Shodalap

An inclusive e-journal for Bangladeshis for home and abroad
Subscribe

মুক্তিযুদ্ধ প্রতিদিনঃ শহীদ আবু তাহের পাঠান

March 22, 2010 লিখেছেন: নুর মোহাম্মদ কাজী Category: বাংলাদেশ-Bangladesh

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি লেখা শুরু করলে লেখা আগাতে চায় না। লিখতে চাই অর্জিত বাংলাদেশের সুখ গাঁথা। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কথা। তা আর লেখা হয় না। ছোট ছোট অনেক দুঃখের স্মৃতি মনের কোনে এসে জমা হয়। মন ভার হয়ে উঠে। অজান্তে চোখে পানি এসে যায়। বুকে পাষাণ ভার অনুভব করি। গলার কাছে কান্নার পাথর এসে জমা হয়। মনে হয় অনেকক্ষন কাঁদতে পারলে বুকের ভার লাগব হবে। কিন্তু কাঁদতে পারিনা। আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। ঘুমঘুম লাগে। চিন্তা করতে থাকি এতসব টুকরা টুকরা ঘটনা কোনটি দিয়ে শুরু করব। চিন্তা করতে গিয়ে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ি, জানি না।

সুপরিকল্পিতভাবে বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা হয়: তদন্ত-প্রতিবেদন

March 22, 2010 লিখেছেন: Panjeri Category: প্রতিবেশী রাষ্ট্র- Neighbours

নিছক ধর্মীয় উন্মাদনার বশে নয় বরং দীর্ঘ-সময় নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ভিত্তিতে ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যার বাবরী মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছিলো। আর এ-ব্যাপারে ভালোভাবেই অবগত ছিলেন হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শীর্ষ দুই নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আদভানী। বাবরী মসজিদ ধ্বংসের ১০ দিনের মাথায় বিচারপতি মনমোহন সিং লিবারহান-এর নেতৃত্বে গঠিত সরকারী তদন্ত কমিশনের সদ্য-প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ-তথ্য। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ভারতের পার্লামেন্টে লিবারহান-প্রতিবেদন উত্থাপন করেছে সরকার। ১৭ বছর সময় নিয়ে তৈরী হওয়া প্রতিবেদনটির কিছু অংশ সোমবার একটি দৈনিক পত্রিকাতে ফাঁস হয়ে যাবার ফলে ব্যাপক চাপের মুখে পড়ে যায় কংগ্রেস পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকার। প্রায় পাঁচ-মাস আগে স্বরাষ্ট্র-মন্ত্রনালয়ের কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেয়া হয়েছিলো বলে জানা গেছে।

আমার ছোট্ট এক টুকরো জমিন

March 21, 2010 লিখেছেন: mariner Category: সাহিত্য-Literature

আমার এই ছোট্ট এক টুকরো জমিন-
কি এমন মধু রয়েছে তাতে?
সেই কবে থেকে বর্গীরা আসছে তো আসছেই
হাড় জিরজিরে অবোধ মানুষের সব লুটে পুটে খেতে।
আমার এই এক টুকরো ছোট্ট জমিন,
ঠিক কবে প্রথম তস্করদের নজরে পড়েছিল?
মনে করতে চেষ্টা করি – সে এক বিশাল ধারাবাহিকতা:
পলাশী থেকে মাগুরছড়া, টেংরাটিলা কিংবা মন্দিরটিলা
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে লুটপাটের উপাখ্যান-
কখনো বন্ধুবেশে, কখনো বণিকের বেশে এসেছে লুটেরারা-
কখনো ত্রাণকর্তা হিসেবে, আমায় উদ্ধার করতে।

@আইভি আপা এবং ফারুকভাই

March 21, 2010 লিখেছেন: antibhondo Category: ইসলাম-Islam

ইন্টার্নেট থেকে সঙগৃহিত কোনো এক্টা লেখায় আইভি আপা এক্টা কমেন্ট করেন। আমি তার জবাব সেখানে দিয়েছি, তবে জরূরি মনে হওয়ায় আলাদা পোস্ট দিচ্ছি।

আইভি says:

“But the Quran was written down as soon as the Prophet died.”

—– সূরা আত-তুরে বলা আছে ৫২:২-৩
And a well-scored Book it is.Written on fine parchment, unrolled, open for everyone to read, widely published.

