September 02, 2010
লিখেছেন: তুষার
Category: ইসলামবৈরীতা-Anti Islam
কেন একজন ইহুদী, খৃষ্টান কিংবা বিধর্মী দাঁড়ি রাখলে সে তার ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করছে বলা হয় অথচ একজন মুসলমান একই করলে সে একজন চরমপন্থী এবং উগ্রপন্থী কিংবা মধ্যযুগীয় মনমানসিকতা সম্পন্ন লোক বলে সম্বোধন করা হয়? কেন একজন নান তার ধর্মীয় পোশাকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত ঢেকে রাখলে বলা হয় সে ঈশ্বরের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করছে কিন্তু একজন মুসলমান নারী পর্দা করার জন্য বোরকা কিংবা হিজাব পরিধান করলে বলা হয় তিনি নির্যাতিত কিংবা সেকেলে? কেন একজন পশ্চিমা অমুসলিম নারী তখন ঘর-সংসার ও সন্তানদের দেখাশুনা করার জন্য ঘরে অবস্থান করলে বলা হয় সে একজন আদর্শ নারী কারণ সে তার পরিবারের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিচ্ছে কিন্তু একজন মুসলিম নারী যখন একই কাজটি করলে বলা হয় তার স্বাধীনতা প্রয়োজন কিংবা নারী মুক্তি ব্যহত হচ্ছে?
Comments (4)
September 02, 2010
লিখেছেন: abdullahbd2008
Category: ইসলাম-Islam, বাংলাদেশ-Bangladesh
শিরক: “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এর ব্যাপারে আরো পড়ে দেখলাম, আল্লাহ বলেছেন,
“তাদের অধিকাংশ আল্লাহর উপর ঈমান আনায়ন করে, তবে (ইবাদতে) শিরক করা অবস্থায়। – সূরা ইউসুফ: ১০৬
আবার আল্লাহ বলেছেন, ”আমি তোমার কাছে এবং যারা তোমার পূর্বে ছিলো তাদের কাছে এই ওহী পাঠিয়েছি যে, যদি কোন শিরক করো, তবে অবশ্যই তোমার আমল নস্ট হয়ে যাবে আর অবশ্যই তুমি খতিগ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবে।” – সূরা যুমার:৬৫
Comments (5)
August 31, 2010
লিখেছেন: এস.এম. রায়হান
Category: ইসলাম-Islam, বাংলাদেশ-Bangladesh
বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশী ভক্তি-শ্রদ্ধার সাথে যাঁর নাম স্মরণ করা হয় – তিনি হচ্ছেন মুহাম্মদ (সাঃ)। প্রায় দেড়-দুই বিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন নিদেনপক্ষে কয়েকবার তাঁর নাম অত্যন্ত ভক্তি-শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে থাকে। অন্যদিকে বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশী ঘৃণা ও অশ্রদ্ধার সাথে যাঁর নাম উচ্চারণ করা হয় – তিনিও হচ্ছেন মুহাম্মদ (সাঃ)। এমনকি বর্তমান বিশ্বে ‘প্রফেট’ বা ‘নাবী’ শব্দটি উচ্চারণের সাথে সাথে মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে প্রায় সবার সামনে যাঁর নাম ভেসে ওঠে – তিনিও হচ্ছেন মুহাম্মদ (সাঃ)। মানব জাতির ইতিহাসে এমন ব্যতিক্রমমূলক ব্যক্তিত্ব আর দ্বিতীয়টি নেই। ইসলামের প্রত্যেকটি বিষয়ই যেন একেকটি মিরাকলের মতো। আল-কোরআন নামক মহা-গ্রন্থটি হচ্ছে তাঁর মুখনিঃসৃত বাণী – তাঁর দাবি এবং প্রায় দেড় বিলিয়ন মানুষের বিশ্বাস অনুযায়ী আল্লাহ তথা এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার বাণী – যে বাণীকে নূর তথা আলোর তৈরী অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাধ্যম (জীব্রাঈল ফেরেশতা)-এর সাহায্যে তাঁর কাছে পাঠানো হয়েছে।
“Great minds have always encountered violent opposition from mediocre minds.” – Albert Einstein
Comments (6)
August 31, 2010
