কানাডার সংবিধানে মৌলিক কাঠামোতে “Freedom of Religion” একটা মৌলিক অধিকার হিসাবে অন্তুভূক্ত থাকা এবং বিশেষ করে লিবারেল পার্টি এবং নিউ ডেমোক্রেটরা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে উদারনৈতিক অবস্থানের কারনে ইসলাম তথা মুসলিমরা রাষ্ট্রীয় ভাবে নিরাপদ। কিন্তু কানাডার একটা প্রদেশ - কুইবেক তার উল্টা পথে হাঁটার চেষ্টা করে। ইতোপূর্বে নেকাব নিষিদ্ধ করার বিষয়ে ফেডারেল সরকারের কিছু চেষ্টা সুপ্রীম কোর্টে বাতিল হলেও কুইবেক আবারও নেকাব নিষিদ্ধ করে এইটা আইন পাশ করেছে - যদিও আইনটির ব্যাখ্যা এবং কার্যকারীতা নিয়ে প্রদেশিক সরকার যথেষ্ট চাপের মধ্যে আছে। বস্তুত এই আইনটি যতটানা সংবিধানের মৌলিক অধিকারে কথা বিবেচনা করা হয়েছে - তার চেয়ে বেশী জনমতকে মুল চালিকা শক্তি হিসাবে দেখানো হয়েছে। বস্তুত ৬০% উপরে জনমত এই ব্যানের পক্ষে। আলোচনা বিষয় এইটা না - কারন সব দেশের রাজনীতিবিদরা কিছু ইস্যু ব্যবহার করে জনগনকে ব্যস্ত রাখতে - যাতে জনগন সরকারের দূর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনা আর সমাজের বৈষম্যমুলক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা না করতে পারে।
লক্ষ্যনীয় যে পুরো কানাডার মধ্যে সর্বনিম্ন মাত্র ৫৬% মানুষ নেকাব ব্যানের পক্ষে হলেও শুধুমাত্র কুইবেক সরকার এই কাজটা কে করছে। উত্তরটা খুবই সহজ - কুইবেকের অধিকাংশ মানুষ ধর্মকে ঘৃনা করে - কথা বলতে শুনেছি এক কুইবেকারের কাছে। উল্লেখ্য যে কুইবেকে রাস্তার নামগুলোর দিকে তাকালে যে কোন মানুষের ভিন্ন ধারনা হবে - কারন কুইবেকের বিশেষ করে রাজধানী মন্ট্রিয়লের রাস্তাগুলো অধিকাংশের নাম কোন না কোন খৃষ্টান আলেম ওলামাদের নামেই। শহরের রাস্তাগুলোতে শোভা বর্ধন করে আছে সুউচ্চ গির্জ্জাগুলো - দেখলে মনে হবে এইটা একটা ধর্মস্থান - বাস্তবে গিজ্জাগুলো বস্তুত খালি থাকে - নানান ধরনের এনজিও সেখানে ভাড়া নিয়ে অনুষ্ঠান বা ক্লাশ করিয়ে বাতি জ্বালানো খরচ যোগায়। এক সময়ে মন্ট্রিয়লে ধর্ম চর্চা হতো - কিন্তু খৃষ্টান ধর্মযাজকদের নানান অনিয়ম আর অপকর্মের কারনে মানুষ ধর্ম থেকে সরে গেছে - শুধু সরেই যায়নি - রীতিমতো ঘৃনা করা শুরু করেছে। বর্তমান কালে দৃশ্যমান ধর্মচর্চাকারী মুসলিমদের উপর সেই ঘৃনার ছোবল এসে পড়ছে। যার ফলাফল হিসাবে দেখেছি গত রমাদানে মসজিদের গিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে মুসল্লীদের হত্যা করার মতো ঘটনাও ঘটেছে কুইবেকে।
কুইবেক প্রদেশে এই নাস্তিকতার বিস্তার পিছনে যে সকল কারন কাজ করেছে তা হলো - খৃষ্টান ধর্মযাজকদের কর্তৃক শিশুদের উপর যৌন নির্যাতন - যার মুল তাদের স্বরোপিত বৈরাগ্য আর আদিবাসীদের বাচ্চাদের উপর বডিং স্কুলে এনে খৃষ্টান বানানোর জন্যে নির্যাতন। এক সময় এই সকল নির্যাতনকে লুকিয়ে রাখা হতো ধর্ম রক্ষার নামে - উইকি পিডিয়ায় দেখা যায় -
