ইসলাম ও কোরআন সম্পর্কে ভণ্ডমনাদের মন্তব্যগুলো এক নজর দেখে নিন-
আপনারা জরথুস্থ্রবাদ থেকে কপিপেস্ট করা ধর্ম নিয়ে বড় বড় কথা বলেন। আপনারা নিজেরাই তো জরথুস্থ্রদের কপিপেস্ট হা হা। - নিহিলবাদী
প্রথম জনের ('তামান্না ঝুমু' একটি ছদ্মনাম) বিশ্বাস অনুযায়ী ওল্ড ও নিউ টেস্টামেন্ট থেকে কোরান অবিকল নকল করা হয়েছে। দ্বিতীয় জনের (ভারতীয় ছুপা হিন্দুত্ববাদী) বিশ্বাস অনুযায়ী ইসলামের ৮০%-ই খ্রীষ্ঠান ও ইহুদি ধর্ম থেকে নেওয়া, বাকি ২০% ব্রাহ্মণ ধর্ম থেকে নেওয়া কি-না তা হয়তো ভয়ে উহ্য রাখা হয়েছে! তৃতীয় জনের ('আবুল কাশেম' একটি ছদ্মনাম) বিশ্বাস অনুযায়ী নারীদের ব্যাপারে ইসলামি শরিয়া হিন্দুদের থেকে ধার করা হয়েছে। চতুর্থ জনের (ছুপা হিন্দুত্ববাদী) বিশ্বাস অনুযায়ী পুরো ইসলাম জরথুস্থ্রবাদ থেকে কপিপেস্ট করা। উল্লেখ্য যে, এরা যা বলেছে তার সব কিছুই 'বৈজ্ঞানিক জার্নাল'-এ প্রকাশিত। ভণ্ডমনারা কিন্তু বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ছাড়া কথা বলে না।
এবার দেখা যাক এরা আসলে কোন্ 'বৈজ্ঞানিক জার্নাল' থেকে নকল করেছে। ইভ্যাঞ্জেলিস্ট খ্রীষ্টানদের 'বৈজ্ঞানিক জার্নাল' অ্যানসারিং-ইসলাম একই প্রসঙ্গে কী লিখেছে দেখুন-
THE ORIGINAL SOURCES OF THE QUR'AN
BY THE REV. W. ST. CLAIR TISDALL, M.A., D.D.
CHAPTER II: Influence of Ancient Arabian Beliefs and Practices
CHAPTER III: Influence of Sabian and Jewish Ideas and Practices
CHAPTER IV: Influence of Christianity and Christian Apocryphal Books
CHAPTER V: Zoroastrian Elements in the Qur'an and Traditions of Islam
CHAPTER VI: The Hanifs and Their Influence Upon Nascent Islam
http://www.answering-islam.org/Books/Tisdall/Sources/index.htm
আরো দেখুন-
http://www.answering-islam.org/Responses/Saifullah/borrow.htm
http://www.answering-islam.org/Quran/Sources/index.html
দেখলেন তো, ভণ্ডমনারা সকলেই ইভ্যাঞ্জেলিস্ট খ্রীষ্টানদের লেখা থেকে হুবহু নকল করেছে। হিন্দুত্ববাদী বৈজ্ঞানিক জার্নালগুলোতেও একই ধরণের কথাবার্তা পাওয়া যাবে। যেমন, জায়নবাদী ড্যানিয়েল পাইপস এর সাইটে এক হিন্দুত্ববাদী লিখেছে-
…Islam seems to copy elements of all religions and tries to pass as their own findings. This is falsification of records. All Islamists are then brain washed from birth, if it is true that man is the most advanced lifeform, then even that lifeform can be manipulated by man. Islam is a religion forged from other religions - simple. http://www.danielpipes.org/comments/123916
ইভ্যাঞ্জেলিস্ট খ্রীষ্টান ডঃ আনিস শোরোস এর দাবি [রামকৃষ্ণ মিশনের বিখ্যাত পিএইচডি-মনা বিপ্লব পাল যার থেকে নকল করেছে, তবে ৫% বেশী যোগ করা হয়েছে] ও শেখ আহমেদ দীদাত এর জবাব-
ইসলাম ও কোরআন সম্পর্কে ভণ্ডমনারা মূলত ইভ্যাঞ্জেলিস্ট ও ওরিয়েন্টালিস্টদের 'বৈজ্ঞানিক জার্নাল' থেকে কপি করে নিজেদের 'বৈজ্ঞানিক জার্নাল'-এ প্রচার করে নিজেদেরকে 'যুক্তিবাদী', 'বিজ্ঞান-মনষ্ক' ইত্যাদি দাবি করে বুক চাপড়ায়।
যাহোক, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতায় মুসলিমদের কোনো অবদান তো নাই-ই - এমনকি তাদের ধর্মটা পর্যন্ত অন্যান্য ধর্ম থেকে অবিকল নকল করা! মুসলিমদের এখন কী হবে! তারা এ লজ্জা রাখবে কোথায়! লজ্জা ঢাকার জন্য তারাও কি ভণ্ডমনাদের মতো জনসম্মুখে উলঙ্গ হয়ে থাকবে!
