মূর্খ আস্তিক— সব কিছুই আল্লাহ বানাইছে।
যুক্তিবাদী মুক্তচিন্তক— তাহলে আল্লাহকে বানিয়েছে কে?
মূর্খ আস্তিক— আল্লাহকে কেউ বানায়নি, তিনি অনাদি-অনন্ত, তারে কারও সৃষ্টি করা লাগে না।
যুক্তিবাদী মুক্তচিন্তক— যত্তসব মূর্খের দল। আল্লাকে না বানালে সে কিভাবে অস্তিত্ব লাভ করে? আল্লাহ কি তাহলে একাকি সৃষ্টি হয়েছে? এসব অযৌক্তিক, অবৈজ্ঞানিক কথা-বার্তার কোন মূল্য আমাদের কাছে নেই।
মূর্খ আস্তিক— তাহলে পৃথিবী, মহাবিশ্ব ক্যামনে সৃষ্টি হইল?
যুক্তিবাদী মুক্তচিন্তক— কেন একাকি!!! শূন্য থেকে মহাবিশ্ব তৈরী হয়েছে!!!
—- আমি জানি সদালাপের মত ব্লগ এরকম হালকা কৌতুকের জায়গা নয়। কিন্তু একজন মূর্খ আস্তিক আর যুক্তিবাদী মুক্তচিন্তকের এসব হালকা বাত-চিত আমাকে চিন্তিত করে। একজন যুক্তিবাদী মানুষ তার সীমাবদ্ধ যুক্তিবোধ আর বিচার-বিশ্লেষণ দিয়ে যখন স্রষ্টাকে আস্বীকার করে, তখন সে যে নিজেই অযৌক্তিক, অবৈজ্ঞানিক বিশ্বাসের উপর ভর করে আছে সেটি হয়ত সে নিজেও টের পায় না। সে যে নিজেই স্রষ্টার এক অনবদ্য সৃষ্টি সেটি ভুলে যায়। মাতৃ-জরায়ূতে কোন এক মহান বিজ্ঞানী তাকে অতি যত্ন-সহকারে বানিয়েছেন, জীবনের মত অমূল্য জিনিস উপভোগ করার সুযোগ দিয়েছেন।
কোন কালে কোন মহা বিজ্ঞানী কাউকে জীবন দিতে পারেনি, পারবেও না। জীবন দান করার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর।
যেদিন মানুষ মৃতকে জীবন দিতে পারবে- হয়ত সেদিন আমরা বলতে পারব – স্রষ্টার আর প্রয়োজন নেই, কিন্তু তার আগে নয়। কোরানের ভাষায়-
إِنَّ اللَّهَ فَالِقُ الْحَبِّ وَالنَّوَى يُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَمُخْرِجُ الْمَيِّتِ مِنَ الْحَيِّ ذَلِكُمُ اللَّهُ فَأَنَّى تُؤْفَكُونَ
নিশ্চয় আল্লাহই বীজ ও আঁটি থেকে অঙ্কুর সৃষ্টিকারী; তিনি জীবিতকে মৃত থেকে বের করেন ও মৃতকে জীবিত থেকে বের করেন। তিনি আল্লাহ, অতঃপর তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ? (সূরা আনাম-৯৫)

রিজভী আহমেদ খান
মার্চ ২৫, ২০১৫ at ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
শূন্য থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টিও কুরআন সমর্থন করে।
সানজিদ সরকার
অক্টোবর ২২, ২০১৫ at ২:৪৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ভাই, শূন্য থেকে মহাবিশ্বের সৃষ্টি কুরআন কীভাবে সমর্থন করে একটু বিস্তারিত জানান।
Shahriar
মার্চ ২৫, ২০১৫ at ১১:৩৯ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Good write
shohel
মার্চ ২৮, ২০১৫ at ১২:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমি যদি বলি আমার এক বন্ধু জন ঢাকা মেডিকেল এ বাচ্চা প্রসব করেছে আর নাস্তিক ভাইকে প্রশ্ন করি বাচ্চাটি ছেলে না মেয়ে হয়েছে। সম্ভবত তিনি বলবেন বাচ্চাটি ছেলেও হতে পারে আবার মেয়েও হতে পারে । কিন্তু এখানে প্রস্নটাই তো অজক্তিক কারন বন্ধু কখনো বাচ্চা জন্ম দিতে পারে না । তেমনি স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করছে এই প্রশ্নটাও অজক্তিক । সবকিছুর ই একটা যেমন সীমা আছে তেমনি প্রশ্ন করার ও একটা সীমা আছে যার পর আর কোন প্রশ্ন থাকতে পারে না ।
milonmela.com
মে ২৭, ২০১৫ at ৬:৩৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনি বলেছেন, “একজন যুক্তিবাদী
মানুষ তার সীমাবদ্ধ যুক্তিবোধ আর
বিচার-বিশ্লেষণ দিয়ে যখন স্রষ্টাকে
আস্বীকার করে, তখন সে যে নিজেই
অযৌক্তিক, অবৈজ্ঞানিক বিশ্বাসের
উপর ভর করে আছে সেটি হয়ত সে নিজেও
টের পায় না।”
আপনি কি যুক্তির বাহিরে কথা বলেছেন? যুক্তির বাহিরে যা কিছু থাকে, তা কি অযৌক্তিক নয়? আস্তিকগন কি ধর্মের যুক্তির বাউন্ডারির মধ্য দিয়েই তার যুক্তি প্রদর্শন করে না? স্রষ্টা ছাড়া যদি সৃষ্টি সম্ভব না হয়, তবে স্রষ্টার এই নিয়ম কেন উনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না? তবে কি উনি নিয়মতান্ত্রিকহীন সেচ্ছাচারী? প্রশ্ন তো প্রশ্নই, জানার জন্যই প্রশ্ন। আমরা যদি এমন প্রশ্ন করি যা ধর্মের উপর নেগেটিভ প্রভাব ফেলে, তবেই আমরা তাকে নাস্তিক বলে ধমক দেইই। কিন্তু যতক্ষন পর্যন্ত যুক্তি দিয়ে একজন মানুষের প্রশ্নের উত্তর খন্ডানো যায়, ততক্ষন পর্যন্ত ঠিকই যুক্তি দেখাই। একজনও বলতে চাই না যে, এই প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নাই। আজব পাবলিক আমরা।
হাবিব হাসান শাকিল
অক্টোবর ২২, ২০১৫ at ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কোয়ান্টাম শূণ্যতা আর আমরা নরমালি যে নাথিং বুঝি সেটায় আকাশ পাতাল পার্থক্য।
গুগুলে সার্চ দিয়া দেখেন।