From 2001 to 2010 the Holy See, the central governing body of the Catholic Church, considered sex abuse allegations involving about 3,000 priests dating back fifty years.[11] Cases reflect worldwide patterns of long-term abuse as well as the church hierarchy’s pattern of regularly covering up reports of alleged abuse.[note 1] Diocesan officials and academics knowledgeable about the Roman Catholic Church say that sexual abuse by clergy is generally not discussed, and thus is difficult to measure
- এই যৌন নির্যাতন ব্যাপক ছিলো - এক সময় নির্যাতিতরা জনসমুখে এসেছে - তাদের মুখ খুলেছে - ফলাফল - সাধারন মানুষ যাদের ফেরেস্তা বিবেচনা করতো - তাদের ঘৃনা করতে শুরু করেছে - যা এক সময় ধর্ম থেকে মানুষকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
(২)
ইদানিং কালে বাংলাদেশের এক মুফতি ইসলাম ত্যাগ করেছে - সে অনলাইনে ব্যাপক নেতিবাচক প্রচারনা চালাচ্ছে ইসলামের নানান বিষয়ে বিভ্রান্তিক ব্যাখ্যা দিয়ে। মনোযোগ দিয়ে তা কিছু লেখা পড়লাম আর কিছু ভিডিও দেখলাম। বাস্তবিক পক্ষে ভদ্রলোক বিভ্রান্ত - সুষ্পষ্ট করে নিজেকে নাস্তিকও বলছে না আবার ইসলামের নামে নেতিবচক কথা বলছে। সে তার বক্তব্যে যেটুকু সুষ্পষ্ট করে বলতে পারছে তা হলো তার আশ্রয়দানকারী নাস্তিকদের বক্তব্যের অংশটুকু - বলাই বাহুল্য সেই অংশটুকু সুলিখিত এবং সুষ্পষ্ট। বাকী সবটুকুই বিভ্রান্তিমুলক। বস্তুত উনি ফিতনা সৃষ্টি করছে।
একজন বা কয়েকজন আলেম বা মুফতি ইসলাম ত্যাগ করলে তেমন কোন ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না - এইটা সহজ কথা। কোন আলেমে কথাশুনে কেউ ইসলাম পালন করলে তার জন্যে সমস্য কিন্তু যারা ইসলাম মুল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত তাদের জন্যে কোন সমস্যা না। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই জ্ঞানভিত্তিক ইসলাম চর্চা করে না - তারা অনুসরন করে কোন না কোন মতাদর্শ - আর আলেমরা তাদের পথ প্রদর্শক - সেই ক্ষেত্রে এই ধরনের ফিতনায় পতিত হওয়ার লোকের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়বে বলেই অনুমান করি। (আল্লাহ আমাদের সবাইকে ফিতনা থেকে রক্ষা করুন)।
আরেকদল আলেম জানবাজি রেখে কথিত এই মুফতির সাথে বাকযুদ্ধ করে যাচ্ছে - সেইটাই স্বাভাবিক। এতে তার বিভ্রান্তির প্রচারে কিছুটাই হলে গতি হারাবে। কিন্তু তার কিছু অভিযোগ যা মাদ্রাসা - বিশেষ করে এতিমদের মাদ্রাসার বিষয়ে করেছে তা ভয়াবহ। তার উত্থাপিত অভিযোগের যদি একশ ভাগে এক ভাগও সত্য হয় - তবে তা বাংলাদেশে প্রচলিত ধর্ম চর্চার কাঠামোকে প্রবল ভাবে আঘাত করবে। তার অভিযোগ অনুসারে বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলো - বিশেষ করে বোডিং গুলোতে সমকাম - সুষ্পষ্ট করলে বললে বলতে হয় কিশোরদের উপর বলৎকারের চর্চা ব্যাপক। এই ধরনের অভিযোগ আগেও শুনেছি - কিন্তু এবারই একজন দায়িত্বনিয়ে এই অভিযোগ জনসমুখে উপস্থাপন করলো। যদি ঘটনার পিছনে সত্যতা থাকে - তবে একসময় সেই কিশোররা তাদের নির্যাতনের কথাগুলো