পয়েন্টস টু বি নোটেড: যে 'যুক্তি'র উপর ভিত্তি করে কোরআনকে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ থেকে নকল করার কথা বলা হয় তা হচ্ছে- কোরআন যেহেতু অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের পরে লিখা হয়েছে সেহেতু অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ থেকে কোরআন নকল করা হয়েছে। এটি যে একটি যৌক্তিক হেত্বাভাস (Logical fallacy) তা হয়তো তারা জানে না কিংবা জেনেও নিজেদের সাথে প্রতারণা করে। তবে তাদের এই যুক্তিতে তারা একবারে দাবি করলেই তো ল্যাটা চুকে যায় এই বলে যে, হিন্দু ধর্ম থেকে বাকি সবগুলো ধর্মগ্রন্থ নকল করা হয়েছে। কিন্তু কৌশলগত কারণে তা কখনোই বলা হবে না। তারা যে তালে ঠিক আছে তার প্রমাণ হচ্ছে তারা একই যুক্তির উপর ভিত্তি করে ভুলেও কখনো বলে না যে, হিন্দু ধর্ম থেকে বৌদ্ধ ধর্ম নকল করা হয়েছে; কিংবা ইহুদি ধর্ম থেকে খ্রীষ্টান ধর্ম নকল করা হয়েছে; কিংবা ওল্ড টেস্টামেন্ট থেকে নিউ টেস্টামেন্ট নকল করা হয়েছে; কিংবা বেদ-গীতা থেকে ত্রিপিটক নকল করা হয়েছে; কিংবা ইসলাম থেকে শিখ ধর্ম নকল করা হয়েছে।
আরো উল্লেখ্য যে, ভণ্ডমনাদের মধ্যে অতি ধূর্ত কেউ কেউ বুদ্ধ ও যীশুর সাথে ইসলামের সর্বশেষ নবীর তুলনা করে ইসলামের সর্বশেষ নবীকে বিভিন্নভাবে হেয় করলেও তারা ভুলেও কখনো বুদ্ধ ও যীশুর সাথে কৃষ্ণ কিংবা অন্য কারো তুলনা করে কাউকে হেয় করে না। ভেড়ার পালেরাও কখনো এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা সংশয় করেনি! দেখুন-
এই তিন বিখ্যাত সাচ্চামনার একজন ভারতীয় হওয়াতে স্বনামে ও ছবি-সহ বুক ফুলেই কোপাকুপি করে, তবে নিজেকে কখনো 'নাস্তিক' কখনো বা 'আনাস্তিক' দাবি করে বিজ্ঞানের মধ্যে মাথা গুঁজে। অন্য দু'জন বাংলাদেশি হওয়াতে ছদ্মনিকের আড়ালে কোপাকুপি করে। এরা জন্মসূত্রে বিশেষ একটি ধর্মের হয়ে নিজেদেরকে 'নাস্তিক' দাবি করে বুদ্ধের সাথে ইসলামের নবীর তুলনা করে ইসলামের নবীকে কতটা নিকৃষ্টভাবে হেয় করছে খেয়াল করেন। এমনকি ইসলামের এক নবী যীশুর পক্ষ নিয়ে ইসলামের আরেক নবীর বিরুদ্ধে দিনের আলোয় মিথ্যাচার করা হচ্ছে। অথচ এদের কেউই কিন্তু বৌদ্ধ বা খ্রীষ্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত হচ্ছে না। এমন ধূর্ত ও নিকৃষ্ট মানসিকতার প্রজাতি এই পৃথিবীতে একটিই আছে। এদের স্বরূপ উন্মোচন করা মানবিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।




শেখের পো
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ১২:২৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এই দুই জনের নাম-ধাম পরিচয়সহ ডিটেইলস নিয়ে কোন লেখা আছে কিনা।
বুড়ো শালিক
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ৪:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আরে শেখু ভাই নাকি?! আপনেও শ্যাষম্যাষ ছাগালাপে আইলেন? তা… আমুর বড় ভাইরা মাইন্ড খাইবো না তো?
সদালাপে স্বাগতম। নিয়মিত লেখেন…
এম_আহমদ
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১২ at ৪:০৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই, আগে welcome করেন, তারপর কথা।
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ৮:২৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ঠিক কী জানতে চেয়েছেন বুঝতে পারি নাই। তবে সদালাপে স্বাগতম।
মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১২ at ২:২৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শেখের পো, সদালাপে আপনার আগমণে আমি খুবই আনন্দিত! আপনাকে স্বাগতম!!!
