক নয় লৌকিক বইয়ের পৃষ্ঠপোষকতা দেন জৌতি বসু, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী। প্রবীর ঘোষের এই বইয়ের পাঁচ খন্ড আছে, সব গুলোই পড়েছি। মুক্তমনারা বলতো এই বই পড়লে নাকি মন পরিবর্তন হয়ে যাবে, তবে কিছুই হইলো না।  এজন্য আলাদা পোষ্টের দাবী রাখে। তার এই পাঁচ খন্ডের বই হলো আমীর খানের PK মুভির মতো। যেখানে ধর্মের ম্যানাজারদের ব্যবসাগুলো দেখানো হয়, আমাদের দেশের মাজারব্যবসাগুলোর মতো। তো পশ্চিমবঙ্গের এই মুক্তমনারা প্রায় ৩০ বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করেছে। ওখানে মুসলিমদের সংখ্যা ২৭% এরও বেশী, কিন্তু সরকারী চাকুরীতে মুসলিমরা ৫% এরও কম। এই ৫% আবার হলো অফিসের দারোয়ান, পিয়ন এবং ক্লীনার। এই না হলে মুক্তনাদের সাম্যবাদ!! লেখিকা অরুন্ধতি রায়, যার পিতা বাঙ্গালি হিন্দু এবং মা কেরালার এ্যাসেরিয়ান খ্রিষ্টান সে লিখেছে পশ্চিম বঙ্গের মার্ক্সবাদিদের উপরের সব নেতাই জাতে ব্রাহ্মণ, কোন নিচু জাতের লোক নাই। তো এরাই সাম্যবাদ এবং অসাম্প্রদায়িকতা বলে গলা বড় করে।

মুক্তমনা নামের ধান্ধাবাজরা আরেক ধান্ধাবাজ হুমায়ন আজাদের একটি উক্তি প্রচার করে যে মসজিদ ভাঙ্গে ধার্মিকেরা, মন্দিরও ভাঙ্গে ধার্মিকেরা। মানুষতো মনে করে আসলেই সত্য। কিন্তু রাশিয়ার নাস্তিক জোসেফ স্তালিন ক্ষমতায় আসার পর দেখা গেলো সে মসজিদ, গীর্জা, সিনেগগ সব এক সাথে ভেঙ্গেছে।

যদি কেউ স্যার এ্যাডওয়ার্ড সাইদের বই ওরিয়েন্টালিসম পড়ে থাকেন তাহলে সে বলবে বর্তমানে মুক্তমনা নামে কাল্টরা মুসলিম/ইসলাম বিদ্বেষী যত কাজ কর্ম করে যাচ্ছে তা ওরিয়েন্টালিস্টরা তথা উপনিবেশিকবাদী বুদ্ধিজীবিরা গত ৬০০ বছরেরও বেশী সময় ধরে এবং খ্রীষ্টান মিশনারীরা গত ১০০০ বছর ধরে করে যাচ্ছে। কিন্তু এই কাল্টরা মডার্ন ওরিয়েন্টালিসমকে "এনলাইটেনমেন্ট" নামে ডাহা মিথ্যা প্রচার করছে।

সচলায়তনে একজন ব্লগার ঢাহা মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলো আমেরিকার ইসলাম বিদ্বেষী পাম গেলারের সাইট হতে। ওখানে যেহেতু ফেসবুক দিয়ে কমেন্ট করা যায় তাই আমি ফেসবুক কমেন্ট দিয়ে তার মিথ্যাকে ধরিয়ে দিলাম। পরে সে আমার পুরা কমেন্টাই মুছে দিলো, কিন্তু তার দেওয়া ইসলাম বিদ্বেষী পাম গেলারের তথ্য ঠিকই থেকে গেলো। সে আবার "কলম চলবে" আন্দোলনের অগ্রপথিক, বাক স্বাধীনতা বলে গলা হাকায়। উনি আবার এই ইসলাম বিদ্বেষী নব্য ওরিয়েন্টালিস্টদের "এনলাইটেনমেন্ট" বলে ডাকেন। তো জাতি এই কলম ওয়ালাদের দিয়ে কি করবে?