লিখেছেন: samad
Category: ইসলাম-Islam, বাংলাদেশ-Bangladesh
পরম করুনাময়, অতিশয় দয়াবান আল্লার নামে আরম্ভ করছি। আল-কোরান এক মহা-গ্রন্থ। বিশ্ব মানবের পথ প্রদর্শক, গাইড লাইন, যা অতি পবিত্র উচ্চ মর্যাদাশীল কিতাবে, পূত পবিত্র্র লীপিকারের হাতে লওহে মাহফুজে সংরক্ষিত রয়েছে। কোরান আল্লার বাণী, মোত্তাকি গনের পথনির্দেশক। আকাশ ও পৃথিবীতে এমন কোন রহস্য নেই যা এই সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা নেই। (২৭/৭৫) কোরান বিশ্ব জগতের জন্য উপদেশ গ্রন্থ, কোরান সৎ পথের দিশারী ও অবিশ্বাসীগনের জন্য ভয়াবহ বার্তা। কোরান হাবলুল্লাহিল মতিন অর্থাৎ আল্লার দেওয়া মজবুত রশি – যার এক প্রান্ত আল্লার কাছে অন্য প্রান্ত মানুষের কাছে।
Comments (6)
August 30, 2010
লিখেছেন: mariner
Category: সাহিত্য-Literature
বেঁচে থাকা হয়তো জরুরী – তবে কতটুকু?
মরে যাওয়া হয়তো ভয়ের – তবে কতটুকু?
প্রতিদিন দানবের হাতে মানবের
নিগৃহীত হবার ছবি, অথবা খবর৷
প্রতিদিন বান্দরের হাতে সুন্দরের
অপমানিত হবার ছবি, অথবা খবর৷
তারপরও বেঁচে থাকা কি এতটা জরুরী?
তারপরও মরে যাওয়া কি এতটা ভয়ের?
No Comments →
August 29, 2010
লিখেছেন: Panjeri
Category: বিশ্ব-World
মস্করা নয়, চাঁদ সত্যি ছোট হয়ে যাচ্ছে৷ মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা’র বিজ্ঞানীরা মাপজোক করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছেন৷ চাঁদের আয়তনের এই পরিবর্তন আচমকা ঘটছে না – বহুকাল ধরেই নাকি ঘটে চলেছে৷ তবে সম্প্রতি যেন এই পরিবর্তনের গতি কিছুটা বেড়ে গেছে৷ আসলে জন্মের পর থেকে চাঁদের তাপমাত্রা কমে চলেছে৷ শীতে চাঁদ কুঁকড়ে যাচ্ছে৷ প্রথমে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, যে চাঁদের ভূ-তাত্ত্বিক কার্যকলাপ বহুকাল আগেই বন্ধ হয়ে গেছে৷ কোটি কোটি বছর আগে যা হয়েছিল, তার পর নতুন করে আর কিছু ঘটছে না৷ কিন্তু বাস্তবে চাঁদ আজও সক্রিয় রয়েছে৷
Comments (5)
August 29, 2010
লিখেছেন: Fuad
Category: Uncategorized
অনেক নাস্তিক ফিলসফার বলে থাকেন,
১. ঈশ্বর আছেন এর সপক্ষে কোন প্রমান নেই।
২. ঈশ্বর নেই এর সপক্ষেও কোন প্রমান নেই।
উভয় কথাই তারা মেনে নেন। এখন ধরুন, আপনি একটি বলের বাক্স আনলেন। বক্সটি এরকম যে এর ভিতরে কি আছে দেখা যায় না। এখন, দুই জন মানুষ পাওয়া গেল। একজন বললঃ বক্সের ভিতরে বল আছে, আমি বিশ্বাস করি। আরেকজন বলল, না এখানে বল নেই, আমি বিশ্বাস করি। ভাল করে চিন্তা করে দেখুন, বল না থাকলে এর পক্ষে প্রমান থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বল থাকার ক্ষেত্রে আন্দাজ করে বলা যায়, বল থাকলেও থাকতে পারে যেহেতু বল নেই এমন কোন প্রমান নেই। তার মানে না-থাকার চেয়ে থাকার পক্ষের যুক্তিই জোরালো। (ব্যাপারটি বুঝাতে পারলাম কি না কি জানি)
Comments (4)
August 28, 2010
লিখেছেন: Fuad
Category: সাহিত্য-Literature
সকাল বেলায় ক্লাসে দৌড়াও, বাসায় আসার সুযোগ নেই, জবে যেতে হবে, তাই কোন রকম একটি কোক কিংবা ফিস বার্গার দিয়ে প্রতিদিন ইফতারী করা হয়, তবে ছুটির দিনগুলিতে মসজিদে ইফতারী করি, এভাবেই রোজার দিনগুলি চলছে। খারাপ না, ভালই দিনকাল চলছে। মসজিদের সবার সাথে ইফতারী করার মজাই আলাদা। কিন্তু তবুও কী জানি মিস করছিলাম। আহা-রে কত দিন বাসায় ইফতারী করা হয়নি!