মনে রাখবেন আদর্শের সৈনিকদের অভিধানে কম্প্রমাইজ থাকতে নাই। তবে সঠিক স্থানে মান আর বেঠিক স্থানে অপমান আর সেটি আজ কিংবা আগামী কাল!!!
ধন্যবাদ।
করতোয়া
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ৫:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুক্তমনা যিনি বলেন কোরআনের ৮০% তৌরাহ ও বাইবেল থেকে মোহাম্মদ নকল করে আল্লাহ'র নামে চালিয়ে দিয়েছেন তাদের কাছে আমার প্রশ্ন।
১। মোহাম্মদ-ই যদি কপি করবেন (যদিও মোহাম্মদ লেখা পড়া কিছুই জানতেন না) তাহলে সেটি যাকে দেখা যায় না সেই আল্লাহ'র নামে কেন চালাতে যাবেন, তিনি তো নিজের নামেই চালাতে পারেন।
২। কোরআনের ৮০% যে বিষয়গুলো তৌরাহ ও বাইবেল থেকে কপি করা বলে দাবী করা হচ্ছে তা কি কোরআনের মৌলিক বিষয় নাকি অতিতের নবী/রসুলদের জীবনী সেটা বিচার কি তারা কখনও করেছে?
৩। কোরআনে অতিতের নবী/রসুলদের জীবনী বর্ননার মাধ্যমে মোহাম্মদের আল্লাহ নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে কোরআন তৌরাহ ও বাইবেলের সম্পূরক কিতাব যা ঐ কিতাবগুলোর ধারাবাহিকতার উপসংহার। তারা কি জানে কোন্ তৌরাহকে "ওল্ড টেষ্টামেন্ট" আর বাইবেলকে "নিউ টেষ্টামেন্ট" বলা হয়। তাদের এ জ্ঞান থাকলে তারা বলতো না যে কোরআন তৌরাহ ও বাইবেলের নকল কপি।
৪। তারা কি জানে জুইশ, খৃীষ্টান উভয় সম্প্রদায় তাদের নবী হিসেবে যে ইব্রাহিমকে দাবী করা নিয়ে বিতর্ক করতো এবং এখনো করে? অথচ জুইশদের বহু আগে ইব্রাহিম এসেছিলেন। তৌরাহও নাজিল হয়নি ইব্রাহিমের উপর। তাহলে জুইশরা কেন ইব্রাহিমকে নিজেদের নবী বলে দাবী করে?
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১২ at ২:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার যৌক্তিক প্রশ্নগুলোর জবাব দিতে তারা বাধ্য না! এজন্য আমি কোন প্রশ্নই করি নাই। তবে কিছুদিন পর দেখবেন তারা একই লাদি ছাড়ছে।
শামস
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ৬:২১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জ্ঞানের অন্তঃসারশুন্যতা থাকলেই বলতে পারে কুরআন বাইবেল ও তোরাহ হতে ৮০% কপি করা। এগুলা খৃষ্টান মিশনারীরা কয়েকশো বছর আগে থেকেই বলত! কিন্তু ঘটনা হল ঐ 'খালি কলসীরা' এতোদিনে এগুলো আবিষ্কার করেছে (মানে খৃষ্টান মিশনারীদের লেখাগুলো)। এতো অন্তঃসারশুন্যতা নিয়ে ঐ 'খালি কলসীরা' কিভাবে মুক্তমনা (!) হয়, এটাই এক বিরাট আশ্চর্য! বাইবেলে মেরি (মরিয়ম) এর কথা আছে, ঈসা (আ:) এর কথাতো আছেই, তা ইসলামেও আছে, সে অর্থে কপিইতো। কিন্তু 'খালি কলসী'রা যদি বুঝতো খৃষ্টানদের বিশ্বাসের বিপরীতে কুরআনে ঈসা (আঃ) কে মরিয়মপুত্র বলা হয়েছে, যার জন্মে কোন পুরুষের ভুমিকাকে নাকচ করে দিয়েছে। বাইবেলে হযরত নূহ (আঃ) এর বন্যার কথা আছে, তা কোরানেও আছে। বাইবেলে বলা হয়েছে সারা পৃথিবীব্যাপী বন্যার কথা, কিন্তু কুরানে বলা হয়েছে অঞ্চলের কথা। কুরআন একটা ম্যানুয়াল, যা ঐশী কিতাবসমূহের ধারাবাহিকতায় আসা, কুরান কেবল তা স্বীকারই করেনি, মানুষের দ্বারা পূর্বের ঐশী কিতাবসমূহের যে বিকৃত হয়েছিল সেগুলোকে শুদ্ধও করেছে। 'খালি কলসিরা' কি তা বুঝতে সক্ষম!