এটার সাথে হয়তো আপনারা অনেকেই পরিচিত যে, এক মুক্তমনা নামের ধান্ধাবাজের সাথে কোন বিতর্কে লিপ্ত আছেন। ঐ তর্কে যখন সে হেরে যায় তখন সে মুহাম্মদ(সঃ)-কে একটা গালি দিবে বা তাকে নিয়ে একটা কুৎসিত মন্তব্য করবে যদিও ঐ তর্কে মুহাম্মদ (সঃ) নিয়ে কোন কথাই ছিলোনা। রাস্তার বখাটে ছেলেরা যেমন যুক্তিতে হেরে গেলে আপনার মা-বাবা তুলে গালি দেয় ঠিক তেমনই। একবার আমারব্লগে অমি পিয়াল একটা স্যাটায়ার লিখলো "পটমারা খাওয়ার জন্যে নাস্তিক হয়েছি" পরে আরেক মুক্তমনা নামক ধান্ধাবাজ নাস্তিকের ধর্মকথা অমি পিয়ালকে নিয়ে স্যাটায়ার না লিখে সে মুহাম্মদ (সঃ)-কে নিয়ে স্যাটায়ার লিখলো। সব সময় এদের মাঝে মুহাম্মদ (সঃ)-কে নিয়ে একটা আক্রোশ থাকে।

সাব-কনসাস মাইন্ড নিয়ে লিখতে গেলে পোষ্টের পর পোষ্ট শেষ হয়ে যাবে, এট লাস্ট উই আর অল হোয়াট ইস আওয়ার সাব-কনসাস মাইন্ড। এই সাব-কনসাস মাইন্ড আমরা যা বিশ্বাস করি তাহাকেই সঠিক বলে ধরে নেয়। সে কোন তর্ক বিতর্ক করেনা, কোন পার্থক্যও করে না। তাই  দিন শেষে আমরা সবাই তালগাছবাদী।

২৩ comments

Skip to comment form

  1. 1

    মজলুম

    মূর্তি, পাথর, অগ্নি, সাপ, খাজা বাবা, ভন্ড বাবা,  গরু ও গাধাকে খোদা মেনে তার কাছ হতে চাইলেও কি আল্লাহ তায়ালা তাদের দেন? এ ব্যাপারে ইসলামের ব্যাখ্যা কি?

    মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেহেতু এই বিশ্বকে সৃষ্টি করেছেন তার বিশাল সৃষ্টিকে বাচার জন্যে, রক্ষার জন্যে তাকে নানা ভাবে সাহায্য করতে হয়। যদি সে ভূল মাধ্যমে সাহায্য চায়। আল্লাহ তায়ালার ইবাদাত না করলেও আল্লাহ তাকে খাওয়ায়। ঐ যে নজরুলের কবিতায় বৃদ্ব ফকির বলেছিলো, ৮০ টা বছর কেটে গেলো ডাকিনি তোমায় কভু, তাই বলে আমার ক্ষুধার অন্ন তুমি বন্ধ করোনি কভু।

    আল্লাহ তায়ালা এই পৃথিবীতে তাকেও সাহায্য করে, যে তাকে মানে না। তিনি তাকে সাহায্য করেন যে তাকে গালিগালাজ করে। তিনি তাকে সাহায্য করেন যে তাকে ছাড়া অন্য কাউকে প্রভু বলে ডাকে।