হযরত মুহম্মদ (সাঃ) বিশ্বস্ততার সাথেই তাঁর কর্তব্য পালন করে গেছেন। সেখানে নবীর মৃত্যূর পর বিভিন্ন জায়গা থেক কোরানের আয়াত সংগ্রহ করে কোরান সংকলনের কথা বিশ্বাস যোগ্য নয়।

বৃক্ষের পরিচয় ফলে: তাই নাকি!

March 20, 2010 লিখেছেন: এস.এম. রায়হান Category: ইসলাম-Islam, বিশ্ব-World

৯-১১ নাটকের পর থেকে মুসলিমদেরকে উদ্দেশ্য করে “বৃক্ষের পরিচয় ফলে” প্রবাদ বাক্যটি হর-হামেশাই শোনা যায়। ৯-১১ নাটকের আগে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে এরকম কোন প্রবাদ বাক্য কেউ শুনেছেন বলে মনে হয় না। আর “ইসলাম” নামক বৃক্ষের “ফল” হিসেবে দেখানো হচ্ছে বিন লাদেন, তথাকথিত আল-কায়েদা সন্ত্রাসী, আত্মঘাতী হামলাকারী, নারী নির্যাতনকারী, খুনী, ধর্ষক, চোর-বাটপার, জেএমবি জঙ্গি, ও বাংলাভাই ধরণের লোকজনকে। বিষয়টা নিয়ে সামান্য আলোকপাত করা যাক। প্রথমে প্রকৃতি থেকে একটি উদাহরণ হিসেবে অ্যাপেল গাছের কথাই ধরা যাক। একটি অ্যাপেল গাছে হাজার হাজার অ্যাপেল ধরে। কিন্তু খারাপ আবহাওয়া, পোকা-মাকড়, দুষ্ট পোলাপান, ইত্যাদি বহিরাগত কারণে পোক্ত হওয়ার আগেই কিছু অ্যাপেল গাছ থেকে ঝড়ে পড়ে অথবা পচে নষ্ট হয়ে যায়। এই বহিরাগত উৎপাত এড়ানোর জন্য গাছের মালিক বিভিন্ন সতর্কতার আশ্রয় নেয়। যেমন পোকা-মাকড় থেকে রক্ষার জন্য কীটনাশক ব্যবহার করা হয়; দুষ্ট পোলাপানের হাত থেকে রক্ষার জন্য বেড়ার ব্যবস্থা করা হয়; ইত্যাদি। দিন শেষে প্রায় ৭০-৯০ ভাগ ভাল অ্যাপেল সংগ্রহ করা হয়। গাছের মালিক তাতেই খুশী।

অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে অনেক শিশু

March 19, 2010 লিখেছেন: Panjeri Category: বাংলাদেশ-Bangladesh

বাংলাদেশে সম্প্রতি শিশুদের অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা ক্রমশ:ই বাড়ছে বলে জানাচ্ছে দেশটির আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের কাছে এই তথ্য রয়েছে যে, মহানগরগুলোতে চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, ছিনতাই থেকে শুরু করে হত্যাকান্ডের মত ঘটনায় শিশুরা ব্যবহৃত হচ্ছে। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক নববিক্রম কিশোর ত্রিপুরা জানিয়েছেন এ সংখ্যা ক্রমশ:ই বাড়ছে। যদিও অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়া শিশুদের সংখ্যা ঠিক কত এবং এখন পর্যন্ত ঠিক কোন ধরনের শিশুরা এ ধরনের কাজে ব্যবহার হচ্ছে এবং কি অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তার কোন সুনির্দিষ্ট এবং বিস্তারিত বিবরণ নেই আইন-শৃংখলা রক্ষাকারীদের হাতে। তবে সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর কিংবা জাতিসংঘ শিশু তহবিল বলছে প্রধাণত যেসব শিশুরা পরিবার থেকে বেরিয়ে রাস্তায় চলে আসছে তারাই পড়ছে অপরাধী চক্রের খপ্পরে।

You might as well reject the Quran, too!

March 19, 2010 লিখেছেন: antibhondo Category: ইসলাম-Islam

Here is how I would imagine myself debating with such a person.

ME: You might as well reject the Quran, too, then.
REJECTOR: Why?

ME: They come down to us by the same medium, that is, oral transmission, backed by a chain of narrators.
REJECTOR: But the Quran was written down as soon as the Prophet died. Hadith was not.

এক পুরুষ = ২ মহিলা?