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১২ at ২:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কলসিতে কিছুই না থাকলে বুঝবে কী করে!
masum
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ৭:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
এস. এম. রায়হান ভাই,
আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ) কি বিমানে করে ঘুরে সারা পৃথিবী থেকে ধর্মগ্রন্থগুলো জোগাড় করেছিলেন, নাকি ইন্টারনেট এর মাধ্যমে(নাউজুবিল্লাহ)।
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ৮:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনার প্রশ্নের জবাব মনারা ভাল দিতে পারবে।
nayeem
সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ at ১১:৫৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Bhai hindu dhorme kon sloke a murti pujar kotha bola ase….. bolte parben…
মুনিম সিদ্দিকী
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ৯:১১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
একজন সত্যিকারের নাস্তিক যেহেতু স্রষ্টায় বিশ্বাস করেন না তাই উনার বস্তুবাদী চিন্তায় তিনি যখন অন্যান্য ধর্ম গ্রন্থগুলো পড়েন তখন অনেক কিছু পান যা কোরআনে লিপিবদ্ধ আছে, কোরআন ১৫ শত বছর আগে সংকলিত হয়েছে, অন্যান্য ধর্মগ্রন্থগুলো আরো প্রাচীন কালে গ্রন্থিত হয়েছিল। কাজেই নতুন কোন বইয়ে প্রাচীন কোন বইয়ের বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা পাওয়া গেলে যে কেউ ধরে নিবে যে নতুন বইয়ের বর্ণনা গুলো পুরাতন বই সমূহ থেকে কপি করা হয়ে। এইটি স্বাভাবিক এই ভাবনায় কোন দোষ থাকতে পারেনা।
আর আরেক দল যারা ইসলাম/মুহাম্মদ সাঃ দ্বারা তাদের কায়েমী স্বার্থে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছিলেন। ইসলামের দ্বারা তারা অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক বা ধর্মীয় স্বার্থে ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছিলেন। তারা প্রতি হিংসা বশত এন্টি-ইসলাম/এন্টি-মুহাম্মদ সাঃ হয়ে পড়েন। তাদের এক মাত্র উদ্দেশ্য হয়ে উঠে ইসলাম/মুহাম্মদ সাঃকে কেমন করে হেয় করা যায়। তাদের সেই স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে তারাও নাস্তিক বস্তুবাদীদের দৃষ্টিকোণ দিয়ে বিচার বিবেচনা করতে কোন প্রকার দ্বিধা করেন না।
আসলে কী হিন্দু কী খৃষ্টান, কী ইহুদি এমনকি আমরা মুসলিমরাও ইসলামকে অপরাপর ধর্মের মত একটি ধর্ম হিসাবে ভেবে থাকি। তাই এই ভাবনার কারণে আমরা ইসলামকে ভুল ভাবে উপস্থাপন করে থাকি। যখনই ইসলামকে নিছক ধর্ম হিসাবে চিহ্নিত করে ফেলি তখন ইসলামকে আমরা খণ্ডিত করে ফেলি, ইসলামকে অংগহানী করে ফেলি।
ইসলাম প্রচলিত অন্য ধর্মের মত কোন ধর্ম নয়। তাই ইসলামকে বুঝতে হলে ধর্ম কী তা আমাদের আগে জানতে হবে। দেখা যাক ধর্ম কী?
১। ক্যামব্রিজ আডভান্সড লার্নারস ডিকশনারী (থার্ড এডিশন) অনুযায়ী-
‘ধর্ম হচ্ছে কোন দেবতা বা দেবতাদের উপর বিশ্বাস করা এবং তার বা তাদের উপাসনা করা অথবা এরকম কোন ব্যবস্থার উপর বিশ্বাস করা ও উপাসনা করা’।
যেমন: খ্রিস্টান ধর্ম। একই ডিকশনারীতে এর আরো একটি অর্থ রয়েছে সেটি হচ্ছে-
‘ধর্ম হচ্ছে এমন একটি কাজ যেটি কোন একজন বা একটি দল নিয়মিত করে থাকে’।
যেমন: ‘ফুটবল বা ক্রিকেট হচ্ছে কিছু মানুষের কাছে ধর্মের মত’।
২। কনসাইস অক্সফোর্ড ডিকশনারী (১৯৯০) অনুযায়ী ধর্ম মানে হচ্ছে-
‘কোন অতিমানবীয় ক্ষমতায় বিশ্বাস করা এবং বিশেষভাবে বললে বুঝায় ব্যক্তিগত কোন দেবতার উপর বিশ্বাস করা ও তাকে উপাসনা করা’।
৩। মেরিয়াম ওয়েবস্টার ডিকশনারী অনুযায়ী-