    তাহলে কেন তিনি এমন করেন? কারন তার নাম রহমান। মহান আল্লাহ তায়ালার দুইটা নামের একটা হলো রহমান, আরেকটা রাহীম। দুটোর অর্থই হলো দয়ালু, দয়াবান। কিন্তু কোন আরবী ভাষাবিদকে যদি প্রশ্ন করেন সে বলবে, রহমান এবং রাহীম দুটোর অর্থ দয়ালু হলেও দুটো দুটি ভিন্ন ভিন্ন সময়ের জন্যে। যেমন রহমান শব্দের মূল অর্থ হলো তিনি সবার জন্যে দয়াবান। হোক আপনি তাকে প্রভু বলে মানেন বা না মানেন। আপনি তাকে ডাকেন বা না ডাকেন, আপনি তার ইবাদত করেন বা না করেন। আপনি তাকে গালি গালাজ করেন বা না করেন সে কিন্তু রহমান।

    কিন্তু রহীম শব্দের অর্থ হলো শুধু মাত্র যারা তাকে প্রভু বলে মানে, তার ইবাদাত করে, তার একত্ববাদ বা তাওহীদকে মানে শুধু মাত্র তাদের জন্যেই সে রাহীম বা দয়ালু।  এখানে উনি আর দয়ালু রহমান না, শুধুই দয়ালু রাহীম।   এটা হবে আখীরাতে, শুধুই তার বান্ধাদের জন্যে যারা তার ইবাদত করেছে।

    সোজা বাংলায় বলতে গেলে উনি দয়ালু রহমান মানে সবার জন্যে দয়ালু হবেন এই দুনিয়ায়। আর আখিরাতে দয়ালু হবেন বা রাহীম হবেন শুধু মাত্র যারা তার ইবাদাত করেছে।

    এ জন্যে কোরান শরীফে যখনই রহমান শব্দটা আসে তার পরেই রাহীম আসে।

    এই যেমন, বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম।   বা সূরা ফাতিহায়, আর রাহমানির রাহীম।  মানে খুবই সহজ, প্রথমে এই দুনিয়ায় তিনি দয়ালু রহমান, পরে আখিরাতে তিনি দয়ালু রাহীম।

     

    1. 1.1

      asif

      পরিশ্রম ও পরিশ্রম ছাড়া যা কিছু অর্জন করিনা কেন, সবই আল্লাহ দেন। পরিশ্রম ছাড়া যা অর্জন করেন তার জন্য আল্লাহ রাহমান, পরিশ্রম করে যা অর্জন করেন তার জন্য আল্লাহ রাহীম।

      1. 1.1.1

        আপনার জন্যে ইয়াসীর কাদীর আরো বিস্তারিতভাবে বর্ননা করা লেকচার দিলাম, https://www.youtube.com/watch?v=6AMabgxPRic   পড়ার জন্যে এবং মন্তব্য করার জন্যে ধন্যবাদ

  2. 2
    করতোয়া

    এক নিঃশাসে পড়ে ফেললাম। খুবই চমৎকার একটা লিখা। আমি অভিভুত। আল্লাহ আপনাকে সুস্থ্য রাখুন আর আপনার জ্ঞান ও হাতকে আরো মজবুত করুক দোয়া করছি।

    1. 2.1
      মজলুম

      ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।

  3. 3
    নির্ভীক আস্তিক

    অসাধারন লিখেছেন মজলুম ভাই। মৌলবাদী নাস্তিক সম্প্রদায়ের অধঃপতন। বাকস্বাধীনতার কথা বলে বাক হরন আর বাক-ধর্ষণ !  অনেকটা নারীবাদি পুরুষদের মতঃ নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলে, আবার নারী ধর্ষক অথবা নারী ব্যবসায়ী। 

    1. 3.1
      মজলুম

      এরা আসলে ভেকধারী ছদ্মবেশী। যখন বলে "ক্লম চল্বে" তারমানে শুধু উনাদের খিস্তিখেউড় মার্কা ক্লম চলবে, অন্যকারো চলবেনা।
      পোষ্ট পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।

      মানুষ যা সত্য বলে বিশ্বাস করে সেটাই সাবকনসাস মাইন্ড সত্য বলে ধরে নেয়, যা মানুষ মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে তাই সাবকনসাস মাইন্ড মিথ্যা বলে ধরে নেয়। এমনকি আপনি যদি ১০ বার একটা মিথ্যা কথা শুনেন ১০ জনের কাছ হতে, তাহলে এক সময় ঐ মিথ্যাটাও আপনার কাছে সত্য মনে হবে। 

