সত্যকে সবারই জানা উচিত। অতঃপর কে গ্রহণ করবে আর কে বর্জন করবে - সেটা নিজ নিজ ব্যাপার। অন্তর্জালের যুগে অনেকেই ছদ্মনামে লিখেন। অনেকেরই একাধিক নিক থাকতে পারে। স্রেফ এই কারণে কেউ আপত্তি করে বলে মনে হয় না। কিন্তু কেউ যদি জোর গলায় নিজেকে 'নাস্তিক' দাবি করে - স্বনামে তার মুরিদদের কাছে পীর-সাধু-সন্ন্যাসী সেজে থেকে - একাধিকবার গলাবাজি করে ছদ্মনামে না লিখার দাবি করে - বারংবার তাচ্ছিল্যের সুরে ইসলাম নিয়ে অনেক আগেই লেখালেখি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে - মুসলিমদেরকে কথায় কথায় নৈতিকতা ও সততার উপর ছবক দিয়ে - জন্মসূত্রে অমুসলিম হয়েও ছদ্মনামে ‘মুসলিম’ বা ‘এক্স-মুসলিম’ ভান করে —— বছরের পর বছর ধরে একের পর এক ছদ্মনামে বিশেষ একটি ধর্ম, সেই ধর্মের নবী, আর তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার আর ঘৃণা-বিদ্বেষমূলক প্রপাগাণ্ডা ছড়ায় তাহলে আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে এই পৃথিবীর কেউই মনে হয় ব্যাপারটাকে স্বাভাবিক বলবে না। বরঞ্চ সবাই তাকে চরম ভণ্ড ও মিথ্যাবাদী বলেই দোষী সাব্যস্ত করবে - এক্ষেত্রে সে আস্তিক না নাস্তিক, তা মোটেও বিবেচ্য বিষয় নয়। এমন কেউ নিজেকে 'নাস্তিক' দাবি করলেও নিরপেক্ষধর্মী নাস্তিক মহলে তাকে নাস্তিক হিসেবে গ্রহণ করা হবে কি-না - তা ভাবনার বিষয়।
যাহোক, মুক্তমনাদের অতি বিশ্বস্ত গুরুজী সম্ভবত প্রথম ধরা খায় ভিন্নমত সাইটে হঠাৎ করে ‘রুদ্র মোহাম্মদ’ ছদ্মনামে নন্দিনী হোসেনকে বিকৃত বাংলায় অশ্লীল ও কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করতে যেয়ে। তার আগে ‘রুদ্র মোহাম্মদ’ নামে ভিন্নমত সাইট বা অন্য কোথাও কাউকে লিখতে দেখা যায়নি। মিস নন্দিনীকে আক্রমণ করা হয় এজন্য যে, উনি বামপন্থী নাস্তিক হওয়ায় সেই সময় আস্তিক-নাস্তিক উভয়েরই সমালোচনা করে কিছুটা নিরপেক্ষধর্মী লেখা লিখতেন। কিন্তু মুক্তমনাদের গুরুজীর তা সহ্য হয়নি। গুরুজীর ইচ্ছা অনুযায়ী মিস নন্দিনী শুধু আস্তিকদের [এক্ষেত্রে মুসলিম] বিরুদ্ধেই লিখবেন, নাস্তিকদের বিরুদ্ধে নয়। জিয়াউদ্দিন সাহেবের লেখাতে ‘রুদ্র মোহাম্মদ’ মুখোশের আড়ালের আসল পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়াতে ‘রুদ্র মোহাম্মদ’ কিছু না বলেই অনন্তকালের জন্য অক্কা পায়! অক্কা পেতেই হবে। কেননা ‘রুদ্র মোহাম্মদ’ মুখোশের আড়ালে ছিল মুক্তমনাদের বিশ্বস্ত গুরুজী - নতুন বা অপরিচিত কেউ নয়।
মুক্তমনাদের বিশ্বস্ত গুরুজী দ্বিতীয়বার ধরা খায় আব্দুর রহমান আবিদ সাহেবের সাথে ইসলাম নিয়ে বিতর্কের এক পর্যায়ে হঠাৎ করে ‘তুষার ইমরান’ ছদ্মনামে তার নিজস্ব সাইটে আবিদ সাহেবকে ব্যক্তি আক্রমণ করতে যেয়ে। এবারও ব্যাপারটা ফাঁস হয়ে গেলে ‘তুষার ইমরান’ জীবনে একটিমাত্র ‘জ্ঞানগর্ভ’ লেখা পোস্ট দিয়ে অনন্তকালের জন্য লাপাত্তা হয়ে যায়! লাপাত্তা হতেই হবে। কারণ ‘তুষার ইমরান’ মুখোশের আড়ালেও ছিল মুক্তমনাদের বিশ্বস্ত গুরুজী - একই ব্যক্তি।
মুক্তমনাদের বিশ্বস্ত গুরুজী তৃতীয়বার ধরা খায় ‘Murtaad Munaafeq’ নিকে ৯/১১-কে পুঁজি করে খ্রীষ্টান পরিচালিত সাইটে কোরান ও মুসলিমদেরকে 'সন্ত্রাসী' ও 'মানবতাবিরোধী' বানিয়ে দিয়ে, মুসলিমদেরকে ইসলাম ত্যাগের আহ্বান জানাতে গিয়ে। বিস্তারিত এখানে। ‘Murtaad Munaafeq’ মুখোশের আড়ালে মুক্তমনাদের বিশ্বস্ত গুরুজীর মুখচ্ছবি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর এই নিকও অনন্তকালের জন্য অক্কা পায় - অক্কা পেতেই হবে!