March 19, 2010 লিখেছেন: ফারুক Category: ইসলাম-Islam

কয়েকদিন আগে একটা পোস্ট লিখেছিলাম শুধুমাত্র কোরান অনুসরন করলে মুশ্কিল কোথায় জানার জন্য। সেখানেও উঠে এসেছে এক পুরুষের সাক্ষ্যর সমান দুই মহিলার সাক্ষ্য। হাদীসের কথা বলতে পারিনা, তবে কোরানের আয়াত কে যে ভুলভাবে উপস্থাপন করে এক পুরুষ = ২ মহিলা, এই প্রচার চালানো হচ্ছে তাতে কোন ভুল নেই।

মহিলাদের স্মৃতিশক্তি নিশ্চয় পুরুষের থেকে দুর্বল নয় যে, দুইজন নারীর সাক্ষ্য একজন পুরুষের সাক্ষ্যের সমান হবে!! এই অর্থে কোরান বিদ্বেষী বা স্কেপ্টিকদের সমালোচনা যৌক্তিক। এই সমালোচনার জবাব দেয়ার আগে, চলুন দেখা যাক কোরানে আসলেই কি বলা হয়েছে-

ইসলাম ও কোরআনে বিশ্বাসের ভিত্তি

March 17, 2010 লিখেছেন: এস.এম. রায়হান Category: ইসলাম-Islam, বিশ্ব-World

প্রত্যেক ধর্মে বিশ্বাসীরাই যেহেতু এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করে সেহেতু এটি একটি কমন বিশ্বাস। অধিকন্তু, এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের স্বপক্ষে ইতোমধ্যে তিনটি স্বতন্ত্র প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে। ফলে “সৃষ্টিকর্তা আছেন” ধরে নিয়ে যৌক্তিক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে এই লেখাটিকে বিবেচনা করতে হবে। একটি গ্রন্থ এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার বাণী বা রেভিলেশন কি-না- সেটা বিবেচনায় নেয়ার আগে নিদেনপক্ষে দুটি শর্ত পূরণ করতেই হবে:

শর্ত-১: গ্রন্থটিকে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার বাণী বলে দাবি করতে হবে। অর্থাৎ গ্রন্থটি যে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার বাণী- সেটা গ্রন্থের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে লিখা থাকতে হবে। দাবি করাটা কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে গ্রন্থকে সৃষ্টিকর্তার বাণী বলে দাবিই করা হয়নি সেই গ্রন্থকে আবার সৃষ্টিকর্তার বাণী হিসেবে বিশ্বাস করাটাই তো বোকামি। আগে তো দাবি করতে হবে- তারপরই না কেবল দাবিটা সত্য নাকি মিথ্যা এবং সেই সাথে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন আসবে।

জিহ্বার রক্ষণাবেক্ষণ করা – ২

March 17, 2010 লিখেছেন: 55muslim Category: ইসলাম-Islam

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আস সালামু আলাইকুম!

গীবত ও পরচর্চার নিষিদ্ধকরণ

এ দু’টো জিনিস হচ্ছে সবচেয়ে গর্হিত ও ঘৃণ্য জিনিসগুলোর অন্যতম, তবুও মানবজাতির মধ্যে এগুলো এমনভাবে ছড়িয়ে রয়েছে যে, কোন ব্যক্তিই এর থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত নয়, শুধুমাত্র কিছু লোক ছাড়া৷

গীবত বা পরনিন্দা তখনই করা হয়, যখন আপনি কোন ব্যক্তি সম্পর্কে এমন কিছু উল্লেখ করেন যা (তার অনুপস্থিতিতে, উল্লিখিত হলে) সে ঘৃণা করতো বা শুনে কষ্ট পেতো; হোক তা তার শরীর সম্পর্কে, তার দ্বীনের আচরণাদি সম্পর্কে, তার দুনিয়াবী বিষয়াবলী সম্পর্কে, তার নিজের সম্পর্কে, তার শারীরিক গঠন সম্পর্কে, তার চরিত্র সম্পর্কে, তার সম্পদ সম্পর্কে অথবা তার সন্তান, তার বাবা, তার স্ত্রী, তার চাকর, তার গোলাম, তার পাগড়ী, তার পোশাক, তার হাঁটার ধরন, তার হাসি, তার অসচ্চরিত্রতা, তার ভ্রূকুটি করা, তার উৎফুল্লতা বা উপরোল্লিখিত যে কোন কিছুর সাথে সম্পর্কযুক্ত৷ তেমনিভাবে, তা গীবত হবে যদি আপনি ওরকম কিছু মুখে উচচারণ করেন, লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করেন বা আপনি তাকে চোখ, হাত বা মাথার ইশারায় নির্দেশ করেন৷