      দশ চক্রে ভগবান ভূত এই গল্পটা পড়ে নিন।

      এক হিন্দু ঠাকুর (মন্দিরের পুরোহিত) হাট থেকে পাঠা (বিশেষ প্রকৃতির পুরুষ ছাগল) কিনে বাড়ি ফিরছিলো। পথে তিন ঠগ (জচ্চুর) বিষয়টি লক্ষ্য করলো। এক ঠগ বললো : “আয়! ঠাকুরের পাঠাখানা আমরা বগলদাবা করি”।
      কিন্তু কি করা যাবে ?? তিন জনে ফন্দি এটে ফেললো। এবার রাস্তার তিন অংশে তিন জন দাড়িয়ে রইলো।

      ঠাকুর রাস্তা দিয়ে পাঠা নিয়ে আসছে, এমন সময় রাস্তা আটকে দাড়ালো এক ঠগ। প্রথমেই মাথা ঠুকে প্রণাম জানালো ঠাকুরকে। এরপর বললো : ঠাকুর ! কুকুর নিয়ে কোথায় চললেন ?
      ঠাকুরের তো ঠগের কথা শুনে অাক্কেল গুড়ুম ! বলে কি চ্যাংড়া ! “বলি চোখের কি মাথা খেয়েছো ?? কুকুর পেলে কৈ ? আমি তো পাঠা কিনে আনলাম।”
      কথা শুনে হেসে মাটিতে লুটোপুটি খেতে থাকলো ঠগ।
      বললো : মশাই ! আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে, আমি দেখছি কুকুর, আর আপনি দেখছেন পাঠা। যাকগে সেটা আপনার ব্যাপার। আমি চললাম। এ বলে, প্রথম ঠগ চলে গেলো।

      এরপর ঠাকুর ফের রাস্তা দিয়ে হাটা শুরু করলো। এমন সময় ২য় ঠগ রাস্তা আটকে দাড়ালো এবং যথারীতি প্রণাম ঠুকলো। বললো : “মহাশয় ! কোথায় চললেন ?”
      ঠাকুর বললো : “দেখছো না পাঠা নিয়ে যাচ্ছি”।
      ২য় ঠগ বললো : কি বকছেন আবোল-তাবোল !! যাচ্ছেন কুকুর নিয়ে, আর বলছেন কি না পাঠা নিয়ে যাচ্ছেন ? আপনি কি চোখে ভুল দেখছেন নাকি ??
      ঠাকুর তো এবার সত্যি মহাচিন্তায় পরে গেলো। দু’হাত দিয়ে চোখ কচলে বললো: “না আমি ভুল দেখছি না, ঠিকই দেখছি। আমি পাঠা-ই কিনেছি, কুকুর নয়”।
      ২য় ঠগ বললো : সেটা আপনার ব্যাপার। আমি যা সত্য তাই বললাম। আপনি কুকুরকে পাঠা মনে করলে আমি কি করবো ?” এ বলে ২য় ঠগও চলে গেলো।

      এরপর চিন্তিত ঠাকুর ফের রাস্তা ধরলো । এবার রাস্তা আটকে দাড়ালো ৩য় ঠগ। এবারও যথারীতি প্রণাম ঠুকে দিলো এবং বললো : “ঠাকুর মশাই কুকুর নিয়ে কোথায় চললেন?”
      এ কথা শুনে ঠাকুর মাথা চুলকাতে থাকলো। বললো : “ না মানে…., না মানে…, আমি তো বাজার থেকে পাঠা কিনেই আনলাম, কিন্তু সবাই কেন যে কুকুর বলছে, ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না”
      ঠগ বললো: “ কি যে বলেন মশাই ! কুকুর কি কখনও পাঠা হয় ??”
      ঠগ ঠাকুরের হাত থেকে পাঠার দড়ি নিয়ে ছেড়ে দিয়ে বললো : দূর! কুকুরটাকে ছেড়ে দিন তো।”