এর পরও যাত্রা থেমে থাকেনি। বরঞ্চ নতুন নতুন ছদ্মনামে বিশেষ একটি ধর্ম, সেই ধর্মের নবী, আর তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার আর বিষোদগার থেকে শুরু করে কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মানব জাতির ইতিহাসে এমন ভণ্ডামী ও মিথ্যাচারের নমুনা আর দ্বিতীয়টি নেই - সত্যিই নেই। তার অন্ধ পূজারীরা যে এ ব্যাপারে একেবারেই অজ্ঞ - তা কিন্তু নয়। নিদেনপক্ষে বিশিষ্ট কিছু পূজারীর অবশ্যই জানার কথা। কিন্তু কল্লা হারানোর ভয়ে কিংবা স্বর্গের লোভে তারা সত্যকে চেপে যেয়ে বালিতে মাথা গুঁজে অন্ধ পূজারী হিসেবেই থাকতে চায়। মুক্তমনাদের বিশ্বস্ত গুরুজীর কথা না হয় আলাদা - কিন্তু তার পূজারীরাও চৌদ্দশ’ বছর আগে মৃত একজন মানুষকে কোনো প্রমাণ ছাড়াই ‘ভণ্ড’-সহ আরো অনেক কিছু হিসেবে বিশ্বাস করে অথচ চোখের সামনে তাদের ধর্মগুরুর চরম ভণ্ডামী আর মিথ্যাচারকে দেখতে পায় না। কী আশ্চর্য! বিজ্ঞানের নামে কিছু খৎনাধারী অগা-মগা মুরিদের মস্তক এমনভাবে ধোলাই করে অন্ধ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারা সাদা আর কালোর মধ্যে পার্থক্যটুকু পর্যন্ত করতে অক্ষম। এমনকি 'আদিল' টাইপের দু-তিন জন অন্ধ মুরিদের বিশ্বাস অনুযায়ী তাদের ধর্মগুরু নাকি স্বনামে ছাড়া লিখে না! এইটা কিন্তু স্রষ্টা ছাড়া অন্য কারো পক্ষেই নিশ্চিত করে জানা সম্ভব নয়! তাহলে তার মুরিদরা জানলো কী করে! 'মুক্তমনা' নামক এক ভয়ঙ্কর ভাইরাস তার মুরিদদের মস্তিষ্ককে কীভাবে খেয়ে ফেলেছে - বুঝতেই পারছেন। অন্ধ মুরিদদের বিশ্বাস অনুযায়ী যেখানে তাদের ধর্মগুরু স্বনামে ছাড়া লিখে না - সেখানে মুরিদদের অন্ধ বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা করে তাদের ধর্মগুরু নিজ ব্লগ-সহ একাধিক ব্লগে মুখোশের আড়ালে বিশেষ একটি ধর্ম আর তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এই লেখাতে মুক্তমনাদের বিশ্বস্ত ধর্মগুরুর মুখোশের আড়ালে সামু ব্লগে কার্যকলাপ নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হবে।
১. সামু ব্লগে ‘যুঞ্চিক্ত’ নিক খোলা হয় আজ থেকে চার বছর আগে। নিক খুলেই ‘এক্স-মুসলিম’ ভান করে “কোরান ক্যাডা লিখছে? একটি মোহমুক্ত যৌক্তিক বিশ্লেষণ” শিরোনামে পর্ব আকারে পোষ্ট দেওয়া শুরু হয়। এবারও শুরু হতে কি না হতে জিয়াউদ্দিন সাহেব ওরফে এস্কিমোর কাছে ধরা খায়। এস্কিমো সাহেব লিখেছেন, “প্রথমেই শুরু করি লেখকের শিরোনাম নির্বাচন নিয়ে, আমার জানা মতে লেখক যুক্তিভাই কোনদিন কোরানের প্রতি মোহযুক্ত ছিলেন না - সুতরাং তার মোহমুক্তি ঘটার সম্ভবনা কোনদিনই হয়নি। সুতরাং লেখক এখানে একটু চতুরতার পরিচয় দিয়েছেন। এই লেখাটি মূলত অন্য একজন নাস্তিক লেখকের অনেকগুলো লেখার একটা আঞ্চলিক ভাষায় লিখিত সারসংক্ষেপ। নীচের সূত্রের তালিকায় ঐ লেখকের নাম না থাকায় ধরে নিতে পারি উনি নিজে এই নিক নিয়ে লিখছেন - নতুবা এটা একটা চোথাবাজী হিসাবে বিবেচিত হবে। একজন লেখকের ৫/৬ বছরের লেখাকে এক করে কেন যুক্তিভাই এই পোস্টটা দিলেন? কারন একটাই - ঝড়ের দিনে আম কুড়ানোর একটা প্রচেষ্টা। দেখা যাচ্ছে - এখানে জামাত আর রাজাকারদের বিরুদ্ধে একটা প্রবল হৈ চৈ হচ্ছে - এই সুযোগে একটু ধরে আসি মুসলমানদের। যাই হোক, যারা লেখাটা পড়ে কষ্ট পেয়েছে বা উল্লসিত হয়েছেন - তাদের দুই দলের প্রতি একটা ম্যাসেজ - এটা নতুন কোন বিষয় না। গত ৫/৬ বছর যাবত ইন্টারনেটে একদল মানুষ তাদের নামধাম লুকিয়ে এই ধরনের লেখালেখি করে নিজেদের “মুরতাদ” হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন। নীচে যাদের নামে আছে তাদের মধ্যে সাঈদ কামরান মির্যা, আবুল কাসেম, ইবেন ওয়ারাক এবং আলোচ্য নিকের আড়ালে থাকা লেখক আমাদের বহুল পরিচিত। এরা ৯/১১ এর পর একটা বিশেষ পরিবেশে একটা ধর্মের বিষয়ে বিশেষভাবে কাজ শুরু করেন। আলোচ্য লেখক নিজেকে নাস্তিক-মুরতাদ নামের আড়ালে বিভিন্ন ফোরামে লিখে তসলিমা নাসরিনের পক্ষে প্রচার চালান। এক সময় এরা সবাই মিলে আলী সিনা নামক একজন স্বঘোষিত এক্স-মুসলিম এবং ইসলাম বিরোধীর সাথে এক ইন্টারনেট ফোরাম তৈরী করে। পরবর্তীতে মতপার্থক্যের কারনে নিজনিজ ওয়েব সাইড তৈরী করে নিজেদের মতো ইসলাম এবং মুসলমানদের ধোলাই করে যাচ্ছেন।” [বিস্তারিত এখানে, ৬ নং মন্তব্যটি বিশেষভাবে লক্ষণীয়।]
ব্যাপারটা সামু ব্লগের মডুদের গোচরে এলে ধর্মীয় অবমাননা আর বিদ্বেষ ছড়ানোর অপরাধে তার দুটি পোস্ট মুছে দিয়ে একটি নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশটি ছিল এরকম-
‘যুঞ্চিক্ত’ নিক থেকে মোট ৪৭৮টি মন্তব্য করা হয়েছে। প্রায় সবগুলো মন্তব্য একই ধাঁচের। এস্কিমো সাহেবের কাছে ধরা খাওয়ার পর ব্লগের সব লেখা মুছে দিয়ে অফ যায় - অফ যেতেই হবে! কারণ ‘যুঞ্চিক্ত’ নিকের আড়ালে আছে মুক্তমনাদের বিশ্বস্ত গুরুজী - নতুন বা অপরিচিত কেউ নয়। জানাজানি হওয়ার পর একই সাথে স্বনামে এবং ছদ্মনামে এই ধরণের লেখা চালিয়ে যাওয়া দেবতার পক্ষেও অসম্ভব!