‘মৌলিক কোন একটি কারণ বা উপায় যার উপর দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করার নাম হল ধর্ম’।
৪। ওয়েবস্টার নিউ ওয়ার্ল্ড ডিকশনারী (কলেজ এডিশন) অনুযায়ী-
‘কোন সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থায় বিশ্বাস করা হয় এবং উপাসনা করা এবং সাধারণত কিছু মূল্যবোধ বা জীবন যাপনের নিয়মের উপর বিশ্বাস করা’।
উপরের ব্যাখ্যানুযায়ী আমরা যা পাই তা হচ্ছে-
ক। খ্রিস্টান ধর্মে জেসাসের বা ঈসা(আ) এর উপর বিশ্বাস স্থাপন করাই মূল কথা।
খ। হিন্দু ধর্মে বিভিন্ন দেবতাদের উপর বিশ্বাস এবং উপাসনা করাই মুখ্য বিষয়।
গ। বৌদ্ধ ধর্মে ‘লর্ড বুদ্ধা’র মূর্তিকে পুজো এবং তার জীবনের কতগুলো নিয়ম কানুন অনুসরণ করাই মূল কথা।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, এরা সবাই বিশ্বাস স্থাপন এবং কতগুলো নিয়ম তান্ত্রিক উপাসনাকেই ধর্ম হিসেবে ধরে নিয়েছে বা এইভাবে তাদের অনুসারীরা ধর্মকে পালন করছে।
বিষয়টি আরো পরিস্কার করলে বলা যায়,
ক/১। খ্রিস্টানদের ধর্ম তাদের চার্চেই সীমাবদ্ধ এবং তাদের প্রাত্যহিক জীবন ব্যবস্থায় বর্তমানে এর কোন প্রভাব নেই বললেই চলে।
খ/১। হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা তাদের ধর্মকে শুধু উপাসনাতেই সীমাবদ্ধ রেখেছে যার মানে হচ্ছে শুধু বিভিন্ন দেবতার পুজো করা।
গ/১। বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরা বুদ্ধা’র মূর্তিকে সম্মান প্রদর্শনের মাঝেই তাদের ধর্মকে সীমাবদ্ধ রেখেছে।
ঘ। শিখ ধর্মের অনুসারীরা দাড়ি, পাগড়ি এবং এরকম আরো কতগুলো বাহ্যিক নিয়ম গুলোর মাঝেই তাদের ধর্মকে সীমাবদ্ধ রেখেছে।
সুতরাং আমরা দেখতে পেলাম, এসকল ধর্মে একটা জায়গায় সবাই এক আর তাহলো জীবন ব্যবস্থার সাথে ধর্মের কোন যোগযোগ নেই আর যদিও থাকে তাও খুবই যৎসামান্য যা থাকা আর না থাকা একই কথা। অর্থাৎ এসকল ধর্ম জীবন থেকে দূরে অবস্থান করে এবং টিকে থাকে শুধুমাত্র নামসর্বস্ব বিশ্বাসের মাঝে।
উপরের যে সব ধর্মের কথা উল্লেখ হয়েছে সেই সব ধর্ম যে মোটেই গোটা পৃথিবীর সকল জাতী, ভাষাভাষী, বর্ণের মানুষের জন্য সর্বজনিন কোন ধর্ম নয়, তাদের নামকরণ থেকেই বুঝা যায়।
-ইহুদী ধর্মের নামকরন করা হয়েছে বনী ইসরাইল বাসীদের নাম অনুযায়ী।
-খ্রিস্টান ধর্মের নাম করন করা হয়েছে খ্রিস্টের উপর ভিত্তি করে।
-বৌদ্ধ ধর্মের নামকরন করা হয়েছে গৌতম বুদ্ধের নাম অনুযায়ী।
-হিন্দু ধর্ম তো শুধু ভারতীয়দের ধর্ম হিসাবে ইতিহাসে উল্লেখ আছে। যদিও কেউ কেউ এখন হিন্দু ধর্ম না বলে সনাতন ধর্ম বলে প্রচার করে যাচ্ছেন, তথাপি নাম বদলালেই ইতিহাস বদল করা যায় না। রামায়ণ-মহাভারতে পৃথিবী বলতে এই ভারত ভুখণ্ডকেই বুঝাত।
সুতরাং আমরা বুঝতে পারলাম এসব ধর্মের নামকরন করেছে মানুষেরা অর্থাৎ এসব ধর্মের অনুসারীরা এই নামগুলো দিয়েছে।
ইসলামের ক্ষেত্রে কিন্তু এমন নয়- মুসলিম হবার জন্য কোন বংশ বর্ণ পরিচয়ের দরকার নাই। পৃথিবীর যে কেই যখন আল্লাহর কাছে পূর্ণ আত্মসমর্পণ করবে তখনই সে ইসলামে দাখেল হয়ে মুসলিম হয়ে যাবে। আর ইসলামের ২য় বিশেষত্ব হচ্ছে- মুখে আর মন্দির/গির্জায় গিয়ে প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে তার দায় দায়ীত্ব শেষ হয়ে যায় না। তার জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সকল জাগতিক কাজও আল্লাহর প্রদর্শীত পথে সম্পাদন করতে হবে। এই ২ বিশেষত্ব বলে যে ইসলাম নিছক কোন ধর্ম নয়। ইসলাম হচ্ছে পূর্ণাংগ জীবন ব্যবস্থা The Way of Life” বা “The Complete Code of Life”। আর এই দাবি কোরআনে এসেছে-