      ঠাকুর ভাবলো, সত্যিই মনে হয় তার ভুল হয়েছে। সে মনে হয়, কুকুরকে পাঠা ভেবে কিনে এনেছে, তাই পাঠা ফেলেই সে রওনা দিলো। এ সুযোগে তিন ঠগ পাঠা পেয়ে তো মহাখুশি, তাদের মিশন সাকসেস ফুল।

      অর্থ্যাৎ ১০ চক্রে ভগবান শেষে ভুত মানে পাঠা কুকুর হয়ে গেলো ।

  4. 4
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    Nice article.

    1. 4.1
      মজলুম

      ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।

  5. 5
    Ivan

    এক কথায় "চমৎকার"।

    1. 5.1
      মজলুম

      ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।

  6. 6
    জাহাঙ্গীর

    ধন্যবাদ ভাতালগাছবাদী।অনেক সুন্দর এই পোস্ট দিয়ে আমাদের ঈমান রক্ষায় সাহায্য করার জন্য।

    1. 6.1
      নির্ভীক আস্তিক

      মর জালা। মুরিদ দেখছি। মৌলবাদী নাস্তিক পীরের হয়ে শুধু ধন্যবাদ দিয়েই পুষবে? নাস্তিকতায় ঈমান খারা করলেই তো আর ঋণ শোধ হবে না। পা গুলো টিপে দিন। আর সেই সাথে আমাদের পায়ের ধুলোও নিয়ে যান না। চোখে মুখে মেখে আর পানির সাথে তিনি বেলা মিশিয়ে নিয়মিত সেবন করে গিয়ান চর্চায় মনোনিবেশ করবেন। বখাটেরদের মত চরিত্র চর্চা করে ঈমান তো তরতাজা থাকছেই, সেই সাথে গিয়ানেরো ভাল হল। 

  7. 7
    মিলন

    খুব সুন্দর একটা পোষ্ট পড়লাম। ধন্যবাদ দিয়ে আপনাকে ছোট করবো না, শুধু এটুকু আশা করবো যে, ভবিষ্যতে এমন লেখার আশা করবো। একটা বিষয় জানালে উপকৃত হতাম।

    নাস্তিকদের অধর্ম বিশ্বাস যেহেতু সাব কনসাস মাইন্ডের কারসাজি। সেহেতু আস্তিকদের ধর্ম বিশ্বাসটাও কি একই রকম নয়?

    1. 7.1
      মজলুম

      খুব ভালো প্রশ্ন করেছেন, তার জন্যে ধন্যবাদ। আস্তিক নাস্তিক দুজনেরই বিশ্বাসটা  সাব কনসাস মাইন্ডের কাজ, কিন্তু কারসাজি নয়। আমাদের সচেতন মাইন্ড একটা সময়ে শুধু চিন্তাই ধরে রাখতে পারে। তবে যদি সে এই চিন্তাটা অনেকবার, অনেক সময় ধরে রাখতে চেষ্টা করে যে এইটাই সঠিক, এইটাই সঠিক, তাহলে একসময় তার সাবকনসাস ঐ ধারনাটা সত্য হিসেবে ধরে নিবে। এজন্য বলা হয় যে একটা মিথ্যা বারবার প্রচার করা হলে মানুষ এক সময় সেই মিথ্যাকে সত্য বলে গ্রহন করে নিবে। সাব কনসাস মাইন্ড যেহেতু কোন বাচ বিচার, যাচাই বাছাই, সত্য মিথ্যা, সঠিক বেঠিক, ভালো খারাপ এর মধ্যে পার্থক্য করে না, তাই আপনি যা ভালো মনে করেন তাহাকে সে সঠিক বলে নেয় আর যা আপনি খারাপ মনে করেন তাকেই খারাপ বলে মনে করে। আর যেহেতু এই সাবকনসাস মাইন্ডটা ৯৫% এর ও বেশী তাই ফ্রীথিন্কের  ধারনাটা মতিভ্রম হয়ে যায়। নাস্তিকদের বড়জোর প্রথাবিরোধী বা ধর্মবিরোধী বলা যায় কিন্তু  মুক্তমনা বলা যায় না।

      1. 7.1.1
        মিলন

        আপনি সাব কনসাস মাইন্ডকে ৯৫% এরও বেশি বলেছেন। আর কনসাস মাইন্ডকে ৫% এরও কম। তাহলে প্রি কনসাস মাইন্ড গেলো কোথায়?