প্রকাশ্যে বলার জন্যে এগিয়ে আসবে - বিশেষ করে যখন এই অভিযোগ উপস্থাপন তাদের জন্যে সামান্য হলেও প্রতিকারের বা সমবেদনার জায়গা তৈরী হবে। এতিম শিশু-কিশোরদের এক সময় প্রকাশ্যে কথা বলানোর জন্যে একদল মানুষ এগিয়ে আসবে। সেইটা হবে খুবই খারাপ সময়। বাংলাদেশের ইসলাম চর্চা যেহেতু আলেম নির্ভর - আর আলেমদের নামে যদি যৌন -নির্যাতনের অভিযোগগুলো বিশ্বাসযোগ্য করে উপস্থাপিত হয় -তবে বর্তমান ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে - যারা সামাজিক চাপে বা পারিবারিক চাপে নিজেদের ধর্মবিদ্বেষকে লুকিয়ে রাখে - তারাও সোচ্চার হবে ইসলামের বিরুদ্ধে।
(৩)
ইংরেজীতে একটা কথা আছে এলিফেন্ট ইন দ্যা রুম। বাইরে থেকে এই হাতি দেখা যায় না - কিন্তু ভিতরে যারা আছে তারা দেখে কিন্তু স্বীকার করে না। এই স্বীকার না করার জন্যে তাদের অতি-উচ্চমূল্য দিতে হয় -যার কথা শুরুতেই বলেছি। আশা করি বাংলাদেশের ইসলাম চর্চার উপর এই ধরনের কোন আঘাত আসবে না। এইটা আমরা বাইরে থেকে আশা অথবা দোয়া করতে পারি। কিন্তু যারা মাদ্রাসা শিক্ষা - বিশেষ করে এতিমখানার শিক্ষাকে অচলায়তন করে আগলে রেখেছে - দলে দলে এতিমদের হাফেজ বানিয়ে সমাজে ছেড়ে দিচ্ছে পরনির্ভরশীল জীবন যাপনের জন্যে - তার নিশ্চয় জানে ঘরের ভিতরে হাতি আছে কিনা। কথিত মুফতির বিরুদ্ধে জেহাদ করার পাশাপাশি নিজেদের ঘরের ভিতরের সমস্যাগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী। আশা করি বাংলাদেশের কওমী শিক্ষার সাথে জড়িতরা এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন।
শেষ কথা হলো - আলিয়া মাদ্রাসা নামে যে শিক্ষা ব্যবস্থা আছে তা না হাঁস না সজারু - সেই ব্যবস্থার ভিতরে এই কিশোরদের যৌন নির্যাতনে অভিযোগ অনেক পুরানো। তারাও হয়তো একসময় বিপর্যয়ের সাথে হবে - কারন বালির নীচে মুখ গুজে নিনের মুখ লুকানো যায় কিন্তু ঝড়কে ঠেকানো যায় না।

মোঃ তাজুল ইসলাম
নভেম্বর ৬, ২০১৭ at ২:৪৪ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
জিয়া ভাই,
আসসালামু আলাইকুম।
ভাল একটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন। কওমী মাদ্রাসা এবং মোল্লাদের বাড়াবাড়ি ছোট বেলা থেকেই খেয়াল করে আসছি। এরা দিনে দিনে ভয়ংকর রুপ ধারন করতেছে। তারা প্রচার চালাচ্ছে ইসলাম শিখতে হলে, জানতে হলে তাদের কাছে যেতে হবে এবং এই রকম বয়ান তারা সর্বদা মসজিদগুলোতে করে যাচ্ছে। তাদের দাবী, একমাত্র আলেম সমাজ সঠিক পথে আছে, বাকি সবাই পথভ্রষ্ট।
আমি মসজিদের বেশির ভাগ ঈমামদের দেখি নামাজ চোর। মাগরীব ও এশার নামাজে প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতিহা পাঠ করে সুন্দর ভাবে, আস্তে আস্তে। আর ৩য় এবং ৪র্থ রাকাতে সুরা ফাতিহা পাঠ করে কিনা আমার সন্দেহ। ফাতিহার ৩ বা ৪ আয়াত পাঠ করার সময় তারা রুকুতে চলে যায়। এই অবস্থা বাংলাদেশের বেশির ভাগ মসজিদে। যারা নামাজ চোর এরা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় চোর। এই চোর দের পিছনে নামাজ শুদ্ধ হয় কিনা আমি সন্দিহান।