“অবশ্যই আল্লাহর নিকট একমাত্র দ্বীন (জীবন ধারণের সঠিক ব্যবস্থা) হচ্ছে ইসলাম (আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ)।” (কুরআন ৩:১৯)
“আজকে আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে(জীবন ব্যবস্থার আইন কানুন) পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার সকল নেয়ামত (রহমত) সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে(আত্মসমর্পণ করাকে) তোমাদের দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা) হিসেবে মনোনীত করলাম।” (কুরআন ৫:৩)
আর এই ব্যবস্থাটি ১দিন ২দিন, ১বছর ২বছর্ ১ শতাব্দি ২ শতাব্দির মাধ্যমে দুনিয়া প্রচলিত হয় নাই। এইটি হয়েছে মানব জাতীর মেধা মননের বিকাশের সাথে সাথে ক্রমান্নয়ে পৃথিবীতে মানব আগমণের সূচনা থেকে সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাঃ এর মাধ্যমে-
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করেছেন “ বল (হে মুসলমানগণ): আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর প্রতি, আমাদের জন্য যে জীবন ব্যবস্থা নাযিল হয়েছে তার প্রতি এবং যা ইবরাহীম, ইসমাইল, ইয়াকুব ও ইয়াকুবের বংশধরদের প্রতি নাযিল হয়েছে আর যা মূসা, ঈসা ও অন্যান্য সকল নবীকে তাদের রবের তরফ হতে দেওয়া হয়েছিল, তার প্রতি। আমরা তাদের মধ্যে কোন পার্থক্য করি না এবং আমরা আল্লাহরই নিকটে আত্মসমর্পনকারী।” (কুরআন ২:১৩৬)
কোরআনে ইহুদি-খৃষ্টান, তৌরাহ-ইঞ্জিল, বাইবেল, ঋকবেদ, গীতা, ত্রিপিটক, সাবেয়িন, হানিফিন, জরথুস্থ্রবাদীদের কোন কিছুর সাথে মিল পাওয়া স্বাভাবিক। আল্লাহ্ কিংবা মুহাম্মদ সাঃ কখনও এমন দাবি করেন নাই যে -- তিনি নতুন আনকোরা কোন জীবন বিধান নাজিল বা নিয়ে এসেছেন।
অতএব এন্টি-মুসলিমদের এহেন প্রচারণায় কোন মুসলিমের আত্মশ্লাঘায় ভোগার দরকার নাই।
শামস
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ৯:২০ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@মুনিম ভাই,
মন্তব্যটি অসাধারণ হয়েছে।
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ১১:২২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
যৌক্তিক ও তথ্যপূর্ণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সহমত। আপাতদৃষ্টিতে এমন মনে হওয়াটা অস্বাভাবিক বা দোষের কিছু না। তবে এ বিষয়ে জবাব পাওয়ার পরও যদি কেউ একই বুলি বারংবার আউড়ায় তাহলে কিন্তু তাকে গোঁড়া ছাড়া অন্য কিছু বলা যাবে না।
কিন্তু মানব
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১২ at ২:৫৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুনিম ভাইয়ে কমেন্টের সাথে আমি এটুকু বলতে চাই, ইসলাম আমাদের নবী মোহাম্মদ (সঃ) নিয়ে আসেন নাই, তিনি বরং ফিনিসিং টেনেছেন।
রাসুল হলেন সেই শেষ ইট যা দিয়ে ইসলাম পরিপূর্ণ হয়েছে, তাই ইসলাম কোন নতুন বিষয় নয়, বরং এটাই প্রাচীনতম, হজরত আদম (আঃ) থেকে শুরু হয়েছে এর প্রচার ও প্রজ্ঞাপন জারী, যার সুন্দর ও পরিপূর্ণ শেষ দিয়েছেন আল্লাহ্ সোভানাওয়াতালা আমাদের রাসুল পাকের দ্বারা।
সুন্দর বিশ্লেষণধর্মী মন্তব্যর জন্য মুনিম ভাইকে
শাহবাজ নজরুল
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ৯:৫৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হুম মনাদের কথা পড়ে যা বুঝলাম তা হলো-
১. ইসলাম ওল্ড ও নিউ টেস্টামেন্ট থেকে কপিপেস্ট মারা।
২. ইসলাম জরয়েস্ত্রানিজম থেকে কপিপেস্ট মারা।
৩. ইসলাম হিন্দু ধর্ম থেকে কপিপেস্ট মারা।