        মাইন্ডকে সর্ব প্রথম বিভক্ত করেন মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড। তিনভাগে বিভক্ত করেন তিনি। তার মধ্যে দুটি আপনি উল্লেখ করেছেন। আরেকটি হল প্রি কনসাস মাইন্ড। ইনার মতে, মানুষের ২৫% কনসাস মাইন্ড। আর আমার জানা মতে এর পরিমানটা এখনো সঠিক ভাবে নির্নীত হয় নি। আপনি এই আপডেট পরিমানটা কোথায় পেলেন, জানালে খুশি হতাম।

        আপনি শরীরের কিছু কার্যকলাপকে মাইন্ডের নির্দেশ বুঝিয়েছেন মনে হয়, যদি আমি বুঝতে ভুল না করি। সেক্ষেত্রে, মাইন্ডের সাথে শরীরের সম্পর্ক আছে বটে, কিন্তু আপনার জানার মত কিনা, তাতে আমার একটু সন্দেহ রয়েছে। কারন, মানুষের আচারনের উৎপত্তি এবং মাইন্ডের বৈশিষ্ট্য এক নয়। আপনি মনে হয় শারীরিক কার্যকলাপের সাথে মাইন্ডের কার্যকলাপকে এক করে ফেলেছেন।

        কিছু মনে করবেন না। আমার জানাটা ভুল হতেই পারেরে। শুধু মাত্র সঠিকটা জানার জন্য এমন মন্তব্য করলাম, তর্ক করতে নয়।

        1. 7.1.1.1
          মজলুম

          ফ্রয়েডীয় তত্ত্ব  ছিলো মানব মন তিন ভাগ, কনসাস, সাব কনসাস এবং আনকনসাস বা সচেতন, অবচেতন এবং অচেতন মন। কিন্তু বর্তমান নিউরো সাইন্টিস্টরা সাব কনসাস এবং আনকনসাসকে একই কাতারে রাখে তাদের একইরকম কাজের জন্যে।  সাবলিমিনালঃ দ্যা নিউ আনকনসাস বই টা উপরে লিংক দেওয়া আছে, ওটা পড়লে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন। তাছাড়া এই দুই মিনিটের ভিডিওতে অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন,   https://www.youtube.com/watch?v=UYSKW3IvZlQ

          বিশ্বাস এমন এক জিনিস যে এর ফলে মানুষের জিনের মধ্যেও পরিবর্তন এসে যায়। দেখুন বায়োলজি অফ বিলিফ, https://www.youtube.com/watch?v=jjj0xVM4x1I