Comments (8)
August 28, 2010
লিখেছেন: Shams
Category: Uncategorized
চারদিকে বিরাজমান আপাতদৃষ্টিতে দেখা অসীম এই বিশ্বব্রহ্মান্ডে প্রাণের সম্ভবনা আসলেই কতটুকু! যতটুকু জানা গেছে তাতে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত প্রায় পুরোটাই ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত। পাশ্চাত্য সভ্যতার মধ্যে প্রাচীন গ্রীকরাই প্রথম পৃথিবীর বাইরে অগণিত গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের ধারণা দেন। এর অনেক পরে ষোলশতকে, পূর্বে ধারণাকৃত পৃথিবী-কেন্দ্রিক বিশ্বের বিপরীতে সূর্য-কেন্দ্রিক সিস্টেম ভিনগ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের ব্যাপারে নতুন গবেষণার দ্বার খুলে দেয়। পরবর্তীতে রাশিয়ার স্পুটনিক ১৯৫৭-১৯৫৮ সালের দিকে মহাশুন্যে অভিযান চালিয়ে যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা করে। মহাবিশ্ব সম্পর্কে কার্যকরভাবে আমাদের ধারণায় ব্যাপক পরিবর্তন আসতে শুরু করে তখন থেকেই।
This is a preview of
বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত আমাদের এই পৃথিবী- উদ্দেশ্যহীন নয়তো! – ২
.
Read the full post (386 words, 1 image, estimated 1:33 mins reading time)
Comments (8)
August 28, 2010
লিখেছেন: এস.এম. রায়হান
Category: ইসলাম-Islam, বাংলাদেশ-Bangladesh
[পর্ব-১] বিগত চৌদ্দশ’ বছরের ইতিহাসে বড় বড় অমুসলিম বিজ্ঞানী, দার্শনিক, ও কবি-সাহিত্যিক যেমন গ্যালিলিও, নিউটন, আইনস্টাইন, বার্ট্রান্ড রাসেল, লুই পাস্তুর, মার্কোনি, নীলস বোর, ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক, থমাস এডিসন, লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি, কার্ল মার্ক্স, চার্লস ডারউইন, জগদিশ চন্দ্র বসু, উইলিয়াম সেক্সপীয়ার, বার্নার্ড শ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ও স্টিফেন হকিং-দের মধ্যে কেউই মুহাম্মদ (সাঃ) বা কোরআনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও ঘৃণা-বিদ্বেষমূলক কোন বই-পুস্তক বা প্রবন্ধ লিখা তো দূরে থাক সেরকম কোন উক্তিও হয়তো নেই। এমনকি আমগো ইসলাম-প্রেমী আদিল মাহমুদের নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাঘা-বাঘা অধ্যাপক ও নবেল লরিয়েটদের মধ্যেও উল্লেখ করার মতো তেমন কিছু শোনা যায় না। তাঁরা যে অন্যান্য ধর্মের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার বা ঘৃণা-বিদ্বেষমূলক অপপ্রচার চালিয়েছেন – তাও কিন্তু না।
Comments (4)
August 26, 2010
লিখেছেন: abdullahbd2008
Category: ইসলাম-Islam, বাংলাদেশ-Bangladesh