ঢাকার নামাজিদের মধ্যে একটা সংখ্যা দুর্নিতীবাজ, ঘোষখোর, কুকর্মে লিপ্ত আছে কিংবা ছিল। তাদের ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন… সব কিছু পেরেশানি, অস্থিরতা ও অশান্তিতে নিমজ্জ্বিত। জুম্মার নামাজে দেখা যায় খতিব, ঈমামদের পিছনে লাইন দেয়, তাদের টাকা দিয়ে নিজেদের পেরেশানির জন্য দোয়া করতে বলে। বাসায় বাসায় মিলাদ। আগে কেউ মারা গেলে বা মরহুম পিতামাতার জন্য দোয়ার ব্যবস্থা করত। এখন নিজেদের পেরেশানির জন্য মিলাদের আয়োজন। অথচ কেউ বোঝে না, জানে না কোরানে কি লিখা আছে। হারাম উপার্জন ইবাদতে কোন কাজে আসে না, ইহা এই নির্বোধদের বোঝে আসে না। হালুয়া মার্কা মোল্লাদের পিছনে দৌড়ায়। যার কারনে, মোল্লারা সমাজে নিজেদের কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সমার্থ হয়েছে এবং সেই কতৃত্ব মজবুত করতে উঠেপড়ে লেগেছে। বিশ্ব কোথায় এগিয়ে যাচ্ছে তারা পরে আছে উগারতলায়। দুনিয়া সম্পর্কে কোন ধারনাই নাই। এদের জ্ঞান থাকে হাটুর মধ্যে সীমাবদ্ধ।
১৩/১৪ বছর পূর্বে মুগদা পাড়া মাদ্রাসার ছাত্রের সাথে কথা বলার সুযোগ হয়। নির্দিধায় পরিস্কার করে বলেছে, মাদ্রাসার বর্ডিং গুলোতে অনেক হুজুরেরা শিশুদের বলাৎকর করে। সে নিজেও বলাৎকরের শিকার হয়েছে। সহজেই অনুমেয়, বাংলাদেশের অনেক মাদ্রাসার বর্ডিংগুলোতে শিশুদের ধর্ষন করা হয়। এটা নতুন নয়, প্রকাশ পেয়েছে অনেক আগেই কিন্তু মিডিয়ায় তেমন নাড়া দেয়নি।
অভিজিত অ্যান্ড গ্যাং ইসলাম বিদ্বষীরা ইসলামের জন্য যতটুকু ক্ষতিকর, তাদের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর এই সকল মোল্লা/আলেম নামক জানোয়াররা। দাড়ি টুপি পরিধান করে এই সকল মুনাফিকরা ইসলাম-কে বিশ্ববাসিদের হাসাচ্ছে।
মোঃ তাজুল ইসলাম
নভেম্বর ৬, ২০১৭ at ২:৫৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সমাজের মোল্লা বা আলেম সবাই নয়। তাদের মধ্যে একটা সংখ্যক চরম নিকৃষ্ট মোনাফেকি কর্মে লিপ্ত। তাদের কারনে পুরা আলেম সমাজ প্রশ্নবিদ্ধ। আলেমদের অনেকেই আছেন, যারা পবিত্রতার জীবন যাপন করেন এবং ভাল চরিত্রের অধিকারী।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
নভেম্বর ৭, ২০১৭ at ৮:১৯ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
ওয়ালাইকুম আসসালাম,
আপনার মতো মানুষ আছে -- সেইটাই আশার কথা। মুল বিষয়টা আপনিও জানেন। কিন্তু কেউ কি কিছু করছে। এইটা বন্ধ করা জরুরী। নতুবা বানের মতো ধ্বস নামবে -- এক সময় এই নির্যাতিত শত শত মানুষ এক হয়ে যখন কিছু একটা করবে -- তখন হয়তো সময় থাকবে না।
আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন।
Kamal
নভেম্বর ৬, ২০১৭ at ১০:৩১ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
কানাডার মানুষ খ্রীস্ট ধর্ম ঘৃণা করছে এটা ভাল। কিন্তু তারা খ্রীস্ট ধর্মকে ঘৃণা করে ইসলামের দিকে না সরে নাস্তিক্যবাদের দিকে সরে যাচ্ছে কেন? আপনারা কানাডায় বসে কি করছেন?