  8. 8
    এম_আহমদ

    লেখাটি সুন্দর হয়েছে। মডার্ন সাইকোলজিতে এটা প্রায় গৃহীত ব্যাপার যে মানুষ জেনেটিক্যালি এবং সামাজিক দিক দিয়ে প্রবলভাবে প্রভাবিত। ঘটনা যখন এই, অর্থাৎ সামাজিক প্রভাব একটি প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা, সুতরাং সমাজকে ধর্মশূন্য করা হলে ধর্মীয় ধারণা সেই সমাজে আপনাতেই অর্থহীন হয়ে দেখা দেবে (ধর্মহীন সামাজিক আপব্রিঙ্গিঙ্গের [upbringing] এর কারণে)  এবং এই সমাজের লোকজন ধর্মের বিপক্ষের যুক্তি নিজেরাই আবিষ্কার করে নেবে। ইউরোপে যেভাবে সামান্য সংখ্যক খৃষ্টিয়ান তাদের ধর্ম কর্ম পালন করে, বাংলাদেশকে সেই আঙ্গিকে সাজিয়ে আনা হচ্ছে, সেই সামাজিক সাইকলজির ভিত্তিতে। দেশের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধর্মহীন লোকদের দখলে রাখা হচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠান কোনোভাবে এখনো তাদের দখলের বাইরে, সেগুলোকে নিজেদের কন্ট্রোলে নিতে কৌশলের আন্দোলন করে যাচ্ছে। আজকের ময়দানে যেসব মুক্তমনাছানা চিল্লায়ে-চেঁচিয়ে যাচ্ছে এরা পিছনে লুকায়িত অপর শ্রেণীর কৌশলীদের হাতের ক্রীড়নক –মূর্খমনা। 

    সমাজ, দেশ, ধর্ম, ভাষাতত্ত্ব, ইতিহাস ইত্যাদির উপর ব্যাপক অধ্যয়ণ ছাড়া কেবল মুক্তমনে চিন্তা করলেই বুঝি পণ্ডিত হয়ে যাওয়া হয়? একটি বিশেষ শ্রেণী হনুমানদের লেঞ্জায় আগুন দিয়ে 

    লঙ্কাপুরী ধ্বংস করাচ্ছে –এই হচ্ছে আজকের বাস্তবতা।

    Note: শিরোনামের 'ইস' এর পরিবর্তে 'ইজ' হলে মনে  হয় ভাল হয়।

    1. 8.1
      মজলুম

      শিরোনামটা সংশোধন করে দিলাম। ধন্যবাদ।  বাংলাদেশের প্রশাসন কখনোই ধর্মপ্রাণ লোকদের দখলে ছিলোনা, এটা সব সময় সেক্যুলারদের হাতে করায়ত্ত ছিলো। আমলা হতে বিচারক, সচিব সবই ছিলো সেক্যুলারদের হাতে।  আবারো মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

  9. 9
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    চমৎকার লেখাটার জন্যে ধন্যবাদ।

    ওরা তো সব সময় নিজেদের পক্ষে যুক্তির খড়কূটো খোঁজে -- যা পায় তাকেই সাজিয়ে গুজিয়ে উপস্থাপন করে ভাষার মারপ্যাচ দিয়ে। তারা আর্ট-কালচার-সাহিত্যকে তাদের এজেন্ডার ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে। আপনার এই কথাগুলো ওদের প্রকৃত চেহারাটা বুঝতে সাহায্য করবে।

    তিন ঠগ আর ঠাকুরের কৌতুকটা মজার। ধন্যবাদ আবারো।

    1. 9.1
      মজলুম

      পোষ্ট পড়ার ও মন্তব্য করার জন্যে ধন্যবাদ

  10. 10
    Anonymous

    মজলুম সাহেব…….সালাম নিবেন।তাহলে আপনি বলছেন আল্লাহ আছেন?তাহলে আমাদের এত কষ্ট কেন?বিপদে যখন আমরা তাকে ডাকি আমাদের সাহায্য করে না কেন? কিভাবে বুঝবো সে আছে।

    1. 10.1
      মজলুম

      কোন বিপদে সাহায্য পাইতে হলে বা কোন কিছু আল্লাহর কাছে চাইতে হলে তাকে অবশ্যই শেষ রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে তার কৃত গোনাহের জন্যে কান্নাকাটি করে, কাকুতি মিনুতি  করে তার কাছ থেকে সাহায্য চাইতে হবে। স্কলারেরা বলে, যেই লোকের কিছু প্রয়োজন আল্লাহর কাছ থেকে কিন্তু সে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছ থেকে চায় না, তার মানে হলো ঐ লোকের ওটা দরকার নাই।  বা আবদুল্লাহ জাহাঙ্গিরের এই লেকচারটা দেখতে পারেন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.