অর্থাৎ ইসলাম-ই কেবল কপিপেস্ট মারা; বাকিরা না, যেভাবে আপনি দেখালেন। এতে অবশ্যই মনাদের নৈতিক দৈন্যতা ফুটে উঠে, কেননা, বিজ্ঞানমনাদের প্রথম সূত্র কাজে লাগালে দেখা যায় আসলে সবই সবকিছুর কপি পেস্ট। যাইহোক, মূলত ইসলাম বিদ্বেষিতার কারণে তারা তা বলেনা। তবে আমার অনুরোধ এভাবে বললে তাদেরই লাভ; কেননা, তারা দেখাতে পারবে সব ধর্মই কপিপেস্ট -- কেবল নাস্তিকতা হচ্ছে একমাত্র ধর্ম যা অনন্য; অর্থাৎ যা নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আছে।
অবশ্য এমন বললে আবার মূল সনাতন ধর্মের সাথে যে নাস্তিকতার বিরোধ আছে তা দেখানো মুশকিল। রায়হান ভাই যেভাবে বললেন, ইনিয়ে বিনিয়ে "সবকিছু সনাতন ধর্ম থেকে উপজাত" তা হালকার উপর ভাসিয়ে দেয় তারা।
আর দ্বিতীয় নোটে, ঝুমু কিংবা বিপ্লবের ৮০% কপিপেস্ট এর সাথে মহান সমন্বয় রেখে মনার বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও স্কলার জনাব ভ্যাগাবন্ড ভবঘুরে বলেন, “সব কপি মারছে কিন্তু আল্লাহ এর কনসেপ্ট ছাড়া”। ইসলামের আল্লাহ যে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের আল্লাহ কোনমতেই হতে পারেনা তা নিয়ে 'নীলক্ষেতের এই টাইপিস্ট' PhD থিসিস লিখছে। সতীর্থদের সাথে সহমত প্রকাশ করা-সহ, দ্ব্যর্থক এই বিশেষজ্ঞ পারলে জীবন বাজি রেখে প্রমাণ করতে চান, ইসলামের আল্লাহ এর সাথে ইহুদি খ্রিস্টানদের স্রষ্টার কোনো সম্পর্ক নেই, আল্লাহ হলেন হোবোল, লাত, উজ্জার কনসেপ্টের স্রষ্টা। আর ভাবেন পাঠকরা, ধর্ম কপিপেস্ট মারসে ৮০%, কিন্তুক ধর্মের গোড়াটাই (অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তার স্বরূপ) কপিপেস্ট মারে নাই। বিশিষ্ট ব্লগ চিন্তাবিদ ও ইসলাম বিশেষজ্ঞ ভ্যাগাবন্ড ভবঘুরের এই মন্তব্যকে ঐদিকে আরেক ক্লাউন সৈকত ব্রাশ ফায়ার-সহ স্বাগতম জানাইসে। মজা-রে মজা, এইসব মনা-রা না থাকলে অনেক বিনোদন থেকে বন্চিত হতাম!
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১২ at ২:২২ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মজার বিষয় হচ্ছে নাস্তিকতার যেহেতু কোন লিখিত ভিত্তি-ই নাই সেহেতু "নাস্তিকতা কপিপেস্ট নয়" এই দাবিও তারা করতে পারবে না!
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১২ at ১০:১৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
… তিন নম্বর বাচ্চা ফরিদ আহমেদ [ডামি মডারেটর ও চব্বিশ ঘন্টা পাহারাদার] এর কাছে এগুলো কিন্তু গার্বেজ না, মনে রাখবেন। এমনকি এগুলোতে বিনোদন বা হাসি-ঠাট্টারও কিছু নাই। এগুলো পড়ে তাদের কারোরই হাঁসের মতো হাঁসি পায় না। এজন্য তাদের টরন্টো প্রবাসি বিশ্বস্ত মুখপাত্র সদালাপে আসেন বিনোদন নিতে।
sh0ytan
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১২ at ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Do not argue with an idiot. He will drag you down to his level and beat you with experience. So vaiera muktomona retarded bullshit der sathe kotha na bolai valo, era simply murkho.
ফোরকান
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১২ at ২:০৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুক্ত মনা ভাইদের কাছে আমি জানতে চাই, নবী মুহাম্মদ (সাঃ) যদি বাইবেল, তৌরাত ও অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ থেকে কোরাণ নকল করে থাকেন তবে কিভাবে একজন অশিক্ষিত মানুষ হয়ে তিনি ঐ ধর্মগ্রন্থগুলোর বৈজ্ঞানীক ভুলগুলো বাদ দিয়ে সঠিক বিষয়গুলো কোরানে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং ১৪০০ বছর আগে কোরানের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন বাইবেলসহ অন্য ধর্মগ্রন্থগুলো পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন করা হয়েছে; সেগুলো ১০০% সহিহ নয়। কোন জ্ঞানের জোড়ে তিনি এই দাবী করতে পেরেছিলেন?
মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ পাটোয়ারী ।
মে ১, ২০১৫ at ১১:১৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মনারা স্বীকার করবেনা কোন ধর্ম আসলে সত্য। তারা হলো নাস্তিক মনগড়া কথা বলে বেহাইয়া চলে।
ব্রম্মা
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৫ at ১১:৩২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আচ্ছা তোদের যে চাল চুলার ঠিক নাই আর মনে যা আসে তাই নবীদের ব্যপারে লিখ্যা বইসা থাকস। রাস্তার পাগলেরাতো নিজেকে রাজা বইল্লাই মনে করে।
Lonely Shepherd
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৫ at ১২:২৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জাযাকাল্লাহ খায়ির ভাই, ভিডিওটা শেয়ার করার জন্য। সম্পূর্ণ ভিডিওটার লিঙ্ক দিতে পারবেন? @এস এম রায়হান
দিবস .....
অক্টোবর ১২, ২০১৬ at ১:০৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাচ্চা সুলভ প্রশ্ন ছিলো ….. নাস্তিকতা কি কোন ধর্ম না অধর্ম? যদি অধর্ম হয় তো ধর্ম নিয়ে কথা বলে কেমনে, যার মাথা নাই সে কি মাথা ব্যাথার ঔষধ দিতে পারে??? যেটা সম্পর্কে ধারণা নাই যার নীতিতে সে সেই ব্যাপারে বিচার কেমনে করে, আর নাস্তিকতা যদি ধর্ম হয় তবে এই ধর্মের ভিত্তি কি??? ভিত্তি থাকলে কি নাস্তিকরা কোন ধর্মের অন্তর্ভুক্ত হবে???
মাহফুজ
অক্টোবর ১৪, ২০১৬ at ৬:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
@ দিবস, হাঁ নাস্তিকতাও ধর্ম বটে এবং যার ভিত্তি হলো মানব মস্তিষ্ক প্রসূত যুক্তি নির্ভর কিছু ক্যালকুলেশন, রীতি-রেওয়াজ ও প্রশ্নের সমাহার মাত্র।
মেহেদি হাসান
নভেম্বর ৫, ২০১৬ at ৫:২৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মামাক্যালকুলেশনে একাধিক রেজাল্ট থাকে। কিন্তু সত্য একটাই। আর মস্তিষ্কেকের কথা বলছেন, 1 বছর আগে আপনি সকালে কি খেয়েছেন ।কেন প্লেটে ঠিক কয়টা বেজে কত মিনিট কত সেকেন্ডে। আপনার মস্তিষ্ক তাই বোঝে যা আপনার পরিবেশ বুঝিয়ে থাকে। সহজ করে বলতে গেলে মানব মস্তিষ্ক তার ইন্দ্রিয় দ্বারা উপাত্ত সংগ্রহ তা করে বিশ্লেষ করে সিদ্ধান্ত নয়। কিন্তু আমরা সব উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারি না। কারন আমরা 3d তে বাস করি।প্রাণীরা (n-1)d অনুভব করতে পারে। তাই আমরা উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারি না। আমাদের মস্তিষ্কককে যদি সব উপাত্ত না দিতে পারি তাহলে কি করে তা সঠিক output দিবে।So আপনাকে ধরে ধরে সব গুলো উপাত্ত ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে মস্তিষ্ক পাঠানে উপযোগী করে তুলতে হবে। সোজা কথায় মহাবিশ্বর সকল কলাকৌশল আপনার মাথায় নিতে হবে। তার পর আপনার উন্নত মস্তিষ্ক সঠিক সিদ্ধান্ত দিবে যা নিশ্চিত ভাবে সত্য হবে।
আমিরুল ইসলাম
এপ্রিল ৩, ২০১৭ at ১০:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মিঃ বিপ্লব তুমি ইসলাম এর সম্বন্ধে কি জান তা জানা গেল। তোমার বাপ-দাদা'রা তো মাটির হাঁড়ি বানাতে ব্যস্ত। না জেনে কোনো ধর্ম সম্বন্ধে কুট কথা বলা উচিত কাজ নয়।
।md yeasin
অক্টোবর ১৬, ২০১৭ at ১০:২৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
তামান্না যুমু, আপনাকে শয়তানের খুব কাছের লোক বলে মনে হচ্ছে!
Anonymous
ডিসেম্বর ১৬, ২০১৭ at ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমাদের মহানবী পৃথিবীর কোনো পড়ালেখা করেননি। তাহলে তাঁর দ্বারা নকল হওয়া অসম্ভব। তিনি স্বয়ং আল্লাহর কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েছেন।