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
নভেম্বর ৭, ২০১৭ at ৮:১৬ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আপনের কথা বুঝি নাই -- বুঝায়া বলেন।
এস. এম. রায়হান
নভেম্বর ৭, ২০১৭ at ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
মাদ্রাসাগুলোতে কিশোরদের উপর বলৎকারের কথা অনেকদিন ধরেই বাংলা অন্তর্জালে শুনে আসছি। তবে এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র বা পরিসংখ্যান নজরে পড়েনি। তথাপি বিষয়টা নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত বলে মনে করি।
এদিকে 'সহী সুন্নতী' চেহারার দাড়ি-টুপিওয়ালা এক হুজুর নিজেকে 'হাজি-আলেম-মুফতি-মাওলানা' দাবি করে ইসলামের নবীর বিরুদ্ধে বিষোদগার শুরু করার সাথে সাথে বর্ণমনাদের কাছে রাতারাতি 'দেবতা' হয়ে গেছে! সেই সাথে ইসলামবিদ্বেষী খৎনাধারী-বাম-কম্যুনিস্ট ছাগলগুলাও তাকে প্রমোট করছে! এই প্রথম তারা একজন দাড়ি-টুপিওয়ালা দেবতা/সহোদর পেয়েছে! অথচ এই চেহারার লোকজনকে তারা চরম ঘৃণা করে!
মজার বিষয় হচ্ছে 'সহী সুন্নতী' চেহারার হুজুররা তার জন্য বেশ বেকায়দায় পড়েছেন! ঠ্যালায় পড়ে কেউ কেউ তার অভিযোগের জবাবও দিচ্ছেন! অথচ এতদিন ধরে তারা একেবারে নীরব ছিলেন। তার মানে 'সহী সুন্নতী' চেহারার হুজুরদের কাছে মূলত 'বাহ্যিক চেহারা'টাই গুরুত্ব পায়!
Madhumangal Saha
নভেম্বর ৯, ২০১৭ at ৮:৫২ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ কোরান (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতামত ,আমি fb তে দেখেছি ,সত্যমিথ্যা জানি না ) তাহলে প্রাথমিক থেকে শুরু ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত কোরান পরান, কারন এটি পোড়েই সবকিছু যানা সাম্ভভ ,কবির লেখা ধার করে বলতে হই ——— মা গো আমি পৌঁছে গেছি সব পেয়েছির দেশে ,আশা করি আমি ভুল বলিনি , Ainstatine,সত্তেন্দ্রনাথ বসু ,হবে কি না জানি না তবে বাংলাভাই এর মতো গড ফাদার জন্মাবে ,দায়িত্ব নিয়ে বলছি ,একটু খোঁজ নিন মুস্লিম টেরর গুলি মাদ্রাসা থেকে তৈরি ,
চমকপ্রদ
নভেম্বর ১৯, ২০১৭ at ৯:৩৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
প্রবাদ আছে, "দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।" মাদ্রাসার দ্বারা যদি দ্বীনের খেদমতের পরিবর্তে দ্বীন ও মানবতার ক্ষতির পাল্লাটাই ভারি হয়, তাহলে এ বিষয়টা পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে। মানুষের জীবন, ঈমান ও পবিত্রতা রক্ষা করা হলো ফরয, পক্ষান্তরে কোরআন মুখস্থ করা ফরয নয়। আর দ্বীন শিক্ষার জন্য আবাসিক ব্যবস্থাই বা এ যুগে থাকা কতটা জরুরী, সেটাও ভেবে দেখার বিষয়। স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি যদি অনাবাসিক ভাবেই চলতে পারে, তাহলে মাদ্রাসা কেন আবাসিক ব্যবস্থা ছাড়া চলতে পারবে না? আর আজ যেখানে আমরা ইন্টারনেটে কোরআন অর্থসহ শিখতে পারছি, প্রয়োজনে হাদীসও শেখার সুযোগ আছে, সেখানে মুরগীর খোপের মতন প্রিজন ভ্যান সদৃশ মাদ্রাসাগুলোতে বন্দী থাকতে হবে কেন? মসজিদে দিনের বেলা কি দ্বীন শিক্ষা দেয়া যায় না?