সমস্ত প্রশংসা ঐ আল্লাহর যে তিনি আমাকে তাঁর দ্বীন শিক্ষা দিয়েছেন এবং আমাকে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর উম্মত বানিয়েছেন। আমিতো এক সাধারণ মানুষ ছিলাম, হয়তো অন্য অনেকের মতো এই দুনিয়ায় লিপ্ত থেকে আল্লাহ ও তাঁর দ্বীনকে না জেনেই মারা যেতে পারতাম। আল্লাহ তা থেকে আমাকে রক্ষা করেছেন। আলহামদু লিল্লাহ। বিশ্বব্যাপী দাওয়াতের যে মেহনত চলছে, তার মাধ্যমে আল্লাহ আমাকে হেদায়েতের রাস্তা চিনিয়েছেন। আল্লাহ ঐ ভাইদেরকে কবুল করুন। অন্য কেউ স্বীকার করবে কিনা জানিনা, দাওয়াতের মেহনতের সাথে লেগে থাকা ভাইদের আন্তরিকতা, পরিশ্রম ও ইখলাস বা শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য কাজ করার গুণটা যে কতটা গভীর, তা আল্লাহই জানেন। তারা টাকা-পয়সার অহঙ্কার ভুলে এক মুসলিম ভাই অন্য মুসলিম ভাইদের ইকরাম করছেন। এক্ষেত্রে কোন বংশ, আভিযাত্য বা অন্য কোন দুনিয়াবী স্ট্যাটাস বাধাঁ সৃস্টি করতে পারেনি। আল্লাহ তাদেরকে কবুল করুন। আমীন।
Comments (2)
August 25, 2010
লিখেছেন: mariner
Category: বাংলাদেশ-Bangladesh
প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা!
আমরা হয়তো খেয়াল করি না বা ভেবে দেখার অবকাশ নিই না যে, জন্মলগ্ন থেকে আমাদের জীবনে এক ধরণের countdown শুরু হয়ে যায়। যার আয়ু ৬০ বছর, তার জীবন “রাফ” হিসাবে ১৮৯,২১,৬০,০০০ সেকেন্ডের সমষ্টি। সুতরাং ব্যাপারটা এরকম যে, অদৃশ্য কোন ডিজিটাল ঘড়িতে বুঝিবা তার জীবনের countdown শুরু হয়েছিল ১৮৯,২১,৬০,০০০ থেকে – এখন হয়তো ৯,২১,৬০,০০০-তে পৌঁছেছে – তার অজান্তে কমতে কমতে ‘০’-তে পৌঁছালেই সবশেষ! NASA-র মহাকাশযানের launchpad থেকে মহাকাশযানগুলোর যেমন উৎক্ষেপন হয়, তেমনি আমাদের দেহের launchpad থেকে প্রাণগুলো যাত্রা করবে অসীমের পানে – one way journey! এভাবে ভাবলে, কোন মুসলিম তার জীবনের সাধারণ দিনরাতগুলোও হেলা ফেলায় কাটাতে পারে না! আর রামাদান মাস হচ্ছে বিশেষ একটা সময় – অন্য সময় কেউ যদি তার জীবনের সময়রূপ নিয়ামত হেলা-ফেলায় নষ্ট করেও থাকে, তবে তা compensate-করার একটা চমৎকার সুযোগ আসে এসময়ে। অথচ, এই ব্লগের কত মুসলিম ভাই-বোনেরা কত তুচ্ছ ও অর্থহীন বাক-বিতন্ডায় এই পবিত্র রামাদান মাসের অমূল্য সময়গুলো কাটিয়ে দিচ্ছেন।
Comments (5)
August 24, 2010
লিখেছেন: এস.এম. রায়হান
Category: ইসলাম-Islam, ইসলামবৈরীতা-Anti Islam
যারা ফ্র্যান্স ও মালয়েশিয়াতে গেছেন তারা হয়তো আইফেল ও পেট্রোনাস টাওয়ার দেখে থাকবেন। উপর থেকে টাওয়ার দুটোর “বার্ড’স আই ভিউ” দেখলে অত্যন্ত চমৎকার লাগে। ভূমি থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে দেখলে অন্যরকম ভাল লাগে – বিশেষ করে রাতের বেলা। আবার টাওয়ারের ভেতরে ঘুরেফিরে দেখলে আরো ভিন্নরকম অনুভূতি হয়। যদিও সেরকম কিছু আমার নজরে পড়েনি তথাপি টাওয়ার দুটোর আশেপাশে খোঁজ করলে হয়তো ময়লা-আবর্জনা ও বস্তির মতো কিছু ঘর-বাড়ি পাওয়া যেতে পারে – যেগুলো মূল টাওয়ারের অংশ নয়। এখন কেউ যদি টাওয়ার দুটোকে দেখে বা না দেখে টাওয়ারের আশেপাশের ময়লা-আবর্জনা ও বস্তির মতো ঘর-বাড়িকেই ‘আইফেল টাওয়ার’ বা ‘পেট্রোনাস টাওয়ার’ হিসেবে প্রচার করে তাহলে যারা টাওয়ার দুটোকে স্বচক্ষে দেখেছেন তাদের কাছে কেমন লাগতে পারে?