২. ছদ্মনামে শুধুমাত্র পুরুষ সেজে ‘এক্স-মুসলিম’ ভান করে মনে হয় কাজ হচ্ছিল না। এজন্য নারীতে বিবর্তিত হয়ে ‘মেজভাবী’ সেজে কোমরে শাড়ি পেঁচিয়ে মাঠে নামা হয়! যতদূর জানা যায় বন্যা আহমেদ বাম ঘরানার নাস্তিক হলেও একজন রুচিশীল নারী। উনি ব্যাপারটা জেনে গেলে কেমন হবে! ‘মেজভাবী’ নিকে মোট ৯টি পোস্ট এবং ২২৪টি মন্তব্য করা হয়েছে। তার সর্বশেষ পোস্ট ছিল “ইসলামের জন্ম এবং ইতিহাস বিষয়ক একটি বই” শিরোনামে - তারই এক খৎনাধারী ভৃত্যের বইকে প্রমোট করে। লেখাটি শুরু করা হয়েছে এভাবে, “বাছারা, আমরা অনেকেই আমাদের পৈত্রিক ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করতে ভয় পাই। ভাবি, প্রশ্ন করলই বুঝি ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। আমারও অনেক ভয় লাগে, কিন্তু তারপরো হাজারটা প্রশ্ন সব সময়ই মাথায় চারা দেয়। তোমাদের ভাইয়া বলেন, প্রশ্ন না করলে নাকি কিছু শিখা যায় না। সেদিন তোমাদের ভাইয়া ইন্টারনেট থেকে আকাশ মালিকের একটা বইয়ের হদিস দিলো। বইটার নাম 'যে সত্য বলা হয়নি'। বইটা পড়ে আমার মাথায় প্রশ্নের পোকা আরো বেশি করে কিলবিল করতে শুরু করল। এটা ঠিক আমাদের নবীজী ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে অনেক ভাল ভাল কাজ করেছিলেন। সেজন্যই তো তিনি মহামানব। কিন্তু তারপরও তাঁর কিছু কিছু কাজ মেনে নিতে পারছি না। আমাদের মধ্যে কয়জন জানি যে, ইসলামকে 'শান্তির ধর্ম' বলা হলেও আমাদের মহানবী নিজেই তার জীবনকালে ৭০- ৮০টি যুদ্ধ করেছেন, এতর মধ্যে ২৯ টিতে নিজে নেতৃত্ব দিয়েছেন? অনেকগুলো যুদ্ধ মোটেই আত্মরকক্ষামুলক ছিলো না, রাতের আঁধারে উটের কাফেলায় আক্রমণ চালিয়ে ধন সম্পদ লুঠ করেছিলেন। আমাদের মধ্যে কয়জন জানি যে, বনি কুরাইজার ইহুদীদের আটশ জনকে এক রাতে হত্যা করেছিলেন তিনি, এমনকি তারা আত্মসমর্পন করার পরও?” [বিস্তারিত এখানে]
‘মেজভাবী’র এই পোস্টে পাঠকদের কিছু মন্তব্য নিচে তুলে ধরা হলো:
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ইসলামের ইতিহাস জানার জন্য মুক্তমনায় যাওয়া আর বাংলাদেশের ইতিহাস জানার জন্য ফিরোজকামাল-এর (নাকি "ফিরোজ-কা-বাল"?, মাঝে মাঝে ছাগু সম্প্রদায়ের কিছু ছাগুসম্রাট এই সামুতে পোষ্ট দেয় এই "ফিরোজ-কা-বাল"-এর ওয়েব সাইট থেকা কপি পেষ্ট কইরা) সাইটে যাওয়া একই ব্যাপার ……. তাই সাধু সাবধান।
নেক্সাস বলেছেন: মেঝ ভাবি কি আজ ভাইয়ের …… খাইছেন?
তাহ্লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন: ভাই কবে ছাড়া পাইছেন। আপনার ত আরো চিকিৎসা প্রয়জন…। আবার গিয়া ঢুকেন।
বাংলার দাদা বলেছেন: তোর জন্য করুণা ছাড়া আর কিছুই নাই।
ম্যাভেরিক বলেছেন: "বাছারা" বলে বালখিল্যভাবে পোস্ট শুরু করে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষোদগার কেবলমাত্র কুশিক্ষিত মানুষের পক্ষেই সম্ভব। আপনার হৃদয় মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোক। আপনার নিজস্ব মত থাকতেই পারে, কিন্তু ভাষা যাতে মানুষের শ্রদ্ধা উৎসারিত করে-এর নামই মনুষ্যত্ব।
পরশমনি বলেছেন: ধুর!! যেমন রেফারেন্স তেমনি পোস্ট।
তাহ্লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন: এই পোস্ট থাইকা দুর্গন্ধ্য বাইর হইতাছে।
রাফাত সাদাত বলেছেন: লেখককেঃ এত বাছা বাছা করো কেন? পাছায় চুলকায় নাকি? কোরআন হাদিসকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় আর কোথাকার কোন আকাশ মালিকের রেফারেন্স খুব বিশ্বাসযোগ্য ঠেকে? নাকি এসব সমাজের মাঝে ইচ্ছাকৃতভাবে গোলমাল সৃষ্টি করার অজুহাত? তুমি কি সিআইএ নাকি র এর এজেন্ট বলতো শুনি? এই অখাদ্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করা হোক।
টিনটিন` বলেছেন: আসল নিকে আসেন আন্টি। এভাবে মানুষের ঈমান নষ্ট করতে পারবেননা।
মহি আহমেদ বলেছেন: "আমাদের মধ্যে কয়জন জানি যে" বলে আপনার লিখাটা সম্পুর্ন মিথ্যা তথ্য দিয়ে উপস্থাপন করেছেন তা যে কোন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষের পক্ষে বুজেত অসুবিধা হবার কথা নয়। সত্য ধর্ম ইসলাম এবং বর্তমান এ অধুনিক বিশ্বে সব চেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি প্রাপ্ত ধর্ম সম্পর্কে ইতিহাস বিকৃতির এক জঘন্য উদাহরন রাখলেন। তবে আপনার ব্যর্থ অপপ্রচেষ্টার জন্য করুনা হয়। মডারেটারদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি পোস্ট পর্যবেক্ষন করতে।
ধীবর বলেছেন: আপনাকে কয়েক্টা প্রশ্ন করি।
১। আপনি ব্যাক্তিগত কোন ধর্মে বিশ্বাস করেন?
২। যে রেফারেন্স লিংক দিলেন তার মুক বন্ধে আকাশ মালিক শুরুই করলেন, পৃথিবীর সব সংঘাতের মুলে ধর্ম এই রকম একটি বাক্য দিয়ে। তার মুখে ইসলামের বর্ণনা শুনে বিশ্বাস স্থাপন কি উচিত?