আর মাদ্রাসা বা এতিমখানা যদি আবাসিক ভাবে চালু রাখতেই হয়, তাহলে শিক্ষক ও তত্ত্বাবধায়কগণকে অবশ্যই পরিবার সহ থাকার ব্যবস্থা করা উচিত। আর দাড়ি-গোঁফ গজানোর আগ পর্যন্ত শিশুদের তত্ত্বাবধান মহিলাদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।
চমকপ্রদ
নভেম্বর ২০, ২০১৭ at ১১:৩৩ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
সম্ভবত দুনিয়া কামানোতে দ্বীনের ব্যবহারেরই একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে এ ধরনের ফেতনা। আমরা ব্লগাররা যেমন কোন পারিশ্রমিক ছাড়াই ইসলামের খেদমতে লেখালেখি করে থাকি, আলেমগণ ধর্মীয় এবাদত ও ধর্মশিক্ষাদানের কাজটা যদি এরকম বিনিময় ছাড়া করতেন, তাহলে হয়তো এরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটত না। কারণ, যে কাজে পার্থিব প্রতিদানের সম্ভাবনা কম থাকে, সে কাজে বিকৃতরুচির মানুষের আগমন ও অংশগ্রহণের মাত্রাটাও কম থাকবে এবং ব্যাপকভাবে গাদিয়ে অনিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে শিশুদের রাখার প্রয়োজনীয়তাটাও কম হবে।
Mreenal Hasan
নভেম্বর ২২, ২০১৭ at ১২:২৬ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
খুব গুরুত্বপুর্ণ একটা ইস্যু। ইসলামের স্বার্থে যারা কাজ করে, তাদের উচিত বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করা উচিত। বাইরের আঘাত সহ্য ও প্রতিরোধ করা যায়, কিন্তু ভিতরের আঘাত খুব ক্ষতিকর। ইসলামের মুল চেতনায় আঘাত দেয়ার মত একটি অভিযোগ। এজন্য মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার কথা অনেক দিন থেকে বলা হচ্ছে। কিন্তু তা হালে পানি পাচ্ছেনা। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হলে, তাকে সন্দেহ করা হচ্ছে ইসলামি শিক্ষাব্যাবস্থা ধ্বংসের ষড়যন্ত্র হিসাবে। কোন আলেম বা ইসলামী সংগঠন থেকে বলা হলে, তাদের কে বলা হচ্ছে ইহুদী খ্রিষ্টানের দালাল। অপর দিকে মুভ ফাউন্ডেশনকে ঠিকই কওমী মাদ্রাসায় কাজ করতে দেয়া হচ্ছে ( বলা হচ্ছে মুভ ফাউন্ডেশন নাকি জার্মান খ্রিষ্টানদের সংগঠন)।
বাহিরের দিকে যত মরিয়াছি ভিতরের দিকে তত,
গুনতিতে মোরা বাড়িয়া চলেছি গরু ছাগলের মত।
পৃথবীতে মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ায়ে লাভ নাই, বরং যা আছে তার জন্য এমন শিক্ষার ব্যাবস্থা করা যাতে করে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যান সাধিত হয়। কিছু কুলাঙ্গারের জন্য পবিত্র ইসলাম যেন কারো ঘৃনার পাত্রে পরিনত না হয়।
লেখক কে অনেক ধন্যবাদ।
Lonely Shepherd
ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭ at ১২:১৮ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
আমার ফুফাতো ভাই মাদ্রাসায় পড়ত। সেও মাদ্রাসায় সমকামীতার দৃষ্টান্ত দেখেছে। এটা সত্যিই দুঃখজনক
মাহফুজ
ডিসেম্বর ২৯, ২০১৭ at ১২:২৫ অপরাহ্ণ (UTC 6) Link to this comment
পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
আপনার লেখাটির সাথে সম্পর্ক রাখে, তাই দিলাম-Punish the homosexuals/ সমকামীদের সাজা চাই-