Comments (7)
August 23, 2010
লিখেছেন: Panjeri
Category: ইসলাম-Islam, বাংলাদেশ-Bangladesh
বুদ্ধিজীবী শব্দটির অর্থ নির্ণয় করা বেশ কঠিন। শব্দটির ব্যবহার শুরু হয়েছে উনিশ শতকের শেষের দিকে। প্রাসঙ্গিক উদ্দেশ্যের কারণেই এখানে প্রত্যেক সংস্কৃতিবান বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিকে বুদ্ধিজীবী হিসাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রস্তাব রাখা হচ্ছে না বরং এটিকে আরবীতে আল-মুফাকিরুন এর মধ্যে দৃঢ়ভাবে সীমাবদ্ধ করে রাখার পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে বর্তমান আলোচনা। যার অর্থ হলো বিশ্লেষণাত্বক মন ও মনন এর অধিকারী যিনি তার বাগ্মিতা বা ভাষণ অথবা লেখা প্রকাশনার মাধ্যেম কোন মতামত বিনিময়ের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম এবং এভাবে যোগাযোগ তার দক্ষতা প্রমাণ করে, শুধু ঘরে বসে চিন্তা ও সমালোচনায় নিজেকে আবদ্ধ করে রাখে না। কিন্তু আসলেই কি নাস্তিক দাবিদার এ ধরণের ব্যক্তির কোন উদাহরণ আমাদের সামনে আছে? এ কথাতো সবারই জানা যে, ইউরোপ এমনকি কামাল তুর্কীর এলিট সম্প্রদায়ও এই দৃষ্টিভঙ্গি লালন করেন যে, স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস বা আন্তরিকতা এবং বুদ্ধিমান হওযার মধ্যে একটি পারষ্পরিক বিরোধ আছে। সহজভাবে বলতে গেলে তারা মনে করেন যিনি ধর্মে বা স্রষ্টায় বিশ্বাস রাখেন তার মাথায় কোন বুদ্ধি নেই। আবার বুদ্ধিমান ব্যক্তিমাত্রই আল্লাহকে বা ধর্মকে অবিশ্বাস করেন না।
This is a preview of
নাস্তিকতার বিজ্ঞান ঠিকাদারি এবং বুদ্ধিজীবী ভাবনা
.
Read the full post (938 words, estimated 3:45 mins reading time)
No Comments →
August 21, 2010
লিখেছেন: এস.এম. রায়হান
Category: ইসলাম-Islam, ইসলামবৈরীতা-Anti Islam
কোরআনকে যারা মিথ্যা – তথা স্রষ্টার বাণী নয় – প্রমাণ করার চেষ্টা করে তাদের লেখাতে যে যুক্তি বা বৈশিষ্ট্যগুলো পরিলক্ষিত হয় সেগুলো মোটামুটি নিম্নরূপ:
- ৯/১১ এর পর থেকে এটি অনেকের কাছেই বেশ জোরালো বা প্রিয় যুক্তি। কোন না কোন পর্যায়ে ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার কথা অবধারিতভাবে চলে আসবেই। তাদের যুক্তিটা এরকম: (১) বিন লাদেনের নেতৃত্বে আল-কায়েদা জিহাদীরা এরোপ্লেন দিয়ে নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ার উড়িয়ে দেয়া সহ প্রায় তিন হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে; (২) আল-কায়েদা জিহাদীরা সবায় পাক্কা মুসলিম ছিল; (৩) অতএব কোরআন কোনভাবেই এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার বাণী হতে পারে না।
This is a preview of
স্রষ্টার বাণী সম্পর্কে কিছু ভ্রান্ত ধারণা
.
Read the full post (517 words, estimated 2:04 mins reading time)
Comments (2)