৩। মুক্তমনার কর্ণধার অভিজিৎ বাবু, ৯/১১ নাটকের পর পরই মার্কিনীদের বিশেষ কৃপা ধন্য হবার লোভে রুদ্র মহাম্মদ নাম দিয়ে ইস্লামের বিরুদ্ধে এ ধরনের লেখা লিখেছিল। সেই অভিজিৎ বাবুর সাইটে ইসলাম নিয়ে সত্য ছাপা হবার যৌক্তিক কারণ আছে কি?
৪। এই আকাশ মালিক কি ইসলামিক কোন স্কলার?
৫। যে সব বিকৃত রুচির তথ্য আপনি এখানে উপস্থাপন করেছেন, তার জবাব কিন্তু বিভিন্ন সময়ে দেয়া হয়েছে। সেগুলি কি আপনার চোখে পড়েনি?
৬। আপনার কি ধারণা এই ব্লগে যারা আসেন, তারা সব পাড় মুর্খ, যে ছেলে ভোলানি কথায় আপনি যা খুশি তাই বলবেন, আর তারা সেটাই বিশ্বাস করবে?
এই সব ল্যাছরামি বাদ দিয়ে এমন কিছু লিখুন যেখানে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের উপকার হয়। মানবতাবাদি তকমা গায়ে দিয়ে হয়তো অনেক সমালোচনা এড়ানো যায়, কিন্তু আচরনে ঘৃণাবাদিতা থাকলে, অন্তত শুভ বুদ্ধির কেউ সেটা সমর্থন করবে না। আমার ব্লগ জীবনে দেখা সব চেয়ে জঘণ্যতম পোস্টে সবচেয়ে ঘৃণামুলক মাইনাসটা আপনাকেই দিলাম। অভিনন্দন।
২.১ নিচের মন্তব্যগুলোতে তার মুক্তমনা ব্লগ ও নিজস্ব লেখা-সহ ছয় জন খৎনাধারী ভৃত্যের ইসলাম-বিদ্বেষী লেখাকে প্রমোট করা হয়েছে। সেই সাথে মুসলিমদের বিশ্বাসকে বিজ্ঞানের নামে হাস্যকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
২.২ স্বনামে তার এক লেখাতে ড: আনোয়ার হোসেনকে গ্যালিলিওর সাথে তুলনা করে মুসলিমদের ইতিহাসেও যে গ্যালিলিওর মতো ঘটনা আছে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। সেই লেখাকেই আবার ‘মেজভাবী’ সেজে সামু ব্লগে প্রমোট করা হয়েছে!
উপরের পোস্টে পাঠকদের কিছু মন্তব্য নিচে দেওয়া হলো:
শেষমাত্রা বলেছেন: কোতায় আগরতলা আর কোতায় খাটের তলা। মেজবাবি, মাইয়া মানসের যে বুদ্দি কম আচে তুমার বলগে ডুকলেই বুজা যায়। শালার ভেড়ার পালে বলগ ভরিয়া গেল।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন: কোতায় আগরতলা আর কোতায় খাটের তলা।
মদন বলেছেন: গ্যালিলিও==ড: আনোয়ার হোসেন (জিহ্বা বের করা ইমো হবে)
শেষমাত্রা বলেছেন: হ, তুমার মত যেইসব পুলারা মাইয়া সাইজা বলগ লিখে হেগোরে জন্ম দিয়াই কুনু কুনু মাইয়া নিজেরে অপমান করছে। বুজলা? শালার ভেড়ার পালে বলগ ভরিয়া গেল।
সোনাভান বলেছেন: এই পোষ্ট দ্বারা মহান গেলিলিওকে অপমান করা হইয়াছে বিধায় এক দাগানো হইল।
২.৩ নিচের দুটি মন্তব্যে কোরানকে ‘অমুসলিম বিদ্বেষী’ ও ‘অমুসলিম কিলিং মেশিন’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
২.৪ অন্যান্য ধর্মের গার্বেজকে কৌশলে ইসলাম ও মুসলিমদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে মুসলিম ব্লগারদেরকে বিভিন্নভাবে হেয় আর বিজ্ঞান-বিরোধী প্রমাণ করা হচ্ছে-
২.৫ একজন ব্লগার তার লেখাতে সম্ভবত ইসলাম-পূর্ব জাহেলী যুগে কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়ার কথা বলেছে। লেখাটি দেখার সাথে সাথে সেই অংশের উদ্ধৃতি দিয়ে পিএইচডি-ধারী ‘মেজভাবী’র যুক্তি নিচের মন্তব্যে লাল বক্সের মধ্যে দেখুন। তার ‘যুক্তি’ হচ্ছে ইসলাম-পূর্ব যুগে যদি কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো তাহলে ইসলামের নবী বিবি খাদিজাকে কি কবর থেকে উঠিয়ে এনে বিয়ে করেছিলেন? পাঠক! এই আধুনিক যুগেই শুধুমাত্র ভারত আর চীনে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ কন্যা সন্তানকে বিভিন্নভাবে হত্যা করা হচ্ছে - যে ভয়াবহ ও অমানবিক তথ্য ‘মেজভাবী’র লেখা কিংবা তার নিজস্ব সাইটে কখনোই দেখা যায় না। তাহলে তার ‘যুক্তি’ অনুযায়ী ভারত আর চীনে তো পুরুষরা বিয়ের জন্য নারী খুঁজে পাওয়ার কথা না। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ইসলাম-পূর্ব যুগে যদি শতভাগ কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো তাহলে তো ইসলামের নবীর-ই কোনো অস্তিত্ব থাকতো না - বিয়ে করা তো পরের কথা! দিনের আলোর মতো সত্যকে অস্বীকার করা এ'রকম গোঁড়া মানসিকতার কেউ কোনোভাবেই নাস্তিক হতে পারে না। একটু কর্কশভাবে হলেও ‘ঘোড়ার ডিম’ নামে এক ব্লগার তার মোক্ষম জবাব দিয়েছেন-
২.৬ সামু ব্লগে আমি “পশ্চিমারা ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জবাব দিচ্ছেন” শিরোনামে কিছু পোস্ট দেই। আমার সেই পোস্টের প্যারোডি করে ‘পদ্মাচরের লাঠিয়াল’ ছদ্মনিকে এক মুক্তমনা ব্লগার “পূর্বীয়রা নাসারাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জবাব দিচ্ছেন” শিরোনামে পাল্টা পোস্ট দেওয়া শুরু করে। তার লেখাটি শুরু করা হয় এভাবে, “যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের বিশ্বে সবকিছুকে ‘ধ্রুব আদর্শ’ ধরে নিয়ে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের আড়ালে নাসারা ও যীসাস ক্রাইস্ট-এঁর বিরুদ্ধে নিয়মিত ঘৃণা-বিদ্বেষ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে…।” আমি সাধারণত এই ধরণের লেখার কোনো জবাব দেই না। তার ব্লগে ইসলাম-বিরোধী লেখা-সহ আমার লেখাকে প্যারোডি করে আরো তিন-চারটি পোস্ট আছে যেগুলোর কোনো জবাব দেইনি কিংবা তার ব্লগে কখনো মন্তব্যও করিনি। কিন্তু এই লেখাতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে একটি ডাহা মিথ্যাচার দেখে মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল। মুসলিমরা নাকি যীসাস ক্রাইস্ট-এঁর বিরুদ্ধে নিয়মিত ঘৃণা-বিদ্বেষ ও অপপ্রচার চালাচ্ছে! কী ভয়ঙ্কর মিথ্যাচার! আরো কিছু মিথ্যাচারও করা হয়েছে সেখানে। ফলে কিছুটা রাগের বশে বাধ্য হয়ে কিছু মন্তব্য করি। সরোয়ার-সহ আরো কয়েকজনও সেখানে মন্তব্য করেছেন। ‘মেজভাবী’র নজরে পড়ার সাথে সাথে আমার আর সরোয়ারের উপর হামলে পড়ে কী বলা হয়েছে দেখুন-
উপরে কিছু ব্লগারের মন্তব্য থেকে ‘মেজভাবী’র নিম্ন আইকিউ এর কথা জানা যায়। ‘মেজভাবী’র আইকিউ যে সত্যি সত্যি অত্যন্ত নিম্ন মানের - তার পক্ষে অনেক প্রমাণ আছে। বানর জাতীয় লেজওয়ালা প্রাইমেটস থেকে ধীরে ধীরে বিবর্তিত হওয়া ‘মেজভাবী’র ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে এতটুকু বুদ্ধি পর্যন্ত নাই যে, হঠাৎ করে নতুন কোনো নিক থেকে একই সাথে সদালাপ, সরোয়ার, আর আমার উপর হামলে পড়ে হয়রান হওয়ার মতো লোক এই মহাবিশ্বে একজনই আছে! এর পর থেকে হয়তো সাবধান হয়ে যাওয়া হবে! মন্তব্যে বলা হয়েছে আমি নাকি স্যাটায়ার বুঝি না! কিন্তু ‘মেজভাবী’র ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক মনে হয় ‘স্যাটায়ার’ আর ‘উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যাচার’ এর মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। অথবা ‘মেজভাবী'রা হয়তো বিশেষ একটি ধর্ম বা তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যাচার করে সেটিকে ‘স্যাটায়ার’ হিসেবে চালিয়ে দিতেই অভ্যস্ত। আরো বলা হয়েছে আমি নাকি নিশাচরের মতো কেবল সদালাপের গর্তে মুখ লুকিয়ে থাকি। পাঠক! সামু ব্লগে আমার লিখার বয়স তিন বছর। একশ’র উপরে পোস্ট এবং প্রায় তিন হাজার মন্তব্য আছে সেখানে। পাশাপাশি আরো পাঁচ-ছয়টি ব্লগে মন্তব্য-সহ আমার অধিকাংশ লেখা পাওয়া যাবে। সবই স্বনামে। অথচ নিজ খোয়াড় থেকে গোমটা মুখে দিয়ে জনসম্মুখে এসে বলা হচ্ছে আমি নাকি নিশাচরের মতো কেবল সদালাপের গর্তে মুখ লুকিয়ে থাকি! এর চেয়ে বড় বিনুদুন আর কী হতে পারে 😛 কারো আইকিউ কম হলে কি এতটাই কম হয়! বাকি মন্তব্যের জবাব দেওয়ার মতো রুচি নাই। তার সমমনা ‘পদ্মাচরের লাঠিয়াল’ এর মিথ্যাচার ধরিয়ে দেওয়ার পর আমাকেই কিনা ‘বেকুব’ আর ‘তালগাছবাদী’ বলা হচ্ছে। যে লোক স্বনামে কয়েক বছর ধরে কোরানের পৃথিবীকে ‘সমতল’ আর ‘স্থির’-সহ অনেক কিছু প্রমাণ করার জন্য দেশী-বিদেশী ব্লগে ক্যাম্পেইন করেও প্রমাণ করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত নারীতে বিবর্তিত হয়ে ‘মেজভাবী’ সেজে একই ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে - সেই লোক নিজে বেকুব আর তালগাছবাদী নাকি অন্য কেউ - সেটা বিচারের ভার পাঠকদের উপরই ছেড়ে দেওয়া হলো।
‘মেজভাবী’ নিকে ৯টি পোস্ট আর ২২৪টি মন্তব্যের মধ্যে থেকে মাত্র ২টি পোস্ট আর গোটা কয়েক মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। অন্য দুটি পোস্টে দেখা যাচ্ছে তারই আরেক ছদ্মনিক ‘যুঞ্চিক্ত’কে ডিফেন্ড করা হয়েছে! একটি পোস্টে ‘মুক্তান্বেষা’ নামে একটি ম্যাগাজিনকে প্রমোট করা হয়েছে।
এই লাইনে নতুন কিংবা অনভিজ্ঞ পাঠকদের জন্য কিছু ঈশারা-ইঙ্গিত:
- সেই ভিন্নমত সাইটের ‘রুদ্র মোহাম্মদ’ থেকে শুরু করে সবগুলো ছদ্মনামের লেখা আর মন্তব্যে বাংলা ভাষাকে ইচ্ছেমতো বিকৃতি করা হয়েছে। উদ্দেশ্য হচ্ছে নিজেকে ‘ভিন্ন কেউ’ হিসেবে দেখানো - স্বাভাবিক ভাষায় লিখতে গেলে কেউ যদি বুঝে ফেলে!
- মুক্তমনা ব্লগ আর সেই ব্লগের বিশেষ কিছু ইসলাম-বিদ্বেষী লেখকের লেখাকে প্রমোট করা হয়েছে।
- ‘যুঞ্চিক্ত’ আর ‘মেজভাবী’ নিক দুটি সমসাময়িক সময়ে খোলা হয়েছে। এক নিকের বিপদে অন্য নিক থেকে ডিফেন্ড করা হয়েছে। এ'রকম আরো কত নিক যে আছে, কে জানে!
- ছদ্মনামে তার ‘দুনিয়া’ শুধুমাত্র বিশেষ একটি ধর্ম, সেই ধর্মের নবী, আর তার অনুসারীদের মধ্যেই ঘুরপাক খায়। এইটাই তার প্রকৃত স্বরূপ।
- আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু: ইসলামের নবী, কোরআন, মুসলিম, সদালাপ সাইট, সরোয়ার, ও আমি-সহ আরো কয়েকজন মুসলিম ব্লগার। অথচ ‘মেজভাবী’ নিকের কারো সাথে সদালাপ সাইট, সরোয়ার, কিংবা আমার জীবনেও কোনো ক্যাচাল হয়নি!
- হঠাৎ করে নতুন নিকে যদি বিশেষ একটি ধর্ম ও তার নবীর বিরুদ্ধে বিষোদগার ও অপপ্রচারণামূলক লিখা শুরু করা হয় - এবং বিশেষ করে সেই নিকের আড়ালে পরিচিত কাউকে সন্দেহ করা হলে যদি সেই নিক অক্কা পায় - তাহলে বুঝতে হবে সেই নিকের আড়ালে ঐ পরিচিত ব্যক্তিই আছে।
- মিশন্যারীদের লেখা থেকে ইসলামের বিরুদ্ধে যুক্তি নিয়ে তার এবং তার মুরিদদের ইসলাম-বিরোধী গার্বেজগুলো আমু-সামু ব্লগে স্বনামে পোস্ট দিলে সাধারণ পাঠকদের কাছে যেমন তুলোধুনো হতে হবে তেমনি আবার অন্ধ মুরিদদের কাছে তার জনপ্রিয়তা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। এজন্য বিভিন্ন ছদ্মনামে নিজের ঢাক নিজে পিটিয়ে তার নিজের এবং ইসলাম-বিদ্বেষী মুরিদদের লেখাকে অন্যান্য ব্লগে প্রমোট করা হচ্ছে।
ইউরোপ-আমেরিকার ছোট ছোট শহর আর গ্রামাঞ্চলের দিকে সারাদিন ঘুরলেও দু-এক জন মুসলিম খুঁজে পাওয়া যাবে কি-না সন্দেহ। তবে বড় বড় শহরগুলোতে চোখে পড়ার মতো কিছু হয়তো আছে। এই অবস্থায় এক জার্মান ধর্মযাজক ইসলামের প্রসারণের জন্য হতাস হয়ে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে চার্চের মধ্যে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন। মুক্তমনাদের ধর্মগুরুর ক্ষেত্রেও অনুরূপ কোনো ঘটনা ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ব্যাপারটা অ্যাকাডেমিক পর্যায়ে গবেষণার দাবি রাখে।
আরো দেখুন:

সরোয়ার
এপ্রিল ২৯, ২০১১ at ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুক্তমনা গুরু ডঃ অভিজিৎ রায়ের ত্বরান্বিত বিবর্তন-
রুদ্র মোহাম্মদ>তুষার ইমরান>Murtaad Munaafeq>যুঞ্চিক্ত>মেজভাবী (লিংগ পরিবর্তন!)>মানবতাবাদী>………
আমার যে দাড়ি আছে, মেজভাবী জানলেন কীভাবে? তার মানে আমার সাথে তার সাক্ষাত হয়েছে। হ্যাঁ, মেজভাবী ওরফে ডঃ অভিজিৎ রায়ের সাথে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিজনেজ ক্যান্টিনে অনেকবার সাক্ষাত হয়েছে।
এস. এম. রায়হান
এপ্রিল ২৯, ২০১১ at ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সামু ব্লগের ‘মেজভাবী’ আর আমু ব্লগের ‘মানবতাবাদী’ দু-জনেই দাড়ির খবর জানে! মোনাদের দেবতা বলে কথা।
শাহবাজ নজরুল
এপ্রিল ২৯, ২০১১ at ১:১৪ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
রায়হান ভাই,
সদালাপ আবার চালু হওয়াতে ভালো লাগছে। মাঝখানে অনেকগুলো দিন নষ্ট হয়ে গেলো। এটা মনে হয় পূনর্বার চালু হবার পরে প্রথম নতুন পোস্ট।
মনাদের পুরোহিতের বিবর্তনে যে অগাধ বিশ্বাস তাই তা প্র্যাক্টিক্যাল করেও দেখাচ্ছেন। প্রজাতি রক্ষা করতে তো কেবল পুরুষের বিবর্তন হলে চলবেনা, অন্তত একজোড়া পুরুষ ও মহিলা যুগপদ চাই। তাই ঐ সীমাবদ্ধতাটি যে আসলে নগন্য তা বোঝাতে তিনি মহিলাতেও বিবর্তিত হয়েছেন। মনে পড়ছে জনাব আ হা মহিউদ্দিনের কথা। বেচারা ‘সেতারা হাশেম’ নাম নিয়ে মনা-ব্লগে বেশ ভুগেছিলেন। মনারা ঐ নিয়ে হাসি ঠাট্টাও করেছে। এখন এই গুপ্ত বিবর্তনের সময় উনারা কী বলবেন? ‘সবাইকে সমান চোখে দেখা হয়, কিংবা কাউকে ছাড় দেয়া হয়না’ -- এই গর্বভরা বুলির মুক্তমনা(?)-রা কি তাদের পুরুত মশাইকে কিছুটা হলেও রেপ্রিমেন্ড করবেন???
--শাহবাজ
এস. এম. রায়হান
এপ্রিল ২৯, ২০১১ at ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুরিদদের মধ্যে কেউ হলে না হয় একটা কথা ছিল -- কিন্তু আপনি তাদের স্বয়ং দেবতাকে ভর্ৎসনা করতে বলছেন! তাহলে তো দেবতার সৃষ্ট কাল্ট-এর ঐখানেই পরিসমাপ্তি ঘটবে।
এপ্রিল ২৯, ২০১১ at ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
দেখুন আমাদের মেজভাবীর (ডঃ অভিজিৎ রায়) মিথ্যাচার ও মুসলিম বিদ্বেষ-
কার্ডিওলজি জার্নাল প্রসংগে মুক্তমনা ধর্মগুরুর মিথ্যাচার
Roni
এপ্রিল ২৯, ২০১১ at ২:১৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Dear Sir Raihan,
Thanks for the nice article with proof. I was looking for your new article. Now we got it. I think, the person about whom you are saying is mentally ill. His followers are also same. He should immediately get admitted into Mental Hospital, Hemayetpur, Pubna.
Sincerely,
Roni
এস. এম. রায়হান
এপ্রিল ২৯, ২০১১ at ১০:২০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
Many thanks for your comment and for realizing the truth.
শামস
এপ্রিল ২৯, ২০১১ at ২:০৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
হাহাহা…………………মজা পাইলাম।
এম বি আই এইচ মুরাদ
এপ্রিল ২৯, ২০১১ at ৪:৫৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
রায়হান ভাই,
ভাল একটা পোষ্ট। চালিয়ে যান………….
jobbarkhan
মে ১, ২০১১ at ১:৩৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুক্তমনার গুরুই যদি এমন মিথ্যাবাদী, প্রবঞ্চক, ধূর্ত, শয়তানের চ্যালা হয় তাহলে মুক্তমনার বাকী সাগরেদদের অবস্থাও সহজেই বোঝা যাচ্ছে। এসব আল্লাহর শত্রু, ইসলামের শত্রু, মানবতার শত্রুদের মুখোশ খুলে দেওয়ায় আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এরা অসংখ্য দূর্বল ঈমানের তরুনদের বিভ্রান্ত করছে। এদের মূখোশ খুলে দিয়ে যদি একজনকেও শয়তানের নিকট ঈমান হারানো হতে রক্ষা করতে পারেন, তাহলেও নিশ্চয় আল্লাহপাক শেষ বিচারের দিন আপনাকে নিরাশ করবেন না। জনসম্মুখে এই ধরনের শয়তান অভিজিৎ, আকাশ মালিকের মিথ্যাচার, কদর্যতা ধরা খাওয়ার পরতো মানুষ হলেতো লজ্জায় এদের আত্মহত্যা করা উচিত। আবার সূশীল সেজে বড় বড় কথা। ইবলিশের সাগরেদরা ইবলিশকে লজ্জায় ফেলে দিচ্ছে।
বুদ্ধিমান গাধা
জানুয়ারি ৭, ২০১২ at ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুক্তমনাদের টার্গেট শুধু ইসলাম, মুক্তমনা ফোরামে বেশিরভাগ হিন্দু ধর্মের কিন্তু নাস্তিক পরিচয় দিয়া ইসলাম এর সমালোচনা করে
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৩ at ১২:৩৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
১.১ কৌশিক নামে এক ব্লগার তাকে 'জলদাস পাঠক' বলে সন্দেহ করলে নিচের জবাব দেয়া হয়। জবাবে 'যুঞ্চিক্ত' নিক ছাড়া সামুতে আর কোনো নিক নাই বলে দাবি করা হয় এবং কখনো মিছা কথা কয় না বলেও কিরা কাটা হয়। 'রুদ্র মোহাম্মদ' ছদ্মনামে ধরা খাওয়ার পরও একই দাবি করা হয়েছিল। অথচ সমসাময়িক সময়ে সামু ব্লগে তার নিদেনপক্ষে 'মেজভাবী' নিকও ছিল।




১.২ মুসলিম ব্লগারদের সাথে তার বিতর্কের আরো দু-একটি নমুনা দেখুন। মোনাদের ধর্মগুরুর 'ভাষা'ও লক্ষণীয়।
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৩ at ১২:৪৭ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
২.৭ নিচের পোস্টে তার মুসলিম নামধারী বিশিষ্ট ভৃত্যের লিখা বইকে প্রমোট করা হয়েছে।
২.৮ নিচের মন্তব্যে কে যেন 'মেজভাবী'কে 'দ্রোহী' বলে সন্দেহ করেছে। অন্য একটি মন্তব্যে কৌশিক নামে এক ব্লগারও তাকে 'জলদাস পাঠক' বলে সন্দেহ করেছে। ব্যাপারটা বুঝতেই পারছেন। যাহোক, কোনো এক ব্লগার সম্ভবত তার লেখাতে শুধুমাত্র বুশ আর ইজরাইলের কার্টুন দিয়ে পোস্ট দিয়েছে। তা দেখে 'মেজভাবী'র নরম দিলে আঘাত লেগেছে। চিন্তা করেন, কে কোথায় বুশ আর ইজরাইলের কার্টুন পোস্ট করলো তার দিকেও 'মেজভাবী'র তীক্ষ্ণ নজর আছে। বুশ আর ইজরাইলের কার্টুনের সাথে নাকি গো আজম, জামাত, নিজামী, সাইদিদেরও কার্টুন দিতে হবে। অন্যথায় সেই ব্লগার বিশেষ কোন আস্তাবলের প্রমাণ হবে। অথচ 'মেজভাবী'র দ্বিতীয় মন্তব্যে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র কমিউনিস্ট আর ইসলামিস্টদেরকে 'এক্সট্রিমিস্ট' হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের থেকে পৃথিবীকে নিরাপদ দূরত্বে রাখার কথা বলা হয়েছে। সেখানে অন্য কোনো ধর্মের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তার মানে তার বিশ্বাস অনুযায়ী অন্য কোনো ধর্মে এক্সট্রিমিস্ট বলে কিছু নাই, তারা সবাই শান্তিবাদী।
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৩ at ১২:৫৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
৩. 'যুঞ্চিক্ত' নিকের একেবারে সমসাময়িক সময়ে 'জগমোহন' নিক খোলা হয়। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছরে এই নিক থেকে চার-পাঁচ লাইনের মাত্র দুটি পোস্ট দেয়া হয়েছে, এবং দুটি পোস্ট-ই 'যুঞ্চিক্ত'কে ডিফেন্ড করে! এই নিক থেকে ২২টি মন্তব্যেরও প্রায় সবগুলোই 'যুঞ্চিক্ত'কে ডিফেন্ড করে করা হয়েছে! 'যুঞ্চিক্ত' নিক ধরা খেয়ে লেখা বন্ধ করার পর 'জগমোহন' নিকও হাওয়া হয়ে যায়! বাকিটুকু বুদ্ধিমান পাঠকদের উপর ছেড়ে দেয়া হলো। 'জগমোহন' নিকে 'যুঞ্চিক্ত'কে ডিফেন্ড করে দুটি পোস্ট আর একটি মন্তব্য নিচে দেয়া হলো। 'যুঞ্চিক্ত'কে ডিফেন্ড করতে যেয়ে সামু ব্লগের কর্তাদেরকে 'রাজাকার' বলা হয়েছে! তার বিরুদ্ধবাদী ব্লগারদেরকে 'শুয়রের বাচ্চা' বলে গালি দেয়া হয়েছে।
এস. এম. রায়হান
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৩ at ১২:২৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
বাংলা অন্তর্জাল জগতে [মনাদের কাছে 'পারফেক্ট গড' হিসেবে নমস্য] পুরুষ হয়ে নারী সেজে আমগো 'মেজভাবী'ই ইসলামের বিরুদ্ধে প্রথম প্রপাগাণ্ডা শুরু করেন। এর আগে বাংলা অন্তর্জালে কেউ নারী সেজে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে লিখার কোনো প্রমাণ নাই। মেজভাবী সামু ব্লগে রেজিস্ট্রেশন করেছেন আজ থেকে ৫ বছর ৭ মাস আগে। ২৮-শে এপ্রিল ২০১১ সালে গোমটা উন্মোচিত হওয়ার পর থেকে এতদিনে নিদেনপক্ষে একটি পোস্ট কিংবা একটি মন্তব্যও দেখা যায়নি! আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে আমি যে সামু ও সদালাপে 'মেজভাবী'কে নিয়ে পোস্ট দিলাম অথচ তার কোনো রকম প্রতিক্রিয়াই জানা গেল না!!! মনাদের 'গড' কি এতটাই 'লাজুক নারী' যে, পর-পুরুষ তার সম্পর্কে যা-তা বললেও লজ্জায় সব কিছু চেপে যায়!!! অথচ 'মেজভাবী'র গোমটা উন্মোচিত হওয়ার আগে আমাকে ও সরোয়ারকে 'না জেনে! না চিনে!' কীভাবে আক্রমণ ও হেয় করে হয়রান হয়েছেন তা মূল পোস্টে দেখানো হয়েছে।
'মেজভাবী'র গেলমান বা ভৃত্যরা – যারা তাদের ভণ্ড প্রভুকে রক্ষার জন্য অসম্ভব রকমের মিথ্যাচার করেছে – গেল কোথায়? 'মেজভাবী'রই যেখানে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই সেখানে তার ভৃত্যরা মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে তাকে ডিফেন্ড করেছে। চিন্তা করেন, পাঠক। যাকে চোর বলে দোষী সাব্যস্ত করলেন সে কিছু বলছে না, অথচ কিছু মাতাল এসে সেই চোরকে "সাধু" বানিয়ে দিয়ে ডিফেন্ড করছে!
যাহোক, 'মেজভাবী'র দেখানো সেই অভিনব পথ ধরে ইতোমধ্যে তার অনেক অনুসারী হয়েছে। তো আসুন, আমগো 'মেজভাবী'র স্বগোত্রীয় কিছু অনুসারীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া যাক -- যারা পুরুষ হয়ে নারী সেজে ['মেজভাবী'য় কায়দায় অনেক ক্ষেত্রে মুসলিম সাউণ্ডিং নাম নিয়ে মুসলিম ভাণ করে] ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে চরম বিদ্বেষ আর প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে। দেখুন-
মহসিনা খাতুন ওরফে কাফির মহসিনা, সাদিয়া শুমী উজ্জা, নিলু তামান্না, বৃষ্টি ইসলাম, নাফিসা তাবাসসুম, আগনিলা জাহান বৃষ্টি, আসমাউল হোসনা মুন্নী, জুই ডলী এরিনা, জুই ডলী, সামান্তা তাবাসসুম জুই ডলী, বিলকিস, হেলেনা, এলিজাবেথ, রুপবান, ভিক্টোরিয়া, রোকসানা খাতুন লিজা, পরীবানু, মধুবালা, ইত্যাদি।
এত অল্প সময়ে আমগো 'মেজভাবী' ওরফে মগাচিৎ রায় এর এতগুলো 'নারী' অনুসারী হওয়া চাট্টিখানি কথা না! অবশ্য বাস্তবেও তার সব সময় দু-তিন জন করে নারী সাইডকিক থাকে যারা সবাই পারিবারিক সূত্রে বাম ঘরানার, কখনোই ইসলামে বিশ্বাসী ছিল না।
এস. এম. রায়হান
সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৪ at ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মুক্তমনা ধর্মের মুরিদদের প্রতি প্রশ্ন:
এই পোস্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে সামু ব্লগের 'মেজভাবী' গেল কোথায়??? এতদিনেও আমগো 'মেজভাবী'র কোনো পোস্ট বা এমনকি মন্তব্যও নেই কেন!?!
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ২৪, ২০১৫ at ২:৪৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমগো 'মেজভাবী'জিতের বর্ণবাদী লেঞ্জা উন্মোচিত হওয়ার পর সেই যে চম্পট দিল, তারপর আর একটি বারের জন্যও ফিরে এলো না! অবশেষে ২০১৫ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারী বিবর্তনের ধারায় অনন্তকালের জন্য বিলুপ্ত হয়ে গেল! 'মা প্রকৃতি'র প্রতিশোধ বড়ই নির্মম। এরপরও তার খৎনাধারী ভৃত্যরা জেনেশুনেবুঝেও একদিকে আমাদেরকেই মিথ্যাবাদী বলেছে, গালিগালাজ করেছে; অন্যদিকে আবার তাকে 'ঈশ্বর' বানিয়ে পূজা করছে।
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ২৬, ২০১৫ at ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আজকে আমগো 'মেজভাবী'র চারটি পোস্টে নিচের মন্তব্যটা করেছি-
আমগো 'মেজভাবী' কোনো জবাব দেয় কি-না দেখুন। সে বেঁচে থাকলে এই মন্তব্যের অবশ্যই জবাব দেয়ার কথা! দীর্ঘদিন আগে 'মেজভাবী' মুখোশের আড়ালের লেঞ্জা উন্মোচিত হওয়ার পর যেখানে সে নিজেই কিছু না বলে অনন্তকালের জন্য চম্পট দিয়েছে, অভিজিৎ রায়ও কখনোই কিছু বলেনি; সেখানে আকাশ মোল্লা ওরফে হাবিবুর রহমান নামে অভিজিৎ রায়ের এক লন্ডনপ্রবাসী খৎনাধারী দাস দিনের পর দিন ধরে আমাদেরকেই মিথ্যাবাদী, শঠালাপী, ইত্যাদি বলে গালিগালাজ করে আসছে। বুঝাই যাচ্ছে মুসলিমদের সম্পর্কে বর্ণবাদীদের এই মস্তকধোলাই দাসের কোনো ধারণাই নাই। যে স্বেচ্ছায় দাসত্বপণাকে বরণ করে নেয়, সে কখনো মানুষের মতো করে চিন্তা করতে পারে না।
এস. এম. রায়হান
অক্টোবর ২৬, ২০১৫ at ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সামু ব্লগের অ্যাডমিন 'যুঞ্চিক্ত' আইডি থেকে ইসলামবিদ্বেষী পোস্ট মুছে ফেলা প্রসঙ্গে একটি পোস্ট দিয়েছিল। সেই পোস্টে আমি নিচের মন্তব্যটা করলাম-
দিনের আলোয় সত্যকে অস্বীকার করে এক ব্রাহ্মণ প্রভুকে তুষ্ট করার জন্য উল্টোদিকে আমাদেরকেই গালিগালাজ করা ব্রাহ্মণবাদীদের খৎনাধারী দাসেরা দেখুক কারা সত্যবাদী, আর কারা মিথ্যাবাদী-শঠ-প্রতারক।
এস. এম. রায়হান
মার্চ ৬, ২০১৬ at ১২:১২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সামু ব্লগে 'যুঞ্চিক্ত' ও আমগো 'মেজভাবী'র সহি বিনোদন মিস করছি… মা প্রকৃতি বড়ই নিষ্ঠুর!